Additional information
| Weight | 0.225 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.76 $ 2.35
নিজেকে বিক্রি করতে পারা কিংবা বিক্রি করার চেষ্টা করা অথবা নিজের বিরুদ্ধে নিজেকে দাঁড় করিয়ে বিশ্লেষণ করা এই সময়ের মুখচ্ছবি। সেখানে বাস্তব কিংবা কাল্পনিক চরিত্ররা একেকটি বিস্ময়! অন্ধকার ফুটপাত থেকে উঁচু মুখের থাবায় চলে যায় অন্ধ রেলগাড়ি। আর অতিরিক্ত ঘ্রাণে জড়িয়ে যায় মুদি থেকে গোরস্তান। মৃত্যুস্রোত ও গহীনের আলো আনন্দকে ডুবিয়ে দেয় চেহারার ঘনত্ব। তারপরও রক্তভ্রম, আহত কি-বোর্ড, শীতবইয়ের শর্তসমূহ ঘেউমারা পড়শি চোখের যাদুতে জেগে থাকে দীর্ঘপথ। পাশাপাশি হাঁটতে থাকা ছায়াগুলো কানে-মুখে ঢুকে যায়। আবার বেরিয়েও যায় উচ্চতায়, নিজস্বতায় অথবা নানা পরিচ্ছেদে। গল্পের বয়ানে উহ্য আছে এমন অনেক গোপন সাঁকো। পথ জুড়ে শর্তের ভেতরের চোখকে আবিষ্কার করার চেষ্টায় চারপাশে তৈরি হয়েছে খণ্ড খণ্ড দৌড়। ‘লাবণ্য দাশের সাথে দেখা হওয়ার পর’ গল্পগ্রন্থটি এমনই দশটি গল্প কিংবা দশটি পরিচ্ছেদে দাঁড়িয়ে আছে।
| Weight | 0.225 kg |
|---|---|
| Published Year |
মুখর জীবনগদ্য
১৯৬২ সালের ৫ ডিসেম্বর, ময়মনসিংহে কবি আশুতোষ পাল ও শিউলি পালের সংসারে জন্ম।
লেখাপড়া- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষিবিজ্ঞানে স্নাতক এবং সুইডেন থেকে পরিবেশ বিজ্ঞানে ডিপ্লোমা।
পেশা- এনজিও কর্মী দিয়ে শুরু এবং বর্তমানে সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত।
প্রকাশিত অন্যান্য বই- রাতপঞ্জি (২০০৩),পুননির্বাচিত আমি- ২০১১।
Asochorachor
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে লেখকের নাম হাসান মাহবুব। তিনি নাড়–গোপাল দত্ত অথবা ইসমাইল আহমেদ নন। তিনি রবীন্দ্রনাথ বা আগাথা ক্রিস্টি নন। তিনি দূর আকাশের নীল নক্ষত্র, ধোঁয়া ওঠা কফির মগ, বাজারে মেয়েটির অপরিচ্ছন্ন অন্তর্বাস, ট্রাফিক পুলিশের সিগন্যাল বাঁশি অথবা লোম কাটার মওসুমের ভেড়ার দীর্ঘশ্বাসও নন। তিনি লেখেন। তবে ‘তিনি’ই লেখেন কি-না এই নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ লেখার মতো পরিশ্রমের কাজে বছরের পর বছর এত শ্রম দিয়েছেন, দুটো বইও বের করেছেন (প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত এবং আনন্দভ্রম) তার সাথে এসব ঠিক যায় না। এত সব প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি হাসান মাহবুব হবার চেষ্টা করছেন এবং তারই ফলশ্রুতিতে আরো একটি বই প্রকাশ করে ফেললেন। তিনি সকলের দোয়া প্রার্থী!
