Description
ফজিলা ইসলাম ফৌজি
নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে ১৯৭২ সালের ৮ই মার্চ জন্মগ্রহন করেন। তার পিতৃনিবাস মেহেরপুর জেলার কোলা গ্রামের বাবুপাড়ায়।
পিতার নাম মোঃ হাফিজউদ্দিন
মাতার নাম মোছাঃ রাকিবা বেগম।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে অনার্স, মাস্টার্স শেষ করে ১৯৯৯ সালে রাজশাহী ইসলামিয়া কলেজে শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি কলেজ পরিবর্তন করে বর্তমানে মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার গাংনী মহিলা ডিগ্রি কলেজে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োজিত আছেন।
একান্ত নিভৃতে লেখালেখির মাধ্যমে কাব্যচর্চা শুরু। কবিতা, ছোটগল্প ও উপন্যাস লেখার চেষ্টা করছেন তিনি। লেখকের লেখা কবিতার বই “মা’কে মনে পড়ে (২০১৪ অমর একুশে বইমেলা) গল্পগ্রন্থ “মানচিত্রে রক্তক্ষরণ” (২০১৬), “একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে” (২০১৮ অমর একুশে বইমেলা) এবং উপন্যাস “তোমায় চেয়েছি বলে” (২০১৮) প্রকাশিত হয়েছে। স্বামী- মোঃ আমিরুল ইসলাম। দুই সন্তানের জননী ফজিলা ইসলাম ফৌজির প্রিয় শখ বই পড়া, গান শোনা ও ক্রিকেট খেলা দেখা।




























প্রতিদিন নিজের নামে একটা করে গাছ লাগাই। সেচ করি, নিড়ানি দেই, হাওয়া লাগাই। ঋতুর বিরুদ্ধে গিয়ে নিজের মতো করে ফুল ফোটাই। ফলের কাছে নত হয়ে থাকি। আর এভাবেই হেমন্ত পেরুতে গিয়ে শীতের কবলে পড়ে যাই। শীত পেরুতে গিয়ে গাছটি হারিয়ে ফেলে তার আয়ুর পালক।

বাংলা ছোটোগল্পের ইতিহাস খুব পুরানো নয়, তবু এগিয়েছে পাশ্চাত্যের সাথে তাল মিলিয়ে। আলাদা করে বলতে গেলে, বাংলাদেশের ছোটোগল্পের যে স্বকীয়তা তা বোধ করি সচেতন পাঠকগণ সহজেই অনুমান করতে পারেন। একুশ শতকের দুটি দশক পার হবার পরে বাংলা ছোটোগল্প এখন তার আধুনিকায়নের নতুন স্তরে পৌঁছে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এদেশর তরুণ গল্পকারেরা বিষয় নির্বাচনে গ্রাম্যজীবন ছেড়ে এখন হয়েছে নগরমুখী। আধুনিক নাগরিক জীবনের একাকিত্ব, অন্তর্দ্বন্দ্ব, প্রেম, হতাশা, চিন্তা চেতনা, যৌনতা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই এসেছে ভিন্নতা। সেই নগর জীবনের একাকী মানুষ থেকে শুরু করে দেশের ইতিহাসের কিছু উল্লেখযোগ্য বিষয় গল্প হয়ে উঠে এসেছে ‘পিওর মশগ্রীন’ গল্পগ্রন্থে। এই এক মলাটে স্থান পেয়েছ মোট দশটি গল্প। দশটি গল্পের প্রতিটি গল্পকে আলাদা করা যায় তার বিষয় বৈচিত্রতায়। গল্পগুলোতে উঠে এসেছে জাদুবাস্তবতা, মুক্তিযুদ্ধ, দেশভাগ, করোনাকালীন সময়ে ব্রোথেলের অভ্যন্তরিন সংকট, রাজশাহী অঞ্চলের লোকসংগীত আলকাপ শিল্পীর অর্থনৈতিক দৈউলিয়াত্ব ও পর্ণগ্রাফির মতো বিষয়। গল্পের বিষয় ভিন্নতা ও তার আধুনিক উপস্থাপনের কারণে গল্পগুলো পাঠকের মনে এক দীর্ঘ চিন্তার খোরাক যোগাবে বলে মনে করি।
















There are no reviews yet.