Description









$ 1.85 $ 2.47
মৃত্যু কি বিচ্ছিন্নতা তৈরি করতে পারে পিতা আর সন্তানের মাঝে?
| Weight | 0.208 kg |
|---|---|
| Published Year | |
| অনুপ্রাণন তরুণ পাণ্ডুলিপি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী | 2024 |
ডালিয়া চৌধুরী। তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন। কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে কবিতা লেখার সূত্রপাত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ‘অনুভবে সুখ’ ‘মেঘময় নিকুঞ্জে রধুন‘ ও ‘জলজ কামনা’।
নীল গোধূলি
লেখক পরিচিতি :
মোহাম্মদ হোসাইন। জন্ম: ৩১শে অক্টোবর। বিএসসি ও এমএসসি’র শিক্ষা সমাপন শেষে এখন শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত আছেন। লেখকের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ মোট ১১টি। ‘ভালোবাসা নির্বাসনে গেছে’ ‘মেঘগুলো পাখিগুলো’ ‘অরণ্যে যাবে অস্তিত্বে পাপ’ উল্লেখযোগ্য বইয়ের শিরোনাম।
অনুদিত রোদের রেহেল
লেখক পরিচিতি :
নিখিল নওশাদ। জন্মসন: ১৯৮৯ইং। বড়িয়া, ধুনট, বগুড়া, বাংলাদেশ। ‘বিরোধ, ‘নিওর’ ও ‘নীড়’ পত্রিকার সম্পাদনা পরিষদের সাথে যুক্ত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই। এছাড়া ছোটগল্প বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন।
এটি একটি চিৎকার
লেখক পরিচিতি :
সুলতানা শাহরিয়া পিউ। জন্ম: ২রা অক্টোবর। লেখালেখি, আবৃত্তি ও সঙ্গীতচর্চা তার শখ। অনুপ্রাণন সম্পাদনা পর্ষদ এর সদস্য, বর্তমানে দীপ্ত টেলিভিশনের স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে কর্মরত আছেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: ‘মেঘের সাথে কথা’। অনুবাদ কাব্যগ্রন্থ: ‘নিমগ্ন জলধারা’। স্ক্রিপ্ট সঙ্কলন: ‘আমরা করব জয়’। গীতিকবিতার অনুবাদ: ‘অচিন’। গল্প সংকলন: ‘মেঘের দেশে ফিরে যাবার গল্প’।
আমার দিনগুলো রইলো অসম্পূর্ণ
মুর্শিদা জামান। জন্ম: ১৯৮৩ সনে বর্তমান বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায়। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণের খুলনা শহরে। বাংলায় অনার্স সহ এমএ করেন ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কবিতা লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট কাগজ ও সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকাতে ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃতি ও পশু-পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি লেখালেখি নিয়েই ব্যস্ত।
অদৃশ্য ছায়ার প্রজাপতি
আত্মমুগ্ধ শিকল
লেখক পরিচিতি :
হান্নান হামিদ, লেখক নাম কালের লিখন। জন্ম: আগস্ট, ১৯৮৪। জামালপুর। ‘বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস’ লেখকের প্রথম বই।
বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস
দেবাশীষ ধর। জন্ম: ৫ই জানুয়ারি, ১৯৮৯। চট্টগ্রাম। কবিতার ছোটকাগজ ‘বাঙাল’ এর সম্পাদক। কবির এটি প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
ফসিলের কারুকাজ
