Description








$ 1.85 $ 2.47



| Weight | 0.211 kg |
|---|---|
| Published Year | |
| অনুপ্রাণন তরুণ পাণ্ডুলিপি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী | ২০২৪ |
ডালিয়া চৌধুরী। তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন। কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে কবিতা লেখার সূত্রপাত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ‘অনুভবে সুখ’ ‘মেঘময় নিকুঞ্জে রধুন‘ ও ‘জলজ কামনা’।
নীল গোধূলি
কাজী রহমান। পরবাসী লেখক নিজের পছন্দ মতো বাঁচতে দু-যুগ আগে মার্কিন মুলুকে চলে আসেন স্ত্রী ও প্রথম শিশুকন্যা সাথে নিয়ে। বড় হয়েছেন পুরনো ঢাকার গেন্ডারিয়া’য়। জ্ঞান হবার পরপরই নিজেকে আবিষ্কার করেছেন ঘরের পাশের গ্রন্থাগারে, বিভিন্ন শিশু সংগঠন আর সমাজসেবামূলক সংগঠনের আলোছায়ায়। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার দুরন্ত কিশোর স্বাধীনতার যুদ্ধ দেখেছেন কাছ থেকে আর আতঙ্কের দিন গুনেছেন সারাক্ষণ মুক্তিযোদ্ধা দু’ভাইয়ের ঘরে ফেরার অপেক্ষায়। গ্রাজুয়েশন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কর্মজীবন কেটেছে বিদেশী এয়ার লাইন্সের কর্মকর্তা হিসেবে।
তারাধুলো জল ও নস্টালজিয়া
হাসানআল আব্দুল্লাহ। জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৬৭। গোপালগঞ্জ জেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। তিনি প্রবর্তন করেছেন নুতনধারার সনেট। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থর সংখ্যা দশ। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার কবিতার অনুবাদে প্রকাশ করেছেন বিশ্ব কবিতার কয়েকছত্র। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ- সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা, আঁধারের সমান বয়স, এক পশলা সময় প্রভৃতি। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের কুইন্স শহরের পোয়েট লরিয়েট ফাইনালিস্টের সন্মান পেয়েছেন।
বৃত্তের কেন্দ্রেও কবিতার মুখ
ফারহানা খানম। জন্ম: ১৯শে এপ্রিল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকায়। গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দীপে। ‘ভুগোল ও পরিবেশ’ বিষয়ে স্নাততোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে ব্যাংকে চাকুরি শুরু করলেও বর্তমানে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। নয় ভাই-বোনের মাঝে সবার ছোট বলেই আদরও পেয়েছেন বেশি। প্রথম প্রকাশিত বই, ‘ইছামতি’ (কলকাতা থেকে প্রকাশিত)।
তৃষ্ণার্ত বালুতট
আত্মমুগ্ধ শিকল
দেবাশীষ ধর। জন্ম: ৫ই জানুয়ারি, ১৯৮৯। চট্টগ্রাম। কবিতার ছোটকাগজ ‘বাঙাল’ এর সম্পাদক। কবির এটি প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
ফসিলের কারুকাজ
লেখক পরিচিতি :
