Description








$ 1.85 $ 2.47



| Weight | 0.211 kg |
|---|---|
| Published Year | |
| অনুপ্রাণন তরুণ পাণ্ডুলিপি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী | ২০২৪ |
নাহিয়ান ফাহিম। জন্ম: ২৩শে মার্চ, ১৯৮৪। ময়মনসিংহ জেলা। ঢাকাতে বেড়ে ওঠা। মূলতঃ পাঠক, ফলতঃ লেখক। সাহিত্য পত্রিকা ‘জলমাঝি’র সম্পাদক। মার্কেংটিং বিভাগে স্নাতকোত্তর। পেশাগত জীবনে একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ভিনদুপুরের নোটবই’।
মধ্যবিত্ত কবিতা
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
অরণ্যক তপু। জন্ম: ১৯৯৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ঢাকার ঝিগাতলা। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলায়। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ব্যথিত ভায়োলিন
তুহিন দাস, কবি ও লিটলম্যাগ কর্মী। জন্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৮৫, জল ও কবিতার শহর বরিশালে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। প্রথম কবিতার শিরোনাম ‘সমাধিপৃষ্ঠা’। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ সাহিত্যপত্র সম্পাদনা শুরু করেন। সম্পাদনার জন্যে ২০১১ সালে ‘চিহ্ন সন্মাননা’ পেয়েছেন। বর্তমানে ‘আরক’ পত্রিকা ও প্রকাশনায় কর্মরত আছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ছয়, ‘বনসাই প্রকল্পের মানুষ’ ‘অসুখময় দিনরাত্রি’ ‘বিষাদনীলঘোড়া’ ‘কাজল বিক্রেতার স্বপ্ন’ ‘বাগান সিরিজ’ ও ‘দূরের পাড়া কাছের বাড়ি’।
কাঠের মুখ
কিছু একটা বলাটাই যখন বাধ্যবাধকতাÑবাহুল্য এবং আপেক্ষিক বাতুলতা বাদ রাইখা মাহবুব লীলেন থাইকা ধার কইরা বলতে হয়Ñ ‘আনফিট মিসফিট হইয়া হামাগুড়ি দিয়া হাঁটি, আর রাত্তিরে ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ টাইনা চিক্কুর দিয়া কইÑ যাহ শালা বাঁইচা গেলাম আরও একটা দিন।’
এইটা বড়োবেশি জৈবিক বাঁচা
মানবিক বাঁচনের স্বপ্নও দেখি না বহুদিন
বড়ো তরাসে আছি
বড়ো বেশি চাইপা আছি, নিজের গলা নিজে।
দ্বান্দ্বিক দ্বন্দ্ব বিষয়ক আজাইরা প্রলাপ
লেখক পরিচিতি :
হান্নান হামিদ, লেখক নাম কালের লিখন। জন্ম: আগস্ট, ১৯৮৪। জামালপুর। ‘বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস’ লেখকের প্রথম বই।
বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস
সিদ্দিক প্রামানিক। জন্ম: ২১শে আগস্ট ১৯৭৯, কুস্টিয়ার কুমারখালী থানার চরভবানীপুরগ্রামে। বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন এবং বাম প্রগতিশীল সংগঠনের সক্রিয় সংগঠক ও সংস্কৃতকর্মী। প্রথম বই ‘হাঙরের সমুদ্রে মননশীল মাছ’।
উন্মাদের কনসার্ট
লেখক পরিচিতি :
নিখিল নওশাদ। জন্মসন: ১৯৮৯ইং। বড়িয়া, ধুনট, বগুড়া, বাংলাদেশ। ‘বিরোধ, ‘নিওর’ ও ‘নীড়’ পত্রিকার সম্পাদনা পরিষদের সাথে যুক্ত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই। এছাড়া ছোটগল্প বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন।
