Description
……………………………………..
$ 1.06 $ 1.76
সৈয়দ রায়হান বিন ওয়ালী। লেখক নাম: সৈয়দ ওয়ালী। জন্ম: ১৭ই জানুয়ারি ১৯৬৭। জন্মস্থান: পুরাতন ঢাকা। পিতা: সৈয়দ ওয়ালী হোসেন সুলতান। মাতা: সোহেলি ফেরদৌসী। পৈত্রিক ভিটে: কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার ইসলামপুর গ্রাম।
বেড়ে উঠা: সৈয়দ ওয়ালীর শৈশবের প্রথম কয়েক বছর কাটে পুরাতন ঢাকার বংশালে। তবে দেশ স্বাধীন হবার বছর খানেক পর পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে পিতার নানী-বাড়ি গাজীপুরের কালিয়াকৈর-জমিদার- বাড়ির গ্রামীণ পরিবেশে কাটে শৈশব ও কৈশোরের পরবর্তী কয়েক বছর। যার সুবাদে সে শহর ও গ্রামের দ্বৈত জীবনের অভিজ্ঞতায় বেড়ে উঠার সুযোগ পায়। যে দ্বৈত-জীবনের অভিজ্ঞতার বিবিধ বৈশিষ্ট তার বিভিন্ন কবিতায় গদিয়ান। শিশুকাল থেকে সাহিত্যের অন্যান্য মাধ্যমের প্রতি তীব্র টান অনুভব করলেও মূলত যৌবনে এসেই সৈয়দ ওয়ালী ধীরে ধীরে কবিতা জগতের প্রতি মুগ্ধ হতে থাকে এবং নিজের কবিতা সৃজনের তৃষ্ণা নিজের ভেতর অনুভব করতে থাকে, যে তৃষ্ণা পরিশেষে তাকে কবিতা চর্চায় নিমগ্ন করে; সৃষ্টিশীলতা শুরুর বছর বিচারে যা ইংরেজি বর্ষপঞ্জির ১৯৮৯/১৯৯০। সেই থেকেই সৈয়দ ওয়ালী কবিতার ভাব ভাষা ছন্দ ও শৈলী নিয়ে বিচিত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করা ও এইসব উপাদানের যথাযথ সমন্বয়ের মাধ্যমে সৃজন করে চলেছেন তার কবিতার নিজস্ব ও স্বতন্ত্র এক জগৎ, যা আজ অবধি চলমান।
প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থঃ ‘তুমি ও তোমাদের হাত ছুঁয়ে ছুঁয়ে’, ‘বিনত খসড়া’।
……………………………
……………………………………..
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
লেখক পরিচিতি :
প্রজ্ঞা মৌসুমী। জন্ম: এক শরতে দাদুবাড়ি কুমিল্লায়, বেড়ে ওঠা সুনামগঞ্জে। ঊনিশ বছর থেকে পড়াশুনার জন্যে প্রবাস জীবন। এক এসাইনমেন্টের জন্যে প্রথম ইংরেজি কবিতা লিখার শুরু। প্রথম জীবনের কবিতাগুলো ইংরেজিতেই লেখা, কিন্তু মন আঁকুপাঁকু করে বাংলায় লিখতে; তারই ফলশ্রুতিতে আজকের প্রথম কবিতা ফসল ‘পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ’। লেখক কবিতা ও গল্প লিখে পেয়েছেন অনেক পুরস্কার তাই বাংলা সাহিত্যের অত্যুজ্জল আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করার স্বপ্ন দেখেন অহর্নিশ।
পৌরাণিক রোদ এবং অতিক্রান্ত কাঠগোলাপ
তুহিন দাস, কবি ও লিটলম্যাগ কর্মী। জন্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৮৫, জল ও কবিতার শহর বরিশালে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। প্রথম কবিতার শিরোনাম ‘সমাধিপৃষ্ঠা’। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ সাহিত্যপত্র সম্পাদনা শুরু করেন। সম্পাদনার জন্যে ২০১১ সালে ‘চিহ্ন সন্মাননা’ পেয়েছেন। বর্তমানে ‘আরক’ পত্রিকা ও প্রকাশনায় কর্মরত আছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ছয়, ‘বনসাই প্রকল্পের মানুষ’ ‘অসুখময় দিনরাত্রি’ ‘বিষাদনীলঘোড়া’ ‘কাজল বিক্রেতার স্বপ্ন’ ‘বাগান সিরিজ’ ও ‘দূরের পাড়া কাছের বাড়ি’।
কাঠের মুখ
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
