Additional information
| Weight | 0.185 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.24 $ 1.65
কিছু কিছু সম্পর্ক থাকে, যার কোনো নাম হয় না; নামকরণও করা যায় না। এই নামহীন সম্পর্কগুলো আয়নায় লাগা জলের দাগের মতো লেগে থাকে। জল দিয়ে সেই দাগ মুছতে গেলে লেগে যায় আরো জলের দাগ। প্রতিবিম্বের গায়ে সেইসব জন্মদাগের মতো চিহ্ন রেখে যায়—সম্পর্ক এমনও হয়।
গ্রন্থভুক্ত কবিতাগুলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক নয়। কারো সঙ্গেই কোনো ঐক্য নেই। তবে এ অনৈক্যের মাঝেও এক আন্ত আছে বৈকি! ওরা সকলেই শিরোনামহীন-সম্পর্কে আবদ্ধ।
| Weight | 0.185 kg |
|---|---|
| Published Year |
লেখক পরিচিতি :
শঙ্করী দাস। জন্ম: ৮ই মে, ১৯৫৮ সনে নিজ জেলা জামালপুরে। কবি প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থগুলোÑ গল্প: ‘প্রতিবিম্ব ও অন্যান্য গল্প’ ‘জলমাটির গল্প’ ও ‘রাহুর চন্দ্রগ্রাস’। কবিতাÑ ‘ঘাসবোনা গ্রাম তাঁতবোনা গ্রাম’। স্মৃতিচারণমূলকÑ ‘গণমানুষের স্মৃতিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ’। গল্পের জন্যে পেয়েছেন পাক্ষিক ঐকতান (বর্ধমান) পত্রিকা পদক। শিশু কবি রকি সাহিত্য পুরস্কার ও নক্ষত্র সাহিত্য পুরস্কার।
বিহান বেলার ঈশ্বর
কাজী রহমান। পরবাসী লেখক নিজের পছন্দ মতো বাঁচতে দু-যুগ আগে মার্কিন মুলুকে চলে আসেন স্ত্রী ও প্রথম শিশুকন্যা সাথে নিয়ে। বড় হয়েছেন পুরনো ঢাকার গেন্ডারিয়া’য়। জ্ঞান হবার পরপরই নিজেকে আবিষ্কার করেছেন ঘরের পাশের গ্রন্থাগারে, বিভিন্ন শিশু সংগঠন আর সমাজসেবামূলক সংগঠনের আলোছায়ায়। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার দুরন্ত কিশোর স্বাধীনতার যুদ্ধ দেখেছেন কাছ থেকে আর আতঙ্কের দিন গুনেছেন সারাক্ষণ মুক্তিযোদ্ধা দু’ভাইয়ের ঘরে ফেরার অপেক্ষায়। গ্রাজুয়েশন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কর্মজীবন কেটেছে বিদেশী এয়ার লাইন্সের কর্মকর্তা হিসেবে।
তারাধুলো জল ও নস্টালজিয়া
লেখক পরিচিতি :
শারমিন রাহমান। জন্ম: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩। দ্ইু সন্তানের জননী। বাংলাদেশের স্বনামধন্য স্কুলগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর শিক্ষকতা শেষ করে বর্তমানে চট্টগ্রাম আর্ট সেন্টার ‘ধ্যান’ এর পরিচালক। বিশেষ আগ্রহ আছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে। এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
অপ্রাকৃত কবচ
কিছু একটা বলাটাই যখন বাধ্যবাধকতাÑবাহুল্য এবং আপেক্ষিক বাতুলতা বাদ রাইখা মাহবুব লীলেন থাইকা ধার কইরা বলতে হয়Ñ ‘আনফিট মিসফিট হইয়া হামাগুড়ি দিয়া হাঁটি, আর রাত্তিরে ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ টাইনা চিক্কুর দিয়া কইÑ যাহ শালা বাঁইচা গেলাম আরও একটা দিন।’
