Description
……………………………………..
$ 1.06 $ 1.76
সৈয়দ রায়হান বিন ওয়ালী। লেখক নাম: সৈয়দ ওয়ালী। জন্ম: ১৭ই জানুয়ারি ১৯৬৭। জন্মস্থান: পুরাতন ঢাকা। পিতা: সৈয়দ ওয়ালী হোসেন সুলতান। মাতা: সোহেলি ফেরদৌসী। পৈত্রিক ভিটে: কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার ইসলামপুর গ্রাম।
বেড়ে উঠা: সৈয়দ ওয়ালীর শৈশবের প্রথম কয়েক বছর কাটে পুরাতন ঢাকার বংশালে। তবে দেশ স্বাধীন হবার বছর খানেক পর পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে পিতার নানী-বাড়ি গাজীপুরের কালিয়াকৈর-জমিদার- বাড়ির গ্রামীণ পরিবেশে কাটে শৈশব ও কৈশোরের পরবর্তী কয়েক বছর। যার সুবাদে সে শহর ও গ্রামের দ্বৈত জীবনের অভিজ্ঞতায় বেড়ে উঠার সুযোগ পায়। যে দ্বৈত-জীবনের অভিজ্ঞতার বিবিধ বৈশিষ্ট তার বিভিন্ন কবিতায় গদিয়ান। শিশুকাল থেকে সাহিত্যের অন্যান্য মাধ্যমের প্রতি তীব্র টান অনুভব করলেও মূলত যৌবনে এসেই সৈয়দ ওয়ালী ধীরে ধীরে কবিতা জগতের প্রতি মুগ্ধ হতে থাকে এবং নিজের কবিতা সৃজনের তৃষ্ণা নিজের ভেতর অনুভব করতে থাকে, যে তৃষ্ণা পরিশেষে তাকে কবিতা চর্চায় নিমগ্ন করে; সৃষ্টিশীলতা শুরুর বছর বিচারে যা ইংরেজি বর্ষপঞ্জির ১৯৮৯/১৯৯০। সেই থেকেই সৈয়দ ওয়ালী কবিতার ভাব ভাষা ছন্দ ও শৈলী নিয়ে বিচিত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করা ও এইসব উপাদানের যথাযথ সমন্বয়ের মাধ্যমে সৃজন করে চলেছেন তার কবিতার নিজস্ব ও স্বতন্ত্র এক জগৎ, যা আজ অবধি চলমান।
প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থঃ ‘তুমি ও তোমাদের হাত ছুঁয়ে ছুঁয়ে’, ‘বিনত খসড়া’।
……………………………
……………………………………..
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
আলতাফ হোসেন-এর জন্ম ২৭ অক্টোবর ১৯৪৯। পৈতৃক নিবাস কিশোরগঞ্জ। বাবার চাকরিসূত্রে শৈশব কৈশোর কেটেছে পাটনা, কলকাতা, চাটগাঁ, করাচি ও ঢাকায়। ১৯৬৪ থেকে পুরোপুরিভাবে ঢাকায় বসবাস। অনার্স ও এমএ করেছেন বাংলায়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেস, ঢাকা থেকে দু-বছর ফরাসি ভাষা শিখে সনদ পেয়েছেন।
কফি জেগে থাকে
কিছু একটা বলাটাই যখন বাধ্যবাধকতাÑবাহুল্য এবং আপেক্ষিক বাতুলতা বাদ রাইখা মাহবুব লীলেন থাইকা ধার কইরা বলতে হয়Ñ ‘আনফিট মিসফিট হইয়া হামাগুড়ি দিয়া হাঁটি, আর রাত্তিরে ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ টাইনা চিক্কুর দিয়া কইÑ যাহ শালা বাঁইচা গেলাম আরও একটা দিন।’
এইটা বড়োবেশি জৈবিক বাঁচা
মানবিক বাঁচনের স্বপ্নও দেখি না বহুদিন
বড়ো তরাসে আছি
বড়ো বেশি চাইপা আছি, নিজের গলা নিজে।
দ্বান্দ্বিক দ্বন্দ্ব বিষয়ক আজাইরা প্রলাপ
মেঘ অদিতি। কবি ও গল্পকার হিসেবে ‘দু’বাংলাতে পরিচিত। জন্ম: ৪মে, জামালপুর। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘জলডুমুরের ঘুম (কাব্য)’ ‘অস্পষ্ট আলোর ঘোড়া (গল্প)’ ‘অদৃশ্যতা হে অনিশ্চিতি (কাব্য)’ এবং ‘সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ (মুক্তগদ্য)।
প্রবেশিধকার সংরক্ষিত