নরকের রাজপুত্র
ফজিলা ইসলাম ফৌজি নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে ১৯৭২ সালের ৮ই মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতৃনিবাস মেহেরপুর জেলার কোলা গ্রামের বাবু পাড়ায়। পিতার নাম মোঃ হাফিজ উদ্দিন মাতার নাম মোছাঃ রাকিবা বেগম।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হিসাববিজ্ঞান বিভাগ (অনার্স মাষ্টার্স) শেষ করে ১৯৯৯ সালে রাজশাহীর ইসলামিয়া কলেজে শিক্ষক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে কলেজ পরিবর্তন করে বর্তমানে তিনি মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার গাংনী মহিলা ডিগ্রী কলেজে হিসাববিজ্ঞানের প্রভাষক হিসাবে নিয়োজিত আছেন।
মানচিত্রে রক্তক্ষরণ
সাঈদা মিমি। জন্ম ২৯ ফেব্রুয়ারী, ১৯৬৮। বরিশালে। পেশাগত দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের সাহিত্য সম্পাদক। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা পাঁচটি। শ্রাবন প্রকাশনী থেকে ২০০৮ এ প্রকাশিত হয় প্রথম কবিতার বই ‘সব নিয়ে গ্যাছে এক সময়ের লুটেরা বাতাস।’ দীর্ঘ বিরতির পর আগুনমুখা থেকে ‘ফারাও কুমারী’ Ñ২০১৪ সালে। বাংলার ই-বুক থেকে ই-বই ‘কীর্তনখোলা।’ -২০১৫ সালে। ২০১৬ তে অনুপ্রাণন থেকে কাব্যগ্রন্থ ‘একজন মৃতের ডায়েরী’ এবং কালজয়ী প্রকাশ থেকে ‘শুশুনিয়া পাহাড়’।
ঔরঙ্গজেবের নীল ঘোড়া
হাসান মাহবুব। জন্ম ১৯৮১ সালের ৭ নভেম্বর, ঢাকায়। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার সময় তিনি বুঝেছিলেন এ জায়গা তার জন্য নয়। চলে আসেন
আনন্দভ্রম
জন্ম ১৯৮৭, পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে। পড়াশোনার পাশাপাশি ফটোগ্রাফির সাথে যুক্ত। প্রকৃতি আর মানুষ এই দুই নিয়েই তার পথচলা। নিজের উপর আত্মবিশ্বাস রয়েছে
প্রেম হলো প্রেমের মতো
মঞ্জু সরকার, বাংলাদেশের অন্যতম কথা সাহিত্যিক। জন্ম ১ সেপ্টেম্বর ১৯৫৩, রংপুর। ছোটগল্প উপন্যাস ও শিশু-কিশোর গ্রন্থ মিলিয়ে প্রকাশিত গ্রন্থ অর্ধশতাধিক। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছেÑ মৃত্যুবাণ, উচ্ছেদ উচ্ছেদ খেলা, যৌথ একাকিত্ব, তমস, নগ্ন আগন্তুক, ছোট্ট এক বীরপুরুষ ইত্যাদি। বাংলা একাডেমি, ফিলিপস, ব্যাংক সাহিত্যসহ বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন।
রূপান্তরের গল্পগাথা
জন্ম ১৯৪৭ সালের ১৪ই এপ্রিল। টাঙ্গাইলের মীরের বেতুকা গ্রামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করেন। করটিয়ার সা’দত কলেজ ও স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেছেন। সহকারী সম্পাদক ছিলেন সাপ্তাহিক বিচিত্রা ও দৈনিক সংবাদ Ñএ। ১৯৭৮-৮০ সালে ছিলেন গণচীনের রেডিও পেইচিং এর ভাষা বিশেষজ্ঞ। ১৯৯৪-২০০৪ সালে ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের পরিচালক। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, গবেষণা, শিশুতোষসহ গ্রন্থের সংখ্যা ৭০ এর বেশি।
