Additional information
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.41 $ 1.88
গতকাল রাতে মাতাল জোছনা পড়েছিলো জলে
হৃদয়পুরে বসেছিলো নিতম্বের বেসাতি
আর কিছু জোনাকি ঢেলে দিলো আলো-
আমি শুধু পৃথিবী দেখেছিলাম ভাঙা আয়নায়।
অথচ তুমি আজ শুয়ে আছো-
পুকুরের পাড়ে, জোছনা তোমাকে ছোঁয় না
বসন্তসখা উড়ে যায় নীল দিগন্ত ছুঁয়ে
কতো কীটপতঙ্গ বাসা বাঁধে তোমার হিয়ায়।
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
মুর্শিদা জামান। জন্ম: ১৯৮৩ সনে বর্তমান বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায়। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণের খুলনা শহরে। বাংলায় অনার্স সহ এমএ করেন ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কবিতা লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট কাগজ ও সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকাতে ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃতি ও পশু-পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি লেখালেখি নিয়েই ব্যস্ত।
অদৃশ্য ছায়ার প্রজাপতি
আলী রেজা। জন্ম: ১৯৫৭। মুক্তিযুদ্ধে আলোড়িত কবি, সত্তর দশকে মূলত ছোটকাগজে লেখালেখি শুরু করেন। সদ্য অবসরে যাওয়া একটি রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠানের বিপণন ব্যবস্থাপক। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
আলী রেজা
ডালিয়া চৌধুরী। তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন। কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে কবিতা লেখার সূত্রপাত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ‘অনুভবে সুখ’ ‘মেঘময় নিকুঞ্জে রধুন‘ ও ‘জলজ কামনা’।
নীল গোধূলি
মেঘ অদিতি। কবি ও গল্পকার হিসেবে ‘দু’বাংলাতে পরিচিত। জন্ম: ৪মে, জামালপুর। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘জলডুমুরের ঘুম (কাব্য)’ ‘অস্পষ্ট আলোর ঘোড়া (গল্প)’ ‘অদৃশ্যতা হে অনিশ্চিতি (কাব্য)’ এবং ‘সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ (মুক্তগদ্য)।
প্রবেশিধকার সংরক্ষিত
সাঈদা মিমি। জন্ম: ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৮। বরিশালে। শৈশবের পুরোটাই এবং অর্ধেক কৈশোর কেটেছে পদ্মাপাড়ে, মানিকগঞ্জের ঘোনাপাড়া গ্রামে। লেখালেখির শুরু ছাত্রজীবনে। প্রথম প্রকাশিত হয় ইত্তেফাকে। ফ্রীল্যান্স সাংবাদিকতা, স্কুল মাস্টারিং, বায়িং হাউজের এডমিন, হাউজিং কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ইত্যাদি বিচিত্র কর্মজীবন মেষে অতঃপর গৃহিণী। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘সব নিয়ে গেছে এক সময়ের লুটেরা বাতাস’ ‘ফারাও কুমারী’ ও ই-বুক ‘কীর্তনখোলা’।
একজন মৃতের ডাইরি
