Description
কবিতার আঙ্গিক রচনায় শব্দাড়ম্বর ও চটুলতা না রেখে অলংকার প্রয়োগে নৈপুণ্যের ছোঁয়া থাকলে শিল্পতরু জায়মান হয়। আর তা যদি হয় বস্তুগত স্বরূপের উপর গুরুত্ব না দিয়ে অভ্যন্তরীণ উপলব্দির রেখাপাত তাহলে তাকে বলা যেতেই পারে মুন্সয়ানার ঘটক! এমনি কবি সিদ্দিক প্রামানিক মানবমনের চরমতম অনুভূতিকে রঙে পর্যবাসিত করেছেন দক্ষতায়। যা পড়লেই অন্তরসত্যের প্রকাশ কতটা জরুরি এবং তা যে শিল্প বিমূর্ততার প্রতীক বোঝা যায়। এছাড়া পরিচ্ছন্ন বিশ্বাসভূমি নেই বলে সুন্দরের প্রত্যাখানে পাপ ও দুঃখে বর্তমান সময় ধর্মের অপব্যাখ্যায় ‘সৃষ্টিকর্তা মানুষের সারথ্যে চলেছেন বিরাটের মধ্যে’ মানতে রাজি নন। অবশ্যই সময় এখন বাতাবরণ ছিন্ন করবার, চোখ মেলে দেখবার ও প্রতিবাদ করবার, রাষ্ট্রযন্ত্রের উদাসীনতায়। এমনি বইটির পাঠ শেষে মনে হয় রণ’কে বলছেন, সৃস্টির সমাপ্তিতে রেখেছি কল্লোল!
























নিলীয়মান পৃথিবীর শরীর থেকে রাতের আঁচল খসে গেলে তার জন্ম মুহূর্তের শুরু। সেই সাথে শুরু অনন্তদিনের গোলকধাঁধাময় যাত্রা। যাত্রাপথের অলিগলি ঘুরে শেষ অবধি ঘরের চৌকাঠে পৌঁছাতে পারা তাই সহজ কিছু নয়। ফেরার পথে কতো অগুনতি গল্পের হাওয়া মনের শরীর ছুঁয়ে যায়! সেই হাওয়াগুলো কখনো হয় কেবল পকেট বন্দি, আবার কখনো তারা বেমালুম ফসকে যায়। তাদের ফিরিয়ে আনার মতো দু:সাধ্য কিছু নেই। যদিও বা ফেরে, তখন হয়ত বদলে যায় তাদের অবয়ব। কখনো স্বেচ্ছায় মুঠোবন্দি হলে তাদের নাম দেয়া যায় ‘প্রজা কাহিনি’।






There are no reviews yet.