গল্প সংগ্রহ
মির্জা মুজাহিদ। পেশাগতভাবে বিজ্ঞাপন শিল্পের সাথে জড়িত। জন্মেছেন নড়াইল শহরে। এখন ঢাকায় থাকেন। চেষ্টা করে যাচ্ছেন নিয়মিত ‘কথা’র শিল্পী হতে।
বিপ্রতীপ
শামীম সাঈদ, কবি ও গল্পকার। জন্মÑ ১০ জানুয়ারি ১৯৭৯। কলসনগর, লালপুর নাটোর। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থÑ এই কথা বৃষ্টিবাচক, এভাবে খুলবে না আঁচলের খুঁট, সদা ভাগতেছে ভববান।
কুঁড়িকাল ও যুগযাপনের গল্প
কামরুজ্জামান কাজল বয়সে অনেক নবীন হওয়া সত্ত্বেও [জন্ম ২৫ মার্চ ১৯৯১] এবং অণুগল্প চর্চায় খুব বেশিদিন অতিবাহিত না করলেও ‘দলছুট শালিকগণ’ নামে যে বইটি প্রকাশিত হল;-এর বৈচিত্র্যপুর্ণ বিষয়বস্তু এবং অণুগল্প সম্পর্কিত ধারণার সাথে লেখকের যে নিবিড় ঐক্য স্থাপিত হয়েছে- বইটির পাঠশেষে এই কথাটাই মনে করবেন বিজ্ঞপাঠকগণ।
পাবনার ঈশ্বরদী থেকে আসা এই যুবকের ইতিপুর্বে ‘ শ্যাম পাহাড়ের আড়ালে’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থও প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৬’র একুশে বইমেলায়।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এগ্রিকালচারে স্নাতক শেষ করে লেখক বর্তমানে শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্তিকা বিজ্ঞানে মাস্টার্স করছেন।
‘দলছুট শালিকগণ’ কামরুজ্জামান কাজলের প্রথম অণুগল্পগ্রন্থ। অণুগল্পের ভিত্তি, বিকাশ এবং প্রচারে এই বইটি একটি মাইলফলক হিসেবে ভবিষ্যতে উচ্চারিত হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।
দলছুট শালিকগন
‘আন্দোলন মানেই তৃষার কাছে বুকের ভেতর দাউ-দাউ করা এক উত্তেজনার নাম। নিরন্তর মিছিল, মিটিং, স্লোগানের সম্মোহন আর রক্ত গরম করা জ্বালাময়ী বক্তৃতার ক্রমাগত অগ্ন্যুৎপাত। বন্ধুরা, ভাইয়েরা, বিপ্লবী জনতা, সংগ্রামী সাথিরা- কত রকম সম্বোধন। সব মিলিয়ে উন্মাতাল এক পরিবেশ। গাছ-পাহাড়-বাড়িঘর ভাসানো এক পাহাড়ি ঢল যেন-বা। সমতলকে শত্রু ভেবে তছনছ করে ধেয়ে আসা এক ধোঁয়ার কুণ্ডলী। কোনোকিছু আয়ত্তে নেই, থাকে না কোনোদিন।’
‘সকালে ধ্বনির ঘুম ভাঙার পর পবিত্র মন নিয়ে ড্রয়িংরুমে যখন পা পড়বে তখন ওর চোখে পড়বে, একটা লাশ এলোপাতাড়ি শুয়ে রয়েছে ডিভানে। লোকটার পরনের লুঙি দিয়ে মুখ ঢাকা, নিম্নাঙ্গ প্রায় উন্মুক্ত। ভাবতেই শরীর রি-রি করে ওঠে ধ্বনির। এ লোকটাকেই একদিন ভালোবেসে তোলপাড় করেছিল ক্যাম্পাস জুড়ে? অথচ এখন শুধুই ছি!’