এটি একটি চিৎকার
মেঘ অদিতি। কবি ও গল্পকার হিসেবে ‘দু’বাংলাতে পরিচিত। জন্ম: ৪মে, জামালপুর। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘জলডুমুরের ঘুম (কাব্য)’ ‘অস্পষ্ট আলোর ঘোড়া (গল্প)’ ‘অদৃশ্যতা হে অনিশ্চিতি (কাব্য)’ এবং ‘সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ (মুক্তগদ্য)।
প্রবেশিধকার সংরক্ষিত
হাসানআল আব্দুল্লাহ। জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৬৭। গোপালগঞ্জ জেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। তিনি প্রবর্তন করেছেন নুতনধারার সনেট। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থর সংখ্যা দশ। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার কবিতার অনুবাদে প্রকাশ করেছেন বিশ্ব কবিতার কয়েকছত্র। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ- সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা, আঁধারের সমান বয়স, এক পশলা সময় প্রভৃতি। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের কুইন্স শহরের পোয়েট লরিয়েট ফাইনালিস্টের সন্মান পেয়েছেন।
বৃত্তের কেন্দ্রেও কবিতার মুখ
আলী রেজা। জন্ম: ১৯৫৭। মুক্তিযুদ্ধে আলোড়িত কবি, সত্তর দশকে মূলত ছোটকাগজে লেখালেখি শুরু করেন। সদ্য অবসরে যাওয়া একটি রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠানের বিপণন ব্যবস্থাপক। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
আলী রেজা
রনক জামান। জন্ম:১৬ই ডেসেম্বর ১৯৯১, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলায়। লেখালেখির হাতেখড়ি ছোটবেলাতেই কবিতার প্রতি মুগ্ধতা থেকেই তার প্রতি ভালোবাসা। এটাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে, যৌথ কবিতাগুচ্ছ ‘মায়ানগরীর বৃষ্টিকথন’, কবিতার ই-বুক ‘শরীর ছোঁয়া আঙুলগুলো’ এবং অনুবাদ উপন্যাস ‘ললিতা’।
ঘামগুলো সব শিশিরফোঁটা
বাঙালির ইতিহাসে, বাঙালির জীবনে গর্ব করার মত যত অধ্যায় আছে, তার মধ্যে সবচে বড় অধ্যায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির অহঙ্কার, মাথা উঁচু করে চলার দৃপ্ত অঙ্গীকার। সৌভাগ্যক্রমে আমার জন্ম হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের ছয় বছর পূর্বে, তাই ছয় বছর বয়সে আমিও হতে পেরেছিলাম মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন অংশীদার।
আমার অনেকদিনের ইচ্ছে, আমাদের শৈশব কৈশোরের দিনলিপি নিয়ে ‘চোখ যায় যদ্দুর’ নামে তিন পর্বে বই লিখবো। তিন পর্বে থাকবে মুক্তিযুদ্ধ পূর্বকাল, মুক্তিযুদ্ধকাল ও মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তীকাল।
মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল ১৯৭১ সালে, ঊনপঞ্চাশ বছর পেরিয়ে গেছে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, বাঙালির অহঙ্কারের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্ম খুব বেশি কিছু জানে না। আজও তারা বিভ্রান্ত হয় মুক্তিযোদ্ধা আর রাজাকার শব্দ দুটো নিয়ে। কারণ কে মুক্তিযোদ্ধা কে রাজাকার, সেই তালিকা আজও নির্ণিত হয়নি।
