Additional information
| Weight | 0.225 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.76 $ 2.35
নিজেকে বিক্রি করতে পারা কিংবা বিক্রি করার চেষ্টা করা অথবা নিজের বিরুদ্ধে নিজেকে দাঁড় করিয়ে বিশ্লেষণ করা এই সময়ের মুখচ্ছবি। সেখানে বাস্তব কিংবা কাল্পনিক চরিত্ররা একেকটি বিস্ময়! অন্ধকার ফুটপাত থেকে উঁচু মুখের থাবায় চলে যায় অন্ধ রেলগাড়ি। আর অতিরিক্ত ঘ্রাণে জড়িয়ে যায় মুদি থেকে গোরস্তান। মৃত্যুস্রোত ও গহীনের আলো আনন্দকে ডুবিয়ে দেয় চেহারার ঘনত্ব। তারপরও রক্তভ্রম, আহত কি-বোর্ড, শীতবইয়ের শর্তসমূহ ঘেউমারা পড়শি চোখের যাদুতে জেগে থাকে দীর্ঘপথ। পাশাপাশি হাঁটতে থাকা ছায়াগুলো কানে-মুখে ঢুকে যায়। আবার বেরিয়েও যায় উচ্চতায়, নিজস্বতায় অথবা নানা পরিচ্ছেদে। গল্পের বয়ানে উহ্য আছে এমন অনেক গোপন সাঁকো। পথ জুড়ে শর্তের ভেতরের চোখকে আবিষ্কার করার চেষ্টায় চারপাশে তৈরি হয়েছে খণ্ড খণ্ড দৌড়। ‘লাবণ্য দাশের সাথে দেখা হওয়ার পর’ গল্পগ্রন্থটি এমনই দশটি গল্প কিংবা দশটি পরিচ্ছেদে দাঁড়িয়ে আছে।
| Weight | 0.225 kg |
|---|---|
| Published Year |
জন্ম ১৯৮৭, পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে। পড়াশোনার পাশাপাশি ফটোগ্রাফির সাথে যুক্ত। প্রকৃতি আর মানুষ এই দুই নিয়েই তার পথচলা। নিজের উপর আত্মবিশ্বাস রয়েছে
প্রেম হলো প্রেমের মতো
সোলায়মান সুমনÑ জন্ম ১মে ১৯৭৯, চাঁপাই নবাবগঞ্জ। তরুণ বয়সে লেখালেখি শুরু। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস। পেশায় শিক্ষক। ত্রৈমাসিক অনুপ্রাণন প্রকাশনের সাথে যুক্ত। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ: মুই তোরে কোচ পাং (২০০৯), সম্পাদনাÑ পঞ্চায়ুথ। সম্পাদিত পত্রিকাÑ রুদ্র, গল্প।
বাংলা সাহিত্যের সেরা গল্প
সুলতানা শাহরিয়া পিউ, জন্ম ২ অক্টোবর। লেখালেখি, আবৃত্তি ও সংগীত চর্চা করেন। অনুপ্রাণন সম্পাদনা পরিষদের সাথে যুক্ত। শিক্ষকতা করেন। তার প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থ- মেঘের সাথে কথা (কাব্যগ্রন্থ), ইংরেজী কাব্যগ্রন্থ ‘ট্রান্সকুইল সেরেনেইড এর অনুবাদ ‘নিমগ্র জলধারা’। বাংলা গীতিকবিতার অনুবাদ ‘অচিন’ দঁহশহড়হি’.
এ্যালবাম- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেলপ্রাপ্ত ংড়হম ড়ভভবৎরহমং থেকে আবৃত্তি ‘ভয়েজ টু দ্যা ইটারনাল হোম’ পঞ্চকবির গানের সমবেত কণ্ঠে ‘পঞ্চপ্রভা’।
মেঘের দেশে ফিরে যাবার গল্প
আবু সাঈদ আহমেদের জন্ম ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫। অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যায়নের সময়েই জনপ্রিয় সাপ্তাহিক সন্দ্বীপে প্রতিবেদন লেখার মাধ্যমে লেখক জীবনে প্রবেশ। কলেজ জীবন হতে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে কবিতা ও প্রবন্ধ লিখেছেন। কিন্তু লেখাকে কখনোই গুরুত্বের সাথে নেন নাই। তিনিই বাংলা ব্লগের অন্যতম জনপ্রিয় ব্লগার ‘হরবোলা’। অনলাইনে নির্মোহ রাজনৈতিক প্রবন্ধ, তীক্ষ্ম স্যাটায়ার, কবিতা আর অণুগল্প তাকে এনে দিয়েছে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা। আমমানুষের পক্ষের একজন লেখক ও এক্টিভিস্ট হিসেবে একাধিকবার শারীরিক হামলার স্বীকার হয়েছেন, কিন্তু নীরব হন নাই।
লংকা কিন্তু জ্বলছে না
শামীম সাঈদ, কবি ও গল্পকার। জন্মÑ ১০ জানুয়ারি ১৯৭৯। কলসনগর, লালপুর নাটোর। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থÑ এই কথা বৃষ্টিবাচক, এভাবে খুলবে না আঁচলের খুঁট, সদা ভাগতেছে ভববান।
কুঁড়িকাল ও যুগযাপনের গল্প
বিলাল হোসেন
জন্ম: ১ জানুয়ারি, ১৯৭৪।
