Additional information
| Weight | 0.190 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.24 $ 1.65
| Weight | 0.190 kg |
|---|---|
| Published Year |
লেখক পরিচিতি :
নিখিল নওশাদ। জন্মসন: ১৯৮৯ইং। বড়িয়া, ধুনট, বগুড়া, বাংলাদেশ। ‘বিরোধ, ‘নিওর’ ও ‘নীড়’ পত্রিকার সম্পাদনা পরিষদের সাথে যুক্ত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই। এছাড়া ছোটগল্প বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন।
এটি একটি চিৎকার
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
লেখক পরিচিতি :
শারমিন রাহমান। জন্ম: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩। দ্ইু সন্তানের জননী। বাংলাদেশের স্বনামধন্য স্কুলগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর শিক্ষকতা শেষ করে বর্তমানে চট্টগ্রাম আর্ট সেন্টার ‘ধ্যান’ এর পরিচালক। বিশেষ আগ্রহ আছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে। এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
অপ্রাকৃত কবচ
লেখক পরিচিতি :
সুলতানা শাহরিয়া পিউ। জন্ম: ২রা অক্টোবর। লেখালেখি, আবৃত্তি ও সঙ্গীতচর্চা তার শখ। অনুপ্রাণন সম্পাদনা পর্ষদ এর সদস্য, বর্তমানে দীপ্ত টেলিভিশনের স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে কর্মরত আছেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: ‘মেঘের সাথে কথা’। অনুবাদ কাব্যগ্রন্থ: ‘নিমগ্ন জলধারা’। স্ক্রিপ্ট সঙ্কলন: ‘আমরা করব জয়’। গীতিকবিতার অনুবাদ: ‘অচিন’। গল্প সংকলন: ‘মেঘের দেশে ফিরে যাবার গল্প’।
আমার দিনগুলো রইলো অসম্পূর্ণ
আলতাফ হোসেন-এর জন্ম ২৭ অক্টোবর ১৯৪৯। পৈতৃক নিবাস কিশোরগঞ্জ। বাবার চাকরিসূত্রে শৈশব কৈশোর কেটেছে পাটনা, কলকাতা, চাটগাঁ, করাচি ও ঢাকায়। ১৯৬৪ থেকে পুরোপুরিভাবে ঢাকায় বসবাস। অনার্স ও এমএ করেছেন বাংলায়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেস, ঢাকা থেকে দু-বছর ফরাসি ভাষা শিখে সনদ পেয়েছেন।
কফি জেগে থাকে
লেখক পরিচিতি :
প্রজ্ঞা মৌসুমী। জন্ম: এক শরতে দাদুবাড়ি কুমিল্লায়, বেড়ে ওঠা সুনামগঞ্জে। ঊনিশ বছর থেকে পড়াশুনার জন্যে প্রবাস জীবন। এক এসাইনমেন্টের জন্যে প্রথম ইংরেজি কবিতা লিখার শুরু। প্রথম জীবনের কবিতাগুলো ইংরেজিতেই লেখা, কিন্তু মন আঁকুপাঁকু করে বাংলায় লিখতে; তারই ফলশ্রুতিতে আজকের প্রথম কবিতা ফসল ‘পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ’। লেখক কবিতা ও গল্প লিখে পেয়েছেন অনেক পুরস্কার তাই বাংলা সাহিত্যের অত্যুজ্জল আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করার স্বপ্ন দেখেন অহর্নিশ।
পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ
সিদ্দিক প্রামানিক। জন্ম: ২১শে আগস্ট ১৯৭৯, কুস্টিয়ার কুমারখালী থানার চরভবানীপুরগ্রামে। বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন এবং বাম প্রগতিশীল সংগঠনের সক্রিয় সংগঠক ও সংস্কৃতকর্মী। প্রথম বই ‘হাঙরের সমুদ্রে মননশীল মাছ’।
উন্মাদের কনসার্ট