Nitantoi Sadharon Meyer Golpo - Monish Roy
পাঠ প্রতিক্রিয়া বা মতামত
দশকধারণার বাহিরে প্রায় অনাবিষ্কৃত শক্তিমান কবি সৈয়দ ওয়ালী’র ছাইরঙা নথির বয়ানে এক শব্দ-জাদুকর।ভাবনায়-বিশ্বাসে-কর্মে দশকের গণ্ডিতে আটকে না যাওয়া একজন পুরোদস্তুর কবি; আর হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর চর্যাপদ আবিষ্কারের জের ধরলে একজন চির-আধুনিক বাঙালী কবি। তাঁর আসন্ন কাব্যগ্রন্থ ‘ছাইরঙা নথির বয়ান’এর পাণ্ডুলিপি পড়তে বসে প্রথমেই লক্ষ্য করি (এই কবির)নিজস্বতা বজায় রেখে বিভিন্ন আঙ্গিকে কবিতা লিখতে পারার পারদর্শীতায়।বইটি চার সর্গে বিভক্ত; সর্গেই তাঁর কবিতারা বলিষ্ঠ। অনবদ্য সব বোধের খেলায় মেতে ওঠার সোনালি মুহূরতগুলির প্রাণান্ত ফসল এই বইটি;যা তাঁর শিল্পরসের নান্দনিক স্বাক্ষর ধারণ করে আছে।বইটি যে কাব্যপিপাসু পাঠকের কাছে একটি সমকালীন মাণিক্য হয়ে ধরা দেবে এই আশাটুকু অমূলক নয়।
–কবি সাজ্জাদ সাঈফ
পাণ্ডুলিপিটি আমি দু’বার পড়েছি- দিনের আলোর কোলাহলে, মধ্যরাতের নির্জনতায়। অভিজ্ঞতাকে দ্বিখণ্ডিত করে যেভাবে পৃথিবী আমাদের উপলদ্ধি করে, কবিতাকে উপলদ্ধি করতে হয় সেভাবেই। একজন দক্ষ কারিগরের হাতের কাজের প্রতিটি বাঁকে থাকে শেখার উপাদান, সেখানে মুখ্য বিষয় সৃজনশীলতা কতটা উপভোগ্য। সেখানে আঙুল নত হতে শেখে। ‘ছাইরঙা নথির বয়ান’ আনাড়ির ছাপে তৈরি নয়। কবিতার প্রতি কবির ভালোবাসা, সাধনা, আর পরিশ্রমটা ঠিক বুঝা যায়। তাই শব্দে, উপমায়, ছন্দে আমাদের চারপাশটাকে মথিত করে ভালোলাগার মানদণ্ডে ‘ছাইরঙা নথির বয়ান’ উতরে যায় অনায়াসেই। আর রেশ থেকে যায়Í সৃষ্টিশীল মানুষের শেষ ইচ্ছে তো এই। কবি তাঁর নিজস্ব চিহ্ন রেখে যাক, রেখে যাক রেশ- এই শুভকামনা।
–কবি ও গল্পকার প্রজ্ঞা মৌসুমি
“আলাদা বেহালার কবিতা থেকে জল-মশালের ভাষার শেষ কবিতা একটি বহুমাত্রিক জার্নি…; যেখানে বিভিন্ন রং মিলে গেছে এক মহাকাব্যিক কোলাজ ক্যানভাসে ওভারল্যাপহীন; যাতে পর্যায়ক্রমিক এক অদ্ভূত ছন্দ আছে, যে ছন্দের জাদুতে মনে হয় পথটি ভীষণ চেনা; আবার এই চেনা পথের নানা বাঁকে আছে নানা অচেনা রহস্যও; যা চেনা- অচেনার মেল-বন্ধনের-এক-গভীর-ঘোরে পাঠককে ধরে রাখে। আমি পাণ্ডুলিপিটি টানা পড়েছি; আমার বিশ্বাস, পাঠক এই বইটির মাঝের বিভিন্ন পর্বগুলো একই গতিতে পড়তে পারবেন। একবার পড়ার পর যেমন অনেক বই দ্বিতীয় পাঠ দাবিই করে না, এ বইটি তার ব্যতিক্রম। আর এটা বারবার বললেও কম বলা হয় যে, আমি কখনও ‘সৈয়দ ওয়ালী’র কবিতার বোধ ও বাঁধনের কাছে, কখনও সংকেত ও সংযমের কাছে, প্রকৃতে তার কবিতার আত্মার সীমাহীন ঘোরের কাছে পূর্বের ন্যায় এবারও নত হলাম’।
– কবি নীলাদ্রি দেব