বর্তমান প্রজন্ম জানে, মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা ছিল, পাকবাহিনী ছিল, রাজাকার ছিল, মিত্রবাহিনী ছিল।
বর্তমান প্রজন্ম জানে না, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুক্তিযোদ্ধা আর রাজাকার ছাড়াও রিফিউজি নামে আরেকটি শ্রেণির সৃষ্টি হয়েছিল। রিফিউজিদের কথা কেউ আলাদা করে বলেনি, রিফিউজিদের কথা কেউ আলাদা করে লিখে না। তাই বর্তমান প্রজন্ম রিফিউজি শ্রেণির সাথে পরিচিত নয়।
রিফিউজি কারা ছিল, কেন তারা রিফিউজি হয়েছিল! কেমন ছিল রিফিউজিদের জীবন! রিফিউজি হওয়া কি স্বস্তির নাকি বেদনার! ভয়াবহ যুদ্ধ চলাকালে রাজাকারের চোখ এড়িয়ে, পাকসেনাদের গুলি বাঁচিয়ে বন বাদাড়, মাঠঘাট, নদী নালা পেরিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে পৌঁছে নিজেকে রিফিউজি ঘোষণা করা যে কী নিদারুণ কষ্টের আত্মসমর্পণ, অন্যের দয়ায় দিনাতিপাত করা কতখানি গ্লানিকর তা অতীত বর্তমান কোনো প্রজন্মই অনুধাবন করতে পারবে না।
অতীত এবং বর্তমান প্রজন্ম রিফিউজি সম্পর্কে জানে না, কিন্তু ভবিষ্যত প্রজন্ম জানুক রিফিউজিদের কথা।
মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার বয়স ছিল সাড়ে ছয় বছর, বড়দা ছিল কিশোর, মেজদা বালক, ছোট ভাই চার বছর বয়সের শিশু।
না, আমরা কেউ বন্দুক হাতে মুক্তিযুদ্ধ করিনি। চারটে ছেলেমেয়ে যুবতী স্ত্রী বৃদ্ধা মাকে পাকবাহিনীর গোলার মুখে ফেলে বন্দুক হাতে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার মত দুঃসাহস আমাদের বাবার ছিল না। বাবা তাই সবাইকে নিয়ে প্রাণ বাঁচাতে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পৌঁছে রিফিউজি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কেউ সাধ করে আশ্রিতের জীবন বেছে নেয় না।
এক দিনে আমরা ভারতে পৌঁছাইনি, দীর্ঘ পনের দিন লেগেছে নারায়ণগঞ্জ থেকে আগরতলা হয়ে কলিকাতা পৌঁছাতে। সেই যাত্রাপথ কেমন ছিল, কি কি ঘটেছিল, অথবা কি কি ঘটতে পারতো, কলিকাতা পৌঁছে আমরা কেমন ছিলাম, কলিকাতাবাসী আমাদের প্রতি কতখানি আন্তরিক ছিল, এসব সত্য যদি লিপিবদ্ধ না থাকে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পূর্ণ হবে না।
ইতিহাস সৃষ্টি হয় সত্যের ওপর ভর দিয়ে, ইতিহাস দাঁড়ায় সত্যের ভিত্তির ওপর। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ মিছে নয়, মুক্তিযুদ্ধ বানানো কাহিনি নয়, মুক্তিযোদ্ধা আর রাজাকার নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ নয়, সেখানে রিফিউজি নামে মুক্তিযুদ্ধের যে নীরব সাক্ষী আছে, সেই রিফিউজিরাও মুক্তিযুদ্ধের অংশ, তারাও মুক্তিযোদ্ধা।
শিশুরা মিথ্যা বলে না, শিশুরা মিথ্যা দেখে না। শিশুরা ছল চাতুরী জানে না, আদালতে শিশুরা মিথ্যে সাক্ষ্য দেয় না। মাঝে মাঝে শিশুরাই হতে পারে ন্যায় বিচারক।