আবু জাঈদ। জন্ম: ২২শে জুলাই ১৯৮৩, ঢাকা। পড়াশুনা অসমাপ্ত রেখে একসময় কবি বাউণ্ডুলে জীবনের এলোমেলো আলপথে নেমে যান বেঁচে থাকার প্রয়োজনে, তাই বলে কাব্যচর্চা থেমে থাকেনি। এক সন্তানের জনক। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
মানচিত্রের ফাঁসি চাই
মুর্শিদা জামান। জন্ম: ১৯৮৩ সনে বর্তমান বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায়। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণের খুলনা শহরে। বাংলায় অনার্স সহ এমএ করেন ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কবিতা লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট কাগজ ও সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকাতে ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃতি ও পশু-পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি লেখালেখি নিয়েই ব্যস্ত।
অদৃশ্য ছায়ার প্রজাপতি
হাসানআল আব্দুল্লাহ। জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৬৭। গোপালগঞ্জ জেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। তিনি প্রবর্তন করেছেন নুতনধারার সনেট। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থর সংখ্যা দশ। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার কবিতার অনুবাদে প্রকাশ করেছেন বিশ্ব কবিতার কয়েকছত্র। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ- সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা, আঁধারের সমান বয়স, এক পশলা সময় প্রভৃতি। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের কুইন্স শহরের পোয়েট লরিয়েট ফাইনালিস্টের সন্মান পেয়েছেন।
বৃত্তের কেন্দ্রেও কবিতার মুখ
তুহিন দাস, কবি ও লিটলম্যাগ কর্মী। জন্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৮৫, জল ও কবিতার শহর বরিশালে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। প্রথম কবিতার শিরোনাম ‘সমাধিপৃষ্ঠা’। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ সাহিত্যপত্র সম্পাদনা শুরু করেন। সম্পাদনার জন্যে ২০১১ সালে ‘চিহ্ন সন্মাননা’ পেয়েছেন। বর্তমানে ‘আরক’ পত্রিকা ও প্রকাশনায় কর্মরত আছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ছয়, ‘বনসাই প্রকল্পের মানুষ’ ‘অসুখময় দিনরাত্রি’ ‘বিষাদনীলঘোড়া’ ‘কাজল বিক্রেতার স্বপ্ন’ ‘বাগান সিরিজ’ ও ‘দূরের পাড়া কাছের বাড়ি’।
কাঠের মুখ
লেখক পরিচিতি :
হান্নান হামিদ, লেখক নাম কালের লিখন। জন্ম: আগস্ট, ১৯৮৪। জামালপুর। ‘বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস’ লেখকের প্রথম বই।
বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস
আত্মমুগ্ধ শিকল
