Description
নাঈম হাসান
লেখক পরিচিতিঃ
আমার জন্ম ১৯৯৫ সালের ১৭ই ডিসেম্বর ঢাকায়। বর্তমানে সড়বাতকোত্তর
করছি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। পড়াশুনার পাশাপাশি লেখালেখি
করেই কাটছে সময়। শৈশব ও কৈশর কেটেছে ঢাকাতেই। ছোটবেলা
থেকেই বই পড়া, লেখালেখি ও আবৃত্তির প্রতি প্রবল ঝোঁক। পঞ্চম
শ্রেণীতে যখন অধ্যয়নরত তখন প্রথম স্কুলের বার্ষিক সাময়িকীতে আমার
ছড়া ছাপা হয়, এরপর দেশের বিভিন্ন মাসিক পত্রিকা, ত্রৈমাসিক পত্রিকা,
ছোট কাগজ, লিটল ম্যাগ, অনলাইন মিডিয়ায় নিয়মিত লেখা-লেখি
করছি। ভালোবাসি বন্ধুদের সাথে আড্ডা, সিনেমা, ক্রিকেট ও ভ্রমণ।
সময় পেলেই ছুটে চলি দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে। ভালোবাসি
প্রকৃতির সান্নিধ্য, সাগর-পাহাড়। ২০১৮ সালে আমার প্রথম উপন্যাস
এ্যারেঞ্জ ম্যারেজ প্রকাশিত হয়। সকল পাঠকের ভালোবাসা ও
আশির্বাদের ফলশ্রুতিতেই দ্বিতীয় উপন্যাস লেখা। আমার নিকট
জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন পাঠকের ভালোবাসা। এই ভালোবাসা
নিয়েই বাকি জীবন কাটাতে চাই!
























পিয়াইনে রাত্রি নেমে এলে মারিয়া আসে, কিন্তু মেনজপ কেন মারিয়াকে ছুঁতে পারে না? শুধু যাত্রাশিল্পী হওয়ায় ফিরোজা সুন্দরীর সাথে সুখুর মিলন হয় না। তবু ফিরোজা রঙেই কেন সুখু আটকে থাকে? কেন হঠাৎ মেলা বন্ধ হয়ে যায়? অনেক চেষ্টার পর যখন পারুলী বহুদিন আগে লুকিয়ে রাখা আতপ চাল খুঁজে পায়। আলুর দম মাংসের মতো খেতে যেন হয় ভেবে দারুচিনি চেয়ে আনে। পুতুল চেটেপুটে খেতে খেতে আরও ঝোল চায়, তখন পারুলীর সব উল্টে কেন আসতে চায়! একটা টোনা মাছের ভাজি কেন ঝিল্লিকে বস্তি থেকে বঙ্গোপসাগরের বালুকায় টেনে নিয়ে যায়! হরহরের বউয়ের বাচ্চা কেন ধূপের গন্ধে কাঁদে! এক টুকরা মাছ কেন বিধবার লুকিয়ে খেতে হবে! উঠান জুড়ে পুতুলের মতো ছোট্ট মেয়েটির পরনে হিরামনের মতোই বেনারশী। অথচ সেই শাড়িটি পরিমলের বোনা নয়! আষাঢ়ের পয়লা বৃষ্টিতে আনন্দীর অমন কান্না পায় কেন? পয়ত্রিশ বছর পর মহব্বত ফাতিমাকে কি বলতে চায়? শিউলিফোটা রাতে শ্রী দাস লেনে ভুবন চিনু কী নিয়ে এত কথা বলে? জীবনানন্দ চলে যাওয়ার আগেই কেন দুখী ছাই নিয়ে গলিতে আসে না! গাজায় রক্তমাখা শিশুরা ঈদে কী করল, কী করল না- তা নিয়ে রাইসু কেন কাঁদে? চারদিকে এত খিদে, এত কান্না- তার মধ্যেও ঈশ্বরের ভাতঘুম কেন ভাঙে না! এমন সব অমীমাংসিত জিজ্ঞাসা নিয়ে গল্পকার জয়শ্রী সরকার লিখেছেন ‘ঈশ^রকে বল দুখী ডাকছে’।









There are no reviews yet.