রাজন্য রুহানি। পরিবারের দেওয়া সনদসাক্ষ্য নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। জন্ম: ২রা নভেম্ভর ১৯৮০, জামালপুর জেলা শহরের হাটচন্দ্রায়। কলেজে পা দেবার সাথে সাথেই সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হয়ে পড়েন। স্থানীয় কয়েকটি দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মফস্বল সাংবাদিকতার পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে না পেরে বারবার কবিতার কছেই ফেরা। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং। ১৯৯৮ থেকে কবিতার ভাঁজপত্র শব্দদূত সম্পাদনার সাথে যুক্ত। ঐ বছরই অন্যান্য লেখক সহযোগে আলোচনাগ্রন্থ- ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ; আতিয়ার রহমানের ৭টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এটি লেখকের প্রকাশিত এককবই।
গল্প সমাপ্তির গান
লেখক পরিচিতি :
হামীম ফারুক। পুরো নাম: গোলাম ফারুক হামীম। জন্ম: ২৪শে অক্টোবর, ১৯৬৩, ঢাকা। প্রথম তারুণ্যে কাজ করেছেন ইংরেজি পত্রিকা নিউ নেশন-এ। সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করে এখন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন। মূলস্রোতের সাহিত্য পত্রিকাগুলোতে একটানা লিখেছেন ১৯৮৭ পর্যন্ত। মাঝখানে বিরতি দিয়ে পুনরায় আগমন প্রথম কবিতার বই ‘রোদ ও ক্রোধ, মাঝখানে সাঁকো’ দিয়ে। একটি ই-বুক আছে, ‘নক্ষত্রের চিরকূট’। এটি লেখকের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ।
প্রকৃতি পুরাণ
ফারহানা খানম। জন্ম: ১৯শে এপ্রিল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকায়। গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দীপে। ‘ভুগোল ও পরিবেশ’ বিষয়ে স্নাততোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে ব্যাংকে চাকুরি শুরু করলেও বর্তমানে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। নয় ভাই-বোনের মাঝে সবার ছোট বলেই আদরও পেয়েছেন বেশি। প্রথম প্রকাশিত বই, ‘ইছামতি’ (কলকাতা থেকে প্রকাশিত)।
তৃষ্ণার্ত বালুতট
সিদ্দিক প্রামানিক। জন্ম: ২১শে আগস্ট ১৯৭৯, কুস্টিয়ার কুমারখালী থানার চরভবানীপুরগ্রামে। বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন এবং বাম প্রগতিশীল সংগঠনের সক্রিয় সংগঠক ও সংস্কৃতকর্মী। প্রথম বই ‘হাঙরের সমুদ্রে মননশীল মাছ’।
উন্মাদের কনসার্ট
কাজী রহমান। পরবাসী লেখক নিজের পছন্দ মতো বাঁচতে দু-যুগ আগে মার্কিন মুলুকে চলে আসেন স্ত্রী ও প্রথম শিশুকন্যা সাথে নিয়ে। বড় হয়েছেন পুরনো ঢাকার গেন্ডারিয়া’য়। জ্ঞান হবার পরপরই নিজেকে আবিষ্কার করেছেন ঘরের পাশের গ্রন্থাগারে, বিভিন্ন শিশু সংগঠন আর সমাজসেবামূলক সংগঠনের আলোছায়ায়। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার দুরন্ত কিশোর স্বাধীনতার যুদ্ধ দেখেছেন কাছ থেকে আর আতঙ্কের দিন গুনেছেন সারাক্ষণ মুক্তিযোদ্ধা দু’ভাইয়ের ঘরে ফেরার অপেক্ষায়। গ্রাজুয়েশন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কর্মজীবন কেটেছে বিদেশী এয়ার লাইন্সের কর্মকর্তা হিসেবে।
তারাধুলো জল ও নস্টালজিয়া
আলতাফ হোসেন-এর জন্ম ২৭ অক্টোবর ১৯৪৯। পৈতৃক নিবাস কিশোরগঞ্জ। বাবার চাকরিসূত্রে শৈশব কৈশোর কেটেছে পাটনা, কলকাতা, চাটগাঁ, করাচি ও ঢাকায়। ১৯৬৪ থেকে পুরোপুরিভাবে ঢাকায় বসবাস। অনার্স ও এমএ করেছেন বাংলায়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেস, ঢাকা থেকে দু-বছর ফরাসি ভাষা শিখে সনদ পেয়েছেন।