কাজী রহমান। পরবাসী লেখক নিজের পছন্দ মতো বাঁচতে দু-যুগ আগে মার্কিন মুলুকে চলে আসেন স্ত্রী ও প্রথম শিশুকন্যা সাথে নিয়ে। বড় হয়েছেন পুরনো ঢাকার গেন্ডারিয়া’য়। জ্ঞান হবার পরপরই নিজেকে আবিষ্কার করেছেন ঘরের পাশের গ্রন্থাগারে, বিভিন্ন শিশু সংগঠন আর সমাজসেবামূলক সংগঠনের আলোছায়ায়। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার দুরন্ত কিশোর স্বাধীনতার যুদ্ধ দেখেছেন কাছ থেকে আর আতঙ্কের দিন গুনেছেন সারাক্ষণ মুক্তিযোদ্ধা দু’ভাইয়ের ঘরে ফেরার অপেক্ষায়। গ্রাজুয়েশন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কর্মজীবন কেটেছে বিদেশী এয়ার লাইন্সের কর্মকর্তা হিসেবে।
তারাধুলো জল ও নস্টালজিয়া
অরণ্যক তপু। জন্ম: ১৯৯৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ঢাকার ঝিগাতলা। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলায়। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ব্যথিত ভায়োলিন
রঞ্জনা বিশ্বাস। জন্ম: ১০ডিসেম্বর, ১৯৮১। গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামে খ্রিস্টিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ‘ভুলস্বপ্নে ডুবে থাক আদিবাসী মন’ ও ‘আমি তিনবেলা বৃষ্টিতে ভিজি’ কাব্যগ্রন্থ দু’টি কবির প্রকাশিত কাব্যফসল। এছাড়া কবি কবিতাচর্চার পাশাপাশি ফোকলোরচর্চাকেও ব্রত হিসাবে নিয়েছেন। নৃ-তাত্ত্বিক ও গবেষণাধর্মী কবির আরও বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। কবি বাংলা একাডেমির ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ ও ‘লোকজ সংস্কৃতির বিকাশ’ প্রকল্পে কাজ করছেন। এছাড়া এখন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগে কর্মরত আছেন।
বেদনার পাথর ও প্রান্তিক দীর্ঘশ্বাস
কবিতার পথ কণ্টকময়। চিরকাল কবির আরাধ্য, তবু কবিতা অধরা থেকে যায়। এটা সত্য, কবির ঔরসে কবিতার জন্ম। কিন্তু যখন কবি থাকেন না, তখন কবিতাই বহন করে কবির অলৌকিক স্বর।
এক যুগ ধরে কবিতা-পথের যাত্রী মুহাম্মদ ফরিদ হাসান। তার লেখাগুলো প্রধানত প্রেম, সৌন্দর্য চেতনা, দর্শন যাপনের অভিঘাতকে কেন্দ্র করে। সরল বাক্যবন্ধে কবিতায় তার উচ্চারণ চিরকালীন।
মিথ্যুক আবশ্যক তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ। প্রিয় পাঠককে কবির শিল্পজগতে আমন্ত্রণ।
মিথ্যুক আবশ্যক - Mitthuk Abosshok
লেখক পরিচিতি :
দেবাশীষ মজুমদার। জন্ম চাঁদপুরে, তার বয়স যখন সাত, সরকারি চাকরিজীবী বাবা’র বদলি হয় চট্টগ্রামে, এ শহরেই বেড়ে ওঠা। ভারতে কিছুদিন পড়াশোনা ছাড়া পুরো জীবনটাই এখনো পর্যন্ত কাটিযেছেন এই বন্দর নগরীতে। কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অন্যদিন’।
অস্তিরতার নাম দেশলাই কাঠি
সৈয়দ রায়হান বিন ওয়ালী। লেখক নাম: সৈয়দ ওয়ালী। জন্ম: ১৭ই জানুয়ারি ১৯৬৭। জন্মস্থান: পুরাতন ঢাকা। পিতা: সৈয়দ ওয়ালী হোসেন সুলতান। মাতা: সোহেলি ফেরদৌসী। পৈত্রিক ভিটে: কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার ইসলামপুর গ্রাম।