একাত্তরে আমরা ছিলাম শিশু বালক বালিকা, আমরাই হয়েছিলাম রিফিউজি, আমরাই ছিলাম মুক্তিযুদ্ধের সত্যদর্শী সাক্ষী। রিফিউজিদের কথা যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানতে পারে, সেই দায় মাথায় নিয়ে আমাদের বাল্যকালের সত্যনিষ্ঠ স্মৃতিভান্ডার থেকে কুড়িয়ে যতটুকু সত্য আহরণ করতে পেরেছি, সেটুকুই ‘চোখ যায় যদ্দুর’র মুক্তিযুদ্ধকাল পর্ব ‘একাত্তরের বালক বালিকা’ খণ্ডে লিপিবদ্ধ করে রাখতে চেয়েছি। একাত্তরের বালক বালিকা পর্বটি সত্যদর্শী বালক বালিকার সত্য বয়ানের লিপিবদ্ধ রূপ।
Chokh Zay Joddur - চোখ যায় যদ্দুর (একাত্তরের বালক বালিকা) - দ্বিতীয় মুদ্রণ
এই গ্রন্থের কবি ধারাবাহিকভাবে দীর্ঘকাল কবিতায় নিমগ্ন থেকেছেন- এখনো তিনি তাঁর সৃজনশীল স্পর্ধা নিয়ে অবিচল।
তিনি বহু ধরনের কবিতা লিখেছেন এবং সেগুলো বিভিন্ন নিরীক্ষাপ্রবণতায় সংশ্লিষ্ট। তাঁর কবিতায় জীবন আছে, সমাজ আছে, প্রকৃতি আছে, মানুষ আছে, দেশ-কাল আছে এবং আছে প্রতীকের ব্যঞ্জনাও, আছে রূপক, আছে ছন্দের বিভিন্নমুখী ব্যবহার, অনুপ্রাসের নতুনমাত্রা, মিলবিন্যাসের নীরিক্ষা ও অন্যান্য সূক্ষ্ম কারুকাজ। একেক কাব্যগ্রন্থ একেক বৈশিষ্ট্য নিয়ে উজ্জ্বল। ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ১৯টি কাব্যগ্রন্থ। এইসব কবিতায় চৈতন্যের যে বহুতল ও স্তর কবি উন্মোচন করেছেন- পাঠককে নিয়ে যায়–সেই স্তরে ও তলের গভীরে।
একজন উৎপিপাসু কবিতার পাঠক, এই গ্রন্থের কবিতাগুলোতে বহু বর্ণিল ও বিভিন্ন ভূগোলের খোঁজ পেয়ে যাবেন, তা পাঠকের সংবেদন সৃষ্টি করে এক ধরনের ইন্দ্রিয়ানুভূতিও তৈরি করবে, যা ইন্দ্রিয়জ্ঞানে পরিণত হবে, সেইসাথে ভালো কবিতার শিল্প-সৌন্দর্য নিয়ে- স্বতঃস্ফূর্ত ও আনন্দময় অনুভূতিরও জন্ম দেবে।
এই গ্রন্থের কবি ধারাবাহিকভাবে দীর্ঘকাল কবিতায় নিমগ্ন থেকেছেন- এখনো তিনি তাঁর সৃজনশীল স্পর্ধা নিয়ে অবিচল।
তিনি বহু ধরনের কবিতা লিখেছেন এবং সেগুলো বিভিন্ন নিরীক্ষাপ্রবণতায় সংশ্লিষ্ট। তাঁর কবিতায় জীবন আছে, সমাজ আছে, প্রকৃতি আছে, মানুষ আছে, দেশ-কাল আছে এবং আছে প্রতীকের ব্যঞ্জনাও, আছে রূপক, আছে ছন্দের বিভিন্নমুখী ব্যবহার, অনুপ্রাসের নতুনমাত্রা, মিলবিন্যাসের নীরিক্ষা ও অন্যান্য সূক্ষ্ম কারুকাজ। একেক কাব্যগ্রন্থ একেক বৈশিষ্ট্য নিয়ে উজ্জ্বল। ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ১৯টি কাব্যগ্রন্থ। এইসব কবিতায় চৈতন্যের যে বহুতল ও স্তর কবি উন্মোচন করেছেন- পাঠককে নিয়ে যায়- সেই স্তরে ও তলের গভীরে।
একজন উৎপিপাসু কবিতার পাঠক, এই গ্রন্থের কবিতাগুলোতে বহু বর্ণিল ও বিভিন্ন ভূগোলের খোঁজ পেয়ে যাবেন, তা পাঠকের সংবেদন সৃষ্টি করে এক ধরনের ইন্দ্রিয়ানুভূতিও তৈরি করবে, যা ইন্দ্রিয়জ্ঞানে পরিণত হবে, সেইসাথে ভালো কবিতার শিল্প-সৌন্দর্য নিয়ে- স্বতঃস্ফূর্ত ও আনন্দময় অনুভূতিরও জন্ম দেবে।
Jamata Paltao, Antorbaso by Golam Kibria Pinu
মনে করো আমরা আছি আগের সময়েই !