জন্মস্থান- মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার রাজারচর কাজিকান্দি গ্রামে।
প্রকাশিত বই-
১. কাব্যগ্রন্থ- বিরুপা’র শূঁড়িবাড়ি(২০১৪)
২. অণুগল্প সংকলন- পঞ্চাশ(২০১৫)
৩. মহাপ্রভু ও অন্যান্য অণুগল্প(২০১৬)
৪. কাব্যগ্রন্থ- একজ্বলাপঙক্তি(২০১৬)
স¤পাদিত বইসমূহ-
সেরা ১০০ অণুগল্প(২০১৫) (প্রিন্ট ভার্সন)
ই-বুক স¤পাদনা-
অণুগল্প সংগ্রহ-১,২,৩,৪; গোয়েন্দা অণুগল্প সমগ্র, ভূত অণুগল্প সমগ্র, রূপকথা অণুগল্প সমগ্র, নীতি অণুগল্প সমগ্র, চিয়ার্স চিয়ার্স চিয়ার্স, দুনিয়ার মাতাল এক হও, মাতালে মাতালে চেনে, মধুগন্ধেভরা, যুগলবন্দী (সুবর্না রায়), অণুগল্পের বিষয় বৈচিত্র্যের সন্ধানে, তাহাদের গল্প, অণুগল্পের অস্তিত্ব আছে, অণুগল্পের শিরদাঁড়া, অণুগল্পের রোজনামচা।
বাংলা ভাষার সেরা অণুগল্প
হাসান অরিন্দম। বাংলাদেশের একজন প্রাবন্ধিক ও গল্পকাররূপে পরিচিত। কথাসাহিত্যই তার সৃষ্টি ও আগ্রহের প্রধান ক্ষেত্র। জন্ম ২৭ এপ্রিল ১৯৭২। শিক্ষাজীবনÑ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বাংলার লোকজীবন ও আবু ইসহাকের কথাসাহিত্য বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
পেশায় অধ্যাপক। ‘একজন মানুষের সম্ভাবনা’, ‘বিদ্যাছায়াবিদ্যা ও অন্যান্য গল্প’, ‘দুরবিনে দেখা কতিপয় দৃশ্য’সহ আরো অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে।
আমাদের দৃষ্টিসীমায় কোন বাতিঘর ছিলো না
রুমা মোদক, মাতা: দীপ্তি রানী মোদক, পিতা: প্রিয়তোষ মোদক, জন্ম: হবিগঞ্জ। জেলা শহর থেকে প্রকাশিত সংকলনগুলোতে লেখালেখির মাধ্যমেই হাতেখড়ি। শুরুটা আরো অনেকের মতোই কবিতা দিয়ে। ২০০০ সালে প্রকাশিত হয় কাব্যগ্রন্থ ‘নির্বিশঙ্ক অভিলাষ’। এরপর ধীরে ধীরে জড়িয়ে পড়েন মঞ্চনাটকে। রচনা করেন কমলাবতীর পালা, বিভাজন, জ্যোতি সংহিতা ইত্যাদি মঞ্চসফল নাটক। অভিনয়ও করেন। মঞ্চে নাটক রচনার পাশাপাশি নিরব অন্তঃসলিলা স্রোতের মতো বহমান থেকেছে গল্প লেখার ধারাটি। জীবন ও জগতকে দেখা ও দেখানোর বহুস্তরা এবং বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতার উৎসারণ ঘটেছে ২০১৫ সালের বইমেলায় প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন ‘ব্যবচ্ছেদের গল্পগুলি’তে। ‘প্রসঙ্গটি বিব্রতকর’ গ্রন্থভুক্ত গল্পগুলোতে সে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি হয়ে উঠেছে আরও নির্মোহ, একবগগা, খরখরে কিন্তু অতলস্পর্শী ও মমতাস্নিগ্ধ।
গল্প লেখার স্বীকৃতিস্বরূপ ইতোমধ্যে পেয়েছেন বৈশাখী টেলিভিশনের পক্ষ থেকে সেরা গল্পকারের পুরস্কার, ফেয়ার এন্ড লাভলী সেরা ভালোবাসার গল্প পুরস্কার। ২০১৪ সালে মঞ্চনাটকে অবদানের জন্য পেয়েছেন ‘তনুশ্রী পদক’।
বর্তমানে সক্রিয় রয়েছেন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের পত্র-পত্রিকা, লিটলম্যাগ এবং বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে প্রকাশিত অন্তর্জাল সাহিত্য পোর্টালে লেখালেখিতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এম.এ সম্পন্ন করে শিক্ষকতা পেশায় জড়িত রয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে স্বামী অনিরুদ্ধ কুমার ধর ও যমজ সন্তান অদ্বিতীয়া অভীপ্সা পদ্য ও অদ্বৈত অভিপ্রায় কাব্যকে নিয়ে হবিগঞ্জে বসবাস করছেন।
সিদ্দিকী হারুন
সাহিত্য ও সংবাদকর্মী
প্রসঙ্গটি বিব্রতকর
সরদার ফারুক। জন্ম ১৯৬২ সালের ৯ নভম্বের, কপোতাক্ষ নদের তীরে খালিশপুরে। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের কাশীপুর। পেশায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। ছাত্রজীবন থেকেই প্রগতিশীল ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন। বরিশালে ঘাট শ্রমিকদের ?আন্দোলন, ডেমরায় শ্রমিক কর্মচারি ঐক্য পরিষদের সংগ্রাম ও বাজিতপুরের জেলেদের লড়াইয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
