Additional information
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.41 $ 1.88
গতকাল রাতে মাতাল জোছনা পড়েছিলো জলে
হৃদয়পুরে বসেছিলো নিতম্বের বেসাতি
আর কিছু জোনাকি ঢেলে দিলো আলো-
আমি শুধু পৃথিবী দেখেছিলাম ভাঙা আয়নায়।
অথচ তুমি আজ শুয়ে আছো-
পুকুরের পাড়ে, জোছনা তোমাকে ছোঁয় না
বসন্তসখা উড়ে যায় নীল দিগন্ত ছুঁয়ে
কতো কীটপতঙ্গ বাসা বাঁধে তোমার হিয়ায়।
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
অয়ন্ত ইমরুল। জন্ম: ১২ই এপ্রিল ১৯৮৭ইং, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার আজিমনগর গ্রামে। পদ্মা নদীর ভয়াল গ্রাসে শৈশবেই ঠিকানার পরিবর্তন ঘটে বর্তমানে সাভার আশুলিয়ায় বসবাসরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ছায়াসমুদ্র
লেখক পরিচিতি :
প্রজ্ঞা মৌসুমী। জন্ম: এক শরতে দাদুবাড়ি কুমিল্লায়, বেড়ে ওঠা সুনামগঞ্জে। ঊনিশ বছর থেকে পড়াশুনার জন্যে প্রবাস জীবন। এক এসাইনমেন্টের জন্যে প্রথম ইংরেজি কবিতা লিখার শুরু। প্রথম জীবনের কবিতাগুলো ইংরেজিতেই লেখা, কিন্তু মন আঁকুপাঁকু করে বাংলায় লিখতে; তারই ফলশ্রুতিতে আজকের প্রথম কবিতা ফসল ‘পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ’। লেখক কবিতা ও গল্প লিখে পেয়েছেন অনেক পুরস্কার তাই বাংলা সাহিত্যের অত্যুজ্জল আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করার স্বপ্ন দেখেন অহর্নিশ।
পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ
তুহিন দাস, কবি ও লিটলম্যাগ কর্মী। জন্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৮৫, জল ও কবিতার শহর বরিশালে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। প্রথম কবিতার শিরোনাম ‘সমাধিপৃষ্ঠা’। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ সাহিত্যপত্র সম্পাদনা শুরু করেন। সম্পাদনার জন্যে ২০১১ সালে ‘চিহ্ন সন্মাননা’ পেয়েছেন। বর্তমানে ‘আরক’ পত্রিকা ও প্রকাশনায় কর্মরত আছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ছয়, ‘বনসাই প্রকল্পের মানুষ’ ‘অসুখময় দিনরাত্রি’ ‘বিষাদনীলঘোড়া’ ‘কাজল বিক্রেতার স্বপ্ন’ ‘বাগান সিরিজ’ ও ‘দূরের পাড়া কাছের বাড়ি’।
কাঠের মুখ
লেখক পরিচিতি :
তানভীর আহমেদ হৃদয়। জন্ম: ৩ডিসেম্বর, ১৯৮৫ইং। মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছড়া। এছাড়া সম্পাদিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা ও গল্প। লেখকের লেখা প্রতিনিয়ত দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে।
অচেনা রৌদ্রের রঙ
আলী রেজা। জন্ম: ১৯৫৭। মুক্তিযুদ্ধে আলোড়িত কবি, সত্তর দশকে মূলত ছোটকাগজে লেখালেখি শুরু করেন। সদ্য অবসরে যাওয়া একটি রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠানের বিপণন ব্যবস্থাপক। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
আলী রেজা
ডালিয়া চৌধুরী। তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন। কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে কবিতা লেখার সূত্রপাত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ‘অনুভবে সুখ’ ‘মেঘময় নিকুঞ্জে রধুন‘ ও ‘জলজ কামনা’।
নীল গোধূলি
সাঈদা মিমি। জন্ম: ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৮। বরিশালে। শৈশবের পুরোটাই এবং অর্ধেক কৈশোর কেটেছে পদ্মাপাড়ে, মানিকগঞ্জের ঘোনাপাড়া গ্রামে। লেখালেখির শুরু ছাত্রজীবনে। প্রথম প্রকাশিত হয় ইত্তেফাকে। ফ্রীল্যান্স সাংবাদিকতা, স্কুল মাস্টারিং, বায়িং হাউজের এডমিন, হাউজিং কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ইত্যাদি বিচিত্র কর্মজীবন মেষে অতঃপর গৃহিণী। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘সব নিয়ে গেছে এক সময়ের লুটেরা বাতাস’ ‘ফারাও কুমারী’ ও ই-বুক ‘কীর্তনখোলা’।
একজন মৃতের ডাইরি
আত্মমুগ্ধ শিকল