এইটা বড়োবেশি জৈবিক বাঁচা
মানবিক বাঁচনের স্বপ্নও দেখি না বহুদিন
বড়ো তরাসে আছি
বড়ো বেশি চাইপা আছি, নিজের গলা নিজে।
দ্বান্দ্বিক দ্বন্দ্ব বিষয়ক আজাইরা প্রলাপ
লেখক পরিচিতি :
নিখিল নওশাদ। জন্মসন: ১৯৮৯ইং। বড়িয়া, ধুনট, বগুড়া, বাংলাদেশ। ‘বিরোধ, ‘নিওর’ ও ‘নীড়’ পত্রিকার সম্পাদনা পরিষদের সাথে যুক্ত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই। এছাড়া ছোটগল্প বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন।
এটি একটি চিৎকার
লেখক পরিচিতি :
হান্নান হামিদ, লেখক নাম কালের লিখন। জন্ম: আগস্ট, ১৯৮৪। জামালপুর। ‘বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস’ লেখকের প্রথম বই।
বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস
নাহিয়ান ফাহিম। জন্ম: ২৩শে মার্চ, ১৯৮৪। ময়মনসিংহ জেলা। ঢাকাতে বেড়ে ওঠা। মূলতঃ পাঠক, ফলতঃ লেখক। সাহিত্য পত্রিকা ‘জলমাঝি’র সম্পাদক। মার্কেংটিং বিভাগে স্নাতকোত্তর। পেশাগত জীবনে একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ভিনদুপুরের নোটবই’।
মধ্যবিত্ত কবিতা
আলী রেজা। জন্ম: ১৯৫৭। মুক্তিযুদ্ধে আলোড়িত কবি, সত্তর দশকে মূলত ছোটকাগজে লেখালেখি শুরু করেন। সদ্য অবসরে যাওয়া একটি রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠানের বিপণন ব্যবস্থাপক। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
আলী রেজা
সিদ্দিক প্রামানিক। জন্ম: ২১শে আগস্ট ১৯৭৯, কুস্টিয়ার কুমারখালী থানার চরভবানীপুরগ্রামে। বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন এবং বাম প্রগতিশীল সংগঠনের সক্রিয় সংগঠক ও সংস্কৃতকর্মী। প্রথম বই ‘হাঙরের সমুদ্রে মননশীল মাছ’।
উন্মাদের কনসার্ট
রনক জামান। জন্ম:১৬ই ডেসেম্বর ১৯৯১, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলায়। লেখালেখির হাতেখড়ি ছোটবেলাতেই কবিতার প্রতি মুগ্ধতা থেকেই তার প্রতি ভালোবাসা। এটাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে, যৌথ কবিতাগুচ্ছ ‘মায়ানগরীর বৃষ্টিকথন’, কবিতার ই-বুক ‘শরীর ছোঁয়া আঙুলগুলো’ এবং অনুবাদ উপন্যাস ‘ললিতা’।
ঘামগুলো সব শিশিরফোঁটা
ফারহানা খানম। জন্ম: ১৯শে এপ্রিল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকায়। গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দীপে। ‘ভুগোল ও পরিবেশ’ বিষয়ে স্নাততোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে ব্যাংকে চাকুরি শুরু করলেও বর্তমানে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। নয় ভাই-বোনের মাঝে সবার ছোট বলেই আদরও পেয়েছেন বেশি। প্রথম প্রকাশিত বই, ‘ইছামতি’ (কলকাতা থেকে প্রকাশিত)।
তৃষ্ণার্ত বালুতট