বেড়ে উঠা: সৈয়দ ওয়ালীর শৈশবের প্রথম কয়েক বছর কাটে পুরাতন ঢাকার বংশালে। তবে দেশ স্বাধীন হবার বছর খানেক পর পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে পিতার নানী-বাড়ি গাজীপুরের কালিয়াকৈর-জমিদার- বাড়ির গ্রামীণ পরিবেশে কাটে শৈশব ও কৈশোরের পরবর্তী কয়েক বছর। যার সুবাদে সে শহর ও গ্রামের দ্বৈত জীবনের অভিজ্ঞতায় বেড়ে উঠার সুযোগ পায়। যে দ্বৈত-জীবনের অভিজ্ঞতার বিবিধ বৈশিষ্ট তার বিভিন্ন কবিতায় গদিয়ান। শিশুকাল থেকে সাহিত্যের অন্যান্য মাধ্যমের প্রতি তীব্র টান অনুভব করলেও মূলত যৌবনে এসেই সৈয়দ ওয়ালী ধীরে ধীরে কবিতা জগতের প্রতি মুগ্ধ হতে থাকে এবং নিজের কবিতা সৃজনের তৃষ্ণা নিজের ভেতর অনুভব করতে থাকে, যে তৃষ্ণা পরিশেষে তাকে কবিতা চর্চায় নিমগ্ন করে; সৃষ্টিশীলতা শুরুর বছর বিচারে যা ইংরেজি বর্ষপঞ্জির ১৯৮৯/১৯৯০। সেই থেকেই সৈয়দ ওয়ালী কবিতার ভাব ভাষা ছন্দ ও শৈলী নিয়ে বিচিত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করা ও এইসব উপাদানের যথাযথ সমন্বয়ের মাধ্যমে সৃজন করে চলেছেন তার কবিতার নিজস্ব ও স্বতন্ত্র এক জগৎ, যা আজ অবধি চলমান।
প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থঃ ‘তুমি ও তোমাদের হাত ছুঁয়ে ছুঁয়ে’, ‘বিনত খসড়া’।
……………………………
জলজ স্বাক্ষর
মুহাম্মদ ফরিদ হাসান বহুমাত্রিক প্রতিভার নিরবচ্ছিন্ন কুশিলব। সাহিত্য গবেষণা ও বিশ্লেষণসহ মৌলিক সৃষ্টিকর্মে তাঁর ভূমিকা অনবদ্য। কবিতার পথে তাঁকে দেখা গেলেও গদ্য তাঁর প্রধান ক্ষেত্র। সবকিছুর পাশাপাশি ফরিদ ছোটদের গল্পও লেখেন, যা দেখে অভিভূত হতে হয়। চমৎকার গদ্যে একেবারে শিশু পাঠকের জন্য তার গল্প নির্মাণকৌশল অতুলনীয়। তার ছাপ দেখতে পাচ্ছি ১২টি গল্প নিয়ে ফরিদের ‘গল্পগুলি পুচ্চিদের’শিশুতোষ গল্পগ্রন্থে। ছোট পরসরে, ছোট-ছোট কোমল সহজ বাক্যবন্ধনে রচিত এই গ্রন্থের প্রতিটি গল্পই স্বতন্ত্র চমক।
একদম শিশুদের নিয়ে, তাদের জন্য সুখপাঠ্য ১২টি গল্প, বিচিত্র বিষয়সমৃদ্ধ ‘গল্পগুলি পুচ্চিদের’। গল্পে এসেছে একদম শৈশবের চঞ্চলতা, স্কুল ও ক্লাসরুম খুনসুটি, বন্ধুদের ছোট-ছোট দ্বন্দ্ব ও রেষারেষি, পাখি, প্রজাপতি ইত্যাদির সঙ্গে সম্পর্ক আর ভৌতিক, জাদু বা স্বপ্নের বিষয়াবলি। ছোটদের জন্য চিরাচরিত গল্পে প্রবেশের আকর্ষণ ধরে রাখার মশলাপাতিও আছে গল্পগুলোতে।
প্রথম গল্প ‘জাদুর বাংলা বই’, ‘রাশেদ ও নীল ভূত’, ‘পার্থ রহস্য’-সহ প্রতিটি গল্পই হালকা রহস্য, একটু একটু চমক আর গল্পের উপাদানে হয়ে উঠেছে ছোটদের প্রকৃত খাঁটি সাহিত্য- যাকে আমরা বলি শিশুসাহিত্য।
প্রকৃত শিশুতোষ গদ্যের এখন আকাল চলছে আমাদের সাহিত্যে। এরকম সময় মুহাম্মদ ফরিদ হাসানের শিশুতোষ এই গল্পগ্রন্থটি মেঘে ঢাকা আকাশে একটুকরো আলোক। শুধু শিশু-কিশোর নয় এই বইটি তাদেরও পড়া উচিত যারা শিশুর জন্য নিখাঁদ একটি সাহিত্য ডোমেন-এর স্বপ্ন দেখেন।
অভিনন্দন মুহম্মদ ফরিদ হাসানকে। সেই সঙ্গে প্রকাশককেও।
-ফারুক হোসেন
শিশসাহিত্যিক ও ছড়াকার
Golpoguli Puchchider - Muhammad Farid Hasan
অনুভূতির পরাগ মাখানো প্রজ্ঞা নিয়ে মানব স্বঅবয়ব, দেশ, পৃথিবী ও জগতের
ঘটমানতাকে প্রত্যক্ষ করে। সেও ধর্মবিশ্বাসের আদলে আদম-হাওয়ার মিথের মত
খুঁজে পেতে চায় কার্য-কারনের একটি আদিম যুগোল। ভূমি ধ্বস, উষ্ণতা, মহামারি