কিছু একটা বলাটাই যখন বাধ্যবাধকতাÑবাহুল্য এবং আপেক্ষিক বাতুলতা বাদ রাইখা মাহবুব লীলেন থাইকা ধার কইরা বলতে হয়Ñ ‘আনফিট মিসফিট হইয়া হামাগুড়ি দিয়া হাঁটি, আর রাত্তিরে ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ টাইনা চিক্কুর দিয়া কইÑ যাহ শালা বাঁইচা গেলাম আরও একটা দিন।’
এইটা বড়োবেশি জৈবিক বাঁচা
মানবিক বাঁচনের স্বপ্নও দেখি না বহুদিন
বড়ো তরাসে আছি
বড়ো বেশি চাইপা আছি, নিজের গলা নিজে।
দ্বান্দ্বিক দ্বন্দ্ব বিষয়ক আজাইরা প্রলাপ
মেঘ অদিতি। কবি ও গল্পকার হিসেবে ‘দু’বাংলাতে পরিচিত। জন্ম: ৪মে, জামালপুর। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘জলডুমুরের ঘুম (কাব্য)’ ‘অস্পষ্ট আলোর ঘোড়া (গল্প)’ ‘অদৃশ্যতা হে অনিশ্চিতি (কাব্য)’ এবং ‘সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ (মুক্তগদ্য)।
প্রবেশিধকার সংরক্ষিত
লেখক পরিচিতি :
শারমিন রাহমান। জন্ম: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩। দ্ইু সন্তানের জননী। বাংলাদেশের স্বনামধন্য স্কুলগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর শিক্ষকতা শেষ করে বর্তমানে চট্টগ্রাম আর্ট সেন্টার ‘ধ্যান’ এর পরিচালক। বিশেষ আগ্রহ আছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে। এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
অপ্রাকৃত কবচ
সাঈদা মিমি। জন্ম: ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৮। বরিশালে। শৈশবের পুরোটাই এবং অর্ধেক কৈশোর কেটেছে পদ্মাপাড়ে, মানিকগঞ্জের ঘোনাপাড়া গ্রামে। লেখালেখির শুরু ছাত্রজীবনে। প্রথম প্রকাশিত হয় ইত্তেফাকে। ফ্রীল্যান্স সাংবাদিকতা, স্কুল মাস্টারিং, বায়িং হাউজের এডমিন, হাউজিং কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ইত্যাদি বিচিত্র কর্মজীবন মেষে অতঃপর গৃহিণী। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘সব নিয়ে গেছে এক সময়ের লুটেরা বাতাস’ ‘ফারাও কুমারী’ ও ই-বুক ‘কীর্তনখোলা’।
একজন মৃতের ডাইরি
একসাথে অনেক মানুষের আর্তনাদ ভেসে আসে। মনে হচ্ছে কোথাও আটকে আছে তারা। সে আগুনে খড়কুটো দিয়ে মনে মনে দোয়া পড়ে। ভয়ে দোয়া ভুল হয়। গাছের ডাল ভাঙার শব্দ হয়। এ সময় চিলটাকে দেখা যায়। জবুথুবু মেরে বসে আছে। এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তার দিকে। সে বইতে চিলের কথাও পড়েছে। চিলটাকে ভয় দেখায় কিন্তু এক পা-ও নড়ে না। ফুরফুরে বাতাস বইছে। বাতাসের সাথে খড়কুটো ধুলো উড়ে আসে।
তারও অনেক পরে সাদা কাপড় পরা উঁচুলম্বা এক মহিলা এসে দাঁড়ায়। মহিলা লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটেন। গলায়-মুখে অসংখ্য মাংসল ভাঁজ। মহিলা তার জড়িয়ে যাওয়া গলায় বললেন, একটু বসার ব্যবস্থা করো। বয়স হয়েছে তো দাঁড়িয়ে থাকতে পারি না।
আপনিই তাহলে…। সে কাঁপা কাঁপা গলায় বলল। তার শরীরের কাঁপুনি থামছে না। এদিক-ওদিক তাকিয়ে দেখে বসার কিছু আছে কি না। তেমন কিছু না পেয়ে কিছু ইট যোগাড় করে। একটার পর একটা ইট সাজিয়ে বসার ব্যবস্থা করে।
Rajbarir Vagnaboshes - Abu Neser Shaheen
