Description
মামুন মুস্তাফা
জন্ম ৩ জুলাই ১৯৭১, পিতার কর্মসূত্রে বাগেরহাট জেলায়। পৈত্রিক নিবাস মাগুরা জেলা। বাবা প্রয়াত অধ্যাপক মুহম্মদ গোলাম রসূল ও মা প্রয়াত হামিদা বেগম। তাঁর পিতৃ-প্রদত্ত নাম মুস্তাফা কালিমুল্লাহ আল মামুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বিএসএস (অনার্স)-সহ স্নাতকোত্তর।
গ্রন্থ:
কবিতা: সাবিত্রীর জানালা খোলা, কুহকের প্রত্নলিপি, এ আলোআঁধার আমার, পিপাসার জলসত্র, শিখাসীমন্তিনী, একাত্তরের এলিজি, শনিবার ও হাওয়া ঘুড়ি, কফিনকাব্য, যাপনকথা, দশ দশমী [নির্বাচিত কবিতা], শ্রেষ্ঠ কবিতা এবং কবিতাসংগ্রহ-সহ মোট পনেরোটি কাব্য।
অনূদিত কাব্য: সূর্যগ্রহণের পাশে [ফিলিস্তিনের কবিতা]
প্রবন্ধ: এই বদ্বীপের কবিতাকৃতি, বাংলা কবিতা : আধুনিকতার অনুসৃতি, আবুবকর সিদ্দিক: সমগ্রতার চিরন্তনী-সহ মোট সাতটি গদ্যগ্রন্থ।
সম্পাদনা : ছোটকাগজ ‘লেখমালা’।
সম্মাননা: চিহ্নসম্মাননা, শেরপুর সংস্কৃতি পরিষদ সাহিত্য সম্মাননা এবং অপরাজিত সাহিত্য পুরস্কার।































কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।
There are no reviews yet.