Description
এই গল্পগুলো পড়ে পাঠক যেন চাইলেও সহজে ভুলতে পারবেন না। গল্পকার ও নাট্যকার রুমা মোদকের কাহিনির আধেয় যেমন সমৃদ্ধ, তার বুননও ততোধিক সূক্ষ্ম। তাঁর বিষয়বস্তুর বিস্তার বাংলাদেশের সামাজিক সম্বন্ধ ও পরিবেশের দুর্গমতম অঞ্চলে। যে অঞ্চলের অন্ধকার অবিচার আমাদের চোখের সামনেই বর্তমান, কিন্তু যা কিনা রয়ে যায় আমাদের চেতনার আড়ালে। এই বইয়ের প্রতিটি গল্প পাঠকদের উদ্দেশ্যে এক একটি চ্যালেঞ্জ যেখানে কোনো বাক্যই অবান্তর নয়, যেখানে প্রতিটি প্যারায় এক ধরনের অবোধ্য রহস্যের জন্ম হয় যে রহস্যের জট ছাড়াতে পাঠককে লেখকের বোধের সাথে সম্পৃক্ত হতে হয়, শেষ লাইনটি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। গল্পটিকে হয়তো পাঠককে আবার পড়তে হয়, সেই পুনঃপাঠ গল্পটিকে আবার নতুন আলোয় উন্মোচন করে। সেই প্রয়াসে পাঠক হয়ে ওঠেন গল্পকারের কারুকাজের একজন আগ্রহী ও সার্থক অংশগ্রাহী। পাঠক হয়তো বিস্ময়ে বলবেন, ‘কি চমৎকার আবিষ্কার!’ এই স্টাইলটি রুমা মোদকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ভাষায় এই ধরনের উপস্থাপনা খুবই ব্যতিক্রমী। সেই ব্যতিক্রমী গল্পের উত্তাল সমুদ্রের অভিযানে নাবিক হতে পাঠককে আহ্বান জানাচ্ছি।
-দীপেন ভট্টাচার্য, বিজ্ঞানী ও গল্পকার।






















মানুষ বাঁচে স্বপ্ন নিয়ে। সবার স্বপ্ন থাকে তার পরিবারকে ভালোকিছু উপহার দেওয়া। পরিবারকে ভালো কিছু উপহার দিতে অর্থের দরকার হয়। অর্থ ব্যতীত সবকিছু মূল্যহীন। অর্থের জন্য মানুষ কি না করে। নিজের জীবনকে বাজি রেখে ভূমধ্য সাগরের মতো সাগর রাবারের নৌকা দিয়ে পাড়ি দেয়। এর মধ্যে শতকরা আশি জনই জানে যে তারা মারা যাবে। তবুও তারা পাড়ি দেয়। পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে। আপনজনকে উজাড় করে দিতে। মানুষের কত-শত রকমের স্বপ্ন তা শরণার্থী উপন্যাসটি পড়লে বুঝতে পারবেন। বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপট, আমেরিকা-ইউরোপের চালবাজি এবং দরিদ্র দেশ থেকে পাড়ি দিয়ে ফার্স্ট ওয়াল্ডের নাগরিক হওয়া যে কতটা কষ্টকর এবং ঝুকিপূর্ণ তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। বাস্তব ঘটনাগুলো নিয়ে শরণার্থী উপন্যাসটি লিখিত। যারা ইউরোপ আমেরিকা গিয়েছেন তারা যেমন স্মৃতিচারণ করতে পারবেন। যারা এখনও যাননি তারাও অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবেন।


There are no reviews yet.