‘দুঃখতন্ত্র : লেখকের উত্তরাধিকার’ গবেষণামূলক প্রবন্ধের সংকলন। এতে রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক বাংলা কবিতার গতি-প্রকৃতি, নির্মাণ ও নির্মিতির গভীর মনস্বী-বিশ্লেষণ উপস্থাপিত হয়েছে। নজরুল থেকে শুরু করে শক্তি, মৃদুল, শৈলেশ্বরসহ আশি ও নব্বই দশকের কবিরা এসব প্রবন্ধে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছেন। কবিতায় সমাজ, রাষ্ট্র ও রাজনীতির তালাশ বইটিকে স্বাতন্ত্র্যমণ্ডিত করেছে। এ বই আধুনিক বাংলা কবিতা-বিষয়ক আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। বইটি মননশীল পাঠক ও গবেষকদের বিশেষ উপকারে আসবে বলে দৃঢ়তার সঙ্গে বলা যায়।
Dukkhotontro Lekhoker Uttoridhikar by Sumon Shams
লেখক পরিচিতি :
হান্নান হামিদ, লেখক নাম কালের লিখন। জন্ম: আগস্ট, ১৯৮৪। জামালপুর। ‘বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস’ লেখকের প্রথম বই।
বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস
ভূমিকা
সেই দূর শৈশবেই বজ্রকণ্ঠ’র প্রেমে পড়ে যাই। ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান কিংবা ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ তোমার আমার ঠিকানা’ ; ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধর ‘বাংলাদেশ স্বাধীন করো’, ‘তোমার নেতা, আমার নেতা- শেখ মুজিব, শেখ মুজিব’ এসব শুনতে শুনতেই যুদ্ধের ডাক এেেলা। সেই মহানায়কের নির্দেশেই ‘যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে’ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়লো এদেশের সর্বস্তরের মানুষ। অনেক রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ নামক জাতিরাষ্ট্রের জন্ম হলো। আমরা সগৌরবে গেয়ে উঠলাম ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথ, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ নামে বইটি এই দুই শ্রেষ্ঠ বাঙালির প্রতি আমার ভালোবাসারই অভিজ্ঞান । হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর প্রস্তুতিপর্বে সারা পৃথিবীর মানুষ এক মহাবিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে যায়। কোভিড-১৯ অতি দ্রুত ছড়াতে থাকে এক দেশ থেকে আরেক দেশে। যখন ক্রমশ আক্রান্তের ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং গোটা পৃথিবী এই অণুজীবের কাছে অসহায় হয়ে পড়ে, ঠিক সেসময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জন্মশতবার্ষিকীর বছরব্যাপী কর্মসূচিকে উৎসবমূখর পরিবেশে না করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুবই সীমিত পরিসরে পালনের নির্দেশ দেন, যাতে কর্মসূচির কারণে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধি না পায়।
বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে আলাদা করে ভাবা যায় না। ’৪৭-এর পরপরই তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের কথা ভাবতে শুরু করেন। আরেকজন বাঙালি, যিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ^দরবারে পরিচিত করিয়েছেন, যার কবিতা গান গল্প উপন্যাস নাটক প্রবন্ধ-নিরন্ধ এমনকি চিঠিপত্র আমাদের চেতনাকে সবসময় উজ্জীবিত রাখে, ভরসা যোগায়, জীবনকে আলাদাভাবে চিনতে শেখায়, তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, যার লেখা গান আমাদের জাতীয় সংগীত। উল্লেখ্য, স্বাধীনতার অনেক আগে থেকেই বঙ্গবন্ধু ভেবে রেখেছিলেন ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় রচিত রবীন্দ্রনাথের ‘ আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটিকে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মর্যাদা দেবেন। ১৯৭২ সালের ১৩ জানুযারি মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকেই এই গানটির প্রথম ১০ লাইন জাতীয় সংগীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।