মুর্শিদা জামান। জন্ম: ১৯৮৩ সনে বর্তমান বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায়। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণের খুলনা শহরে। বাংলায় অনার্স সহ এমএ করেন ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কবিতা লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট কাগজ ও সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকাতে ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃতি ও পশু-পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি লেখালেখি নিয়েই ব্যস্ত।
অদৃশ্য ছায়ার প্রজাপতি
নাহিয়ান ফাহিম। জন্ম: ২৩শে মার্চ, ১৯৮৪। ময়মনসিংহ জেলা। ঢাকাতে বেড়ে ওঠা। মূলতঃ পাঠক, ফলতঃ লেখক। সাহিত্য পত্রিকা ‘জলমাঝি’র সম্পাদক। মার্কেংটিং বিভাগে স্নাতকোত্তর। পেশাগত জীবনে একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ভিনদুপুরের নোটবই’।
মধ্যবিত্ত কবিতা
রনক জামান। জন্ম:১৬ই ডেসেম্বর ১৯৯১, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলায়। লেখালেখির হাতেখড়ি ছোটবেলাতেই কবিতার প্রতি মুগ্ধতা থেকেই তার প্রতি ভালোবাসা। এটাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে, যৌথ কবিতাগুচ্ছ ‘মায়ানগরীর বৃষ্টিকথন’, কবিতার ই-বুক ‘শরীর ছোঁয়া আঙুলগুলো’ এবং অনুবাদ উপন্যাস ‘ললিতা’।
ঘামগুলো সব শিশিরফোঁটা
রাজন্য রুহানি। পরিবারের দেওয়া সনদসাক্ষ্য নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। জন্ম: ২রা নভেম্ভর ১৯৮০, জামালপুর জেলা শহরের হাটচন্দ্রায়। কলেজে পা দেবার সাথে সাথেই সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হয়ে পড়েন। স্থানীয় কয়েকটি দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মফস্বল সাংবাদিকতার পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে না পেরে বারবার কবিতার কছেই ফেরা। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং। ১৯৯৮ থেকে কবিতার ভাঁজপত্র শব্দদূত সম্পাদনার সাথে যুক্ত। ঐ বছরই অন্যান্য লেখক সহযোগে আলোচনাগ্রন্থ- ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ; আতিয়ার রহমানের ৭টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এটি লেখকের প্রকাশিত এককবই।
গল্প সমাপ্তির গান
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ২০২৩ এর জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা। বিবিসি’র খবর, ২০০৯ থেকে গত ১৩ বছরে খেলাপি বেড়েছে ৬ গুণ।
খেলাপি কমানোর দায়িত্ব ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের নিতে হবে- এ বক্তব্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নরের। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স-বাংলাদেশ (এবিবি) বলেছে- খেলাপি নিয়ন্ত্রণ একাকী সম্ভব নয়। তবে এবিবি’র সুপারিশ মত ব্যবস্থা নিলে নাকি ২ বছরে খেলাপি শূন্যে নামিয়ে আনা যাবে।
খেলাপিদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বিল পাস। খেলাপিদের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, পিপলস ব্যাংক চেয়ারম্যান আটক। বেসিক ব্যাংক ঋণ কেলেঙ্কারি: ৫৮ মামলার আসামি চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চুর বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে দুদকের চিঠি।
২০২৩ এর ২৪ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, দেশে ঋণখেলাপির সংখ্যা ৭,৮৬,০৬৫ জন। অর্থমন্ত্রী ২০২০ সালে সংসদে ৮,২৩৮ প্রতিষ্ঠানের খেলাপির তালিকা দেন। এই সংখ্যাগুলো বাড়ে বেশি, কমে খুবই সামান্য।
২০১৯ এর জুন পর্যন্ত খেলাপির অর্থে কী কী হতো? সিপিডি’র সমীক্ষায় এর জবাব পাওয়া গেছে। ১ লাখ ১২ হাজার ৪৩০ কোটি টাকায় পদ্মা সেতু সড়কে ব্যয়ের অঙ্কের সমান ৩টি সড়ক সেতু অথবা পদ্মা সেতু রেল লিংকের সমান আরও ৩টি রেল সেতু বা মাতারবাড়ীর মতো ৩টি বিদ্যুৎ প্রকল্প অথবা ঢাকা মেট্রোরেলের মতো ৫টি প্রকল্প বা দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার এবং ঘুমধুমের মতো ৬টি রেলপথ কিংবা রামপালের মতো ৭টি বিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করা যেতো।
তাই প্রশ্ন উঠছে, জনগণ ও রাষ্ট্রের এই বিপুল পরিমাণ খেলাপির টাকা বছরের পর বছর কেন অনাদায়ী পড়ে থাকবে?
বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল কান্ডারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগ। এর দ্বিতীয় প্রজন্মের নেতা ও আলোর দিশারী বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর নেতৃত্বে ইতোমধ্যে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু টানেলসহ অনেক দৃশ্যমান সাফল্যলাভ হয়েছে। মানুষের বিশ্বাস, দেশপ্রেমিক এই জাতীয় নেতার নির্মোহ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তেই লাখ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণও পুনরুদ্ধার হবে। এবং দেশে শুরু হবে আরও মৌলিক সমস্যা নিরসন, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের উৎসব।
Khelapi Rin : Khomotaboly Ebong Unnoyon Prekkhit
প্রতীকাশ্রিত রূপকল্পের ভেতর দিয়ে করোটিমঞ্চে খেমটাওয়ালি অস্তিত্ব ও অনস্তিত্বের কিছু অন্তর্জ্ঞানীয় দৃশ্যকে সাকার করে তুলেছে। এখানে মহেঞ্জোদারো-নর্তকীর নির্মিত ত্রিভুজের ভেতর আঘ্রাত হয় পদ্মসৌরভ, আকাশে বিস্তৃত হয় পদ্মতন্তুর অসীম অংশুজাল, রক্তপদ্মের ছায়ার ভেতর মাছের সংকেতভাষা দীপ্যমান হয়ে ওঠে, জলপুষ্পের ত্রিভুজভ‚মির ভেতর তরঙ্গধ্বনি সংশ্রুত হয়, নির্জন জলদৃশ্যের ভেতর জেগে ওঠে কার্পাস-আচ্ছাদিত পদ্মদল যা কখনো স্বপ্নের ভেতর করতলে আঁকে সাইজমিক ঊর্মিকা; নারকেল বনের এসরাজ আর নিভৃত মাঠ সুষুম্নার ভেতর পার্থিব গান্ধার রচনা করে, অঞ্জন ফুলের অন্তরালে মাঠের রূপান্তরণ সমস্ত সত্তায় শিহরন জাগায়, কখনো নীল পপির গানে কেঁপে ওঠে মাঠ; প্রতিটি চন্দ্রকম্পের পর স্নিগ্ধ-কিরণ অপ্সরা আবির্ভূত হয়; সৈকতচারিণীর সেরিব্রামে কাক্সক্ষা ও শ্রান্তির দ্বৈরথ দৃশ্যমান হয়, গুলাচিনিলীন সৈকতে জলশব্দে খুলে যেতে থাকে সীমান্তের সকল দরজা; আর নীল বরফের নিচে নিস্পন্দ শরীরে শ্রুত হয় মাইক্রোবের গুঞ্জন।
Karotimanche Khemtawali by Gauranga Mohanto
নুডুল বারে নির্ধারিত টেবিলে বসে আমার এইসব স্মৃতিকাতরতা মনে পড়ে। মিশুর সাথে খেতে খেতে গল্প করি। শৈশব-কৈশোর এক আকাশসমান আনন্দের পসরা নিয়ে আমার হাত ধরেছিল। বলা শুরু করলে তা-ই সহজে ফুরায় না।
কত কিছু মনে পড়ে! সেই হাইকোর্ট, রাজশাহী পেরিয়ে সিঙ্গাপুর, লন্ডন। এখন বসে আছি মিশুর সাথে ইপসুইচ। জীবন আমাকে সাইলেন্ট স্ট্রিটের নীরবতা যেমন শিখিয়েছে, হোপ স্ট্রিটের আশাবরী ফুলের গন্ধসুবাসে তেমনই হাসিমুখে পথ থেকে প্রান্তরে নিয়ে গেছে আলস্যে।
জীবন কত-না রহস্য নিয়ে আসে সময়ে সময়ে। তার কতটুকুই-বা ‘রুল টানা খাতা’য় ধরা যায়।
Roll Tana Khata by Sheik Rana