রাজন্য রুহানি। পরিবারের দেওয়া সনদসাক্ষ্য নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। জন্ম: ২রা নভেম্ভর ১৯৮০, জামালপুর জেলা শহরের হাটচন্দ্রায়। কলেজে পা দেবার সাথে সাথেই সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হয়ে পড়েন। স্থানীয় কয়েকটি দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মফস্বল সাংবাদিকতার পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে না পেরে বারবার কবিতার কছেই ফেরা। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং। ১৯৯৮ থেকে কবিতার ভাঁজপত্র শব্দদূত সম্পাদনার সাথে যুক্ত। ঐ বছরই অন্যান্য লেখক সহযোগে আলোচনাগ্রন্থ- ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ; আতিয়ার রহমানের ৭টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এটি লেখকের প্রকাশিত এককবই।
গল্প সমাপ্তির গান
সমাজের উচ্চবিত্ত শ্রেণির বিত্তশালী নারী সাবরিনা যে কিনা নিজেও এক সময় পতিতাবৃত্তি করে বিপুল ধনসম্পদের মালিক হয়েছে এবং নিজের বিলাশবহুল ফ্ল্যাটে নানা কৌশলে-প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে দালালদের মাধ্যমে সুন্দরী তরণীদের নিজের ফ্ল্যাটে রেখে প্রভাবশালীদের মনোরঞ্জন করে। তারই ফাঁদে পড়ে হতদরিদ্র পরিবারের কিশোরী পুষ্প আপন ভগ্নিপতির প্রলোভনে ঢাকায় এসে সাবরিনার বাসাবন্দি হয়ে যৌনকর্মী হতে বাধ্য হয়। পুষ্প ও সাবরিনাকে কেন্দ্র করে এই উপন্যাসে বর্ণচোরাদের চরিত্র উন্মোচিত করে উপন্যাসটি নির্মিত। এক সময় পুষ্প গ্যাং রেপড হলে প্রতিহিংসার আগুনে সে দগ্ধ হয়ে নওয়াব আলীর ওপর প্রতিশোধ নিতে চায়। পুষ্পর জীবন হয়ে ওঠে আরও দুর্বিষহ। এরপরও একটু ভরসা ও স্বপ্নের স্থান: পুষ্পর যৌনবৃত্তির কথা জেনেও সাবরিনার ফ্ল্যাটের দারোয়ান যে কিনা অত্যন্ত পড়ুয়া আবদুল কাদের তাকে ভালোবাসে। এতটুকুন মিষ্টি প্রেম কারারুদ্ধ জীবনে পুষ্পর জন্য যেন নিশ্বাস নেওয়ার সতেজ অম্লজান…
ফাঁদ
মুর্শিদা জামান। জন্ম: ১৯৮৩ সনে বর্তমান বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায়। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণের খুলনা শহরে। বাংলায় অনার্স সহ এমএ করেন ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কবিতা লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট কাগজ ও সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকাতে ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃতি ও পশু-পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি লেখালেখি নিয়েই ব্যস্ত।
অদৃশ্য ছায়ার প্রজাপতি