সাঈদা মিমি। জন্ম: ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৮। বরিশালে। শৈশবের পুরোটাই এবং অর্ধেক কৈশোর কেটেছে পদ্মাপাড়ে, মানিকগঞ্জের ঘোনাপাড়া গ্রামে। লেখালেখির শুরু ছাত্রজীবনে। প্রথম প্রকাশিত হয় ইত্তেফাকে। ফ্রীল্যান্স সাংবাদিকতা, স্কুল মাস্টারিং, বায়িং হাউজের এডমিন, হাউজিং কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ইত্যাদি বিচিত্র কর্মজীবন মেষে অতঃপর গৃহিণী। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘সব নিয়ে গেছে এক সময়ের লুটেরা বাতাস’ ‘ফারাও কুমারী’ ও ই-বুক ‘কীর্তনখোলা’।
একজন মৃতের ডাইরি
অয়ন্ত ইমরুল। জন্ম: ১২ই এপ্রিল ১৯৮৭ইং, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার আজিমনগর গ্রামে। পদ্মা নদীর ভয়াল গ্রাসে শৈশবেই ঠিকানার পরিবর্তন ঘটে বর্তমানে সাভার আশুলিয়ায় বসবাসরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ছায়াসমুদ্র
লেখক পরিচিতি :
হামীম ফারুক। পুরো নাম: গোলাম ফারুক হামীম। জন্ম: ২৪শে অক্টোবর, ১৯৬৩, ঢাকা। প্রথম তারুণ্যে কাজ করেছেন ইংরেজি পত্রিকা নিউ নেশন-এ। সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করে এখন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন। মূলস্রোতের সাহিত্য পত্রিকাগুলোতে একটানা লিখেছেন ১৯৮৭ পর্যন্ত। মাঝখানে বিরতি দিয়ে পুনরায় আগমন প্রথম কবিতার বই ‘রোদ ও ক্রোধ, মাঝখানে সাঁকো’ দিয়ে। একটি ই-বুক আছে, ‘নক্ষত্রের চিরকূট’। এটি লেখকের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ।
প্রকৃতি পুরাণ
রনক জামান। জন্ম:১৬ই ডেসেম্বর ১৯৯১, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলায়। লেখালেখির হাতেখড়ি ছোটবেলাতেই কবিতার প্রতি মুগ্ধতা থেকেই তার প্রতি ভালোবাসা। এটাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে, যৌথ কবিতাগুচ্ছ ‘মায়ানগরীর বৃষ্টিকথন’, কবিতার ই-বুক ‘শরীর ছোঁয়া আঙুলগুলো’ এবং অনুবাদ উপন্যাস ‘ললিতা’।
ঘামগুলো সব শিশিরফোঁটা
হাসানআল আব্দুল্লাহ। জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৬৭। গোপালগঞ্জ জেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। তিনি প্রবর্তন করেছেন নুতনধারার সনেট। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থর সংখ্যা দশ। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার কবিতার অনুবাদে প্রকাশ করেছেন বিশ্ব কবিতার কয়েকছত্র। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ- সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা, আঁধারের সমান বয়স, এক পশলা সময় প্রভৃতি। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের কুইন্স শহরের পোয়েট লরিয়েট ফাইনালিস্টের সন্মান পেয়েছেন।
বৃত্তের কেন্দ্রেও কবিতার মুখ
হুমায়ুন কবির।
জন্ম ১৯৫৯ সালে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার দেউটি গ্রামে। বাবা জালাল আহমেদ ও মা জফুরা বেগম। লেখালেখির শুরু ছাত্রাবস্থায়। মাঝে দীর্ঘ বিরতি। আবারও ফিরে এসেছেন লেখালেখিতে। কবিতা, উপন্যাস, গল্পগ্রন্হসহ তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা আটটি। ইতোপূর্বে প্রকাশিত তার উপন্যাস ‘ কানফুল, আনছার আলীর গৃহত্যাগ এবং কবিতা অন্তহীন দীর্ঘশ্বাস পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য জিগীষা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ তাকে জিগীষা সাহিত্য সম্মাননা -২০১৯ প্রদান করেছে।