অনার্য বৃক্ষযুগল শিক্ষা অন্তপ্রাণ দুই প্রেমী যুগলের জীবন নৌকা যূথবদ্ধভাবে বেয়ে যাওয়ার গল্প। এই উপন্যাস একইসাথে ধারণ করে আছে এক চিতা আগুন, এক মহাসমুদ্র অশ্রুজল, এক আকাশ স্বপ্ন, ছোটো ছোটো ঢেউয়ের মতো ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র আনন্দ। সর্বোপরি উপন্যাসটি আনন্দ-সংগ্রামে পরিপূর্ণ জীবনের নিখুঁত এবং নিবিষ্ট চিত্রকল্পের সম্মিলন। এই উপন্যাস যেমন যেমন একটি গ্রামের গল্প তেমনি একইসাথে পুরো বাংলাদেশের পরিভ্রমণের নিবিড় পর্যবেক্ষণ। এই আখ্যানের সংবেদন এবং গাঢ় বেদনার সৌন্দর্যে পাঠককে অবগাহনের আমন্ত্রণ।
Anarjo Brikkhojugol by Nusrat Sultana
মনের গোপন ব্যাথা-বেদনা, শোক ও দ্রোহের বাসনা-সবকিছুকে পিছনে ফিরে দেখলে মনে হতে পারে, কতো মৃত্যুকেই বরণ করে এসেছি! এই প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তিকে তর্কে আলিঙ্গন করে নয় বরং আত্ম-অভিজ্ঞতার নিরিখে ছন্দবদ্ধ করার যে প্রয়াস- এখানে তার নাম “‘মৃত্যু এক দারুণ রোমান্স।” কবিতা উপভোগের সৌন্দর্য সৃষ্টি করে মাত্র। আসমা সুলতানা শাপলার লেখা সংকলনে প্রেমের এপিঠ ওপিঠ সমান্তরাল। সঙ্গ চাওয়ার মাঝে কন্ঠজুড়ে প্রেমীর নামকে সম্বল করে রাখা আছে, বলা আছে, ভালবাসার দরজা খোলা রেখে দেই। তুমি তুমি তুমি নামে তবু যে প্রেম থেকে গেছে। নিখোঁজ সংবাদ কবিতাটায় আছে, তোমার কোনও খবর নেই, উড়ে গেছো হাওয়ায়? আবার প্রেমই একমাত্র বস্তুজাগতিক না। প্রায়োগিক জীবনরেখায় কঠিন বাস্তবের সামনে কবি আসমা সুলতানা শাপলা পুরাপুরি রাজনৈতিক। সকল অসভ্যতারে মানব আর দানবে চিহ্নায়িত করতে গিয়ে কবি কাঁটাতারে ঝুলে থাকা ফেলানির মরদেহকে স্মরণ করেন। বিপ্লবী হয়ে ওঠেন পুঁজিবাদী দালালির বিরুদ্ধে। কবিতাও শেষপর্যন্ত ভাষা, তবু তাতে সুর আর স্বরের প্রক্ষেপণ মিশিয়ে এ-যাত্রায় পাঠককে কম্পিত করবে প্রেমের সান্নিধ্য, বিচ্ছেদ, অবশিষ্ট পূর্ণতা ও দ্রোহের ভিতর জাগতিক চেতনা। কবিতায় অতিক্রম করে আসা এইসব ঘটনাগুলোকে মৃত্যুর রুমাঞ্চকর অভিজ্ঞতায় সুখপাঠ্য করা যেতে পারে।
Mrittu Ek Darun Romance - Asma Sultana Shapla
জানা অজানা জাপান প্রবন্ধ সংকলনের প্রথম খণ্ডটি ২০০৮ সালে প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে দেখে দ্বিতীয় খণ্ডটি ২০০৯ সালে প্রকাশের জন্য সহযোগী হয়েছিলেন জাপান প্রবাসী আমার ১৯ জন বিশিষ্ট বন্ধু ও শুভাকাক্সক্ষী মোঃ জসীম উদ্দিনের উদ্যোগে। প্রচুর অনুরোধ এসেছিল জাপান নিয়ে আরও লেখার জন্য। কিন্তু একটি দেশ ও জাতিকে নিয়ে লেখা নানা দিক দিয়েই কঠিন কাজ। বিশেষ করে, যে-দেশের মানুষের ভাষা, সংস্কৃতি, চিন্তা ও দর্শন সম্পূর্ণ আলাদা বাংলাভাষাভাষী দেশের চেয়ে। তবুও আড়াই যুগ ধরে এ দেশে বসবাসের ফলে যতখানি পড়া-জানা-শোনা-দেখার সৌভাগ্য হয়েছে, এবং এ দেশের কলকারখানার শ্রমিক থেকে