Description
বাংলাসাহিত্যের দিগন্ত বহুদূর অবধি বিস্তৃত, বঙ্কিম-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রদর্শিত মসৃণ সেতু পেরিয়ে কালে-কালোন্তরে অনেক নক্ষত্র প্রতিভাবান এসেছেন, কারো অবদানই ছোট নয়। বাংলা সাহিত্যকে ভরিয়ে তুলেছেন রূপ-লাবণ্যে, পরীক্ষা-নিরীক্ষার শেষ নেই, বর্তমান গ্রন্থে সেই বৃহত্তর অবদানকে যথাযথভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে, জীবনের নানান অনুসঙ্গ নানান চড়াই-উৎরাই আছে, তার ভেতর দিয়ে জেগে ওঠে স্বপ্নবীজ-গল্পবীক্ষা। চলমান জীবনের অভিপ্রায়টুকু নিয়ে রঙের প্রলেপে সজ্জিত করে তোলা হয়েছে এক ভাস্কর। জীবনের দর্পণ, ভালোবাসার সিন্ধু, বৈকালি আসরের নম্যতা, কাঙ্খিত এক স্বর্ণালী স্বপ্নের বৈভব। প্রবন্ধ বা সমালোচনা সাহিত্যকে বুদ্ধদেব বসু মান্যতা দিয়ে উচ্চস্তরে স্থান দিয়েছেন, সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাসাহিত্য আজো বেগবান।



























কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।

There are no reviews yet.