নুরুন্নাহার মুন্নির কবিতা আমার ভালো লাগে, এমনকি তার সাহিত্যিক তৎপরতাও আমার পছন্দের। কারণ কবি হওয়ার জন্য একজন মানুষের যতটা নিমজ্জন, পরিশুদ্ধতা দরকার- তার মধ্যে সেটা আছে। সামাজিক মাধ্যমেও আমি তাকে অনুসরণ করি, তার কবিতা পড়ি এবং সাহিত্যিক-সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড লক্ষ করি। এবার তার ‘ভ্রূণফুল’ কাব্যগ্রন্থের পাণ্ডুলিপি পড়তে গিয়ে এ ধারণা আরও প্রগাঢ় হলো। সত্যি সত্যি এই বইয়ের কবিতাগুলো আমায় মুগ্ধ করল। সচারচর অনেকে কবিতা লেখার ক্ষেত্রে পরিবেশ স্থানিকতা ভাষা এবং লৈঙ্গিক উপস্থিতি সঠিকমাত্রায় উপলব্ধি করতে পারে না; এতে কবিতায় কৃত্রিমতা ভর করে। কিন্তু মুন্নির ক্ষেত্রে তা ঘটেনি, তার কবিতার বিষয়, ভাষাশৈলী বেশ জীবন্ত এবং ভাবের উদ্রেককারী। একটি গার্হস্থ্য জীবন, সমকালীন রাজনৈতিক জীবন, মানবচরিত্রের কপটতা- তিনি শব্দ, উপমা, উৎপ্রেক্ষার দ্বারা তুলে ধরেন; তাই বলে তিনি ভুলে যান না প্রাণ-প্রকৃতি, প্রেম-রিরংসা, মানবচৈতন্যের রূপবৈচিত্র্য। মুন্নির কবিতার মধ্যে, বাক্যবন্ধের মধ্যে, শিরোনাম ও ভাষাশৈলীর মধ্যে এক সপ্রাণতা রয়েছে- যা কাব্যপাঠককে সহজে উজ্জীবিত করতে পারে, ভাবের ঘরে নিয়ে যেতে পারে। যেমন তার দুএকটি কবিতার কথা উল্লেখ করা যায়- আঙুলের মদ গিলে কামনার খইফুল, গ্রাফিতি জীবন, রক্ত ফোটে গাছে গাছে, মুখোশ পরা দিন, আমার খেয়ালে ছেঁড়া মানচিত্র, কাটা মাদুলীর নিহত স্বর, ঠোঁট ও উদ্ভ্রান্ত বিকেল, জংলি ফুল, বউ হবো, চেনা মুখ অপরিচিত ছায়া। আমার বিশ্বাস কাব্যপাঠক নুরুন্নাহার মুন্নির কবিতার নান্দনিক উপলব্ধি থেকে বঞ্চিত হবেন না।
-মজিদ মাহমুদ
কবি ও প্রাবন্ধিক
Vrunful - Nurunnahar Munni
লেখক পরিচিতি :
সাবরিনা সিরাজী তিতির। জন্ম: ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫। বেড়ে ওঠা ফরিদপুরে। শিক্ষকতা করেছেন ফরিদপুরেই। বর্তমানে ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। প্রকাশিত হয়েছে দু’টি কাব্যগ্রন্থ ‘মেঘ হয়ে যাই’ ও ‘আগুনজল’। একটি গল্পগ্রন্থ ‘রঙের ওপারে’।
সত্যি মুখোশ মিথ্যে মুখোশ
শরতের মেঘ
শরতের মেঘ যেন
বড় আলাভোলা
কালিঝুলি নেই মনে
বেশ দিলখোলা!
নিষ্পাপ শিশু হয়ে
ছোটাছুটি করে
আকাশের ঘরে
দিন কিবা রাতে
সহজতা, মুগ্ধতা
ভরে দুই হাতে!
মনে নেই এক তিল
জিলাপির প্যাঁচ
বজ্রেরা অকারণ
করে না তো ঝনঝন
কোনো খ্যাঁচ খ্যাঁচ!
মায়া দিয়ে আকাশটা
ঢেকেঢুকে রাখে
রোদবালা তার বুকে দুধেভাতে থাকে!
সকলেই তাকে নিয়ে
দিনভর মেতে
মধুচোখে চেয়ে রয়
পথে যেতে যেতে…
আমি তাই হতে চাই
শরতের মেঘ
যার বুকে থোকা থোকা
সরল আবেগ!
রাঙা ছড়ার রঙধনু
সন্দেহপ্রবণ সন্ধ্যা
তুমি হরিণীর মতো অরণ্যে ঢুকে গেলে
কোন এক সন্দেহপ্রবণ সন্ধ্যায়-
আর আমি বৃষ্টিমুখর সারারাত
শিবরঞ্জনী রাগ শুনে শুনে ভোর করে দিলাম
সন্দেহপ্রবণ সন্ধ্যা
