Description








$ 1.85 $ 2.47



| Weight | 0.211 kg |
|---|---|
| Published Year | |
| অনুপ্রাণন তরুণ পাণ্ডুলিপি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী | ২০২৪ |
অরণ্যক তপু। জন্ম: ১৯৯৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ঢাকার ঝিগাতলা। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলায়। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ব্যথিত ভায়োলিন
রঞ্জনা বিশ্বাস। জন্ম: ১০ডিসেম্বর, ১৯৮১। গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামে খ্রিস্টিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ‘ভুলস্বপ্নে ডুবে থাক আদিবাসী মন’ ও ‘আমি তিনবেলা বৃষ্টিতে ভিজি’ কাব্যগ্রন্থ দু’টি কবির প্রকাশিত কাব্যফসল। এছাড়া কবি কবিতাচর্চার পাশাপাশি ফোকলোরচর্চাকেও ব্রত হিসাবে নিয়েছেন। নৃ-তাত্ত্বিক ও গবেষণাধর্মী কবির আরও বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। কবি বাংলা একাডেমির ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ ও ‘লোকজ সংস্কৃতির বিকাশ’ প্রকল্পে কাজ করছেন। এছাড়া এখন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগে কর্মরত আছেন।
বেদনার পাথর ও প্রান্তিক দীর্ঘশ্বাস
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
ফারহানা খানম। জন্ম: ১৯শে এপ্রিল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকায়। গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দীপে। ‘ভুগোল ও পরিবেশ’ বিষয়ে স্নাততোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে ব্যাংকে চাকুরি শুরু করলেও বর্তমানে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। নয় ভাই-বোনের মাঝে সবার ছোট বলেই আদরও পেয়েছেন বেশি। প্রথম প্রকাশিত বই, ‘ইছামতি’ (কলকাতা থেকে প্রকাশিত)।
তৃষ্ণার্ত বালুতট
কাজী রহমান। পরবাসী লেখক নিজের পছন্দ মতো বাঁচতে দু-যুগ আগে মার্কিন মুলুকে চলে আসেন স্ত্রী ও প্রথম শিশুকন্যা সাথে নিয়ে। বড় হয়েছেন পুরনো ঢাকার গেন্ডারিয়া’য়। জ্ঞান হবার পরপরই নিজেকে আবিষ্কার করেছেন ঘরের পাশের গ্রন্থাগারে, বিভিন্ন শিশু সংগঠন আর সমাজসেবামূলক সংগঠনের আলোছায়ায়। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার দুরন্ত কিশোর স্বাধীনতার যুদ্ধ দেখেছেন কাছ থেকে আর আতঙ্কের দিন গুনেছেন সারাক্ষণ মুক্তিযোদ্ধা দু’ভাইয়ের ঘরে ফেরার অপেক্ষায়। গ্রাজুয়েশন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কর্মজীবন কেটেছে বিদেশী এয়ার লাইন্সের কর্মকর্তা হিসেবে।
তারাধুলো জল ও নস্টালজিয়া
হাসানআল আব্দুল্লাহ। জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৬৭। গোপালগঞ্জ জেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। তিনি প্রবর্তন করেছেন নুতনধারার সনেট। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থর সংখ্যা দশ। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার কবিতার অনুবাদে প্রকাশ করেছেন বিশ্ব কবিতার কয়েকছত্র। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ- সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা, আঁধারের সমান বয়স, এক পশলা সময় প্রভৃতি। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের কুইন্স শহরের পোয়েট লরিয়েট ফাইনালিস্টের সন্মান পেয়েছেন।
বৃত্তের কেন্দ্রেও কবিতার মুখ