“অনুচ্চস্বর ধারণ করেও যে শক্ত এবং যথার্থ কথাটা শৈল্পিকভাবে ব্যক্ত করা যায়, তার উদাহরণ কবি সৈয়দ ওয়ালী। আরও স্পষ্ট করে বললেÍ কবিতা লেখাই যদি কবির কাজ হয়, তবে নিজের ঢঙে তিনি সেই কাজটুকু করে যাচ্ছেন। কবিতায় তিনি উচ্চকণ্ঠধারী নন কিন্তু বলিষ্ঠ। নিজের সময়কে ধারণ করাই প্রকৃত কবির কাজ, তবে সেটা অতীত বিচ্ছিন্ন, উন্মুল হয়ে নয়। সৈয়দ ওয়ালীর কবিতার ভেতর প্রোথিত রয়েছে তার বিশ্বাস, রাজনৈতিক চিন্তা, প্রকৃতিবাদ, সমাজ, সময় এবং মানুষ। তিনি প্রত্নতাত্ত্বিকের মত অনুসন্ধিৎসু, বিশ্বের তাবৎ কিছু নিয়ে তার কবিতার কারবার; আবার একই সাথে তিনি আপন মাটির খুব সংলগ্ন। কৃষকের মতো মাটিতে কান পেতে তিনি শুনতে পান বীজের স্ফুটনের শব্দ। যাকে নিজের ভাষায় আমি বলি, প্রত্ন-আধুনিক। ‘ছাইরঙা নথির বয়ান’ এর পরতে পরতে রয়েছে এসবেরই প্রত্যায়িত স্বাক্ষর।
– কবি শামশাম তাজিল
“কোনো যন্ত্রী যখন সঙ্গীত পরিবেশন করেন, আমরা দেখি তার আগে তিনি যন্ত্রটিকে সালাম বা প্রণাম করছেন। সঙ্গীত, নৃত্যকলাসহ অপরাপর মাধ্যমে এই ধরনের রেওয়াজ মূলত আর কিছু নয় ওই শিল্পমাধ্যমের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ ও নিবেদনের অভিব্যক্তি। সাহিত্যও এর বাইরে নয়। কবিতাকে মানুষের মহৎ সৃজন মনে করেন সৈয়দ ওয়ালী। ফলে তিনি যখন কবিতার কাছে যান, যান সেই শ্রদ্ধাবোধ থেকেই। কবিতার শরীর নির্মাণ, প্রকরণ, ছন্দ ও সুরসিদ্ধিতে তার কঠোর অধ্যবসায় আমাদের সে কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। এরই গুণে তার লেখায় প্রথাগত ছন্দের বাইরে আরো এক ছন্দ ও সুরের প্রবাহ আমাদের নজরে পড়ে। এ ছন্দ আঁটসাঁট বাঁধনও নয়, আবার নিতান্তই ছন্দহীনতার স্বেচ্ছাচারও নয়, বরং দুইয়ের মধ্যবর্তী ভারসাম্য। প্রথার উজানে যাত্রা না করে আপাত সাদামাটা বিষয়বস্তুর পাথরখণ্ডকেই ভাষ্কর্যরুপী কবিতা নির্মাণের জন্য বেছে নেন তিনি। কঠোর পরিশ্রমে সেই পাথরখণ্ডেই প্রবাহিত করেন স্বেদ ও দীর্ঘশ্বাস। ধীরে ধীরে পাথরটির গায়ে ফুটে ওঠে ইতিহাস ও রাজনীতি চেতনা, বিষাদ আর স্মৃতিকাতরতা”।
– কবি হিজল জোবায়ের
Chaironga Nathir Boyan
টোটো আর টৈ টৈ - Toto Ar Toi Toi
হাসানআল আব্দুল্লাহ। জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৬৭। গোপালগঞ্জ জেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। তিনি প্রবর্তন করেছেন নুতনধারার সনেট। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থর সংখ্যা দশ। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার কবিতার অনুবাদে প্রকাশ করেছেন বিশ্ব কবিতার কয়েকছত্র। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ- সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা, আঁধারের সমান বয়স, এক পশলা সময় প্রভৃতি। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের কুইন্স শহরের পোয়েট লরিয়েট ফাইনালিস্টের সন্মান পেয়েছেন।
