Description
“চাকরি সুবাদে একই অফিসে দু’জনে কাজ করার ফাঁকে নির্মলের নিয়ন্ত্রণহীন ভাবাবেগের কাছে দীর্ঘ সময় পার করে হলেও এক সময় হার মানে অপূর্ব সুন্দরী নাদিরা। দু’জনই জড়িয়ে পড়ে গভীর প্রেমে। দু’জনই জানে তাদের প্রেমের পথে শত কাঁটা, শত বাধা। কত বাধা! সব বাধাকে তারা চুলচেরা বিশ্লেষণ করেই গোপনে দু’জনে বিয়ে করে কোনো এক মাজারে গিয়ে। কিন্তু এই গোপন বিয়ে কোনো সময়ই আর আলোর মুখ দেখতে পারেনি। লুকিয়ে লুকিয়েই তাদের সংসার করতে হয়। অন্ধকার আর আলোছায়ার হেয়ালি খেলা যেন তাদের জীবনের সঙ্গে মিশে যায়। সামাজিক, পারিবারিক, ধর্মীয়, প্রাতিষ্ঠানিক, দারিদ্র্য ইত্যাদির বাধা তাদের বিয়ের সম্পর্ক দু’জন ছাড়া পৃথিবীর আর কোনো মানুষকে জানাতে সাহস পায়নি। বিয়ের সমাজে যদি না জানানোই হলো তাহলে সেই বিয়ে কীভাবে টিকে? টিকেনি। নাদিরার প্রমোশন হয় এবং নাদিরাই নির্মলের বস হয়। কিছুদিন ভালো গেলেও নির্মলের মনে সন্দেহের দানা বাঁধে। নাদিরার প্রমোশনটা হয়তো যোগ্যতা দিয়ে পায়নি। এই সন্দেহ থেকেই নির্মলের দূরে সরে যাওয়া। তারপর একদিন উধাও। ঘটনাটি এখানেই মিটে যেত পারত। কিন্তু মিটেনি। নাদিরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। খুঁজে বেড়ায় নির্মলকে। এক সময় পেয়েও যায় যমুনার তীরে। তাকে আবার আঁচলে বাঁধতে চায়, এবার অনেককে জানিয়ে। তারপরও সে ব্যর্থ হয়। নির্মল আবার উধাও হয়ে যায়। দু’জন থাকে যমুনার দুই তীরে। দু’জনই কি অপেক্ষায় থাকে যমুনার দু’কূল এক হলে তারাও এক হবে একদিন?”















মুহাম্মদ ফরিদ হাসানের চিত্রকলার জগৎ পড়তে গিয়ে প্রথমেই এ কথা মনে হলো যে, লেখক কঠিন বিষয়কে পাঠকের হৃদয়গ্রাহী করার দুরূহ কাজটি সাবলীলভাবে করেছেন। তত্ত্ব, তথ্য, তারিখের জটিল সমীকরণগুলি জীবনের গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে মনোগ্রাহী করে তুলেছেন। লেখক তার গ্রন্থে আমাদের প্রবেশ করাচ্ছেন শিল্প মতবাদ দিয়ে। এই প্রবন্ধের মাধ্যমে চিত্রকলা বিষয়ে শিক্ষিত তথা আনাড়ি, সবার মনে চিত্রকলার বিবর্তনের সম্যক ধারণা তৈরি হবে। এছাড়া শিল্পীদের জীবন ও মনের সংকুল যাত্রাপথ লেখক চমৎকার তুলে ধরেছেন তার বিভিন্ন প্রবন্ধে। লেখাগুলো গল্পের মতন তরতরিয়ে পড়া যায়।




There are no reviews yet.