Description
মণীশ রায় আশির দশকের গল্পকার। তাঁর জন্মদিন ১৯৬৪ সালের ১৪ এপ্রিল। জন্মশহর তিতাস বিধৌত ব্রাহ্মণবাড়িয়া। লেখাপড়া করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতোকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে বর্তমানে চাকরি করছেন একটি কোম্পানিতে।
গল্প লেখার হাতেখড়ি তাঁর স্কুল জীবন থেকে। জাতীয় পত্রিকায় প্রথম গল্প ছাপা হয় ইত্তেফাকের সাহিত্য পাতায়, আশির দশকের একেবারে গোড়ার দিকে। তারপর থেকে নিয়মিত লিখে চলেছেন বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও সাহিত্য-সাময়িকীগুলোয়।
নব্বই দশকে প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘জীবন যখন শুকায়ে যায়’ মুক্তধারার প্রয়াত কর্ণধার চিত্তরঞ্জন সাহার সহযোগিতায় প্রকাশিত হয়।
‘অন্ত্যমিল’, ‘পোড়া লাশের গন্ধ’, ‘পরী ও অন্যান্য গল্প’, ‘মুক্তিযুদ্ধের গল্প’, ‘কাজলদিঘি’, ‘র্যাডক্লিফের লাটিম’, ‘জোড়াতালির গল্প’, ‘ফসিল ও ফসফরাস’ প্রভৃতি তাঁর লেখা গল্পগ্রন্থ। মণীশ রায় রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের ভেতর রয়েছে- ‘শোভনা’, ‘একলা আকাশ’, ‘দুটি কুসুম’, ‘আজন্ম’, ‘তছনছিয়া’, ‘শরীরে সূর্যোদয়’ ও ‘ওকে গাইতে দাও’।
‘আচানক’ ও ‘অচিন গন্ধ’ শিরোনামে রয়েছে তাঁর দুটি কিশোর-উপন্যাস। ‘গল্পের রূপ-বৈচিত্র্য’ তাঁর একমাত্র প্রবন্ধ গ্রন্থ।






























বাংলা ছোটোগল্পের ইতিহাস খুব পুরানো নয়, তবু এগিয়েছে পাশ্চাত্যের সাথে তাল মিলিয়ে। আলাদা করে বলতে গেলে, বাংলাদেশের ছোটোগল্পের যে স্বকীয়তা তা বোধ করি সচেতন পাঠকগণ সহজেই অনুমান করতে পারেন। একুশ শতকের দুটি দশক পার হবার পরে বাংলা ছোটোগল্প এখন তার আধুনিকায়নের নতুন স্তরে পৌঁছে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এদেশর তরুণ গল্পকারেরা বিষয় নির্বাচনে গ্রাম্যজীবন ছেড়ে এখন হয়েছে নগরমুখী। আধুনিক নাগরিক জীবনের একাকিত্ব, অন্তর্দ্বন্দ্ব, প্রেম, হতাশা, চিন্তা চেতনা, যৌনতা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই এসেছে ভিন্নতা। সেই নগর জীবনের একাকী মানুষ থেকে শুরু করে দেশের ইতিহাসের কিছু উল্লেখযোগ্য বিষয় গল্প হয়ে উঠে এসেছে ‘পিওর মশগ্রীন’ গল্পগ্রন্থে। এই এক মলাটে স্থান পেয়েছ মোট দশটি গল্প। দশটি গল্পের প্রতিটি গল্পকে আলাদা করা যায় তার বিষয় বৈচিত্রতায়। গল্পগুলোতে উঠে এসেছে জাদুবাস্তবতা, মুক্তিযুদ্ধ, দেশভাগ, করোনাকালীন সময়ে ব্রোথেলের অভ্যন্তরিন সংকট, রাজশাহী অঞ্চলের লোকসংগীত আলকাপ শিল্পীর অর্থনৈতিক দৈউলিয়াত্ব ও পর্ণগ্রাফির মতো বিষয়। গল্পের বিষয় ভিন্নতা ও তার আধুনিক উপস্থাপনের কারণে গল্পগুলো পাঠকের মনে এক দীর্ঘ চিন্তার খোরাক যোগাবে বলে মনে করি।









মৃত্যু কি বিচ্ছিন্নতা তৈরি করতে পারে পিতা আর সন্তানের মাঝে?

There are no reviews yet.