বৃত্তের কেন্দ্রেও কবিতার মুখ
মৃত্যু কি বিচ্ছিন্নতা তৈরি করতে পারে পিতা আর সন্তানের মাঝে?Sonter Moto Eka by Fagun Mallick
কবি সিদ্ধিলাভ করেন তখনই যখন তিনি তার নিজস্ব কাব্যভাষা খুঁজে পান। দীর্ঘদিন হতে মোহাম্মদ আন্ওয়ারুল কবীর কবিতা লিখে আসছেন এবং সময়ের সাথে সাথে তার কবিতার উত্তরণ সুষ্পষ্টভাবে লক্ষণীয়। স্বকীয় কাব্যভাষায় অনন্য শৈলীতে লেখা কবীরের কবিতা সমকালীন অন্যান্য কবিদের কবিতা থেকে ভিন্নতা এনে দিয়েছে। ছোট ক্যানভাসে গভীর ভাবনায় পাঠককে নিমজ্জিত করা – কবীরের কবিতার বিশেষ এক বৈশিষ্ট্য। এছাড়া বিজ্ঞানের সাথে কবিতার মেলবন্ধন আনয়নে কবীরের জুড়ি নেই। এ কাব্যের বেশকিছু কবিতা এর সাক্ষ্য দিবে।
‘জলছাপে বিম্বিত সময়’ অনুপ্রাণন প্রকাশন থেকে প্রকাশিত কবীরের দ্বিতীয় কাব্য। আশা করছি এ গ্রন্থটিও কাব্যরসিক পাঠকদের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে।
– প্রকাশক
জলছাপে বিম্বিত সময় - Jolochape Bimbito Samoy
তো গল্পটা কী? দাদু শাকিলকে বলেছিলেন- একটা মস্ত বড়ো ভূত প্রতি মঙ্গলবার রাত ঠিক বারোটায় এসে এই দুটো খেজুর গাছের মাথার ওপর দুদিকে দুই পা রেখে দাঁড়ায় আর লম্বা হাত বাড়িয়ে সবাইকে ডাকে বন্ধু হওয়ার জন্য। কার বুকে এত সাহস যে, ভূতের বন্ধু হবে? কেউ ওর ধারে কাছেও যায় না। তখন ভূতটার খুব রাগ হয়। সে তখন হাত দুটোকে লম্বা বানিয়ে ফেলে আর যাকে সামনে পায় তাকেই ধরার চেষ্টা করে। দাদু আবার এসব ভূতে-টুতে ভয় পান না। তিনি লম্বা একটা তলোয়ার নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন ওই হাত দুটোকে কেটে ফেলার জন্যে। যেই না দাদু হাত দুটোকে কাটতে যান, অমনি ভূতটা ভয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়। এভাবেই চলছিল। কিন্তু দাদুটা বছর খানেক আগে হঠাৎ করে মারা গেলেন। তারপর থেকে আবারো সেই ভূত সেই মঙ্গলবার রাত বারোটায় একইভাবে দুই গাছের ওপর দুই পা রেখে দাঁড়ায় আর ডাকে। কেউ দেখতে পায়, কেউ পায় না। কিন্তু ওই রাতে সবারই গা ছমছম করে ভয়ে। মাঠের দিকে কারো ঘরের জানালাই তখন খোলা থাকে না। এই হলো গল্পটা। অনু যতই শুনছিল ততই ভয়ে ঘামছিল। পরীক্ষায় এত যে ভালো রেজাল্ট করেছে সে- ভুলেই গেল সেটা। বাড়ি ফিরেও কিছুতেই ভয়টাকে তাড়াতে পারে না। ভয়ের কথাটা কাউকে বলতেও পারছে না সে। সবাই ওকে ভীতু বলবে- সেই লজ্জায়।
Khejur Gache Vuter Pa - Raahman Wahid, খেজুর গাছে ভূতের পা - রাহাম ওয়াহিদ
দুর্জয় আহমেদ আরিয়ান বাংলাদেশ আর্মির একজন ইন্টেলিজেন্স অফিসার। পেন্টাগন তাকে ভাড়া করেছে, বাংলাদেশের আর এক কৃতি সন্তান আব্বাস আলী কে খুঁজে বের করার জন্য।
বলা হচ্ছে আব্বাস আলী আমেরিকার একটা ভয়ংকর টেরোরিস্ট গ্রুপের সদস্য ছিলো। সত্যি কি তাই?