শারমিন রাহমান। জন্ম: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩। দ্ইু সন্তানের জননী। বাংলাদেশের স্বনামধন্য স্কুলগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর শিক্ষকতা শেষ করে বর্তমানে চট্টগ্রাম আর্ট সেন্টার ‘ধ্যান’ এর পরিচালক। বিশেষ আগ্রহ আছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে। এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
অপ্রাকৃত কবচ
সৈয়দ সাইফুর রহমান সাকিব। জন্ম: ১৯৭৮ সালে বরিশাল জেলা সদরে করিমকুটির নামক স্থানে। তার লেখার বিষয় মূলতঃ কবিতা। সময় নাট্যদলের সাথে একযুগ পার করেছেন। গানও লিখতেন কিন্তু বন্ধুবরের প্রয়ানে, অভিমানে আর সেপথ মারাননি। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত থাকলেও নিজেকে একজন কবিতার শতরঞ্জি মোড়ানো শ্রমিক বলেই মনে করেন। এটি কবির প্রথম বই।
রূপোর দ্যুতি
কিছু একটা বলাটাই যখন বাধ্যবাধকতাÑবাহুল্য এবং আপেক্ষিক বাতুলতা বাদ রাইখা মাহবুব লীলেন থাইকা ধার কইরা বলতে হয়Ñ ‘আনফিট মিসফিট হইয়া হামাগুড়ি দিয়া হাঁটি, আর রাত্তিরে ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ টাইনা চিক্কুর দিয়া কইÑ যাহ শালা বাঁইচা গেলাম আরও একটা দিন।’
এইটা বড়োবেশি জৈবিক বাঁচা
মানবিক বাঁচনের স্বপ্নও দেখি না বহুদিন
বড়ো তরাসে আছি
বড়ো বেশি চাইপা আছি, নিজের গলা নিজে।
দ্বান্দ্বিক দ্বন্দ্ব বিষয়ক আজাইরা প্রলাপ
আলতাফ হোসেন-এর জন্ম ২৭ অক্টোবর ১৯৪৯। পৈতৃক নিবাস কিশোরগঞ্জ। বাবার চাকরিসূত্রে শৈশব কৈশোর কেটেছে পাটনা, কলকাতা, চাটগাঁ, করাচি ও ঢাকায়। ১৯৬৪ থেকে পুরোপুরিভাবে ঢাকায় বসবাস। অনার্স ও এমএ করেছেন বাংলায়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেস, ঢাকা থেকে দু-বছর ফরাসি ভাষা শিখে সনদ পেয়েছেন।
কফি জেগে থাকে
লেখক পরিচিতি :
হান্নান হামিদ, লেখক নাম কালের লিখন। জন্ম: আগস্ট, ১৯৮৪। জামালপুর। ‘বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস’ লেখকের প্রথম বই।
বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস
অরণ্যক তপু। জন্ম: ১৯৯৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ঢাকার ঝিগাতলা। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলায়। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ব্যথিত ভায়োলিন
এই গ্রন্থের কবি ধারাবাহিকভাবে দীর্ঘকাল কবিতায় নিমগ্ন থেকেছেন- এখনো তিনি তাঁর সৃজনশীল স্পর্ধা নিয়ে অবিচল।
তিনি বহু ধরনের কবিতা লিখেছেন এবং সেগুলো বিভিন্ন নিরীক্ষাপ্রবণতায় সংশ্লিষ্ট। তাঁর কবিতায় জীবন আছে, সমাজ আছে, প্রকৃতি আছে, মানুষ আছে, দেশ-কাল আছে এবং আছে প্রতীকের ব্যঞ্জনাও, আছে রূপক, আছে ছন্দের বিভিন্নমুখী ব্যবহার, অনুপ্রাসের নতুনমাত্রা, মিলবিন্যাসের নীরিক্ষা ও অন্যান্য সূক্ষ্ম কারুকাজ। একেক কাব্যগ্রন্থ একেক বৈশিষ্ট্য নিয়ে উজ্জ্বল। ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ১৯টি কাব্যগ্রন্থ। এইসব কবিতায় চৈতন্যের যে বহুতল ও স্তর কবি উন্মোচন করেছেন- পাঠককে নিয়ে যায়–সেই স্তরে ও তলের গভীরে।