উৎকলিত গদ্যগুলোর চারটি পর্বে এদেশের মনন-সৃজন ও বৃহত্তর কর্মক্ষেত্রের ১২০ জন মানুষের মুখ ও মুখশ্রী আঁকা হয়েছে প্রধানত বিগত করোনাকালের ঘরবন্দি সময়ে। এখানে তাঁদের মূল অভিনিবেশ বা কৃতীকর্মের ধাতটি সংক্ষেপে ধারণের চেষ্টা করা হয়েছে। তাঁরা সকলেই যে লেখকের চাক্ষুষভাবে পরিচিত ছিলেন, এমন নয়। তবে তাঁদের মধ্যে অতুলন সম্মাননীয় ব্যক্তিত্ব, যেমন : আস্হাব উদ্দীন আহমদ, বারীন মজুমদার, বাবু রহমান, মোহাম্মদ খালেদ, নুরুল আনোয়ার খান, আবদুল করিম, অনুপম সেন, শামসুর রাহমান, ওয়াহিদুল হক, সৈয়দ শামসুল হক, আল মাহমুদ, অরুণ দাশগুপ্ত, আবুল হাসনাত (মাহমুদ আল জামান), মুহম্মদ নূরুল হুদা, সেলিম আল দীন, মনসুর উল করিম, শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব, শান্তনু কায়সার, জয়দুল হোসেন, ময়ুখ চৌধুরী, মোস্তফা ইকবাল, অভীক ওসমান, সৈয়দ মহিউদ্দিন, সুভাষ দে, শুক্লা ইফতেখার, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, সিদ্দিক আহমেদ, আমিরুল কবির চৌধুরী, মোহাম্মদ হোসেন খান, হারুন-অর-রশীদ খান, মোহাম্মদ ইদ্রিছ (অদ্রীশ)- এই বয়োজ্যেষ্ঠগণের সবিশেষ স্নিগ্ধ স্নেহাশিস পাওয়ার অযাচিত সুযোগ হয়েছিল লেখকের তরুণকালে, যাঁদের অধিকাংশই আজ প্রয়াত।
সেই সঙ্গে এই গদ্যরচয়িতার লেখালেখির সমসাময়িক মহীবুল আজিজ, মামুন হুসাইন, সোহেল রাববি, শাহিদ আনোয়ার, সরকার আশরাফ, এজাজ ইউসুফী, রাশেদ মাহমুদ, মোহাম্মদ সেলিম উল্লাহ, খালিদ আহসান, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, সেলিনা শেলী, ওমর কায়সার, খালেদ হামিদী, আকতার হোসাইন, কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, আমিনুর রহমান সুলতানসহ পরবর্তী প্রজন্মের কবিতা তথা সাহিত্যকলা ও লিটলম্যাগ তৎপরতার পদাতিক– যেমন : শামীম রেজা, জফির সেতু, জিললুর রহমান, মোস্তাক আহমাদ দীন, খোকন কায়সার, ওবায়েদ আকাশ, অলকা নন্দিতা, খালেদ মাহবুব মোর্শেদ, আসিফ নূর, সিরাজুল হক সিরাজ, মামুন মুস্তাফা, শাহানা আকতার, হিমেল বরকত, ভাগ্যধন বড়–য়াসহ কয়েকজনের প্রোফাইল যুক্ত হয়েছে জীবনের পথে চলায় তাঁদের সঙ্গে যুক্ততা আর অন্তর্গত স্বপ্নময় ঈপ্সাগুলোকে যাপনের জন্যে।
বলা থাকা ভালো, এ ধারাটি এখানেই সমাপ্ত নয়। গ্রন্থের কলেবর সীমার মাঝে রাখতে এর দ্বিতীয়খণ্ডের কাজও প্রস্তুয়মান।
চার গ্রহের বাসিনা - Char Groher Basinda
রোবট শিশুর পিতা-মাতা
কিছু কিছু সম্পর্ক থাকে, যার কোনো নাম হয় না; নামকরণও করা যায় না। এই নামহীন সম্পর্কগুলো আয়নায় লাগা জলের দাগের মতো লেগে থাকে। জল দিয়ে সেই দাগ মুছতে গেলে লেগে যায় আরো জলের দাগ। প্রতিবিম্বের গায়ে সেইসব জন্মদাগের মতো চিহ্ন রেখে যায়—সম্পর্ক এমনও হয়।
গ্রন্থভুক্ত কবিতাগুলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক নয়। কারো সঙ্গেই কোনো ঐক্য নেই। তবে এ অনৈক্যের মাঝেও এক আন্ত আছে বৈকি! ওরা সকলেই শিরোনামহীন-সম্পর্কে আবদ্ধ।
নামহীন মৃত্যুর শিরোনাম
রূদ্ধদ্বার কক্ষে আমরা দুজন! বাস্তবে কেউ কারও নই। তবুও কেন জানি দুজনই যেন দুজনার। মৃদুল একই প্লেটে আমাদের খাবারটা নিয়েছে। আমার হাতটুকু ধরে ও আমাকে নিজ হাতে খাইয়ে দিলো। আমিও যেন ওর হাতের খাবারটুকু সসম্মানে খেলাম। মনে মনে আজ যেন ওকে গোটা হৃদয়টাই দিয়ে দিলাম।