বাংলাদেশের কোনো কৃতি সন্তান টেরোরিস্ট যে হতে পারে এইটা আরিয়ান এর কাছে বিশ্বাস যোগ্য নয়।
পেন্টাগনের আদেশেই আরিয়ান শুরু করেছিল নিখোঁজ আব্বাস আলীর খোঁজ ।
পাপের নগরী লাস ভেগাস থেকে শুরু করে সুদূর মেক্সিকো পর্যন্ত যেতে হলো আরিয়ান কে, হাওয়া হয়ে উবে যাওয়া আব্বাস আলীর সন্ধান করতে।
এর মধ্যে মেক্সিকোর কুখ্যাত এক স্মাগলারের একমাত্র কন্যার প্রেমে পড়লো সে ।
অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে, অনেক ট্রাজেডি তৈরি হবার পরে আরিয়ান এর সন্দেহ হতে লাগলো আসলেই কি আব্বাস আলী বলে কেউ আছে,,,,,,না সে আব্বাস আলী নামের মরীচিকার পিছনে দৌড়াচ্ছে?
পেন্টাগন কি তাকে সব সত্য বলেছে? সত্যি কি আব্বাস আলীর কোনো চিহ্ন আছে এই পৃথিবীর বুকে?
অন্যদিকে আরিয়ানের বুকের মধ্যে বাসা বেঁধেছে আদ্রিয়ানার প্রেম । আরেকদিকে শুরু হয়েছে পেন্টাগনের নতুন ষড়যন্ত্র।
আরিয়ান এখন কোনটাকে সামাল দিবে?
The Mastermind Criminal by Shapla Sadi
‘সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি’- জীবনানন্দ দাশের এ-কথা স্মরণে রেখেও নির্দ্বিধায় বলা যায় আনোয়ার রশীদ সাগর সেই ‘কেউ কেউ’-এর দলভুক্ত একজন সমাজসচেতন কবি। তাঁর কবিতায় চিরচেনা প্রকৃতির নানা উপাচার প্রতীকধর্মী চিত্রকল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন সামসময়িক বিষয়াবলী। বক্তব্যের ঋজুতায় ও শব্দ-কুশলতায় তিনি ব্যতিক্রমধর্মী সাফল্যের পরিচয় দিয়েছেন। শব্দবুননে কবির নিপুণতা তাঁর কবিতার শিল্পশৈলীকে স্বাতন্ত্র করেছে। মাটি ও মানুষের যাপিত জীবনের সংকট ও সম্ভাবনা তাঁর লেখার উপজীব্য। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া গণ-আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত অনেক কবিতায় প্রেম, দ্রোহ, প্রকৃতি, তারুণ্য, মানবিকতা, রোমন্টিকতা, সমাজমনস্কতা- এইসব মিলেমিশে একাকার অনন্যসুন্দর ছন্দের সুনিপুণ গাঁথুনীতে। প্রগতিশীল ও সাম্যবাদী রাজনৈতিক অভিজ্ঞতালব্ধ জীবনসত্যে তাঁর কবিতায় অন্যায়-অবিচার ও শৃঙ্খল ভাঙার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছে। একইসাথে সময় ও