সাবেক সরকারি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বর্তমানে দৈনিক বাংলার সাহিত্য সম্পাদক। তিনি সালমা ফৌজিয়া সুমি, ডা. শারমিন ফৌজিয়া ও সাইফুল কবির সোয়েবের বাবা। স্ত্রী নাজমুন নাহার লক্ষ্মী গৃহিণী।
প্রকাশিত বই সমুহঃ-
কবিতা-
আমি তাকে ফিরছি খুঁজে
অন্তহীন দীর্ঘশ্বাস
উপন্যাস-
দায়
কানফুল
মেঘনাপারের শেফালী
আনছার আলীর গৃহত্যাগ
গল্পগ্রন্থ-
শাহজাদী উপাখ্যান
আমিও ডিকশনারি দেখেছি কিন্তু পাইনি।
জ্বিনকন্যা নার্গিসের প্রেম
‘পিতার কঙ্কাল’ গল্পগ্রন্থের গল্পগুলি আমার চেনা, নিজ চোখে দেখা। আমাদের জীবনেরই প্রতিফলন। গল্প জীবন থেকে আসে। গল্পের জন্য ঘুরতে হয় না, খুঁজতে হয় না, হাতড়াতে হয় না চারপাশ! গল্পরা নিজে এসে ধরা দেয়। এ গল্পগুলিও সহজে ধরা দিয়েছে।
যিনি জীবনের ওপারে পাড়ি জমান তিনি চলে যান না চিরতরে! থেকে যান স্মৃতিতে, হৃদয়ে, লৌকিকতায় কিংবা জাদুবাস্তবতায়। ফিরে ফিরে আসেন নানান ভাবে। নাগরিক জীবনের যন্ত্রণা, গ্রামীণ জীবনের অমৃত এবং গরল, মানবিকতা ও পাশবিকতা খুঁজে পাবেন গল্পগুলিতে। আছে মাতৃত্বের মহত্ব, বন্ধুত্বের উদারতা, মুখোশধারীর পশুত্ব। এইসব নিয়েই মানব-জীবন। ভাল-মন্দ, আনন্দ-বেদনা, জয়-পরাজয়, অধীনতা-স্বাধীনতা নিয়ে এগিয়ে চলে জীবন। থামে না, জীবন থামার জন্য নয়। চলাই জীবনের নিয়ম। ‘পিতার কঙ্কাল’ গল্পগ্রন্থটিতে বলা হয়েছে জীবনের এই বহমানতার কথা।
Pitar Konkal by Afroza Parveen
যাপিত জীবনে ঘটে যাওয়া আমাদের অনেক অভিজ্ঞতা কিংবা ঘটনা’ই হয়ত আমরা দ্বিতীয়বার ভেবে দেখি না কিংবা ধরে নেই -এমন’টাই তো হবার কথা। কেন একজন ম্যাজিস্ট্রেট’কে “স্যার” না বলাতে তিনি রেগে গেলান কিংবা কেন একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়’টির শিক্ষা কিংবা গবেষণা নিয়ে গর্ব অনুভব না করে অন্য সব কিছু নিয়ে গর্ব অনুভব করছেন? কখনো আবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা ছেলেটি কেবল’ই অর্থে’র পেছনে ছুটছে; সেই ছুটতে গিয়ে জীবনের একটা লম্বা সময় হয়ত পার হয়ে গিয়েছে; মাঝখান থেকে জীবন’কেই হয়ত আর উপভোগ করা হয়নি। আমাদের সবাইকে কী তবে সফল হতে হবে? সফল হতে গিয়ে চলার পথে অন্য কাউকে ফেলে দিয়ে বড় হওয়াটা’ই কি সফলতা নাকি মানুষের মতো মানুষ হলে আমরা তাকে সফল বলবো? আমাদের যাপিত জীবনের গল্প গুলো হয়ত অন্য রকমও হতে পারত। মানুষ হবার প্রবল আকুতি’ই হয়ত প্রতিফলিত হয়েছে এই বইটিতে।
এসো মানুষ হই - Eso Manush Hoi
মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির হাজার বছরের সংগ্রামের বিরল দৃষ্টান্ত। আমাদের এই গৌরবময় অর্জনের কারিগর বাংলা মায়ের সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর মোহন বাঁশির সুরে মোহিত হয়ে বাংলার এই দামাল ছেলেরাই সেদিন ছিনিয়ে এনেছিল আমাদের স্বাধীনতা।