একজন উৎপিপাসু কবিতার পাঠক, এই গ্রন্থের কবিতাগুলোতে বহু বর্ণিল ও বিভিন্ন ভূগোলের খোঁজ পেয়ে যাবেন, তা পাঠকের সংবেদন সৃষ্টি করে এক ধরনের ইন্দ্রিয়ানুভূতিও তৈরি করবে, যা ইন্দ্রিয়জ্ঞানে পরিণত হবে, সেইসাথে ভালো কবিতার শিল্প-সৌন্দর্য নিয়ে- স্বতঃস্ফূর্ত ও আনন্দময় অনুভূতিরও জন্ম দেবে।
এই গ্রন্থের কবি ধারাবাহিকভাবে দীর্ঘকাল কবিতায় নিমগ্ন থেকেছেন- এখনো তিনি তাঁর সৃজনশীল স্পর্ধা নিয়ে অবিচল।
তিনি বহু ধরনের কবিতা লিখেছেন এবং সেগুলো বিভিন্ন নিরীক্ষাপ্রবণতায় সংশ্লিষ্ট। তাঁর কবিতায় জীবন আছে, সমাজ আছে, প্রকৃতি আছে, মানুষ আছে, দেশ-কাল আছে এবং আছে প্রতীকের ব্যঞ্জনাও, আছে রূপক, আছে ছন্দের বিভিন্নমুখী ব্যবহার, অনুপ্রাসের নতুনমাত্রা, মিলবিন্যাসের নীরিক্ষা ও অন্যান্য সূক্ষ্ম কারুকাজ। একেক কাব্যগ্রন্থ একেক বৈশিষ্ট্য নিয়ে উজ্জ্বল। ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ১৯টি কাব্যগ্রন্থ। এইসব কবিতায় চৈতন্যের যে বহুতল ও স্তর কবি উন্মোচন করেছেন- পাঠককে নিয়ে যায়- সেই স্তরে ও তলের গভীরে।
একজন উৎপিপাসু কবিতার পাঠক, এই গ্রন্থের কবিতাগুলোতে বহু বর্ণিল ও বিভিন্ন ভূগোলের খোঁজ পেয়ে যাবেন, তা পাঠকের সংবেদন সৃষ্টি করে এক ধরনের ইন্দ্রিয়ানুভূতিও তৈরি করবে, যা ইন্দ্রিয়জ্ঞানে পরিণত হবে, সেইসাথে ভালো কবিতার শিল্প-সৌন্দর্য নিয়ে- স্বতঃস্ফূর্ত ও আনন্দময় অনুভূতিরও জন্ম দেবে।
Jamata Paltao, Antorbaso by Golam Kibria Pinu
জন্ম ১২ জুন, ঝিনাইদহ জেলাধীন শৈলকূপা উপজেলার গোলক নগর গ্রাম। লেখাপড়াÑ ভাষা-যোগাযোগ ও সংস্কৃতি, গণবিশ্ববিদ্যালয়। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির সাথে যুক্ত। আসল নাম আলীনূর রহমান হলেও লিখে চলেছেন কখনো বঙ্গরাখাল, কখনোবা শুভ্রনূর বাবু নামে।
লোক মানুষের গান ও আত্ম অন্বেষণ
আফ্রিকা মহাদেশ নামটি শুনলেই অনেকের মনে আসে রঙিন পোশাক আর ভারী ভারী গয়না পরিহিত আদিবাসী মানুষ, ভয়ংকর জঙ্গল বা মরুভূমি। কারো মনে আসে রঙিন হস্তশিল্পের বিশাল ভাণ্ডার, কেউ কেউ মনে করেন সেখানে গেলে তাল তাল হীরের সন্ধান পাওয়া যাবে। কেউ-বা মনে করেন বিস্তীর্ণ ভূমিতে বিভিন্ন পশুপাখির আবাসস্থল। কেউ আবার মনে করেন বঞ্চিত, শোষিত, অবদমিত, বিভাজিত এক মানবসমাজ।
আসলে আফ্রিকার প্রকৃতি, জনসাধারণের জীবনযাপন কেমন তা নিরীক্ষা করতেই লেখক ভ্রমণ করেছেন আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশ। বাইরে থেকে ঝলমলে মনে হলেও সাধারণ মানুষের জীবনযাপন, তাদের বেদনা-বঞ্চনা লেখক তুলে ধরেছেন এই ভ্রমণকাহিনিতে।
আফ্রিকা বিখ্যাত নিজস্ব বনভূমিতে পশুপাখির অভয়ারণ্য বানিয়ে সংরক্ষণের জন্য। তানযানিয়ার মতো বৈচিত্র্যময় দেশে তাই লেখকের পদচারণা থেমে থাকেনি সেইসব শ্বাপদসংকুল জঙ্গলেও। সেখানকার আদিবাসী মানুষ কিংবা আধুনিক শহরের মানুষের জীবনযাত্রার ছবি উঠে এসেছে লেখকের কলমে।