লেখক পরিচিতি :
মোহাম্মদ হোসাইন। জন্ম: ৩১শে অক্টোবর। বিএসসি ও এমএসসি’র শিক্ষা সমাপন শেষে এখন শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত আছেন। লেখকের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ মোট ১১টি। ‘ভালোবাসা নির্বাসনে গেছে’ ‘মেঘগুলো পাখিগুলো’ ‘অরণ্যে যাবে অস্তিত্বে পাপ’ উল্লেখযোগ্য বইয়ের শিরোনাম।
অনুদিত রোদের রেহেল
লেখক পরিচিতি :
হামীম ফারুক। পুরো নাম: গোলাম ফারুক হামীম। জন্ম: ২৪শে অক্টোবর, ১৯৬৩, ঢাকা। প্রথম তারুণ্যে কাজ করেছেন ইংরেজি পত্রিকা নিউ নেশন-এ। সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করে এখন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন। মূলস্রোতের সাহিত্য পত্রিকাগুলোতে একটানা লিখেছেন ১৯৮৭ পর্যন্ত। মাঝখানে বিরতি দিয়ে পুনরায় আগমন প্রথম কবিতার বই ‘রোদ ও ক্রোধ, মাঝখানে সাঁকো’ দিয়ে। একটি ই-বুক আছে, ‘নক্ষত্রের চিরকূট’। এটি লেখকের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ।
প্রকৃতি পুরাণ
অরণ্যক তপু। জন্ম: ১৯৯৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ঢাকার ঝিগাতলা। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলায়। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ব্যথিত ভায়োলিন
সাঈদা মিমি। জন্ম: ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৮। বরিশালে। শৈশবের পুরোটাই এবং অর্ধেক কৈশোর কেটেছে পদ্মাপাড়ে, মানিকগঞ্জের ঘোনাপাড়া গ্রামে। লেখালেখির শুরু ছাত্রজীবনে। প্রথম প্রকাশিত হয় ইত্তেফাকে। ফ্রীল্যান্স সাংবাদিকতা, স্কুল মাস্টারিং, বায়িং হাউজের এডমিন, হাউজিং কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ইত্যাদি বিচিত্র কর্মজীবন মেষে অতঃপর গৃহিণী। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘সব নিয়ে গেছে এক সময়ের লুটেরা বাতাস’ ‘ফারাও কুমারী’ ও ই-বুক ‘কীর্তনখোলা’।
একজন মৃতের ডাইরি
মেঘ অদিতি। কবি ও গল্পকার হিসেবে ‘দু’বাংলাতে পরিচিত। জন্ম: ৪মে, জামালপুর। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘জলডুমুরের ঘুম (কাব্য)’ ‘অস্পষ্ট আলোর ঘোড়া (গল্প)’ ‘অদৃশ্যতা হে অনিশ্চিতি (কাব্য)’ এবং ‘সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ (মুক্তগদ্য)।
প্রবেশিধকার সংরক্ষিত
অয়ন্ত ইমরুল। জন্ম: ১২ই এপ্রিল ১৯৮৭ইং, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার আজিমনগর গ্রামে। পদ্মা নদীর ভয়াল গ্রাসে শৈশবেই ঠিকানার পরিবর্তন ঘটে বর্তমানে সাভার আশুলিয়ায় বসবাসরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ছায়াসমুদ্র
লেখক পরিচিতি :
নিখিল নওশাদ। জন্মসন: ১৯৮৯ইং। বড়িয়া, ধুনট, বগুড়া, বাংলাদেশ। ‘বিরোধ, ‘নিওর’ ও ‘নীড়’ পত্রিকার সম্পাদনা পরিষদের সাথে যুক্ত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই। এছাড়া ছোটগল্প বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন।
এটি একটি চিৎকার
