Description
দিলারা মেসবাহ
বাবা- তাসাদ্দুক হোসেন খান লোহানী।
মা- বদরুন্নেসা লোহানী।
স্নাতকোত্তর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৭৫)।
জন্মভিটা, দিলালপুর, পাবনা শহর।
লেখার ভুবনে সত্তর দশক থেকে। নিয়মিত আশির দশকে। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে।
প্রকাশিত গ্রন্থ সংখ্যা ৪৩ টি।সম্পাদনা ৫ টি।
প্রান্তিক মানুষ ও জনপদে বিষয়ে তাঁর মূল মনোযোগ। আঞ্চলিক বুলি বুননে তাঁর ঝোঁক। শতাধিক ছোটোগল্পে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্তের যাপনের চিত্র আঁকতে পারঙ্গম এই কথাশিল্পী। নিভৃতচারী এই লেখকের কয়েকটি পুরষ্কার প্রাপ্তি।
কমর মুশতরী স্মৃতি পুরষ্কার, বগুড়া লেখক চক্র পদক, (কথাসাহিত্য) পদক্ষেপ সাহিত্য পুরষ্কার, নূরজাহান পদক সামগ্রিক সাহিত্যে। লেখিকা সংঘ সাহিত্য পুরষ্কার, রাইটার্স ক্লাব সম্মাননা (শিশু সাহিত্য), কিশোরকণ্ঠ সাহিত্য পুরষ্কার ইত্যাদি।
তিন সন্তান, প্রকৌশলী মেসবাহউদ্দিন আহমেদ স্বামী।
দিলারা মেসবাহ কথাসাহিত্যিক, রম্য লেখক, শিশু সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, সংগঠক, কলামলেখক।




































বাংলা ছোটোগল্পের ইতিহাস খুব পুরানো নয়, তবু এগিয়েছে পাশ্চাত্যের সাথে তাল মিলিয়ে। আলাদা করে বলতে গেলে, বাংলাদেশের ছোটোগল্পের যে স্বকীয়তা তা বোধ করি সচেতন পাঠকগণ সহজেই অনুমান করতে পারেন। একুশ শতকের দুটি দশক পার হবার পরে বাংলা ছোটোগল্প এখন তার আধুনিকায়নের নতুন স্তরে পৌঁছে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এদেশর তরুণ গল্পকারেরা বিষয় নির্বাচনে গ্রাম্যজীবন ছেড়ে এখন হয়েছে নগরমুখী। আধুনিক নাগরিক জীবনের একাকিত্ব, অন্তর্দ্বন্দ্ব, প্রেম, হতাশা, চিন্তা চেতনা, যৌনতা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই এসেছে ভিন্নতা। সেই নগর জীবনের একাকী মানুষ থেকে শুরু করে দেশের ইতিহাসের কিছু উল্লেখযোগ্য বিষয় গল্প হয়ে উঠে এসেছে ‘পিওর মশগ্রীন’ গল্পগ্রন্থে। এই এক মলাটে স্থান পেয়েছ মোট দশটি গল্প। দশটি গল্পের প্রতিটি গল্পকে আলাদা করা যায় তার বিষয় বৈচিত্রতায়। গল্পগুলোতে উঠে এসেছে জাদুবাস্তবতা, মুক্তিযুদ্ধ, দেশভাগ, করোনাকালীন সময়ে ব্রোথেলের অভ্যন্তরিন সংকট, রাজশাহী অঞ্চলের লোকসংগীত আলকাপ শিল্পীর অর্থনৈতিক দৈউলিয়াত্ব ও পর্ণগ্রাফির মতো বিষয়। গল্পের বিষয় ভিন্নতা ও তার আধুনিক উপস্থাপনের কারণে গল্পগুলো পাঠকের মনে এক দীর্ঘ চিন্তার খোরাক যোগাবে বলে মনে করি।













There are no reviews yet.