তুমি আমি অবাস্তব ভালোবাসায়
একবার এক পলক দেখার আশায়
মৃত্যু ও জীবনের মাঝে হেঁটে যাওয়া সুন্দর সময়ে ।
Prithibite Sundar Bole Ar Kichui Robe Na by Shaheed Lotus
ডিজিটাল শব্দটা এখন যে কোনো দেশেই উন্নয়ন ও আধুনিক জীবনযাত্রার অনুষঙ্গ। অন্যদিকে কৃষ্ণবিবরের বৈজ্ঞানিক ও প্রতীকী ধারণাও বিশ^ব্যাপী অভিন্ন। এই দুই অনুষঙ্গে বাঁধা সমকালীন বিশ^বাস্তবতাকে গভীর অন্তর্দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করেছেন লেখক আটটি গল্পে পরিচিত পটভূমি ও চেনাজানা চরিত্রের মধ্য দিয়ে। সম্প্রতি বৈশি^ক মহামরি করোনার অভিঘাত দেশের মজুরশ্রেণী, মধ্যবিত্ত কি উচ্চবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রায় যে প্রতিক্রিয়া এনেছিল, তার মর্মস্পর্শী মানবিক দিকটি ধরা পড়েছে এ গ্রন্থের করোনা বিষয়ক তিনটি গল্পে। ‘টোপ’ এবং ‘একটি হ্যান্ডশ্যাক ও হাাজরো দীর্ঘশ্বাস’ গল্প দুটিও নিছক মুক্তিযুদ্ধের গল্প নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিবর্তন ও বিকৃতির রাজনৈতিক দিকটি প্রতীকী ব্যঞ্জনায় উদ্ভাসিত হয় পাঠকচিত্তে। তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লবে ডিজিটাল বিশ্বে মানবজীবনে অভূতপূর্ব গতির পাশে যে দুর্ভোগ-দুর্গতি এনেছে, আখেরে তা বিনাশের আশঙ্কাটি বড় করে তুলছে। সোস্যাল মিডিয়ার ফাঁদে অবসরপ্রাপ্ত এক সচিবের গোপন প্রেম-উদ্বেগ; সন্তান ও নাতি-নাতনি পরিবেষ্ঠিত মধ্যবিত্ত পরিবারে বৃদ্ধের একাকিত্ব ও প্রেমের মাধ্যমে মুক্তি পেতে তাঁর মৃত্যুঞ্জয়ী লম্ফ এবং নাম-গল্পটিতে গাঁয়ের একটি ভূমিহীন দরিদ্র পরিবারের নিখোঁজ-রহস্য ঘিরে লেখক যে বহুমুখি বাস্তবের কুহক নির্মাণ করেছেন, তা দেশকালের এক ভয়াবহ বাস্তবের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয় পাঠককে।
আমরা অনুপ্রাণন প্রকাশন থেকে ইতিপূর্বে শক্তিমান কথাশিল্পী মঞ্জু সরকারের ‘রূপান্তরের গল্পগাথা’, ‘অগস্ত্যযাত্রা ও অন্যান্য গল্প’ নামে দুটি মৌলিক গল্পগ্রন্থ প্রকাশ করেছি। এছাড়াও নির্বাচিত বিশেষ কিছু গল্প নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে ‘রাজনৈতিক গল্প’ সংকলন। অনুপ্রাণন থেকে ধারাবাহিক প্রকাশিত তৃতীয় এবং লেখকের ত্রয়োদশ এই গল্পগ্রন্থটি সময় ও সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ লেখকের সৃজনশীলতাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে বলে আমাদের বিশ^াস।
- আবু এম. ইউসুফ
ডিজিটাল দেশের কৃষ্ণবিবর - Digital Desher Krishnobibor
বিজ্ঞানের যে কোনও বিষয়ে আমি খুবই কৌতূহল বোধ করি ! আমি একজন মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার! আমি কয়েক দশক ধরে মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সামরিক বাহিনীতে কাজ করি। আমার ব্যাকগ্রাউন্ডের ইতিবৃত্ত বিশ্লেষণ করতে আমি যথেষ্ট পরিমানে সীমাবদ্ধতা বজায় রাখি ! এখানে আমার কাজ হলো এন্ড-টু-এন্ড বিশ্লেষণ এবং কিরকিসিয়া যুদ্ধে মূলত মিলিশিয়া এবং জয়েন্টফোর্সের মধ্যে লড়াইয়ের খুঁটিনাটি তোলে ধরা। তার আগে সাইবার হামলা নিয়ে চালু একটি জোকসটি বলে আমি যুদ্ধের বর্ণনায় যেতে চাই । মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের সাথে পারমানবিক চুক্তি থেকে সরে গিয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার বিরুদ্ধে “আক্রমণাত্মক” সাইবার হামলার অনুমোদন দিলেন ।অনুমোদন দেওয়ার কয়েক ঘন্টা পরে তিনি তার জেনারেলদের ফোন করলেন ।জেনারেলের দিকে চিৎকার করে বললেন ,”আক্রমনের খবর কি?”
জেনারেল বললেন,”আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি স্যার।”
ট্রাম্প ক্ষেপে গিয়ে বললেন, “আপনি কি বলতে চাচ্ছেন আমরা সৈন্য পাঠাচ্ছি না?”