সৈয়দ সাইফুর রহমান সাকিব। জন্ম: ১৯৭৮ সালে বরিশাল জেলা সদরে করিমকুটির নামক স্থানে। তার লেখার বিষয় মূলতঃ কবিতা। সময় নাট্যদলের সাথে একযুগ পার করেছেন। গানও লিখতেন কিন্তু বন্ধুবরের প্রয়ানে, অভিমানে আর সেপথ মারাননি। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত থাকলেও নিজেকে একজন কবিতার শতরঞ্জি মোড়ানো শ্রমিক বলেই মনে করেন। এটি কবির প্রথম বই।
রূপোর দ্যুতি
আলতাফ হোসেন-এর জন্ম ২৭ অক্টোবর ১৯৪৯। পৈতৃক নিবাস কিশোরগঞ্জ। বাবার চাকরিসূত্রে শৈশব কৈশোর কেটেছে পাটনা, কলকাতা, চাটগাঁ, করাচি ও ঢাকায়। ১৯৬৪ থেকে পুরোপুরিভাবে ঢাকায় বসবাস। অনার্স ও এমএ করেছেন বাংলায়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেস, ঢাকা থেকে দু-বছর ফরাসি ভাষা শিখে সনদ পেয়েছেন।
কফি জেগে থাকে
বিজ্ঞানের বিভিন্ন আবিষ্কারের পিছনে সায়েন্স ফিকশন বা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির অনেক ভূমিকা রয়েছে। যেখানে বিজ্ঞান বর্তমান নিয়ে কথা বলে সেখানে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি ভবিষ্যৎবাণী করে বিজ্ঞানের পথকে অগ্রগামী করে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের ইতিহাস ঘাটলে এর বহুবিধ প্রমাণ পাওয়া যায়।
বর্তমানে সায়েন্স ফিকশন বা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি ছোটো-বড়ো সকল শ্রেণির পাঠকের কাছে সমান জনপ্রিয়। এক সময় ছোটোদের আগ্রহ ছিল রূপকথা বা ভূতের গল্পের প্রতি। এখন তাদের আগ্রহ বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির প্রতি। কারণ বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ। যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে পাঠকের রস ও রুচির পরিবর্তন ঘটবে এটাই স্বাভাবিক।
‘ডার্ক-লেন্স’ আমার নবম সায়েন্সফিকশন গ্রন্থ। এ বইয়ের প্রতিটি গল্প ভিন্ন মেজাজ ও ভিন্ন স্বাদের, যা শিশু-কিশোরসহ সব বয়সি পাঠকদের ভালো লাগবে।
Dark-Lens by Ashraf Pintu
সিদ্দিক প্রামাণিকের কবিতায় টুকরো আখ্যান আর নাট্যমুহূর্তের ব্যবহার অভিনব। রহস্য আর রূপকের দক্ষ আড়ালে তিনি বলে যান নিজের সময়, জনপদ আর মানুষের বিচিত্র গল্প। পাঠক বিস্ময়ের অভিঘাতে থমকে যান, কখনো শোকে আর্দ্র, কখনো ক্রোধান্ধ হয়ে পড়েন। সবশেষে কবিতা-ই তার সারসত্য নিয়ে জেগে থাকে।
বাংলা কবিতায় সিদ্দিক পরিব্রাজকের মতো আসেননি, এখানে থাকতে এবং রাজত্ব করতেই এসেছেন। আতশবাজির খেলা নয়, বারুদের বিস্ফোরক ক্ষমতা-ই তাঁর পছন্দ। সহজেই বোঝা যায় এই কবির জামার আস্তিনে আরো অনেক জাদু উন্মোচনের অপেক্ষায়।
কবি ও কবিতার জয় হোক।
সরদার ফারুক
বাতিল বেশ্যার ডায়েরি
শামীম সাঈদ, কবি ও গল্পকার। জন্মÑ ১০ জানুয়ারি ১৯৭৯। কলসনগর, লালপুর নাটোর। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থÑ এই কথা বৃষ্টিবাচক, এভাবে খুলবে না আঁচলের খুঁট, সদা ভাগতেছে ভববান।
কুঁড়িকাল ও যুগযাপনের গল্প
ভূমিকাঃ
হরর গল্পের প্রতি ভালো লাগা সেই ছোটোবেলা থেকেই । হরর মুভি, বই, কমিক যখনিই যা পেয়েছি গ্রোগ্রাসে গিলেছি। লেখালেখির জীবনের শুরু থেকেই হরর গল্প লিখায় পেতাম অন্যরকমের আনন্দ। ইতোপূর্বে বিভিন্ন মাসিক, ত্রৈমাসিক পত্র-পত্রিকায় এবং হরর গল্প সঙ্কলনে আমার ভৌতিক লিখা প্রকাশিত হবার ফলশ্রুতিতে হরর বই পাঠকদের দরবারে তুলে ধরলাম । বইতে যেমন বিদেশি পটভূমিকার গল্প অন্তর্ভুক্ত করেছি তেমনি দেশিও ঢঙের গল্পও যুক্ত রয়েছে যা সকলের ভালো লাগবে বলেই আমার বিশ্বাস।