কফি জেগে থাকে
দেবাশীষ ধর। জন্ম: ৫ই জানুয়ারি, ১৯৮৯। চট্টগ্রাম। কবিতার ছোটকাগজ ‘বাঙাল’ এর সম্পাদক। কবির এটি প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
ফসিলের কারুকাজ
মনের গোপন ব্যাথা-বেদনা, শোক ও দ্রোহের বাসনা-সবকিছুকে পিছনে ফিরে দেখলে মনে হতে পারে, কতো মৃত্যুকেই বরণ করে এসেছি! এই প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তিকে তর্কে আলিঙ্গন করে নয় বরং আত্ম-অভিজ্ঞতার নিরিখে ছন্দবদ্ধ করার যে প্রয়াস- এখানে তার নাম “‘মৃত্যু এক দারুণ রোমান্স।” কবিতা উপভোগের সৌন্দর্য সৃষ্টি করে মাত্র। আসমা সুলতানা শাপলার লেখা সংকলনে প্রেমের এপিঠ ওপিঠ সমান্তরাল। সঙ্গ চাওয়ার মাঝে কন্ঠজুড়ে প্রেমীর নামকে সম্বল করে রাখা আছে, বলা আছে, ভালবাসার দরজা খোলা রেখে দেই। তুমি তুমি তুমি নামে তবু যে প্রেম থেকে গেছে। নিখোঁজ সংবাদ কবিতাটায় আছে, তোমার কোনও খবর নেই, উড়ে গেছো হাওয়ায়? আবার প্রেমই একমাত্র বস্তুজাগতিক না। প্রায়োগিক জীবনরেখায় কঠিন বাস্তবের সামনে কবি আসমা সুলতানা শাপলা পুরাপুরি রাজনৈতিক। সকল অসভ্যতারে মানব আর দানবে চিহ্নায়িত করতে গিয়ে কবি কাঁটাতারে ঝুলে থাকা ফেলানির মরদেহকে স্মরণ করেন। বিপ্লবী হয়ে ওঠেন পুঁজিবাদী দালালির বিরুদ্ধে। কবিতাও শেষপর্যন্ত ভাষা, তবু তাতে সুর আর স্বরের প্রক্ষেপণ মিশিয়ে এ-যাত্রায় পাঠককে কম্পিত করবে প্রেমের সান্নিধ্য, বিচ্ছেদ, অবশিষ্ট পূর্ণতা ও দ্রোহের ভিতর জাগতিক চেতনা। কবিতায় অতিক্রম করে আসা এইসব ঘটনাগুলোকে মৃত্যুর রুমাঞ্চকর অভিজ্ঞতায় সুখপাঠ্য করা যেতে পারে।
Mrittu Ek Darun Romance - Asma Sultana Shapla
মা ঘুমপাড়ানি গান শোনায়। মাসিপিসির ছড়া শোনায়। দৈত্যদানবের গল্প শোনায়। তবুও ঘুম আসে না মিতুর। ঘুমোতে একটুও ভালো লাগে না তার। শুধু খেলাতে ইচ্ছে করে। হঠাৎ একদিন কী যেন হয়। খুব ঘুম পায় তার। চোখের পাতা মেলতেই পারে না। ঘুমের কোলে ঢলে পড়ে সে। কত কথা হয় ঘুমের সাথে ওর। মিতু বলে, তুমি এতোদিন আসোনি কেন? ঘুম বলে, আমি তো তুমি চাইলেই আসতে পারি। তোমার মনের ভেতরেই আমি থাকি। আমার বোনের নাম স্বপ্ন। সে তোমার কথা বলে আমায় চুপি চুপি। তারপর আমি তোমার কছে চলে আসি। স্বপ্ন? সে কোথায়? এই তো তোমার কাছেই। দেখতে পাচ্ছো না তুমি? মিতু এবার ঘুম আর স্বপ্নের সঙ্গে উড়ে উড়ে মেঘপরিদের দেশে যায়। তারপর! তারপর তো অনেক অনেক মজা। আরো অনেক মজা আছে। নিসর্গ ও কুনোব্যাঙ কী বন্ধু হতে পেরেছিল? মেঘের ভেলায় চড়ে সেদিন কে এসেছিল? পুষি টুসি দুবোন কাশবনে কী শুধুই মজা করছিল? কু ঝু কেমন করে লোভী সাপকে শিক্ষা দিল? সন্টিমন্টি কীভাবে ভিনদেশি একটি দোয়েল পাখির বন্ধু হলো? কবুতর ছানা পারি কীভাবে বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা পেল? আর ভূতের রেলগাড়ি! খুব ভয়ের ব্যপার! গা ছমছম করবে! ছোট্ট বন্ধুরা, সবকিছু জানতে হলে তো মজার মজার গল্পগুলো পড়তে হবে!