নব্বইয়ের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য তিনি সরকারী চাকরি ছেড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৮৯ সালে ডাকসু নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনও করেন।
ছাত্রজীবন থেকেই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত লিখছেন। ১৯৮০ সালে বরিশালের অধুনালুপ্ত ‘সাপ্তাহিক লোকবাণী’ পত্রিকায় প্রথম লেখা প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে শামসুর রাহমান সম্পাদিত সাপ্তাহিক বিচিত্রা, দৈনিক দেশ, সংবাদসহ দেশ-বিদেশের নানা পত্র-পত্রিকা, সাহিত্য সাময়িকীতে তার লেখা কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
নোনা শহর
অনিন্দ্য আসিফ। জন্ম- ২৩ মে, ১৯৮১। কতিয়াচর, কিশোরগঞ্জ। পিতা- মোঃ আব্দুল হাই, মা- হাওয়া আক্তার।
শাদা অথবা শূন্য
মির্জা মুজাহিদ। পেশাগতভাবে বিজ্ঞাপন শিল্পের সাথে জড়িত। জন্মেছেন নড়াইল শহরে। এখন ঢাকায় থাকেন। চেষ্টা করে যাচ্ছেন নিয়মিত ‘কথা’র শিল্পী হতে।
বিপ্রতীপ
১০০ অণুগল্প
হাওরকেন্দ্রিক উপন্যাস বেশি নেই বাংলাদেশের সাহিত্যভুবনে। বিপুল পাঠকের কাছে এই জীবন অচেনা। শূন্যতাটুকু পূরণে এগিয়ে এসেছেন জল-মাটির কথক স্বাতী চৌধুরী। পাঠককে শামিল করলেন ‘স্বপ্নযাত্রা’য়। যাত্রাপথে উঠে এসেছে হাওরাঞ্চলের হাভাতে মানুষের মুখচিত্র। কালীপুর গ্রাম হয়ে খইলসার হাওরে কেন্দ্রীভূত হয় নানাবিধ ঘটনা ও দুর্ঘটনা। জলবেষ্টিত অঞ্চলের হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ মূর্ত হয়ে উঠেছে জাদুকরী কলমে। সংস্কৃতিচর্চা- গান-বাজনায় মেতে-থাকাসহ নানা লোকজ উপাচার এতদাঞ্চলের দুঃখ-শোক ভুলে থাকার মূলমন্ত্র। এর মধ্যেও আসে প্রেম, হৃদয়-গহনের উঁকিঝুঁকি। সতত সমস্যাক্রান্তদের দুয়ারেও প্রেম আসে! মোহন সুর তোলে পাতার বাঁশিতে।
নিজস্ব জমি অপর্যাপ্ত যাদের, তারাই কামলা খাটে অন্যের জমিতে। পাওনা মেটাতে অনীহ জোতদার একসময় ঠিকই দেখিয়ে দেয় ক্রুর চেহারা। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে জোতদারের শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় শ্রমিকরা। অসন্তোষের ভেতরেই সৃষ্টি হয় নেতা। যে নেতা স্বপ্ন দেখে এলাকাবাসীকে নিয়ে একত্রে স্বাচ্ছন্দ্যে বাঁচার। মেঘ-বৃষ্টি পেরিয়ে, আশা-হতাশাকে উজিয়ে হাওরবাসী মাথা তুলে জাগবে। পরাধীনতার নাগপাশ থেকে মুক্তি পেতে ভাগ্যান্বেষণে নামে তারা। খোঁজে নতুন পথ। বিকল্প পথ সন্ধানের নামই ‘স্বপ্নযাত্রা’। সংসারযাত্রা চলতেই থাকে, প্রজন্ম পেরিয়ে আসে আরেক প্রজন্ম। দ্বিতীয় ধাপেও সময়ের প্রয়োজনে আবির্ভাব ঘটে স্বপ্নবাজ নেতার। যথারীতি টিকে থাকে জোতদার-শ্রেণি।
স্বাতীর কাহিনী-বিস্তার কি বাস্তবতা উৎসারিত? নাকি নিছক কল্পনারাজ্যে বসবাস। নিজ চিন্তা-চেতনা বপন করেন পঙ্ক্তিসাম্রাজ্যে! সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে লেখক সাম্যবাদী ঘোরে আচ্ছন্ন। সুদিনের স্বপ্ন-আশার পিদিমটুকু জ্বালিয়ে রাখেন। লেখকের মানসচেতনায় জাগরুক ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী; ন্যায্য সমাজব্যবস্থা।
শেষপর্যন্ত কী হয়! স্রোতে-ভাসা ভগ্ন সময়কে কাব্যিক ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন কুশলী লেখক স্বাতী চৌধুরী। অতুল স্বপ্নযাত্রা নিয়ে এল আনকোরা রসদ; পাঠকের জন্য যেন নবান্নের আনন্দ উদযাপন!