রনক জামান। জন্ম:১৬ই ডেসেম্বর ১৯৯১, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলায়। লেখালেখির হাতেখড়ি ছোটবেলাতেই কবিতার প্রতি মুগ্ধতা থেকেই তার প্রতি ভালোবাসা। এটাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে, যৌথ কবিতাগুচ্ছ ‘মায়ানগরীর বৃষ্টিকথন’, কবিতার ই-বুক ‘শরীর ছোঁয়া আঙুলগুলো’ এবং অনুবাদ উপন্যাস ‘ললিতা’।
ঘামগুলো সব শিশিরফোঁটা
লেখক পরিচিতি :
তানভীর আহমেদ হৃদয়। জন্ম: ৩ডিসেম্বর, ১৯৮৫ইং। মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছড়া। এছাড়া সম্পাদিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা ও গল্প। লেখকের লেখা প্রতিনিয়ত দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে।
অচেনা রৌদ্রের রঙ
লেখক পরিচিতি :
হান্নান হামিদ, লেখক নাম কালের লিখন। জন্ম: আগস্ট, ১৯৮৪। জামালপুর। ‘বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস’ লেখকের প্রথম বই।
বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস
আলী রেজা। জন্ম: ১৯৫৭। মুক্তিযুদ্ধে আলোড়িত কবি, সত্তর দশকে মূলত ছোটকাগজে লেখালেখি শুরু করেন। সদ্য অবসরে যাওয়া একটি রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠানের বিপণন ব্যবস্থাপক। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
আলী রেজা
আবু জাঈদ। জন্ম: ২২শে জুলাই ১৯৮৩, ঢাকা। পড়াশুনা অসমাপ্ত রেখে একসময় কবি বাউণ্ডুলে জীবনের এলোমেলো আলপথে নেমে যান বেঁচে থাকার প্রয়োজনে, তাই বলে কাব্যচর্চা থেমে থাকেনি। এক সন্তানের জনক। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
মানচিত্রের ফাঁসি চাই
কিছু একটা বলাটাই যখন বাধ্যবাধকতাÑবাহুল্য এবং আপেক্ষিক বাতুলতা বাদ রাইখা মাহবুব লীলেন থাইকা ধার কইরা বলতে হয়Ñ ‘আনফিট মিসফিট হইয়া হামাগুড়ি দিয়া হাঁটি, আর রাত্তিরে ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ টাইনা চিক্কুর দিয়া কইÑ যাহ শালা বাঁইচা গেলাম আরও একটা দিন।’
এইটা বড়োবেশি জৈবিক বাঁচা
মানবিক বাঁচনের স্বপ্নও দেখি না বহুদিন
বড়ো তরাসে আছি
বড়ো বেশি চাইপা আছি, নিজের গলা নিজে।
দ্বান্দ্বিক দ্বন্দ্ব বিষয়ক আজাইরা প্রলাপ
কবিতার কাজ প্রকৃতিগতভাবেই বিপ্লবী। এটি আত্মকর্মবিশেষ। এ হলো অভ্যন্তরীণ মুক্তির মসনবি পথ। কবিতা জগৎভ্রমণের সনদ উন্মুক্ত করে দেয়, গড়ে তোলে আরেকটা জগৎ। কবিতা বিচ্ছিন্ন করে, আবার সংযুক্তিও রচনা করে পরম মমতায়। সে এক উন্মাদ অভিলাষের আমন্ত্রণ।
নিশ্বাস-প্রশ্বাস। সমর্পণের জ্ঞান-ভক্তিভাষি নম্যতা। শূন্যের কাছে আকুল প্রার্থনা। অনুপস্থিতির সঙ্গে কথোপকথন। ক্লান্তি, হতাশা আর যন্ত্রণা তাকে পুষ্টি দেয়। কবিতা কখনো আরাধনা, স্তোত্র, মন্ত্রপ্রতিম। শ্রেণি, জাতি আর জাতীয়তার বহিঃপ্রকাশ। অযাচিত মহত্ত্ব, ভূতচর্চা আর জাদুবিদ্যা। অভিজ্ঞতা, অনুভূতি, আবেগ, প্রজ্ঞা আর পরোক্ষের কীর্তন। পাগলামো, জ্যাঠামো আর ছেলেমানুষি প্রগল্ভতা।
অকস্মাতের ফল। উন্নত ও সুউচ্চমার্গে বচন উৎক্ষেপণের ঐশী আচরণকলা। কবিতা সংখ্যালঘুর জন্যে, সম্মিলিত জনতার, ব্যক্তিগতও। নেংটো নৃত্য সে, প্রলাপ। কখনো পাতার মুকুটপরা সম্রাট- জাঁহাপনা! চিত্রিত ও চিৎকৃত। জনপদের সহজিয়া উতল, মরমি উৎসব। কলজেচেরা গান। ঐতিহ্যের রঙ- উজাড় ভালোবাসা। সহাস্যে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন। সর্বোপরি, কবিতা দ্বন্দ্বমূলক ভাববাদ!