যাহিদ সুবহান আমার স্নেহের অনুজ। মুক্তিযুদ্ধের প্রতি তার গভীর আগ্রহ প্রশংসার দাবী রাখে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তার ধারাবাহিক কাজের অন্যতম ‘অচেনা রোদ্দুরে হেঁটেছিল যাঁরা’ গ্রন্থটি। নানা সীমাবদ্ধতা সত্বেও সে মাটিবর্তী উৎস থেকে মুক্তিযুদ্ধকে তুলে আনার চেষ্টা করছে, যা প্রশংসার দাবীদার। একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে তার এই চেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই। জয় বাংলা।
মো. শফিউল্লাহ্
লেখক-মুক্তিযুদ্ধ গবেষক
সভাপতি, প্রজন্ম’৭১, আটঘরিয়া, পাবনা
Ochena Roddure Hetechilo Zara by Zahid Subhan
এই বইটি প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে মূলত: আমার শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণায়। অনেক দিন ধরে ওরা আমাকে ভূতের গল্প লেখার জন্য উৎসাহ দেয়। দশটা গল্পের মধ্যে চার পাঁচটার মতো গল্প পত্রিকা ও শিশু সাহিত্য গ্রন্থে প্রকাশিত হয়। এখানে প্রতিটি গল্পে শিশু কিশোরদের ঠাকুরমার কাছে ভূতের গল্প শোনা, ভূতকে নিয়ে কল্পনা করা, একাকিত্বে ভূতকে সঙ্গী মনে করা, ভূতের লেখাপড়ায় আগ্রহ, পরীর সাথে ভূতের বন্ধুত্ব, বাসাবাড়িতে ভূতের আতঙ্ক, বল আনতে গিয়ে ভূতের কবলে পড়া, করোনা কালীন সময়ে শ্মশানে লাশদের আহাজারি, শাকচুন্নী ও মেছো ভূতের গল্প, ভূত মামার সাহায্যে ফল খাওয়া সহ আরো নানান চমকে দেয়ার মতো কাহিনী সহজভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। আশা করি এই গল্পগুলো পাঠকদের মনে রেখাপাত করবে। ছোটদের পাশাপাশি বড়রাও এই গল্পগুলো পড়ে উপভোগ করবে।
Vuter Kabole Ora Tinjon by Jonaki Dutta
পিয়াইনে রাত্রি নেমে এলে মারিয়া আসে, কিন্তু মেনজপ কেন মারিয়াকে ছুঁতে পারে না? শুধু যাত্রাশিল্পী হওয়ায় ফিরোজা সুন্দরীর সাথে সুখুর মিলন হয় না। তবু ফিরোজা রঙেই কেন সুখু আটকে থাকে? কেন হঠাৎ মেলা বন্ধ হয়ে যায়? অনেক চেষ্টার পর যখন পারুলী বহুদিন আগে লুকিয়ে রাখা আতপ চাল খুঁজে পায়। আলুর দম মাংসের মতো খেতে যেন হয় ভেবে দারুচিনি চেয়ে আনে। পুতুল চেটেপুটে খেতে খেতে আরও ঝোল চায়, তখন পারুলীর সব উল্টে কেন আসতে চায়! একটা টোনা মাছের ভাজি কেন ঝিল্লিকে বস্তি থেকে বঙ্গোপসাগরের বালুকায় টেনে নিয়ে যায়! হরহরের বউয়ের বাচ্চা কেন ধূপের গন্ধে কাঁদে! এক টুকরা মাছ কেন বিধবার লুকিয়ে খেতে হবে! উঠান জুড়ে পুতুলের মতো ছোট্ট মেয়েটির পরনে হিরামনের মতোই বেনারশী। অথচ সেই শাড়িটি পরিমলের বোনা নয়! আষাঢ়ের পয়লা বৃষ্টিতে আনন্দীর অমন কান্না পায় কেন? পয়ত্রিশ বছর পর মহব্বত ফাতিমাকে কি বলতে চায়? শিউলিফোটা রাতে শ্রী দাস লেনে ভুবন চিনু কী নিয়ে এত কথা বলে? জীবনানন্দ চলে যাওয়ার আগেই কেন দুখী ছাই নিয়ে গলিতে আসে না! গাজায় রক্তমাখা শিশুরা ঈদে কী করল, কী করল না- তা নিয়ে রাইসু কেন কাঁদে? চারদিকে এত খিদে, এত কান্না- তার মধ্যেও ঈশ্বরের ভাতঘুম কেন ভাঙে না! এমন সব অমীমাংসিত জিজ্ঞাসা নিয়ে গল্পকার জয়শ্রী সরকার লিখেছেন ‘ঈশ^রকে বল দুখী ডাকছে’।
Ishwarke Bol Dukhi Dakche by Joyshri Sarkar
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.












There are no reviews yet.