কতটা ভালোবাসার প্রস্রবণ ভেতরে থাকলে এমনটি করতে পারছি। এই যে এতটা বছর ওকে নিয়ে দিবারাত্রির স্বপ্ন- অনুভূতির ভেতরে ঘুরুপাক খেতাম, রাতের ঘুম কখনও নির্বিঘ্ন ছিল না, এতটা হৃদয়যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছি। অথচ আজ? ওকে কাছে পেয়ে মনে হচ্ছে প্রেম জীবনের উজ্জ্বলতম মুহূর্ত! মানব অস্তিত্বের সর্বোচ্চ সুখের আস্বাদ দেয় প্রেম। এর পরে কী হবে সে ভাবনাটুকু ভাবার এতটুকু অবকাশ থাকে না। হয়তো একটু পরেই উভয়ই বিমর্ষ মলিন অশ্রুবিধুর মুখখানা নিয়ে বিদায় নেব। চিরদিনের জন্য কেউ আর কারোরই থাকব না। কি কঠিন আর নির্মম বাস্তবতা! তবুও মন কি বোঝে? এই যে এতটা কাছে আছি, এই কাছে থাকা মানে কিন্তু পাওয়া নয়। এই কাছে থাকার মধ্যেও আছে যোজন যোজন ব্যবধান। প্রেম কাছে পাওয়া কিংবা না পাওয়ার পার্থক্য বুঝে না। ও বর্তমানে বিশ্বাসী।
Shesh Adhyay - Piara Begum
শিশু-কিশোরদের গল্প পাঠের নির্মল আনন্দ হাস্যরস প্রদান লেখকের মূল উদ্দেশ্য। গল্পের ধারাবাহিকতায় কখনো কখনো গৌণ বিষয়ে হিসেবে এসেছে সমাজের নানা অসঙ্গতির প্রতি তীর্যক বিদ্রুপ, হাস্যরস, মানবিকতা ও শিক্ষণীয় কিছু উপাদান। যাদের উদ্দেশ্যে গল্পগুলো লেখা হয়েছে আমার বিশ্বাস গল্পের নানা কর্মকান্ডে শিশু কিশোরদের মুখে হাসি ফোটাবে, তেমনি ভালো মন্দের মতো কিছু মৌলিক প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করাবে ‘অর্ক নিখোঁজ’ বইটি। বড়রাও পড়ে হাস্যরসের নির্মল আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবেন না। হয়তোবা ফিরেও পাবেন কৈশোরের কোনো খন্ডিত স্মৃতি। বইয়ের গল্পগুলো ইতিপূর্বে ধানশালিকের দেশ, কিশোর বাংলা ও বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের শিশুকিশোর পাতায় প্রকাশিত।
Arko Nikhoj by Serajuddin Ahmed
সন্তোষ কুমার শীল ১৯৭৩ সালের ১৫ অক্টোবর (সার্টিফিকেট অনুসারে) পিরোজপুর জেলার বাটনাতলা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। ইংরেজী সাহিত্যে স্নাতকোত্তর পড়াশুনা শেষে শিক্ষকতা পেশায় প্রবেশ করেন এবং একই পেশায় বর্তমান আছেন। রবীন্দ্রনাথের একনিষ্ঠ ভক্ত এই গল্পকার মূলতঃ একজন সর্বগ্রাসী পাঠক। বই পড়া, গান শোনা এবং সাহিত্য সাধনায় সময় যাপন তার একান্ত প্রিয়। শিক্ষকতার পাশাপাশি ছোটগল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ এবং রম্য রচনার চর্চা করেন। এ পর্যন্ত তার ছয়টি গল্পগ্রন্থ এবং দু’টি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। “বিখ্যাত হবার টোট্কা” তার প্রথম রম্যগল্প সঙ্কলন।
বিখ্যাত হবার টোট্কা
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.


















There are no reviews yet.