Naristhan O Parshoborti Citrokalpo by Hafiz Rashid Khan


Chonde Badha Didha - Nusrat Jahan Champ
সম্পর্কে জড়ানোর জন্য অভিকর্ষ বলের কোনোই দোষ নেই।
— আলবার্ট আইনস্টাইনক
কথাটি হয়তো এই মহান বিজ্ঞানী মজার ছলে বলেছিলেন। আসলে একজন মানুষ জন্মের পর ধীরে ধীরে তার কাছের মানুষগুলোকে চিনতে শুরু করে। তারপর সে দূরের সম্পর্কগুলোকে জানার চেষ্টা করে। কাছে দূরের এই যোজন বিয়োজনের পারস্পরিক ক্রিয়ার রসায়নে একটা সময় হয়তো কোনো সম্পর্ক মধুময় হয়ে ওঠে, কখনো বা তিক্ত। আবার এই তিক্ত সম্পর্ক সৃষ্টির নিয়ামক হয় মানুষের লোভ, শঠতা ও অহংকার। মাঝেমাঝে কিছু সম্পর্ক সামাজিক বিধিনিষেধের গোলকধাঁধায় পড়ে আবার নিষিদ্ধও ঘোষিত হয়। সেই সম্পর্কেগুলোর হয়তো কোনো নামও হয় না। অথচ নামহীন এমন সম্পর্কের ভার সারা জীবন মনে ভেতরেই থেকে যায়।
মানুষের বৈচিত্র্যময় আন্তঃসম্পর্কের পাপপুণ্যের পরিধি বিশ্লেষণ করে লেখক ‘নিমপাতার পাকোড়া নিষিদ্ধ আলিঙ্গন’ গল্পগ্রন্থে সেইসব নিষিদ্ধ সম্পর্কগুলোকেই আলিঙ্গনের চেষ্টা করেছেন। শুধু মানবিক সম্পর্কের পূর্বাপর অন্বেষণ নয়, সামাজিক অবক্ষয় আর বিচ্ছিন্নতাও এই গল্পগুলো নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।
Nimpatar Pakorar Nishiddho Alingon
তুরস্ক আধ্যাত্মিক সাধকদের দেশ, মওলানা জালাল উদ্দিন রুমির দেশ। লেখক তুরস্কের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে গিয়েছেন সেই আধ্যাত্মিক জগতের ডাকে সাড়া দিতে।
ইস্তাম্বুলে বসফরাস প্রণালী বা সাধারণ কবরস্থান যেন প্রশ্ন এবং উত্তর একইসাথে খুঁজে পাওয়া।
কাপাদোকিয়ার ভূগর্ভস্থ জগৎ আর মেলেন্দিস নদী একটাই সুর ফুটিয়ে তোলে ভাবের জগতের আদান-প্রদানে।
আনতালইয়ার প্রাচীন স্থাপনা বা ভূ-মধ্যসাগরের অভিজ্ঞতা যেন মওলানার পংক্তি ধরে ধরে সেই ধুলোকণা আর নোনা সাগরে উড়াল দেয়া।
যার জন্য পথচলা, উদাস থাকা, যাযাবর জীবন বেছে নেয়া সেই মওলানার পায়ের কাছে লেখক উৎসর্গ করেন নিজের জগৎ।
অনন্য সাধারণ অভিজ্ঞতায় মোড়া ফেথিয়ে শহরে হৃদয়ের অজানা কুঠুরি খুলে যায় তখন, যখন দেখা হয় নিজেরই প্রতিবিম্বের।
দেবী আর্টেমিসের এফেসাস নগরী ফিসফিস করে ফিরে ফিরে এসে গল্প শোনার জন্য। আর সকল ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দু ট্রয় নগর থেকে অজানা ভালোবাসা কুড়িয়ে বেড়ানোর আশায় লেখক উড়ে বেড়ান রাজধানী অবধি, দেখা হয় গানের নাইটিঙ্গেলের সাথে।
তবুও শেষ হয় না পথচলা। শেষ গন্তব্যে তাই বুঝি প্রশ্ন করেন এক আচেনা আত্মা–
‘মানুষ যা খুঁজে ফেরে জীবনভর তা কি পায়?’
উত্তর মওলানা জালাল উদ্দিন রুমি দিয়ে গিয়েছেন।
Mawlana Jalaluddin Rumi'r Khoje Turoske by Fatima Jahan
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.














There are no reviews yet.