জেনারেল বললেন, “কিন্তু..কিন্তু…স্যার, এটা সাইবার স্পেসের মাধ্যমে একটি আক্রমণ..”
ট্রাম্প বললেন, “আপনি কি মনে করেন আমি স্টুপিড প্রেসিডেন্ট??” ………
সাইবার যুদ্ধের পাগলা ঘোড়া
জসীম উদ্দীন মুহম্মদ বর্তমান বাংলা সাহিত্যের একটি বিশিষ্ট নাম। তিনি একজন সব্যসাচী লেখক। দীর্ঘদিন যাবৎ জাতীয় পত্রিকায় একাধারে লিখছেন গল্প, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, কলাম এবং শিশুতোষ ছড়া ও গল্প। আলোচ্য ‘শেষ ট্রেনের সঙ্গী’ গল্পগ্রন্থের ১৩টি ছোটগল্প যেন জীবনের ১৩টি ভিন্ন ভিন্ন স্টেশন। আমি গভীর মনোযোগ দিয়ে প্রতিটি গল্প পড়েছি। আমার গভীর বিশ্বাস, সকল শ্রেণি এবং পেশার পাঠকগণ প্রতিটি গল্পে অনায়েসে ডুব সাঁতার কাটতে পারবেন।
মূলত ‘শেষ ট্রেনের সঙ্গী’র গল্পগুলো মানবিক সম্পর্কের জটিলতা, প্রেম-বিরহ, প্রতিদিনের জীবনের প্রত্যাশিত- অপ্রত্যাশিত বাঁক এবং গভীর অনুভূতির চিত্রায়ণ। এখানে আছে মধ্যবিত্তের না-বলা কথা, স্বপ্নভঙ্গের হাহাকার আর জীবনের কঠিন সময়ে টিকে থাকার অদম্য স্পৃহা। প্রতিটি গল্পই যেন এক-একটি ছোট জানালা, যার ভেতর দিয়ে দেখা যায় চেনা পৃথিবীর অচেনা মুখ।
অসহায়ত্বের রাতে শেষ ট্রেনের শেষ কামরায় বসা অচেনা সহযাত্রীর মতো এই গল্পগুলো আপনাকে শোনাবে আপনারই মনের ভেতরের কথা। কখনো মিষ্টি হাসিতে, কখনো-বা চাপা দীর্ঘশ্বাসে পাঠক খুঁজে পাবেন নিজেকে, নিজের সময়কে। যদি জীবন আপনাকে কোনো অপ্রত্যাশিত পথের মোড়ে দাঁড় করিয়ে দেয়, তবে এই ১৩টি গল্প হবে আপনার একান্ত সঙ্গী, যা আপনাকে মনে করিয়ে দেবে-যাত্রাপথে আপনি একা নন। আপনার জীবনের পরবর্তী স্টেশনে পৌঁছানোর আগেই তুলে নিন ‘শেষ ট্রেনের সঙ্গী’।
সবশেষে আমি অসাধারণ এই গল্পগ্রন্থটির বহুল পাঠকপ্রিয়তা প্রত্যাশা করছি।
আবু মোহাম্মদ ইউসুফ
প্রকাশক
অনুপ্রাণন প্রকাশন
Shesh Trainer Songi -Jasim Uddin Mohammad
বাংলা ছোটোগল্পে কল্লোল (১৯২৩) যুগ আমাদের পাঠাভ্যাসকে বদলে দেয়। নতুন কিছু তো অবশ্যই। যেমন পরিবর্তন হয়েছে গল্পের ন্যারেটিভ তেমনই বিষয়-ভাবনা। পাঠকের রুচির অনুকূল ছিল কি না সেসব গল্প- তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এ-পর্যায়ে সে গল্পগুলোই এখন আমাদের প্রাণ-সংকেত; ওই গল্পগুলোর দিকে তাকিয়েই আধুনিক বাংলা গল্পের বৈচিত্র্যময় টেক্সট নির্মিত হচ্ছে। কী ছিল ওইসব গল্পে? গল্প তো মানুষেরই। রবীন্দ্রনাথের গল্পও তো মানুষেরই গল্প; তারপরও যখন কল্লোলীয় গল্প পাঠকের কাছে এলো, তখন পাঠক একটি স্বতন্ত্র রুচির চর্চা করতে সক্ষম হয়। এর অনেক পরে হাসান আজিজুল হক লিখলেন ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ (১৯৬৭)’। এখান থেকে বাংলা গল্প আরো