শফিক হাসান
কথাসাহিত্যিক
Shopno Jatra - Swati Chowdhury
পাঠ প্রতিক্রিয়া বা মতামত
দশকধারণার বাহিরে প্রায় অনাবিষ্কৃত শক্তিমান কবি সৈয়দ ওয়ালী’র ছাইরঙা নথির বয়ানে এক শব্দ-জাদুকর।ভাবনায়-বিশ্বাসে-কর্মে দশকের গণ্ডিতে আটকে না যাওয়া একজন পুরোদস্তুর কবি; আর হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর চর্যাপদ আবিষ্কারের জের ধরলে একজন চির-আধুনিক বাঙালী কবি। তাঁর আসন্ন কাব্যগ্রন্থ ‘ছাইরঙা নথির বয়ান’এর পাণ্ডুলিপি পড়তে বসে প্রথমেই লক্ষ্য করি (এই কবির)নিজস্বতা বজায় রেখে বিভিন্ন আঙ্গিকে কবিতা লিখতে পারার পারদর্শীতায়।বইটি চার সর্গে বিভক্ত; সর্গেই তাঁর কবিতারা বলিষ্ঠ। অনবদ্য সব বোধের খেলায় মেতে ওঠার সোনালি মুহূরতগুলির প্রাণান্ত ফসল এই বইটি;যা তাঁর শিল্পরসের নান্দনিক স্বাক্ষর ধারণ করে আছে।বইটি যে কাব্যপিপাসু পাঠকের কাছে একটি সমকালীন মাণিক্য হয়ে ধরা দেবে এই আশাটুকু অমূলক নয়।
–কবি সাজ্জাদ সাঈফ
পাণ্ডুলিপিটি আমি দু’বার পড়েছি- দিনের আলোর কোলাহলে, মধ্যরাতের নির্জনতায়। অভিজ্ঞতাকে দ্বিখণ্ডিত করে যেভাবে পৃথিবী আমাদের উপলদ্ধি করে, কবিতাকে উপলদ্ধি করতে হয় সেভাবেই। একজন দক্ষ কারিগরের হাতের কাজের প্রতিটি বাঁকে থাকে শেখার উপাদান, সেখানে মুখ্য বিষয় সৃজনশীলতা কতটা উপভোগ্য। সেখানে আঙুল নত হতে শেখে। ‘ছাইরঙা নথির বয়ান’ আনাড়ির ছাপে তৈরি নয়। কবিতার প্রতি কবির ভালোবাসা, সাধনা, আর পরিশ্রমটা ঠিক বুঝা যায়। তাই শব্দে, উপমায়, ছন্দে আমাদের চারপাশটাকে মথিত করে ভালোলাগার মানদণ্ডে ‘ছাইরঙা নথির বয়ান’ উতরে যায় অনায়াসেই। আর রেশ থেকে যায়Í সৃষ্টিশীল মানুষের শেষ ইচ্ছে তো এই। কবি তাঁর নিজস্ব চিহ্ন রেখে যাক, রেখে যাক রেশ- এই শুভকামনা।
–কবি ও গল্পকার প্রজ্ঞা মৌসুমি
“আলাদা বেহালার কবিতা থেকে জল-মশালের ভাষার শেষ কবিতা একটি বহুমাত্রিক জার্নি…; যেখানে বিভিন্ন রং মিলে গেছে এক মহাকাব্যিক কোলাজ ক্যানভাসে ওভারল্যাপহীন; যাতে পর্যায়ক্রমিক এক অদ্ভূত ছন্দ আছে, যে ছন্দের জাদুতে মনে হয় পথটি ভীষণ চেনা; আবার এই চেনা পথের নানা বাঁকে আছে নানা অচেনা রহস্যও; যা চেনা- অচেনার মেল-বন্ধনের-এক-গভীর-ঘোরে পাঠককে ধরে রাখে। আমি পাণ্ডুলিপিটি টানা পড়েছি; আমার বিশ্বাস, পাঠক এই বইটির মাঝের বিভিন্ন পর্বগুলো একই গতিতে পড়তে পারবেন। একবার পড়ার পর যেমন অনেক বই দ্বিতীয় পাঠ দাবিই করে না, এ বইটি তার ব্যতিক্রম। আর এটা বারবার বললেও কম বলা হয় যে, আমি কখনও ‘সৈয়দ ওয়ালী’র কবিতার বোধ ও বাঁধনের কাছে, কখনও সংকেত ও সংযমের কাছে, প্রকৃতে তার কবিতার আত্মার সীমাহীন ঘোরের কাছে পূর্বের ন্যায় এবারও নত হলাম’।
– কবি নীলাদ্রি দেব
“অনুচ্চস্বর ধারণ করেও যে শক্ত এবং যথার্থ কথাটা শৈল্পিকভাবে ব্যক্ত করা যায়, তার উদাহরণ কবি সৈয়দ ওয়ালী। আরও স্পষ্ট করে বললেÍ কবিতা লেখাই যদি কবির কাজ হয়, তবে নিজের ঢঙে তিনি সেই কাজটুকু করে যাচ্ছেন। কবিতায় তিনি উচ্চকণ্ঠধারী নন কিন্তু বলিষ্ঠ। নিজের সময়কে ধারণ করাই প্রকৃত কবির কাজ, তবে সেটা অতীত বিচ্ছিন্ন, উন্মুল হয়ে নয়। সৈয়দ ওয়ালীর কবিতার ভেতর প্রোথিত রয়েছে তার বিশ্বাস, রাজনৈতিক চিন্তা, প্রকৃতিবাদ, সমাজ, সময় এবং মানুষ। তিনি প্রত্নতাত্ত্বিকের মত অনুসন্ধিৎসু, বিশ্বের তাবৎ কিছু নিয়ে তার কবিতার কারবার; আবার একই সাথে তিনি আপন মাটির খুব সংলগ্ন। কৃষকের মতো মাটিতে কান পেতে তিনি শুনতে পান বীজের স্ফুটনের শব্দ। যাকে নিজের ভাষায় আমি বলি, প্রত্ন-আধুনিক। ‘ছাইরঙা নথির বয়ান’ এর পরতে পরতে রয়েছে এসবেরই প্রত্যায়িত স্বাক্ষর।
– কবি শামশাম তাজিল