পূর্ববঙ্গে এসে রবীন্দ্রনাথ যে পূর্ণাঙ্গ রবীন্দ্রনাথ হয়ে উঠেছিলেন, তা বলাই বাহুল্য। রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের নদী-মাঠ-ঘাট-মানুষ-মাটি এতটাই ভালোবেসে ফেলেছিলেন যে, ১৩২৯ সালের ২ বৈশাখ ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীকে লিখলেন ‘শিলাইদহ ঘুরে এলুম- পদ্মা তাকে পরিত্যাগ করেচে’ তাই মনে হলো বীণা আছে, তা’র তার নেই। তার না থাকুক, তবু অনেক কালের অনেক গানের স্মৃতি আছে । ভালো লাগল সেই সঙ্গে মনটা কেমন উদাস হলো।’ সাজাদপুর থেকে চলে যাবার পর বহুদিন বাদে কবি আর এক বার অনেকটা প্রাণের টানেই এখানে এসেছিলেন। ১৩০৪ সালের ৮ আশ্বিন সাজাদপুর ঘাটে বোটের ওপরে বসে লিখেছিলেন ‘যাচনা’ (কল্পনা) । ‘ ভালোবেসে সখী, নিভৃতে যতনে / আমার নামটি লিখিও তোমার / মনের মন্দিরে।’ পূর্ববঙ্গের প্রতি রবীন্দ্রনাথের অকুণ্ঠ ভালোবাসার বিষয়টি তাঁর নানামুখী কর্মকাণ্ডের মধ্যেই খুঁজে পাওয়া যায়, এমনকি তার রবীন্দ্রবাউল হয়ে ওঠা এই পূর্ববঙ্গে এসেই। বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানকে পূর্ববঙ্গ বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন।
রবীন্দ্রনাথ, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ
তরুণ লেখক জাহাঙ্গীর হোসাইন-এর ‘উলঙ্গ সময়’ উপন্যাসটি পড়ার পর উপলব্ধি করতে পারলাম, এক নারীর আত্মন্মোচনের বেদনাবাষ্পে ধূসর হয়ে পড়বে আমাদের চেনা পৃথিবীটাও। কথিকা মাধুবীলতা চৌধুরানি। তাঁরই অনÍর্যামী জাহাঙ্গীর হোসাইন হয়তো বা বসত করে সেই অপ্রত্যাশিত নারীর ভাবগর্ভে। পরিবার পরিজনে ঘেরা গ্লানির কয়েদখানা থেকে সুপ্রিয় পাঠককে সম্বোধন করে লেখা উপাখ্যানে কুড়িটি পর্বে লেখকের অন্তর্বয়নে অক্ষরগুলো যতœ করে জ্বলে ওঠে স্মৃতির বারুদে। জীবনকে আস্বাদনের তৃষ্ণায় অন্তরতমা মাধুবীলতা চৌধুরানির কাছে সমুর ব্যাকুল আর্তি- মাধু, ‘আমার ভিতরটা পুড়ে যাচ্ছেÑ আমাকে একটু ঠাণ্ডা জল দিবে?’ কেবলই অপ্রাপ্তির বেদনায় সমুর মনে গুমরে গুমরে “সুখের লাগিয়া এঘর বাঁধিনু অনলে পুড়িয়া গেল” আক্ষেপ আর আত্মগ্লানির পীড়ায় জ্বলতে জ্বলতে সমুর করুণ অনুনাদ ‘মাধু, তোমার ঘরে বিষ আছে? আমাকে একটু বিষ দাও।’ পাখি, পুঁথির মা, সমু, অলক চৌধুরী সকলই মাধুবীলতা চৌধুরানির জীবনের জানালার গরাদ। সেই গরাদ ধরে সমুর ভালোবাসার জন্য অনন্ত অপেক্ষার পর উলঙ্গ সময়ের কাছে তাঁর মৃদু অনুযোগ ‘নরকে থাকার চেয়ে আত্ম হননের পথ শ্রেয়’ এই হতভাগিনীর উপাখ্যানে সময়ও কেঁদে ওঠে, হয়তো বা জ্বরে পুড়তে থাকে। যেভাবে পুড়েছে মালতি থেকে কাবুলিওয়লার বাঙালি বউটা।
ড. মেঘনাদ ঘোষাল
উলঙ্গ সময় - Ulongo Samoy
