Description
নুসরাত সুলতানা, দ্বিতীয় দশকের কবি ও কথাসাহিত্যিক। পিতা : আবুয়াল ইসলাম খান (মৃত) মাতা : খালেদা বেগম (মৃত)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ মিলিটারি ইন্সটিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে সিভিলিয়ান স্টাফ অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। স্বামী এবং একমাত্র পুত্রকে নিয়ে বসবাস করছেন মিরপুর সেনানিবাসে।
প্রকাশিত গ্রন্থ :
উপন্যাস : রাতের হাতে দিনের তসবীদানা (২০২৫)
স্মৃতিগদ্য : ফিরে দেখা কৃষ্ণচূড়া (২০২৫)
গল্পগ্রন্থ : নাচের শহর রূপেশ্বরী (২০২৪), মৌতাত (২০২২)
মুক্তগদ্য : পায়রার পায়ে আকাশের ঠিকানায় (২০২১)
কাব্যগ্রন্থ : চান্দ উটলে গাঙ পোয়াতি অয় (২০২৪), মহাকালের রুদ্র ধ্বনি (২০২৩), গহিন গাঙের ঢেউ (২০২০), ছায়া সহিস (২০১৯)
নিয়মিত লিখছেন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, ওয়েব ম্যাগ এবং লিটল ম্যাগে।































‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’








সংস্কৃতির জগৎ অমূল্য। জাতি হিসেবে যাঁরাই সংস্কৃতির কদর করেছে তাদের খ্যাতি হয়েছে বিশ্বজোড়া। কেবল খ্যাতি নয়, এসেছে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিও। এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ ফ্রান্স। পৃথিবীর শিল্পচর্চার সুবর্ণভূমির কথা বললে এ দেশটির নাম-উচ্চারণ অনিবার্য হয়ে ওঠে।

There are no reviews yet.