Description
মুহাম্মদ ফরিদ হাসান। জন্ম ১৯৯২ সালে, চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায়। জাতীয় প্রায় সব দৈনিকে তিনি নিয়মিত কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ লিখেন। এ পর্যন্ত বিভিন্ন দৈনিক ও ম্যাগাজিনে তার দুশতাধিক লেখা প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত গ্রন্থ ১৭টি। লেখালেখির পাশাপাশি সম্পাদনা করছেন গল্পের কাগজ ‘বাঁক’ এবং লিটলম্যাগ ‘মৃত্তিকা’। সাহিত্যচর্চার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘দেশজ জাতীয় পাণ্ডুলিপি পুরস্কার-২০১৭’ ও ‘চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার-২০১৪’ লাভ করেন।
প্রকাশিত গন্থাবলী-
প্রবন্ধগ্রন্থ- সাহিত্যের অনুষঙ্গ ও অন্যান্য প্রবন্ধ, দেশজ প্রকাশন, ২০১৮
গল্পগ্রন্থ- অন্য শহরের গল্প, পরিবার পাবলিকেশন্স, ২০২২
গবেষণাগ্রন্থ- রবীন্দ্রনাথ ও চাঁদপুরের মানুষেরা, চাঁদপুর পৌরসভা, ২০২১, চাঁদপুরে বরেণ্যদের আগমন, সেন্টার ফর হিস্ট্রি এন্ড কালচারাল রিসার্চ ২০২২।
একক ও যৌথ সম্পাদিত গ্রন্থ- যাপনে-উদ্যাপনে ইলিশ, প্রকৃতি প্রকাশন, ২০১৮, বিরুদ্ধ স্রোতের মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স, ২০২০, কিশোরদের জন্যে কালজয়ী কবিতা, চৈতন্য প্রকাশন, ২০২০, বিস্মৃতির চাঁদপুর [১ম খণ্ড], চৈতন্য প্রকাশন, ২০২০, জ্যোতির্ময় মুজিব, পরিবার পাবলিকেশন্স, ২০২১, শিল্পী-সাহিত্যিকের স্মৃতিতে বঙ্গবন্ধু, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স, ২০২১, সুবর্ণ-শতক, পরিবার পাবলিকেশন্স, ২০২১, মহাত্মা গান্ধী ও চাঁদপুর, চাঁদপুর পৌরসভা, ২০২১, কাজী নজরুল ইসলাম ও চাঁদপুর, চাঁদপুর পৌরসভা, ২০২২, শেকড়ের ধ্বনি, বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদ, চাঁদপুর, ২০২২
স্মৃতিতে রবীন্দ্রনাথ, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স, ২০২২, কালের আয়নায় চাঁদপুর কলেজ, সেন্টার ফর হিস্ট্রি এন্ড কালচারাল রিসার্চ, ২০২২, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের স্মৃতিতে বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ২০২২।
সম্পাদিত ছোটকাগজ- বাঁক; মৃত্তিকা
পুরস্কার- চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার-২০১৪; দেশজ জাতীয় পাণ্ডুলিপি পুরস্কার-২০১৮
যোগাযোগ : hasanforid3@gmail.com


























কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।


There are no reviews yet.