“কোনো যন্ত্রী যখন সঙ্গীত পরিবেশন করেন, আমরা দেখি তার আগে তিনি যন্ত্রটিকে সালাম বা প্রণাম করছেন। সঙ্গীত, নৃত্যকলাসহ অপরাপর মাধ্যমে এই ধরনের রেওয়াজ মূলত আর কিছু নয় ওই শিল্পমাধ্যমের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ ও নিবেদনের অভিব্যক্তি। সাহিত্যও এর বাইরে নয়। কবিতাকে মানুষের মহৎ সৃজন মনে করেন সৈয়দ ওয়ালী। ফলে তিনি যখন কবিতার কাছে যান, যান সেই শ্রদ্ধাবোধ থেকেই। কবিতার শরীর নির্মাণ, প্রকরণ, ছন্দ ও সুরসিদ্ধিতে তার কঠোর অধ্যবসায় আমাদের সে কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। এরই গুণে তার লেখায় প্রথাগত ছন্দের বাইরে আরো এক ছন্দ ও সুরের প্রবাহ আমাদের নজরে পড়ে। এ ছন্দ আঁটসাঁট বাঁধনও নয়, আবার নিতান্তই ছন্দহীনতার স্বেচ্ছাচারও নয়, বরং দুইয়ের মধ্যবর্তী ভারসাম্য। প্রথার উজানে যাত্রা না করে আপাত সাদামাটা বিষয়বস্তুর পাথরখণ্ডকেই ভাষ্কর্যরুপী কবিতা নির্মাণের জন্য বেছে নেন তিনি। কঠোর পরিশ্রমে সেই পাথরখণ্ডেই প্রবাহিত করেন স্বেদ ও দীর্ঘশ্বাস। ধীরে ধীরে পাথরটির গায়ে ফুটে ওঠে ইতিহাস ও রাজনীতি চেতনা, বিষাদ আর স্মৃতিকাতরতা”।
– কবি হিজল জোবায়ের
Chaironga Nathir Boyan
হাসানআল আব্দুল্লাহ। জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৬৭। গোপালগঞ্জ জেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। তিনি প্রবর্তন করেছেন নুতনধারার সনেট। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থর সংখ্যা দশ। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার কবিতার অনুবাদে প্রকাশ করেছেন বিশ্ব কবিতার কয়েকছত্র। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ- সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা, আঁধারের সমান বয়স, এক পশলা সময় প্রভৃতি। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের কুইন্স শহরের পোয়েট লরিয়েট ফাইনালিস্টের সন্মান পেয়েছেন।
বৃত্তের কেন্দ্রেও কবিতার মুখ
‘দুঃখতন্ত্র : লেখকের উত্তরাধিকার’ গবেষণামূলক প্রবন্ধের সংকলন। এতে রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক বাংলা কবিতার গতি-প্রকৃতি, নির্মাণ ও নির্মিতির গভীর মনস্বী-বিশ্লেষণ উপস্থাপিত হয়েছে। নজরুল থেকে শুরু করে শক্তি, মৃদুল, শৈলেশ্বরসহ আশি ও নব্বই দশকের কবিরা এসব প্রবন্ধে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছেন। কবিতায় সমাজ, রাষ্ট্র ও রাজনীতির তালাশ বইটিকে স্বাতন্ত্র্যমণ্ডিত করেছে। এ বই আধুনিক বাংলা কবিতা-বিষয়ক আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। বইটি মননশীল পাঠক ও গবেষকদের বিশেষ উপকারে আসবে বলে দৃঢ়তার সঙ্গে বলা যায়।
Dukkhotontro Lekhoker Uttoridhikar by Sumon Shams
Rakkhuse Gach by Ansar Uddin Ahmed
মানুষ প্রত্যাশা করে একটা ঘুর্ণায়মান সুখের স্রোত তাদের সারাক্ষণ ঘিরে থাকবে কিন্তু এমনটা কখনো হয় না। সৃষ্টীকর্তার নিয়ম বা রহস্য অনুযায়ী মানুষ খানিকটা সুখের জন্য অনেকটা দুঃখ যাপন করে। আমাদের ঘিরে থাকা সম্পর্কগুলো থেকে সবসময় ঠান্ডা জলের স্রোত বইতে থাকে, মাঝে মধ্যে অল্পকিছুক্ষণের জন্য উষ্ণ স্রোত। দীপার জীবনে ফয়সাল বা ফাহাদের জীবনে বাবা –মা , এমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গ প্রেমিকা নায়ারা তেমনি এক স্রোত। এই নিরন্তন স্রোতের মধ্য দিয়েই মানুষ যেমন অল্প সময়ের সুখ খুঁজে পায়, যেমনটা ফাহাদ খুঁজে পায় জীবনযুদ্ধে প্রতারিত একাকি রিপা আর তার ছোট্ট মেয়ে রুপার মধ্যে। ফাহাদের, দীপার, রুপার কাছে মনে হয় তাদের সুখের রঙ চোখের জলের মতন!