কালসচেতন কবি হিসেবে তাঁর কবিতার ছত্রে ছত্রে সমাজ পরিবর্তনের অঙ্গীকার ব্যক্ত হয়েছে। আর এভাবেই তিনি কবিতার ভাষায় এনেছেন প্রতিশ্রুতিশীল ও প্রতিনিধিত্বশীল অভিনবত্ব। কবিতার শব্দচয়নে শিল্পবোধ এবং জীবনবোধের অনুষঙ্গে যে সুষম সমন্বয় ঘটেছে, তাতে আমরা এ কথা বলতেই পারি- আনোয়ার রশীদ সাগর সেই কবি যিনি বিশ্বাস করেন, শিল্প মানুষের জন্য, জীবন-নদীর প্রতিকূল স্রোতে উজান বেয়েই কাব্যসৌন্দর্য উপভোগ করতে হয়। পাঠকরা জিজ্ঞাসু দৃষ্টি দিয়ে সে অন্তর্মুখী সৌন্দর্য ও কবিতার অনবদ্য ও সাবলীল বাকপ্রতিমা নিশ্চয়ই খুঁজে পাবেন এই কাব্যগ্রন্থে, যেমনটি তাঁরা পেয়েছেন ইতোপূর্বে প্রকাশিত ‘না যাব না’, ‘ও মেঘ ও নারী’, ‘মুখোশ মন্ত্রের ফড়িঙ কাব্য’, ‘আকাশ জুড়ে বাজপাখি ছোঁ’, ‘বৃষ্টি প্রেমে শ্রাবণসন্ধ্যা’, ‘দরজা খুলে খুলে যায়’ কাব্যগ্রন্থসমূহে এমনতর প্রত্যাশা করা হয়তো অমূলক হবে না।
Joubonboti Niriho Nagar by Anwar Rashid Sagar
তৃতীয় বর্ষ চতুর্থ সংখ্যা
‘সেদিন বর্ষাকাল’ বইয়ের গল্পগুলো দেশের, মাটির কথা বলে। জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য সময়ের অভিজ্ঞতার বয়ান জানান দেয়। বায়ান্ন, একাত্তর হয়ে এই বর্তমান সময়ের অনুভূতির উচ্চারণ করে। প্রাপ্তি বা অর্জনের পাশাপাশি হতাশা, আক্ষেপ, সংশয়ের উপলব্ধিতে নাড়া দেয়।
গল্পগুলো যতটা না ঘটনার বর্ণনা করে, তার চেয়ে বেশি চরিত্রের অনুভূতি, মানসিক দ্বন্দ্ব, পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া নিয়ে এগিয়ে চলে। ব্যক্তি বা জাতীয় জীবনের বিমূর্ত আবহের অবতারণা করে। তাই দৃশ্যগুলো মনে হয় ম্রিয়মাণ, অব্যক্ত, মিহি, কিন্তু এর রেশ থেকে যায় মনের কোনো এক গহিনে।
আমাদের জাতীয় জীবনের যাপিত এই ঘটনাগুলোর আবেদন অমূল্য, চিরস্থায়ী। নিজেদের খুঁজতে আমরা বারবার ফিরে যাই এই স্মরণীয় অতীতের কাছে। এই গল্পগুলো তাই কখনো পুরনো, সেকেলে মনে হওয়ার নয়। বরং নিজেকে এর সাথে যুক্ত মনে হবে প্রতিটি শব্দে।
Shedin Borshakal by Ahad Adnan
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.






















There are no reviews yet.