বা একজন শাসক মানবের অস্তিত্বে যে সম্পন্নতা-বিপন্নতা সৃষ্টি করে তার বিশ্লেষণে
কার্য-কারনের ক্রোমোজোমের শিকল ধরে ধরে পৌঁছাই প্রাগৈতিহাসে, সংলগ্ন থাকি
ইতিহাসে, পৌছুতে চাই ভবিষ্যতে। এই কালিক-ধাবনে প্রজ্ঞার উচিয়ে থাকা রৌদ্রাকাঙ্খি
শাখা-প্রশাখা থেকে উড়তে থাকে জন্মান্তরের ক্ষমতা সম্পন্ন অনুভূতির বিস্ফোরক পরাগ,
ঝরে পরে মানবের পথ-পরিক্রমার মানচিত্রে। কবিতার ডালায় কুড়িয়ে নিলেই তা কবিতা
বা নিহিতার্থে রাজনৈতিক কবিতা।
একটি কাব্যিক নীরবতা
মানুষ বাঁচে স্বপ্ন নিয়ে। সবার স্বপ্ন থাকে তার পরিবারকে ভালোকিছু উপহার দেওয়া। পরিবারকে ভালো কিছু উপহার দিতে অর্থের দরকার হয়। অর্থ ব্যতীত সবকিছু মূল্যহীন। অর্থের জন্য মানুষ কি না করে। নিজের জীবনকে বাজি রেখে ভূমধ্য সাগরের মতো সাগর রাবারের নৌকা দিয়ে পাড়ি দেয়। এর মধ্যে শতকরা আশি জনই জানে যে তারা মারা যাবে। তবুও তারা পাড়ি দেয়। পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে। আপনজনকে উজাড় করে দিতে। মানুষের কত-শত রকমের স্বপ্ন তা শরণার্থী উপন্যাসটি পড়লে বুঝতে পারবেন। বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপট, আমেরিকা-ইউরোপের চালবাজি এবং দরিদ্র দেশ থেকে পাড়ি দিয়ে ফার্স্ট ওয়াল্ডের নাগরিক হওয়া যে কতটা কষ্টকর এবং ঝুকিপূর্ণ তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। বাস্তব ঘটনাগুলো নিয়ে শরণার্থী উপন্যাসটি লিখিত। যারা ইউরোপ আমেরিকা গিয়েছেন তারা যেমন স্মৃতিচারণ করতে পারবেন। যারা এখনও যাননি তারাও অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবেন।
Sharanarthi by Kamrul Hasan
জহিরুল হক বাপি। জন্ম ১৯৭৯ সালে নোয়াখালির এক মফস্বলী ঝড়ো সন্ধ্যায়।
চলচ্চিত্র শিক্ষায় স্নাতক। ব্লগার ও গণজাগরণ কর্মী।
লেখকের প্রকাশিত অন্যান্য বই:
ঈস্রাফীলের শিঙ্গা বাজছে (উপন্যাস)
শোকগাথা’৭১ (উপন্যাস)
আমি আমাকে খেয়ে বেঁচে আছি (কবিতা)
মাটির বাকসো লড়োচড়ো
চন্দন আনোয়ার। গল্পকার, কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক। জন্ম: ৮ই জানুয়ারি, ১৯৭৮, নাটোর। বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক পদে নিযুক্ত আছেন। লেখকের ‘শাপিত পুরুষ’ ‘ইচ্ছা মুত্যু’ ‘বাংলা ছোট গল্প’ ও ‘তিন গোত্রজ গল্পকার, মানিক-হাসান-ইলিয়াস’ সহ আরো অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে।
এই সময়ের কথাসাহিত্য-২
ভালোবেসে ছ্যাকা খেলাম। আমার প্রেমিকপ্রবর আমাকে অপবাদ দিলো, আমি না কি মোটেও রোমান্টিক ধরনের মেয়ে নই।
ছ্যাকা খেয়ে মন ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেলো, আমার বেস্টফ্রেন্ড জ্যানেটকে সব কথা খুলে বললাম।
জ্যানেটের বুদ্ধিতেই আমেরিকা থেকে উড়াল দিলাম স্বর্গভূমিখ্যাত বালি দ্বীপে।
স্বর্গভূমিতে এসেই নিজেকে সেক্সি লেডিতে পরিবর্তন করে নিলাম। পরিচয় হলো লেডি কিলারখ্যাত এক প্রেমদূতের সাথে। প্রেমে পড়লাম তার, মন থেকে কোথায় হারিয়ে গেলো আমাকে ধোঁকা দেওয়া সেই প্রথম প্রেম?