শুরু করে আদালতের বিচারপতি পর্যন্ত আলাপচারিতা, মতবিনিময়ের সুযোগ ঘটেছে তারই ফলাফল এই প্রবন্ধগুলো। যা অ্যাকাডেমিক গবেষণার দাবি রাখে। বলা বাহুল্য, নিজস্ব গবেষণার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে জাপানের বৈচিত্র্যময় ইতিহাস, সংস্কৃতি, সমাজ, রাজনীতি, ধর্ম, অর্থনীতি এবং জীবনযাপন তুলে ধরার চেষ্টা করেছি যতখানি অনুধাবনের ক্ষমতায় কুলিয়েছে।
প্রবন্ধগুলো আরেকবার সংশোধন, সংযোজন, গ্রহণবর্জন করা হয়েছে সাধ্যমতো। আশা করি বৃহত্তর বাঙালির অজানা বিষয় নিয়ে রচিত রচনাগুলো জাপান অনুরাগীদের ভালো লাগবে। পাঠকের ভালো লাগলেই আমার পরিশ্রম সার্থক হবে বলে বিশ্বাস করি। তবে প্রবন্ধগুলো বিভিন্ন সময় সময় বিভিন্ন পত্রিকা ও সাময়িকীতে লিখেছি ফলে তথ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে, যা এড়ানো এককথায় অসম্ভব। পাঠকের বিরক্তির কারণ হলে তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।
গ্রন্থটির দ্বিতীয় সংস্করণ উদীয়মান প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অনুপ্রাণন প্রকাশন ঢাকা থেকে প্রকাশিত হচ্ছে তার জন্য প্রকাশককে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
Jana Ojana Japan (2nd Volume) by Probir Bikash Sarker
সম্পর্কে জড়ানোর জন্য অভিকর্ষ বলের কোনোই দোষ নেই।
— আলবার্ট আইনস্টাইনক
কথাটি হয়তো এই মহান বিজ্ঞানী মজার ছলে বলেছিলেন। আসলে একজন মানুষ জন্মের পর ধীরে ধীরে তার কাছের মানুষগুলোকে চিনতে শুরু করে। তারপর সে দূরের সম্পর্কগুলোকে জানার চেষ্টা করে। কাছে দূরের এই যোজন বিয়োজনের পারস্পরিক ক্রিয়ার রসায়নে একটা সময় হয়তো কোনো সম্পর্ক মধুময় হয়ে ওঠে, কখনো বা তিক্ত। আবার এই তিক্ত সম্পর্ক সৃষ্টির নিয়ামক হয় মানুষের লোভ, শঠতা ও অহংকার। মাঝেমাঝে কিছু সম্পর্ক সামাজিক বিধিনিষেধের গোলকধাঁধায় পড়ে আবার নিষিদ্ধও ঘোষিত হয়। সেই সম্পর্কেগুলোর হয়তো কোনো নামও হয় না। অথচ নামহীন এমন সম্পর্কের ভার সারা জীবন মনে ভেতরেই থেকে যায়।
মানুষের বৈচিত্র্যময় আন্তঃসম্পর্কের পাপপুণ্যের পরিধি বিশ্লেষণ করে লেখক ‘নিমপাতার পাকোড়া নিষিদ্ধ আলিঙ্গন’ গল্পগ্রন্থে সেইসব নিষিদ্ধ সম্পর্কগুলোকেই আলিঙ্গনের চেষ্টা করেছেন। শুধু মানবিক সম্পর্কের পূর্বাপর অন্বেষণ নয়, সামাজিক অবক্ষয় আর বিচ্ছিন্নতাও এই গল্পগুলো নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।
Nimpatar Pakorar Nishiddho Alingon
‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’
Bhagyo Ek Koutuker Nam by Milon Ashraf
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.

















There are no reviews yet.