তানযানিয়ার গুপ্তধন কোনো হীরে বা দামি খনিজের খনিতে লুকিয়ে নেই, লুকিয়ে আছে এর শান্ত ও অসামান্য সুন্দর বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জের মাঝে। পান্না সবুজ জল আর জলের অদ্ভুত-অজানা জগতে লেখকের হাত ধরে অনেক অজানা দুয়ার খুলে গিয়েছে।
তানযানিয়া আফ্রিকার গড়পড়তার একটি দেশ নয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ, রঙিন পোশাকে আবৃত অতিথিপরায়ণ মানুষের হাসিমুখ, পশুপাখির নির্ভয় আবাসস্থল, সমুদ্রসৈকতের ঐশ্বর্য, নিখাদ আনন্দে মুখর নৃত্যগীত, হস্তশিল্পের অবারিত সম্ভারের সাথে লেখক নিজ দায়িত্বে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন।
Tanzaniar Hridoy Hotey by Fatima Jahan
বাংলা সাহিত্যে অনেক কবিতা আছে যার ভেতরে গল্প আছে, কাহিনি আছে। আবার অনেক কবিতা এমন কিছু অনুভূতি বা ভাবে ডুবিয়ে দেয় যা থেকে গল্প বা কথাসাহিত্য নির্মাণ করা যেতে পারে। এমনকি কিছু কবিতা আছে যার ভেতরে এমন কিছু চরিত্র আছে, যে চরিত্রগুলোকে কেন্দ্র করে গল্প দাঁড় করানো যায়। যেমন, এক বনলতা সেনকে নিয়ে বাংলা সাহিত্যে বেশ কিছু গল্প-উপন্যাস লেখা হয়েছে। কবিতাকে অবলম্বন করে গড়ে ওঠা বেশ কিছু গল্প এক মলাটে আনার প্রয়াসেই এ সংকলনের পরিকল্পনা।
এখন প্রশ্ন আসতে পারে—কেন এমন সংকলন? কেন কবিতাকে গল্পে রূপান্তরের প্রয়াস? গল্প লেখার বিষয় বা প্লট কি এতই অপ্রতুল হয়ে পড়ল যে কবিতার আশ্রয় নিতে হবে, কবিতাকে অবলম্বন করতে হবে? কবিতা কবিতার মতো থাক কবিতার জগতে, গল্প গড়ে তুলুক গল্পের জগৎ। দুটো জগতকে এক জগতে একাকার করার যৌক্তিকতা কী? প্রশ্নগুলো আকাশ-বাতাস থেকে আসে নি, আমাদের ভেতর থেকেই এসেছে। আসলে আমার কাছে যে উত্তর আছে তাকে শক্ত কোনো যৌক্তিক উত্তর দাবি করছি না। আর প্রয়োজনীয়তার প্রসঙ্গে যাবই না। এতটুকু বলতে পারি—ভাবনাটা যখন মাথায় এসেছিল তখন একটা বিষয় আমাকে প্রভাবিত করেছিল, তা হলো ‘বন্ধন’। কবিতাকে গল্পে রূপান্তর—কবিতা আর গল্পের মাঝে কি একটা বন্ধন তৈরি করছে না? সাহিত্যের অন্যতম দুটি শাখা হিসেবে কবিতা এবং গল্পের মাঝে গড়ে ওঠা এমন বন্ধন সাহিত্যের কোনো ক্ষতি অন্তত করবে না—এ কথা জোর দিয়েই বলা যায়। জোর দিয়ে এ-ও বলা যায়, কবিতার বীজে গড়ে ওঠা গল্প বরং কিছুটা হলেও সমৃদ্ধ করবে কথাসাহিত্যকে—এ সংকলনে লিপিবদ্ধ গল্পগুলো সে স্বাক্ষরই বহন করছে।
এ সংকলনের পাঠকদের জন্য আগাম শুভকামনা।
গল্পরূপে প্রিয় কবিতা
জসীম উদ্দীন মুহম্মদ বর্তমান বাংলা সাহিত্যের একটি বিশিষ্ট নাম। তিনি একজন সব্যসাচী লেখক। দীর্ঘদিন যাবৎ জাতীয় পত্রিকায় একাধারে লিখছেন গল্প, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, কলাম এবং শিশুতোষ ছড়া ও গল্প। আলোচ্য ‘শেষ ট্রেনের সঙ্গী’ গল্পগ্রন্থের ১৩টি ছোটগল্প যেন জীবনের ১৩টি ভিন্ন ভিন্ন স্টেশন। আমি গভীর মনোযোগ দিয়ে প্রতিটি গল্প পড়েছি। আমার গভীর বিশ্বাস, সকল শ্রেণি এবং পেশার পাঠকগণ প্রতিটি গল্পে অনায়েসে ডুব সাঁতার কাটতে পারবেন।
