Description

বাবলু রহমান। সাংবাদিক, কবি ও লেখক।
নাম : ওবায়দুর রহমান। ডাক নাম : বাবলু। এ দুইয়ে মিলে দাঁড়িয়েছে বাবলু রহমান।
পেশা সাংবাদিকতা : চার দশকের বেশি দৈনিক দেশবাংলা, জনপদ, গণকন্ঠ, জনতা, ইনকিলাব, বাংলাদেশ বেতার, মানচিত্র (জাপান), Asian Bridge (Japan), চ্যানেল আই (টিভি), ঞযব ঐড়ৎরুড়হ, যায় যায় দিন, ভোরের ডাক, ভোরের কাগজ ও রূপকার সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়’এর ‘সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদ (SSRC)’তে সমীক্ষা করেছেন দুটি।
পড়ালেখা : চুয়াডাঙ্গা গার্লস হাই স্কুল (প্রাথমিকে সহশিক্ষা), চুয়াডাঙ্গা একাডেমী, চুয়াডাঙ্গা কলেজ ও জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি কলেজ-ঢাকা।
মা : রাবেয়া খাতুন। বাবা : এ. কে. এম. মুসা। দৈনিক ইত্তেফাক ও The New Nation এ দীর্ঘদিন চুয়াডাঙ্গা জেলা সংবাদদাতা, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি (১৯৮৪ ও ১৯৮৫) এবং আইনজীবী (এপিপি)।
স্ত্রী : পারভিন রহমান (পারুল)। পুত্র : ওয়াসেক রহমান সৌমিক) ও পার্থ রহমান।
স্থায়ী নিবাস : রাবেয়া নীড়, হোল্ডিং : ৬৭, রোড : ৩খ, পুরাতন মাদ্রাসা পাড়া, চুয়াডাঙ্গা সদর, ডাক+জেলা : চুয়াডাঙ্গা ৭২০০ এবং পারুলতা, হোল্ডিং :
বর্তমান নিবাস : ৬৩ ফজিরবাতান, ক্যাপিটাল হাউজিং, রোড : ৬, ডাক+থানা: উত্তরখান, ওয়ার্ড: ৪৫, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা ১২৩০।
জন্ম : ডিসেম্বর ২, ১৯৫৬। কুমারখালী (মাতুলালয়), কুষ্টিয়া। বেড়ে ওঠা চুয়াডাঙ্গায়।
ভ্রমণ : ইন্ডিয়া, হাঙ্গেরি ও জাপান।
E-mail : bablu.rahmanbd@gmail.com, fb : Bablu Rahman




















































‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’







There are no reviews yet.