সুদৃঢ় হয়ে ওঠে। যাকে বলা যায় সবল অস্তিত্ব নিয়ে বাংলা ছোটোগল্পের পরম্পরা নির্মিত হয়। কে বা কারা ছিলেন এগিয়ে সে প্রশ্নও অবান্তর। কিন্তু গল্পের অগ্রযাত্রায় প্রতিনিয়ত যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন ভাবনা; বৈশ্বিকবোধ তাড়িত বিজ্ঞানমনস্ক সামজচিন্তা। সত্তর, আশি, নব্বই অতিক্রম করে যখন শূন্য কিংবা এক, দুই-য়ে বাংলা গল্প দাঁড়ালো, তখন গল্পও উত্তরাধুনিক চেতনায়, অনেক বেশি সাংকেতিক; আবার কখনো অনেক বেশি বিষয়ানুগ। বিষয় হিসেবে সামাজিক কদর্য, রীরংসা, নারীর প্রতি নিগ্রহ গল্পের আধার হয়ে উঠতে থাকে।
নাহার আলম শেষোক্ত ধারার একজন। তার গল্পসমূহে সময়ের চিত্রায়ণ করতে গিয়ে বস্তুত সমাজবাস্তবতাকে টাচ করতে চেয়েছেন। সময়ের সঙ্গী হওয়া বস্তুত কঠিন; কিছুটা চ্যালেঞ্জেরও। প্রথমত- সামাজিক সীমাবদ্ধতা। দ্বিতীয়ত হলো- প্রকাশ ক্ষমতার শিল্পিত সংকোচ। সম্ভবত নাহার আলম-এর ক্ষেত্রে এ-দুয়ের কোনোটিই বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। শিরোনামের একটি মার্কেটট্রেন্ড থাকে। এ-ধারণা থেকে নাহার আলম মুক্ত। এর মৌল কারণ হয়তো বাজারাক্রান্ত হওয়ার স্থুল বাসনা তার নেই।
শ্বাপদ সুন্দর, ধনদাসের রজনিচর, প্রসথেটিক মাস্ক, প্রত্যাখান বা প্রত্যাবর্তন, যোগচিহ্ন ইত্যাদি শিরোনামের গল্পগুলোতে যাচিত সময়ের লড়াই আছে। বেঁচে থাকার লড়াই, আবার আত্মপ্রতীতির লড়াইও। স্বোপার্জিত অর্জনের খেরোখাতায় বস্তুত কোনো বিলাসের গল্প থাকে না; থাকে টিকে থাকার নন্দিত পরমতা। তার কোনো যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা থাকে না। কিন্তু অবশ্যই সমাজবাস্তবতার চলচ্চিত্রায়ণে এর মূল্য অধিক। একজন সিনথিয়ার সফল জননী হয়ে ওঠা, নিবিড়ের বিশ্বাস ও চেতনার সঙ্গে তথাকথিত রাষ্ট্রের দ্বন্দ্ব, শবনমের সমুদ্রসম কষ্ট, অরিণ এবং নীলান্তির জীবনে ঘটে যাওয়া দুঃসহ স্মৃতি সবই তো আমাদের সমাজে বিস্তীর্ণমান দূষিত সম্পর্কায়নের কুফল। এসব কিছুকে যখন লেখক একটি মলাটে অন্তর্ভুক্ত করেন, তখন সেখানে অজস্র পাঠকের অন্তর্জিজ্ঞাসার বাতায়নটা খুলে যায়। পাঠক ওই বিন্দুতে থামতে চান; এবং বলেন এমনই হয়তো চেয়েছি। এ-ধারার গল্পকথায় নাহার আলম পাঠককে মুগ্ধ করার হয়তো প্রত্যয় নেননি- কিন্তু পাঠকের কাছে পৌঁছুতে চেয়েছেন। এখানে তার স্বাতন্ত্র্য অনেকেরই চোখে পড়বে।
আবার কিছু গল্পে উপভাষার প্রয়োগেও তার সিদ্ধহস্ততা কোনো কোনো পাঠককে আগ্রহী করে তুলবে। পাঠকমাত্রই নতুনের সন্ধান চান; তবে সে নতুন, পুরোনোর ভেতর থেকে উত্থিত হলে তার প্রতি মানুষের আকর্ষণ থাকে ভিন্নরকম। এবং বলা বাহুল্য ওই পুরোনোর ভেতর থেকে নতুনের উদ্ভাসন মূলত উত্তরাধুনিক চিন্তারই বহিঃপ্রকাশ। পোস্ট-মডার্ন পাঠক তার গল্প থেকে সে স্বাদও নিতে পারবে বলে মনে হয়েছে। গল্প পাঠান্তে অনেকের হয়তো মনে হতে পারে, গল্পটা আমারই; গল্পের সিনথিয়া, অরিণ, নিবিড় কিংবা শবনম মূলত আমিই।…
