Description
জন্ম : ৩১ মার্চ ১৯৭৯, বাবা : এ.কে আহম্মদ উল্ল্যা, মা : মোবাশ্বেরা আহম্মদ, শিক্ষা : বিএসএস, পেশা : শিক্ষক।
প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ :
মহাকাব্য : ‘মাতৃভূমি’ (২০২৩), ইন্টারন্যাশনাল পাবলিকেশন, ঢাকা।
কাব্যগ্রন্থ : ‘একদিন মেঘ ছুঁবো একদিন নদী’ (২০০২), অধিকার প্রকাশনী, রংপুর; ‘মগ্ন প্রকৃতির চেনা উঠোন’ (২০১৬), শ্রাবণ প্রকাশনী, ঢাকা; ‘কংক্রিটে শামুকের অবয়ব’ (২০১৭), শ্রাবণ প্রকাশনী, ঢাকা; ‘ছেঁড়া পৃষ্ঠা’ (২০১৯), অমরাবতী প্রকাশনী, ঢাকা; ‘কেউ থাকে না একলা হাওয়া’ (২০২০), নন্দিতা প্রকাশনী, ঢাকা; ‘ভালোবাসা পেলে আমি জল হয়ে যাই’ (২০২১), বেহুলা প্রকাশন, ঢাকা; ‘দূর থেকে দূরে যায় হুইসেল’ (২০২২), ইন্টারন্যাশনাল পাবলিকেশন, ঢাকা; ‘যে কথা হয়নি বলা যে কথা শোনার’ (২০২৪), অনুপ্রাণন প্রকাশনী, ঢাকা।
গল্পগ্রন্থ : ‘বিষণ্ন ভিটে’ (২০১৮), শ্রাবণ প্রকাশনী, ঢাকা; ‘যদি’ (২০১৮), পপি লাইব্রেরি, ঢাকা; ‘সরলা’ (২০১৯), পায়রা প্রকাশনী, সিলেট।
কিশোর গল্পগ্রন্থ : ‘হাত’ (২০২০), জংশন প্রকাশনী, ঢাকা।
শিশুতোষ গল্পগ্রন্থ : ‘পিতার বুকে বুলেট’ (২০২১), সাম্প্রতিক প্রকাশনী, ঢাকা; ‘বর্ণমালা’ (২০২১), সাম্প্রতিক প্রকাশনী, ঢাকা।
উপন্যাস : ‘শূন্যতার নন্দিত আসমান’ (২০১৯), পায়রা প্রকাশনী, সিলেট; ‘অকথিত কথার ডায়েরি’ (২০১৯), পায়রা প্রকাশনী, সিলেট; ‘কোথাও মেঘ নেই’ (২০১৯), অমরাবতী প্রকাশনী, ঢাকা। ‘যেতে চাও যাও’ (২০২৫) অনুপ্রাণন প্রকাশনী, ঢাকা।
স্বীকৃতি : আন্তর্জগত পুরস্কার ১৯৯৯, রবীন্দ্রভবন, আরামবাগ, হুগলী, কলকাতা। ২০০০ সালে অভিযাত্রিক, দেশব্যাপী সাহিত্য প্রতিযোগিতায় পুরস্কার। ২০০১ সালে অভিযাত্রিক রংপুর থেকে শ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে ‘স্বর্ণপদক’ পুরস্কার। ২০১৭ সালে লক্ষ্মীপুর সাহিত্য সংসদ, লক্ষ্মীপুর ‘কবি’ পুরস্কার। ২০১৮ সালে চলন্তিকা সাহিত্য সংসদ, ঢাকা ‘কথাসাহিত্য’ পুরস্কার। ২০১৮ বাংলাদেশ কাব্যচন্দ্রিকা, রংপুর ‘সাহিত্যপদক’ পুরস্কার। The International creative Arts Award-2024 for ‘Matribumi’ (Epic), ICALDRC Linguics Unit of Dakha University.

































কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।










There are no reviews yet.