মূলত ‘শেষ ট্রেনের সঙ্গী’র গল্পগুলো মানবিক সম্পর্কের জটিলতা, প্রেম-বিরহ, প্রতিদিনের জীবনের প্রত্যাশিত- অপ্রত্যাশিত বাঁক এবং গভীর অনুভূতির চিত্রায়ণ। এখানে আছে মধ্যবিত্তের না-বলা কথা, স্বপ্নভঙ্গের হাহাকার আর জীবনের কঠিন সময়ে টিকে থাকার অদম্য স্পৃহা। প্রতিটি গল্পই যেন এক-একটি ছোট জানালা, যার ভেতর দিয়ে দেখা যায় চেনা পৃথিবীর অচেনা মুখ।
অসহায়ত্বের রাতে শেষ ট্রেনের শেষ কামরায় বসা অচেনা সহযাত্রীর মতো এই গল্পগুলো আপনাকে শোনাবে আপনারই মনের ভেতরের কথা। কখনো মিষ্টি হাসিতে, কখনো-বা চাপা দীর্ঘশ্বাসে পাঠক খুঁজে পাবেন নিজেকে, নিজের সময়কে। যদি জীবন আপনাকে কোনো অপ্রত্যাশিত পথের মোড়ে দাঁড় করিয়ে দেয়, তবে এই ১৩টি গল্প হবে আপনার একান্ত সঙ্গী, যা আপনাকে মনে করিয়ে দেবে-যাত্রাপথে আপনি একা নন। আপনার জীবনের পরবর্তী স্টেশনে পৌঁছানোর আগেই তুলে নিন ‘শেষ ট্রেনের সঙ্গী’।
সবশেষে আমি অসাধারণ এই গল্পগ্রন্থটির বহুল পাঠকপ্রিয়তা প্রত্যাশা করছি।
আবু মোহাম্মদ ইউসুফ
প্রকাশক
অনুপ্রাণন প্রকাশন
Shesh Trainer Songi -Jasim Uddin Mohammad
গ্রন্থিত গল্পগুলি বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা সহ মাসিক গল্প বিষয়ক সাহিত্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। গত ছত্রিশ বছরে মোট ২২টি গল্প লেখা হয়েছিল। সেখান থেকে বিভিন্ন স্বাদের ১০টি নির্বাচিত গল্প এ বইটিতে গ্রন্থিত হয়েছে। আশা করা যায়, যারা গল্প পড়তে ভালবাসেন সেসব পাঠকদের কাছে গল্পগুলি সুখপাঠ্য হবে। জীবন থেকে নেয়া এবং দু’ একটি গল্পের পটভ‚মি কালপঞ্জিতে একটু দূর বোধ হলেও পাঠক সেই অতীতের নিঃস্তরঙ্গ সময়টাকে অনুধাবন করতে পারবেন। মানুষের অন্তলীন জয় পরাজয়ের বিবরণ পাঠ করে আনন্দ-বেদনায় আপ্লুত হবেন তা নিশ্চিত করে বলা যায়।
Mousumi Brishtir Golpo By Amal Saha
তিন বোন—তাদের জীবনের ক্লান্তি, প্রতিবাদের সাহস, আর এক অনিশ্চিত যাত্রা। ঘর ছেড়ে পালিয়ে তারা পৌঁছায় কক্সবাজারে, যেখানে ট্রেনেই পরিচয় হয় ইরফানের সাথে। কিন্তু তারা জানতো না, ইরফান একজন সেনা কর্মকর্তা—আর তার ভাগ্যে লেখা আছে এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র।
টেকনাফের সাগর, গুলির শব্দ, আর অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া ইরফান। সাংবাদিক তুষার আহমেদের সাহসিকতায় সে ফিরে আসে, কিন্তু গল্প তখনই মোড় নেয়। জামশেদ বাহিনীর ছায়া, ইমতিয়াজের রহস্যময় রূপান্তর, আর এক অদৃশ্য শক্তির নির্দেশ—সব মিলিয়ে শুরু হয় এক বিপ্লবের খেলা।
বাংলাদেশের সরকার বদলে যায়, বদলে যায় চরিত্রগুলোও। মৃত জামশেদ ফিরে আসে জীবিত হয়ে, তার সাথে সাদা মুনি, নাথাম বম। অনন্যা কি ফিরে পাবে তার মুক্তি? নাকি এই যুদ্ধে হারিয়ে যাবে হৃদয়বতীর আত্মা?
