Description
কামাল রাহমান
জন্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৫৫, শেরপুর, বাংলাদেশ।
শিক্ষা: এমবিএ।
পেশা: প্রাক্তন ব্যাংকার (শেষ কর্মস্থল: অধ্যক্ষ, প্রিমিয়ার ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি, ঢাকা)।
পৈতৃকবাস: কুমিল্লা, বাংলাদেশ।
বর্তমান অবস্থান: যুক্তরাজ্য।
লেখকের প্রকাশিত বই:
উপন্যাস: তাজতন্দুরি; মাটি মানুষ ও অরণ্য; লুসাইরূপসী ও জলের কান্না; জুম ও জোনাকির আলো; অরোরা বোরেয়্যালিস; বুনোবর্বর; দেবপাল; রাজাধিরাজ; রাজনন্দিনী পরিবিবি ও কিল্লাপুরাণ।
গল্পগ্রন্থ: শীতের আপেল ও কমলা, স্টোনহেঞ্জ, ইঁদুর।
কবিতা অনুবাদ: মেসোপটেমীয় মহাকাব্য: গিলগামেশ; পৃথিবীর প্রথম কবি এনহেদুয়ান্না রচিত মহাকাব্য: ইনান্না; প্রেম ও অন্যান্য; গোলাপ ও গোধূলি।
গল্প অনুবাদ: ভালোবাসার রং সবুজ।
প্রবন্ধ/নিবন্ধ/সাক্ষাৎকার: ডায়াস্পোরা সাহিত্য ও বিবিধ প্রসঙ্গ; অনুবাদ সাহিত্য, রবীন্দ্রনাথের জীবনদেবতা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ: সাতটি সাক্ষাৎকার।
























‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’




There are no reviews yet.