Description
আবেদীন জনী। শিশুসাহিত্যিক ও কবি। পেশা অধ্যাপনা। শিশুসাহিত্য জগতে তিনি জ্বলজ্বলে নক্ষত্রের মতোই দীপ্তোজ্জ্বল। তার নিরীক্ষামূলক ও নেতিবাচক শব্দ বর্জিত লেখাগুলো শিশু-কিশোরদের আলোকিত জীবন গঠনে এবং মনের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এ লেখকের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হচ্ছে, ছড়ার বাড়ি ছন্দপুর, মায়ের গল্প, শিয়ালপরি, ছন্দে ছড়ায় নীতিকথা, মিঠেকড়া একশ ছড়া, সুখের ফেরিওয়ালা, রাজকন্যা ও গাছকন্যা, বঙ্গবন্ধুর ছড়া আলো দিয়ে গড়া, পাতা মা, ফুল বুবু এবং টুই, বেলুন আবিষ্কার-বেলুনে বিশ্বভ্রমণ এবং ছড়ার ছা পড়ার ছা। ‘গহিনের শব্দাবলি’ নামে তার একটি কাব্যগ্রন্থ রয়েছে।
তার ১২টি ছড়া-কবিতা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, ঢাকা কর্তৃক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক পুস্তকসমূহে প্রকাশিত হয়েছে। সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন- মির্জাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটি সম্মাননা ২০১২। শ্রীপুর সাহিত্য পরিষদ পুরস্কার ২০১৪। সাহিত্যদেশ পাণ্ডুলিপি পুরস্কার ২০২১। কিডজ কারাভান শিশুসাহিত্য পাণ্ডুলিপি পুরস্কার ২০২২।
জন্ম ৭ জানুয়ারি ১৯৭৯। টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার উত্তর পেকুয়া গ্রামে। বাবার নাম শুকুর মামুদ। মায়ের নাম মতিজান।































মানুষ বাঁচে স্বপ্ন নিয়ে। সবার স্বপ্ন থাকে তার পরিবারকে ভালোকিছু উপহার দেওয়া। পরিবারকে ভালো কিছু উপহার দিতে অর্থের দরকার হয়। অর্থ ব্যতীত সবকিছু মূল্যহীন। অর্থের জন্য মানুষ কি না করে। নিজের জীবনকে বাজি রেখে ভূমধ্য সাগরের মতো সাগর রাবারের নৌকা দিয়ে পাড়ি দেয়। এর মধ্যে শতকরা আশি জনই জানে যে তারা মারা যাবে। তবুও তারা পাড়ি দেয়। পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে। আপনজনকে উজাড় করে দিতে। মানুষের কত-শত রকমের স্বপ্ন তা শরণার্থী উপন্যাসটি পড়লে বুঝতে পারবেন। বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপট, আমেরিকা-ইউরোপের চালবাজি এবং দরিদ্র দেশ থেকে পাড়ি দিয়ে ফার্স্ট ওয়াল্ডের নাগরিক হওয়া যে কতটা কষ্টকর এবং ঝুকিপূর্ণ তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। বাস্তব ঘটনাগুলো নিয়ে শরণার্থী উপন্যাসটি লিখিত। যারা ইউরোপ আমেরিকা গিয়েছেন তারা যেমন স্মৃতিচারণ করতে পারবেন। যারা এখনও যাননি তারাও অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবেন।


দিনের বৃষ্টির চেয়ে রাতের বৃষ্টি অনেক বেশি আবেদন নিয়ে মানুষের কাছে ধরা দেয়। ঝড়ের রাতে মেঘের ডাক মানুষের মনে অজানা এক রহস্যের আভাস দেয়। শিক্ষা সফরে রাঙামাটি গিয়ে এমনই এক ঝড়ের রাতে অতিপ্রাকৃত সব গল্পের আসর জমে ওঠে। গল্পের মধ্যমণি বিশ্ববিদ্যালয়ের ষাটোর্ধ্ব বয়সের একজন অধ্যাপক। মেঝেতে থাকা অর্ধগলিত মোমের আলোর সাথে বৃদ্ধ এই শিক্ষকের তীক্ষ্ণ চোখ আর ভারী গলা পরিবেশকে আরো গম্ভীর করে তোলে। গ্রাম বাংলার প্রচলিত নানান ভৌতিক গল্পের বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা তিনি ছাত্রদের মাঝে উপস্থাপন করেন। এক সময় যখন মনে হতে থাকে অতিপ্রাকৃত বলে কিছু হয় না, সকল কিছুই বিজ্ঞান। ঠিক তখন এই অধ্যাপকের কণ্ঠ হতে ভেসে আসে ভিন্ন সুর। এবার তিনি বলতে আরম্ভ করেন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া বিচিত্র আর অদ্ভূত সব গল্প । অবারিত এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল ঘটনা ব্যাখার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। শেষ বেলায় এসেও কোথায় যেন একটা ‘কিন্তু’ থেকেই যায়…




There are no reviews yet.