একটি গল্প—যেখানে প্রেম, বিপ্লব এবং অতিপ্রাকৃত একসাথে মিশে যায়।
একটি উপাখ্যান—যা পাঠককে নিয়ে যাবে বাস্তবের সীমা ছাড়িয়ে, এক নতুন জগতে।
Hridoyboti by Mizanur Rahman Rana
কোনো কোনো মাঝরাতে কেন খালার পোষা কুকুর বব অস্থিরভাবে ঘেউ ঘেউ করতে থাকে। পোশা ময়নাটাও তখন অস্থির। কিন্তু কেন? শত বছরের পুরানা বাড়িটি ফেলে ভারতে চলে যাবার সময় হিন্দু ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কিনে নিয়েছিলেন রাশেদের খালু। বাড়ির সামনে খোলা লন। তারপর বিশাল প্রশস্ত সিঁড়ি পার হয়ে উঠেই টানা বারান্দা। বারান্দায় চওড়া পিলারগুলো যে রাশেদ কোনোদিন দুহাত ধরে এগুলোর বেড় পেত না। বাড়ির উপরে সিংহ মূর্তিটি খালু ভেঙে ফেলে সেখানে নিজের নাম লিখিয়েছিলেন। বাড়ির সদরদরজা পার হয়ে সামনে আগানোর পথে প্রতি বিকালে অনেক অনেক পায়রা আসে। খালা ওদের খাবার দেন। খুঁটে খায়। রাত হতে হতে ওরা আবার নিজেদের বাসায় চলে যায়। কিন্তু পায়রাগুলো আসলে কারা? ওরা কি পাহারা দেয় এ বাড়িতে? দুটি পায়রা কেন সদর দরজার বাইরে থেকে গুলি করে মারা হলো? খালা পায়রাগুলোকে নিতে দিলেন না। তারপরই কী কী অঘটন ঘটতে শুরু করল বাড়িটিতে? সামনে খোলা পথে একটা বড়ো লম্বা তালগাছ। তার ওপর থেকে মাঝরাতে কেউ একজন নেমে আসেন। খালার সাথে কি গোপন কথা তার? কি গোপন শলাপরামর্শ করেন খালা ওর সাথে? কে বা কারা কাজের ছেলে রহিমের ওপর চড়াও হয় রাতের বেলা! মধ্যরাতে ঘরের ভিতর মেরে ওর হাড়-মাংস একাকার করে ফেলে। হঠাৎ কেন বাড়ির সব আলো অন্ধকার হয়ে যায়! বাড়ির বড়ো ছেলে ফাইয়াদকে কেন কাজের ছেলে রহিম পিছনের পুকুরে ফেলে বুকের উপর উঠে বসে পানিতে ডুবিয়ে মারতে চায়? রহিমের গায়ে এমন বোটকা গন্ধ কীসের? রহিমের গলায় এ কার অচেনা স্বর? তবে কি কোনো অতৃপ্ত আত্মা রহিমের উপর চড়াও হয়ে বসেছে? এই বাড়ির মানুষের উপর ওদের কেন এত রাগ? ওরা কারা? কুলকিনারা কি করা যাবে এ রহস্যের!
Gupto Hotya... Otohpar - Shapla Shawparjita
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.






















There are no reviews yet.