Description
সোলায়মান সুমন (Sulaiman Suman)। জন্ম ১৯৭৯, ১ মে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছোট্ট শহরের নানাবাড়িতে জন্ম । এই জেলা শহরে কেটেছে শৈশব। বাবার নাম আখতারুল ইসলাম, মাতা হোসনে আখতার। স্ত্রী লাবণি সোলায়মানের সাথে ২০০৬ সালের ১৬ই জুন থেকে এক সাথে পথচলা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এম.এ. শেষে ঢাকায় পেশা জীবনের শুরু। শিক্ষকতা ও সম্পাদনা জীবন-জীবিকা। শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল ঢাকা। প্রকাশিতগ্রন্থ: মুই তোরে কোচপাং (গল্পগ্রন্থ, ২০০৯), পঞ্চায়ুধ (সম্পাদিত গল্পসঙ্কলন, ২০১১), ছায়াগুলো জেগে থাকে (গল্পগ্রন্থ, ২০১৪); বাংলা সাহিত্যের সেরা গল্প (সম্পাদিত গল্পসঙ্কলন ২০১৫), মৃত্যুখেকো মানুষগুলো (গল্পগ্রন্থ, ২০১৭), পিনু মামার অ্যাডভেঞ্চার ( ২০১৮), হংসরাজের ভূত হাভেলি (২০১৯), উজানের মানুষ (২০২১), এক যে ছিল রাজা ( ২০২২), কলকাতায় ওকিকু (২০২৩), শিকারি ছায়া(২০২৪) ।








































নিলীয়মান পৃথিবীর শরীর থেকে রাতের আঁচল খসে গেলে তার জন্ম মুহূর্তের শুরু। সেই সাথে শুরু অনন্তদিনের গোলকধাঁধাময় যাত্রা। যাত্রাপথের অলিগলি ঘুরে শেষ অবধি ঘরের চৌকাঠে পৌঁছাতে পারা তাই সহজ কিছু নয়। ফেরার পথে কতো অগুনতি গল্পের হাওয়া মনের শরীর ছুঁয়ে যায়! সেই হাওয়াগুলো কখনো হয় কেবল পকেট বন্দি, আবার কখনো তারা বেমালুম ফসকে যায়। তাদের ফিরিয়ে আনার মতো দু:সাধ্য কিছু নেই। যদিও বা ফেরে, তখন হয়ত বদলে যায় তাদের অবয়ব। কখনো স্বেচ্ছায় মুঠোবন্দি হলে তাদের নাম দেয়া যায় ‘প্রজা কাহিনি’।









কবিতা যেন পর্যবেক্ষকের হারিয়ে যাওয়া সময়ের লুপ―স্থানকালের আপেক্ষিকতায় অনুভূতির যাদুবলে মোহিত একাকিত্বের তীব্র আনন্দ ভোগ অথবা সাদাকালো বেদনা বৃক্ষ। কবিতা আমার কাছে আমার জীবনবোধের মর্মরধ্বনি। জীবনকে বুঝতে চাওয়া, জীবনের উত্থান-পতন, সভ্যতা, ধার্মিক-অধার্মিক, নাস্তিক-আস্তিকের কাণ্ডখানা, পুঁজিবাদ, ধর্ম, সমাজতন্ত্র, দেশপ্রেম, নারী… সবকিছুই। কবিতায় কবির চিন্তার জগৎ উঠে আসে, ছক কষে কল্পনা ও গণিতে। জীবনের জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশিত চিন্তায় স্থানান্তর করে যা পার্থিব-অপার্থিব জগৎ ভাবিয়ে তোলে। জলের শব্দে কবিতা রপ্ত হয় মিশে যায় রঙহীন, শব্দে শব্দে নীল হয়ে ওঠে আকাশ। কবিতা মানবধর্মের অথবা মানুষের রঙহীন রঙিন―ভায়োলিন শব্দ। মানব জাতির অধিকাংশ লিখতে পারে না এটা যেমন সত্য, অধিকাংশ আবার শিল্পকে ধারণ করতে পারে না। নিজের অনুভূতি বা মতের বিরুদ্ধে গেলেই উগ্র ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। মূর্খদেরকে জ্ঞানী করে তোলা অথবা জ্ঞান প্রচারে আমার কোনো ইচ্ছা নেই। আমার কবিতা শুধু সহনশীল মানুষ ও মানবতার জন্য―যা আপনার জ্ঞানকে ক্রিয়াশীল করতে পারে আবার নাও পারে। হ্যাপি রিডিং―চিয়ার্স।
There are no reviews yet.