SHUKHER RONG CHOKHER JOLER MATON - সুখের রঙ চোখের জলের মতন
‘আন্দোলন মানেই তৃষার কাছে বুকের ভেতর দাউ-দাউ করা এক উত্তেজনার নাম। নিরন্তর মিছিল, মিটিং, স্লোগানের সম্মোহন আর রক্ত গরম করা জ্বালাময়ী বক্তৃতার ক্রমাগত অগ্ন্যুৎপাত। বন্ধুরা, ভাইয়েরা, বিপ্লবী জনতা, সংগ্রামী সাথিরা- কত রকম সম্বোধন। সব মিলিয়ে উন্মাতাল এক পরিবেশ। গাছ-পাহাড়-বাড়িঘর ভাসানো এক পাহাড়ি ঢল যেন-বা। সমতলকে শত্রু ভেবে তছনছ করে ধেয়ে আসা এক ধোঁয়ার কুণ্ডলী। কোনোকিছু আয়ত্তে নেই, থাকে না কোনোদিন।’
‘সকালে ধ্বনির ঘুম ভাঙার পর পবিত্র মন নিয়ে ড্রয়িংরুমে যখন পা পড়বে তখন ওর চোখে পড়বে, একটা লাশ এলোপাতাড়ি শুয়ে রয়েছে ডিভানে। লোকটার পরনের লুঙি দিয়ে মুখ ঢাকা, নিম্নাঙ্গ প্রায় উন্মুক্ত। ভাবতেই শরীর রি-রি করে ওঠে ধ্বনির। এ লোকটাকেই একদিন ভালোবেসে তোলপাড় করেছিল ক্যাম্পাস জুড়ে? অথচ এখন শুধুই ছি!’
Nitantoi Sadharon Meyer Golpo - Monish Roy
বাংলা ভাষার ইতিহাসের প্রাচীনতম যুগ। তখন একমাত্র লেখ্যভাষা সংস্কৃত- পঠন অন্ত্যজশ্রেণির ঘোর নিষিদ্ধ। নিম্নবর্ণের একদল লোক অত্যাচার সহ্য করে প্রাকৃত ভাষার প্রথম লেখ্যরূপ দান করেন- ধর্মের বাতাবরণে চর্যাপদ। তাদের প্রতিপক্ষ আর্যব্রাহ্মণ। দহনকালের সেই ঊষালগ্নে যাপিতজীবনের কিছু নরনারীকে আবর্ত করে এই কাহিনি।
ক্ষেত্রকরপুত্র হালিক ধীবরপুত্র জালিককে বলে- আমার আর বিদ্দাজ্জন হলো না রে। চুরি করে পড়া শিখতে গিয়ে সামন্তপ্রভুর হাতে হালিক নিহত- জালিক নিরুদ্দেশ- একদা হয়ে ওঠেন রাজপুত্র সামন্তশুভ। উরুবিল্বে বোধিসত্ত্ব লাভ করতে গিয়ে দেখা হয় ধেনুর সঙ্গে- সুন্দরী ব্রাহ্মণকন্যা- বৌদ্ধতান্ত্রিক দলের সাথে ঘুরে বেড়ান এদেশ-সেদেশ- কালক্রমে হয়ে ওঠেন চাটিলা কুক্কুরীপা, সাথে এক কুক্কুরী- পূর্বজন্মে মানবী ছিলো। সামন্তশুভ আসেন সিদ্ধাচার্য শবরপার চর্যাগৃহে। দীক্ষা গ্রহণ শেষে বারো বছর গঙ্গাধারের নির্জনে কাটিয়ে দেন, নাম হয় লুই বা মৎস্যান্ত্রাদ। তাঁর মাথার ওপর রক্ষাকবজের মতো উড্ডীন এক অচিনপাখি। তান্ত্রিকশক্তি দেখে লুইয়ের শিষ্য শালীপুত্রের রাজা ইন্দ্রপাল দীক্ষা নিয়ে সিদ্ধাচার্য দারিকপা হলেন আর কুক্কুরীপার শিষ্য ওড্ডিনের রাজা ইন্দ্রভূতি হলেন তান্ত্রিক সাধক। শতবর্ষী সবজান্তা গঙ্গাধর জম্বুদ্বীপময় ঘুরে বেড়ান আর বলে বেড়ান অজানা কাহিনি। প্রাকৃত ভাষার অইসব সৈনিকদের পদ্ধতি কমলশীল বলেছেন বঙ্গালী এবং ভাষাপিতা। কিন্তু কেন?