ইলিয়াস ফারুকীর দশম ছোট গল্পের বই ‘আগরবাতি ও মৃত্যুর গন্ধ।’ এই বইটিতে তার লেখা ষোলটি গল্প স্থান পেয়েছে। ইলিয়াস ফারুকীর গল্প লেখার মূল উপজীব্য বিষয় হলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা, মনস্তত্ত্ব এবং প্রকৃতি। তিনি সমাজে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনাকে তার গল্পে তুলে আনেন সুনিপুণ কলমে। তিনি সমাজকে হেয় না করে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে খুব সহজ ভাবেই তাঁর লেখায় তুলে আনেন। সমাজের অনেক ছোটখাটো বিষয়গুলোও তিনি ভিন্ন দৃষ্টি দিয়ে তার গল্পের ছবি আঁকেন। যেমন বইটির নাম গল্পে তিনি বস্তির এক মেয়েকে নিয়ে এঁকেছেন অসাধারণ এক চিত্র। বস্তিতে জন্মে এবং সেখানে বড় হয়েও তার চরিত্রে বস্তির কোন চিহ্ন নেই বরং সে শিক্ষার বিষয়ে সচেতন। এবং একইসাথে মেয়েটি সাহসী এবং প্রতিবাদী। ‘বউ কথা কও’ একটি খুবই সাধারণ গল্প। কিন্তু এ গল্পের মূল চিন্তাধারা হলো প্রকৃতি এবং মানুষের মাঝের যোগসূত্র। একইভাবে ‘প্রজন্ম সঙ্কট’ গল্পটি জুলাই’২৪এর আন্দোলন প্রসঙ্গে।
গল্পটিতে গল্পকার দেখাতে চেয়েছেন যে, যে সকল ছাত্ররা তাদের জীবন বাজি রেখে জুলুম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলো তা শুধু রাজপথেই ছিলো না, ছিলো তাদের ঘরের ভেতরেও। এবং এজন্য চিন্তা ভাবনাকে পরিবর্তন করতে এই সকল যুব তুর্কীকে ঘরের ভেতরও লড়তে হয়েছে।
পাঠকের জন্য বইটি সুখপাঠ্য হবে এতে কোন সন্দেহ নেই। বইটির বৈচিত্র্যময় গল্পের জন্যই পাঠক বইটি সংগ্রহ করতে আগ্রহী হবেন বলেই আমাদের বিশ্বাস।
*অনুপ্রাণন প্রকাশন*
Agarbati O Mrittur Gandha by Elias Faruqui
টোটো আর টৈ টৈ - Toto Ar Toi Toi
নীরবতার ভাষাও স্তব্ধ হবে
বোধটুকু মুছে দাও-
ছুঁয়ে দেখ সূর্য কিম্বা চাঁদের আলো
পৃথিবীর তাপমাত্রা জেনে যাবে।
ছুঁয়ে দেখ আমার এই বুকের জমিন
জেনে যাবে ভালবাসার সূত্রগুলো!
গভীর তমসা ঘেরা রাত
তারার আলোয় উদ্ভাসিত হয়-
যদি বোধ জেগে রয়।
দেখতে পাবে না কোনকিছু
হৃদয় বিদারক কোন চিৎকার
ফসিল নির্গত দীর্ঘশ্বাস কিম্বা আনন্দের ঝিলিক
শুধু জেগে থাকা বোধটুকু মুছে দাও।
নিঃসঙ্গ মনোভূমি - Nisongo Manavumi
লেখক পরিচিতিঃ
নিজেকে ঘটা করে পরিচয় করিয়ে কি লাভ । আমার এই উপন্যাস পছন্দ হলে এতেই আমার স্বার্থকতা। সবাই ভালবাসুক এই গল্পটা।সবাই ধারণ করুক এই বইটা।
এই পর্যন্ত বইয়ের সংখ্যা ৯টি
১) আমার মা(ভোরের শিশির প্রকাশন
২) বার্লিনে বন্ধুত্ব(ভোরের শিশির প্রকাশন)
৩) ভুতের স্বর্নতাবিজ( বেহুলা বাংলা প্রকাশন)
৪) অল্প কথার গল্প (দ্যুপ্রকাশন)
৫) লাভার্স পয়েন্ট (বেহুলা বাংলা)
৬)তিন প্রজন্মের কাব্য (ছায়ানীড়)
৭) দার্জিলিং কনফেশন (ছোট গল্প) অনুপ্রাণন
৮) উইনিং সেলস এন্ড মার্কেটিং (বেহুলা বাংলা)
৯) পূর্বজদের গুহায় বুদ্ধের দর্শন।(অনুপ্রাণন)
পূর্বজদের গুহায় বুদ্ধের দর্শন
যতবার নিজেকে প্রশ্ন করি। মানুষের কোন ভবিষ্যৎ আছে?
উত্তর একটাই, মানুষ স্মৃতি ছেনে বাঁচে। ভবিষ্যৎ এক মিছে সম্ভাবনা।
আমার এই কাব্যও তাই, স্মৃতির ভেতর থেকে তুলে আনা দানা
যা খেয়ে খেয়ে একটা জীবন–পাড়ি দিচ্ছে মৃত্যুর রহস্যময় মৃত্যুর ধাঁ ধাঁ।
মৃত্যুই যেখানে শেষ নয় - Mrityui Zekhane Shesh Noy
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.



























There are no reviews yet.