কিন্তু ভাগ্যে আমার সুখ লেখা নেই… জীবনটা কেবল উপভোগ করতে শুরু করেছি, সেই মুহূর্তে ছ্যাকা দেওয়া সেই প্রথম প্রেম নতুন করে আবার আমার জীবনে ফিরে আসতে চাইছে।
এদিকে স্বর্গভূমির দূত নীরব ও নিশ্চুপ, এখন আমি কী করব?
Swargovumir Dut by Shapla Sadi
উপন্যাসটি যখন আরম্ভ করি তখন মনে এই ইচ্ছে ছিল যে, মহেশখালীর ট্রলারের মালিকদের কাছ থেকে কাজের বিনিময়ে শামুক ও ঝিনুকের শুঁটকি বানিয়ে একজন ব্যবসায়ী কিভাবে কোটিপতি হতে পারে সেটি নিয়ে গল্প সাজাব। গল্প যে লেখককে তার ইচ্ছে থেকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে, ‘স্বপ্নজাল’ উপন্যাসটি লিখতে গিয়ে আমি টের পেলাম যখন আমি ধীরে ধীরে আমার অভিজ্ঞতা, পঠন, ভ্রমণ ও কল্পনা মিশিয়ে লিখতে লিখতে যেন নিজেকেই লিখে ফেললাম। এখন পর্যন্ত যতটুকু লিখেছি, হাজার পৃষ্ঠা ছাড়িয়ে যাবে। তাই আরেকটি উপন্যাসের জন্যে কিছু রেখে ‘স্বপ্নজাল’ উপন্যাসে অনেক সম্পাদনা করে এটুকু আপনাদের সামনে হাজির করলাম। উপন্যাসে সময় এবং ঘটনার বিস্তার এতোটাই ঘটেছে যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ থেকে পরবর্তী অনেক ঘটনা এসে গেছে। এভাবে ভারত, থাইল্যান্ড, ইথিওপিয়া, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, আলজেরিয়াসহ মালয়েশিয়া, সৌদি আরবের মানুষ ও রাজনীতি ও অর্থনীতিও উপন্যাসে ঢুকে গেছে।
বর্ণিত বিষয়গুলো আমার স্মৃতি, ভ্রমণ ও অভিজ্ঞতা থেকে এসেছে। আমি লেখা থামাতে পারিনি। ফলে একালে এতো বড় ঘটনাবহুল একটি উপন্যাস আপনাদের সামনে হাজির করতে হল। স্বপ্ন, প্রেম, আশ্রয় ও প্রয়োজন মানুষের জীবনে আসলে কী হতে পারে, মানুষের অসীম শক্তি কী করতে পারে কিন্তু করে না, সেটাই ভাবনার বিষয়। এই উপন্যাসের মূলকথা সেটিই।
পাঠকের বিচারের অপেক্ষায় কাঠগড়ায় দাঁড়ালাম।
বইটি প্রাণ লাগিয়ে যিনি সম্পাদনা করেছেন, শুধু কৃতজ্ঞতা দিয়ে তাঁর ঋণ শোধ হবে না। আর প্রকাশক আমাকে উপন্যাসটি প্রকাশের সাহস না দিলে আমি এটি লিখতে পারতাম না। প্রকাশক ও সম্পাদকের কাছে ঋণী রইলাম।
শুভকামনা রইল।
ভাস্কর চৌধুরী।
অমিয়ধারা
শ্যামলী, ঢাকা।
Shopnojal
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.















There are no reviews yet.