যেকোনও উপন্যাসই উপন্যাসের নতুন সংজ্ঞা হতে পারে। মোখলেস মুকুলের ইতিহাসআশ্রিত উপন্যাস ‘বঙ্গালী ভইলী’ গদ্য ও পদ্যের মিশ্রিত কথন-ভঙ্গিকে বিশেষ কোনও সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করা কঠিন। সংলাপ, বর্ণনা সবকিছুতেই নতুনত্ব ও নান্দনিকতা লক্ষণীয়। চর্যাপদে খুঁজে পাওয়া সেকালের জনজীবন, বিচিত্র নারী-পুরুষের প্রবল প্রতাপ, বহু মানুষের নানা কর্মযজ্ঞ, পশু পাখি ও মানুষের কথোপকথন উদ্ধৃত হয়েছে অনবদ্যভাবে। এমনকি তাদের আন্তরিক চাওয়া-পাওয়া, কামনাসহ লৌকিক জীবনের ঘাতপ্রতিঘাত সবকিছুতেই নতুন আবহ, একইসঙ্গে জাদুবিদ্যার প্রভাব, পাঠক উপলব্দি করতে পারবেন অনায়াসেই।
~মাকিদ হায়দার
Banggalee Vailee by Mokhles Mukul
সময়ের চেয়ে বড় ও অনপেক্ষ সমালোচক পৃথিবীতে বিরল। যে কোন ব্যক্তি বা ঘটনাকে বর্তমানে বসে অবলোকনের চেয়ে কালান্তরে পর্যালোচনার প্রয়াসই উত্তম ও নির্মোহ। ঊনবিংশ শতাব্দীতে জন্ম নেওয়া রবীন্দ্রনাথকে একবিংশ শতাব্দীতে এসে পর্যালোচনা করলে যে নিরপেক্ষ নির্যাস পাওয়া যায় তাই-ই হলো সত্যিকারের রবীন্দ্্রনাথ। এর মাঝেই নিহিত আছে রবীন্দ্র-মাধুর্যের প্রকৃত পরিচয়। বাঙালির বাতিঘর রবীন্দ্রনাথের বড় পরিচয় কবি হিসেবে নয়, বরং দার্শনিক হিসেবে। রবীন্দ্রবাক্য সহজ বটে তবু অতল গভীর। রবীন্দ্রনাথের চর্মচক্ষুর চেয়ে অন্তর্চক্ষুর দার্শনিক ব্যাপ্তি অনেক বেশি। ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথ কালের আলোয় আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। দার্শনিক রবীন্দ্রনাথ একজন কালের শিক্ষক। তাঁর সমবায় কৃষি এবং কৃষিব্যাংকের ভাবনা এনে দিয়েছে ব্রাত্যজনের মাঝে প্রগতির প্রবাহ। হাজারো বিরুদ্ধ-স্রোত ঠেলে রবীন্দ্রনাথ মনুষ্যত্বের জয়গান গেয়ে গেছেন জীবনের পথে। ব্যক্তি নয়, ব্যক্তির সুকর্মকে প্রাধান্য দিয়েই রবীন্দ্রনাথ ‘সোনার তরী’র স্বপ্ন দেখেছেন। কর্মের ফসলেই তিনি খুঁজে পেয়েছেন মানবজীবনের সার্থকতা।
SHEKARER RABINDRANATH O BIBIDHO - Pijush Kanti Barua
দুর্জয় আহমেদ আরিয়ান বাংলাদেশ আর্মির একজন ইন্টেলিজেন্স অফিসার। পেন্টাগন তাকে ভাড়া করেছে, বাংলাদেশের আর এক কৃতি সন্তান আব্বাস আলী কে খুঁজে বের করার জন্য।
বলা হচ্ছে আব্বাস আলী আমেরিকার একটা ভয়ংকর টেরোরিস্ট গ্রুপের সদস্য ছিলো। সত্যি কি তাই?
বাংলাদেশের কোনো কৃতি সন্তান টেরোরিস্ট যে হতে পারে এইটা আরিয়ান এর কাছে বিশ্বাস যোগ্য নয়।
পেন্টাগনের আদেশেই আরিয়ান শুরু করেছিল নিখোঁজ আব্বাস আলীর খোঁজ ।
পাপের নগরী লাস ভেগাস থেকে শুরু করে সুদূর মেক্সিকো পর্যন্ত যেতে হলো আরিয়ান কে, হাওয়া হয়ে উবে যাওয়া আব্বাস আলীর সন্ধান করতে।
এর মধ্যে মেক্সিকোর কুখ্যাত এক স্মাগলারের একমাত্র কন্যার প্রেমে পড়লো সে ।
অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে, অনেক ট্রাজেডি তৈরি হবার পরে আরিয়ান এর সন্দেহ হতে লাগলো আসলেই কি আব্বাস আলী বলে কেউ আছে,,,,,,না সে আব্বাস আলী নামের মরীচিকার পিছনে দৌড়াচ্ছে?
পেন্টাগন কি তাকে সব সত্য বলেছে? সত্যি কি আব্বাস আলীর কোনো চিহ্ন আছে এই পৃথিবীর বুকে?
অন্যদিকে আরিয়ানের বুকের মধ্যে বাসা বেঁধেছে আদ্রিয়ানার প্রেম । আরেকদিকে শুরু হয়েছে পেন্টাগনের নতুন ষড়যন্ত্র।
আরিয়ান এখন কোনটাকে সামাল দিবে?