Subornopurane Ekhon Neguro Andhokar by Naher Alam
জাতীয় দৈনিক, সাপ্তাহিকী, পাক্ষিক, মাসিক, ত্রৈমাসিক ও নানা নামের ছোট কাগজগুলোতে বেশুমার গল্প ছাপা হচ্ছে। দু’চারটে গল্প ছাড়া অধিকাংশ গল্পই বায়বীয় পদার্থের মতো হাওয়া হয়ে যাচ্ছে; কিন্তু কেন? কেন গল্পগুলো অমরত্বের পথে হাঁটছে না? কারণ, সরল বয়ান এবং একই প্রেক্ষাপটের চর্বিত চয়ন। কিন্তু এই গল্পগ্রন্থে জিল্লুর রহমান শুভ্র প্রিজমের মতো নানাবিধ আলো ফেলে গল্পগুলোকে নানা ঢংয়ে বিন্যাস করেছেন। বাস্তবতার সঙ্গে পরাবাস্তবতা ও শ্বাশত আবেগের মিশেল ঘটানো গল্পগুলো পাঠকদের মনস্তত্বের ভূগোলে জেগে ওঠে কুয়াশাবৃত হিমশৈলের মতো; যা একদিকে চিত্তাকর্ষক অন্যদিকে প্রপঞ্চময়। তিনি সোডিয়াম ও ফ্লুরেসেন্সের আলোর নিচে বসবাস করলেও নিভৃতচারী পল্লিকথকের লেপ মুড়ি দিয়ে কুপির আলোয় পুঁথিপাঠ ও হেমন্তের ফসল কাটার গান শুনতে পান; ফলে তার গল্পে নাগরিক জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসিকান্না, রিরংসা ও কদর্য অন্ধকার যেমন ধরা পড়ে, তেমনি গ্রামীন চরিত্রগুলোও সেলুলয়েডের মতো জীবন্ত। তাছাড়া, রাজনীতি সচেতন মানুষ হিসেবে ৪৭-এর দেশভাগ ও ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের বয়ান তার অনেক গল্পে উঠে এসেছে নির্মোহ ও নির্মম সংবেদনশীলতায়। পাঠক, বাড়িয়ে বলছি না। নতুন স্ট্যাইলে তার গল্পের বুনন ও ভাষার চমৎকারিত্ব সমানভাবে আপনাদের মুগ্ধ করবে।
Ghoramukhi By Zillur Rahman Shuvro


Chonde Badha Didha - Nusrat Jahan Champ
গ্রন্থিত গল্পগুলি বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা সহ মাসিক গল্প বিষয়ক সাহিত্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। গত ছত্রিশ বছরে মোট ২২টি গল্প লেখা হয়েছিল। সেখান থেকে বিভিন্ন স্বাদের ১০টি নির্বাচিত গল্প এ বইটিতে গ্রন্থিত হয়েছে। আশা করা যায়, যারা গল্প পড়তে ভালবাসেন সেসব পাঠকদের কাছে গল্পগুলি সুখপাঠ্য হবে। জীবন থেকে নেয়া এবং দু’ একটি গল্পের পটভ‚মি কালপঞ্জিতে একটু দূর বোধ হলেও পাঠক সেই অতীতের নিঃস্তরঙ্গ সময়টাকে অনুধাবন করতে পারবেন। মানুষের অন্তলীন জয় পরাজয়ের বিবরণ পাঠ করে আনন্দ-বেদনায় আপ্লুত হবেন তা নিশ্চিত করে বলা যায়।
Mousumi Brishtir Golpo By Amal Saha
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.



























There are no reviews yet.