ঘুমের যদি হতো ছুটি - Ghumer Zodi Hoto Chuti
সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলাই কবির কাজ। কিন্তু এটা নেহায়েৎ সহজ কোনো কাজ নয়। এজন্য কবিকে সারা জীবন সাধনা করে যেতে হয়, হতে হয় দুঃসময়ের মখোমুখি আর কবি হয়ে ওঠেন সুন্দরের স্বপ্নদ্রষ্টা এবং সৌন্দর্য ক্রমেই সংক্রামিত হয়ে মানুষের মনের মন্দিরে রূপ লাভ করে।
Sundorer Shwapnodroshta - Rasel Muhammad Khairul
পৃথিবীর একমাত্র পতাকা যার একটি নাম রয়েছে: ইউনিয়ন জ্যাক। এটি লেখকের দ্বিতীয় দেশ, বিলেতের। তাঁর পঞ্চাশ বছর বয়সে ঐ দেশে পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। বৈধভাবে তাঁকে নাগরিকত্ব দিয়েছিল বিলেতের কর্তৃপক্ষ।
প্রায় আড়াইশ বছর আগের এক জুন মাসে ওদের পূর্বপুরুষেরা লেখকের জন্মভূমি অধিকার করে নিয়েছিল অবৈধভাবে। ঐ দ্বন্দ্ব ও লেখকের ভেতরে প্রবহমান দুটো সংস্কৃতির সংঘাত ও সম্মীলন এ বইটি: ইউনিয়ন জ্যাক ও জুন ট্র্যাজেডি। আশা করা যায় দুটো সংস্কৃতির মিথষ্ক্রিয়া উপভোগ করবেন বইটির পাঠকগণ।
ইউনিয়ন জ্যাক ও জুন ট্র্যাজেডি - Union Jack O June Tragedy
জাপান একটি বিস্ময়কর দেশ! এই ধারণাটি আমার মধ্যে জন্ম নিয়েছিল ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে। স্বাভাবিকভাবেই যা ছিল না বাংলাদেশে তা জাপানে বিদ্যমান। অর্থাৎ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, উন্নত খাবারদাবার এবং আধুনিক প্রযুক্তির কারণে এশিয়ার আমেরিকা বলে বিদেশিদের মুখে শুনেছি, পত্রপত্রিকায় পড়েছি। কিন্তু আমার কাছে উন্নত প্রযুক্তির কারণেই নয়, তার সঙ্গে যুক্ত জাপানিদের আধ্যাত্মিকতা, সুকুমার বৃত্তি এবং অগ্রসর চিন্তাচেতনা। এসব কারণে এই দেশটিকে আমার অনন্য, অসামান্য এবং প্রেরণাদায়ী মনে হয়েছে।
আশি দশকের শেষদিকে যখন একদিন জাপানশীর্ষ রবীন্দ্রগবেষক, বাংলা ভাষা ও বাঙালিপ্রেমী একজন জাপানি নাগরিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলাপ হলো, সেদিন জাপানের প্রতি ভালোলাগার মাত্রাও সহসাই কয়েক গুণ বেড়ে গেল। আমার একাকীত্ব ও শূন্যতা কেটে গেল। সেই বিদগ্ধ নাগরিক অধ্যাপক কাজুও আজুমার সঙ্গে অকস্মাৎ সাক্ষাৎ ও কথপোকথন জাপান সম্পর্কে আমার ধারণাকেই বদলে দিল। মনে হলো জাপান আমার অনাত্মীয় নয়, আপন একটি রাষ্ট্র। আর তা মনে হয়েছিল উক্ত অধ্যাপক যখন রাজা রামমোহন রায়, বিদ্যাসাগর, স্বামী বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে উচ্চধারণা পোষণ করে জাপান ও বাংলা অঞ্চলের মধ্যে বহু বছরের শিক্ষা, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ভাববিনিময়ের কথা বললেন। আমি অবাক হয়ে শুনলাম তার কথা এবং প্রবল আগ্রহ জন্মাল জাপান দেশটি সম্পর্কে।