The Mastermind Criminal by Shapla Sadi
কবিতা নিয়ে আসলেই কি ভাবা যায় ! কী ভাবা যায় ! ধরুন, আপনি একটি গাছের নীচে বসে আছেন। সামনেই একটি বড় পথ। সেই পথ দিয়ে মানুষজন যাতায়ত করছে। আপনি বসে বসে দেখছেন। এই যে মানুষেরা গেল আসলো, তারা একেকটা পরিচ্ছেদ। একেকটা গোপন কুটুরি! এই কুটুরি আপনি খুলতে পারছেন না। আপনি তাদের চেনেন না। জানেন না। তাদের গন্তব্য কোথায়- তাও অজানা আপনার!
কবিতা সেরকমই। আপনার সামনে দিয়েই বয়ে যায়। আপনি দেখেন। ছুঁতে পারেন না। এক রহস্যঘোর আপনাকে পরিভ্রমণ করে।
কবিতার কোনো ব্যাখ্যা দেয়া যায় না। ব্যাখ্যা চাওয়াও যায় না। একটা করাত আমাকে কাটছে। আমি দ্বিখণ্ডিত- বহুখণ্ডিত হচ্ছি। এই বহুখণ্ডের ভেতরে সে আলোর ফোয়ারা আমাকে কাছে ডাকে, এগিয়ে নেয়— সেটাই পংক্তিঘোর। কবিতায় ঘোর না থাকলে তা ফ্যাকাশে লাগে। অনেকটা ঘ্রাণহীন পাপড়ির মতো।
আমার ‘নির্বাচিত প্রেমের কবিতা’ প্রকাশ করছে বাংলাদেশের খ্যাতিমান প্রকাশনী সংস্থা ‘অনুপ্রাণন প্রকাশন’। এর সত্ত্বাধিকারী শ্রদ্ধেয় আবু এম ইউসুফ ও তাঁর টিমকে বিনীত ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
সুপ্রিয় পাঠক-পাঠিকা, সবাইকে প্রীতি।
ফকির ইলিয়াস
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
নিউইয়র্ক
Nirbachito Premer Kabita by Faqir Eliyas
তো গল্পটা কী? দাদু শাকিলকে বলেছিলেন- একটা মস্ত বড়ো ভূত প্রতি মঙ্গলবার রাত ঠিক বারোটায় এসে এই দুটো খেজুর গাছের মাথার ওপর দুদিকে দুই পা রেখে দাঁড়ায় আর লম্বা হাত বাড়িয়ে সবাইকে ডাকে বন্ধু হওয়ার জন্য। কার বুকে এত সাহস যে, ভূতের বন্ধু হবে? কেউ ওর ধারে কাছেও যায় না। তখন ভূতটার খুব রাগ হয়। সে তখন হাত দুটোকে লম্বা বানিয়ে ফেলে আর যাকে সামনে পায় তাকেই ধরার চেষ্টা করে। দাদু আবার এসব ভূতে-টুতে ভয় পান না। তিনি লম্বা একটা তলোয়ার নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন ওই হাত দুটোকে কেটে ফেলার জন্যে। যেই না দাদু হাত দুটোকে কাটতে যান, অমনি ভূতটা ভয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়। এভাবেই চলছিল। কিন্তু দাদুটা বছর খানেক আগে হঠাৎ করে মারা গেলেন। তারপর থেকে আবারো সেই ভূত সেই মঙ্গলবার রাত বারোটায় একইভাবে দুই গাছের ওপর দুই পা রেখে দাঁড়ায় আর ডাকে। কেউ দেখতে পায়, কেউ পায় না। কিন্তু ওই রাতে সবারই গা ছমছম করে ভয়ে। মাঠের দিকে কারো ঘরের জানালাই তখন খোলা থাকে না। এই হলো গল্পটা। অনু যতই শুনছিল ততই ভয়ে ঘামছিল। পরীক্ষায় এত যে ভালো রেজাল্ট করেছে সে- ভুলেই গেল সেটা। বাড়ি ফিরেও কিছুতেই ভয়টাকে তাড়াতে পারে না। ভয়ের কথাটা কাউকে বলতেও পারছে না সে। সবাই ওকে ভীতু বলবে- সেই লজ্জায়।
Khejur Gache Vuter Pa - Raahman Wahid, খেজুর গাছে ভূতের পা - রাহাম ওয়াহিদ
কিছু আগুন ফুল ফুটে আছে দিগন্তে, আমি তার নাম দিলাম কবিতা। অথচ তুমি বললে,
অন্য কোনো নাম দিতে পারতে কবি। আমি অজান্তে আড়ালে অসংখ্য নাম খুঁজে বেড়াই
প্রতিদিন প্রতিক্ষণ। এই যে জোনাকজ্বলা মধ্যরাত। শিমুল বিছানো বসন্ত। আজ সবই
যেন তোমার মুখ। আজও দূর আকাশ দেখতে তোমায় দেখি। জানালায় উঁকি দেওয়া
চাঁদ দেখে তোমায় ভাবি।
TAPASI PAHAN by Latif Joardar
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.




























There are no reviews yet.