ভারতবর্ষ ও বাংলা অঞ্চলের সঙ্গে জাপানের গভীর সম্পর্ক অত্যন্ত কৌতূহলোদ্দীপক বুঝতে সক্ষম হলাম, যখন গ্রন্থাগারে গিয়ে তৎসম্পর্কিত বিস্তর তথ্যাদির সন্ধান পেলাম। তারই প্রচেষ্টার ফসল হলো “জানা আজানা জাপান” প্রবন্ধ সংকলনের প্রথম খণ্ড। ১৯৮৭ সাল থেকেই জাপান সম্পর্কে জানা ও বোঝার চেষ্টাস্বরূপ লেখালেখি শুরু করেছিলাম। প্রথমদিকে বাংলাদেশের দৈনিক ও সাপ্তাহিক কাগজে এবং পরবর্তীকালে আমার সম্পাদিত “মানচিত্র” কাগজে বেশকিছু প্রবন্ধ ও নিবন্ধ প্রকাশিত হলো। সেসব রচনায় জাপানের আলোকিত দিক যেমন রয়েছে, তেমনি মন্দ দিকও বিদ্যমান। মন্দের চেয়ে ভালো দিকই অধিক এবং শিক্ষণীয়, অনুকরণীয় বলে আমার জোরালোভাবেই মনে হয়েছে।
২০০৭ সালে বিশটি প্রবন্ধ ও নিবন্ধ বাছাই করে প্রথম সংকলনটি প্রকাশিত হয়েছিল কলকাতা থেকে। কিন্তু প্রচুর মুদ্রণজনিত ভুল ও বিভ্রান্তির কারণে গ্রন্থটি বাজারজাত করা হয়নি। পরের বছর ঢাকা থেকে স্বব্যয়ে পুনরায় প্রকাশিত হয় এবং ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে পাঠকমহলে। এশিয়ার প্রথম শিল্পোন্নত ধনী রাষ্ট্র জাপানের প্রতি বাঙালির প্রবল আগ্রহ উনবিংশ শতকের শেষদিক থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত বিদ্যমান থাকার উজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে, কিন্তু জাপানের বহু অজানা দিক ও বিষয় সম্পর্কে ভারতবাসী বা বাঙালির কোনো ধারণাই ছিল না যেমনটি আমারও। সেসব বিষয় নিয়েই আমার রচনাসমূহ আলোড়ন তুলেছিল পাঠকমহলে। অনেক বিদগ্ধ পাঠক, গবেষক, লেখক, চিন্তাবিদ এবং সাংবাদিকের কাছ থেকে পেয়েছি আন্তরিক প্রশংসা ও উষ্ণ সাধুবাদ।
প্রবন্ধগুলো বিভিন্ন সময় সময় বিভিন্ন পত্রিকা ও সাময়িকীতে লিখেছি ফলে তথ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে, যা এড়ানো এককথায় অসম্ভব। পাঠকের বিরক্তির কারণ হলে তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।
আমার পরম সৌভাগ্য যে, দীর্ঘ বছরের ব্যবধান ঘুচিয়ে পুনরায় প্রথম খণ্ডটির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হচ্ছে উদীয়মান প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অনুপ্রাণন প্রকাশন থেকে তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই প্রকাশককে।
Jana Ojana Japan (1st Volume) by Probir Bikash Sarker
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.











There are no reviews yet.