বিশেষ ধন্যবাদ লেখক রুবেল কান্তি নাথকে, বইটির নামকরণ থেকে শুরু করে প্রচ্ছদ অবধি তাঁর গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও সময় প্রদান করায়। এছাড়াও অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা অনুপ্রাণন প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী আবু মোহাম্মদ ইউসুফ আংকেলকে, সব ধরনের সহযোগীতা ও অনুপ্রেরণা দেয়ায় ।
লেখক পরিচিতিঃ
নাঈম হাসানের জন্ম ১৭ ডিসেম্বর, ঢাকায়। শৈশব ও কৈশোর কেটেছে মিরপুরে। পড়াশোনা করেছেন ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে। লিখছেন গল্প, উপন্যাস আর কবিতা। ছেলেবেলা থেকেই তাঁর বই পড়া ও লেখালেখির প্রতি প্রবল আগ্রহ। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন মাসিক,ত্রৈমাসিক, ছোট কাগজ , লিটল ম্যাগ এবং অনলাইন মিডিয়ায় নিয়মিত লেখালেখি করছেন। এছাড়া তাঁর দু’টি একক গ্রন্থ এবং কিছু গল্প-কবিতার সঙ্কলনও প্রকাশিত হয়েছে। ভালোবাসেন ভ্রমণ , সিনেমা , আবৃত্তি ও ক্রিকেট। প্রিয় লেখক সত্যজিৎ রায়, রকিব হাসান , কাজী আনোয়ার হোসেন, চেতন ভগত।
হ্যালোইনের রাত
ভূমিকা
বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি ও কথাসাহিত্যিক আনোয়ার হোসেন বাদল চিকিৎসার জন্যে কিছুদিন আগে দক্ষিণ ভারতের ভেলোর শহরে গিয়েছিলেন। সাথে ছিলেন তার আজীবন সহযাত্রী, সহযোদ্ধা আমাদের প্রিয় সুলতানা ভাবী। বাদল ভাই ভাবীর সাথে নানান জায়গার ছবি তুলছেন আর তাৎক্ষণিক অভিজ্ঞতা লিখে পোস্ট দিচ্ছেন। আমিও মজা করে কমেন্ট করে যাচ্ছি সেইসব পোস্টে। প্রথমদিকে সাদামাটা পোস্ট ভেবেই গভীরে তেমন ঢোকার চেষ্টা করিনি। কিন্তু সময় যতোই যেতে থাকে পোস্টগুলো আমাকে চুম্বকের মতো টানতে থাকে। একসময়ে অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে বাদল ভাইয়ের ভ্রমণবৃত্তান্তের অপেক্ষায় থাকি, কখন তিনি পোস্ট দিবেন, কখন সেই আখ্যানগুলো পড়বো। অবস্থা যখন এমন পর্যায়ে একদিন বলেই ফেললাম যে লেখাগুলোকে মলাটবদ্ধ করলে একটি ভালো বই হতে পারে। উপযাচক হয়ে এটাও বললাম যে যদি কখনো লেখাগুলো মলাটবদ্ধ হয় আমিই লিখবো এর মুখবন্ধ।
বলেতো দিয়েছি কিন্তু তখন কি আর জানতাম যে এই গুরুদায়িত্ব আমার ঘাড়েই চাপবে! সেদিন হঠাৎই বাদল ভাইয়ের ফোন, ‘কমরেড, ভারতে কয়েকদিন নামের বইটি আসছে আগামী বইমেলায়। ভূমিকা কিন্তু আপনাকেই লিখতে হবে।’ আমিতো সপ্তম আসমান থেকে পড়লাম একেবারে জমিতে।
যাইহোক, সচরাচর ভ্রমণকাহিনী বলতে আমরা যা বুঝি আনোয়ার হোসেন বাদল এর ‘ভারতে কয়েকদিন’ সে অর্থে কিন্তু কোনো ভ্রমণকাহিনী নয়। বরং এটি হচ্ছে সাদা চোখে দেখা সাদামাটা অভিজ্ঞতার এক নির্মোহ বিবরণ, কিছু জানা কথা, কিছু অজানা তথ্যের প্রকাশ।
বইটি এমন সহজ-সরল ভাষায় লিখিত যে—পড়ার সময় মনে হতে পারে পাঠক বই পড়ছেন না বরং লেখকের সাথে সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ভারতের নানান শহর। নিজের চোখেই পাঠক দেখছেন ভারতের ইতিহাস-ঐতিহ্য, স্থাপনা আর বিচিত্র প্রকৃতি।
আলোচ্য বইটিতে পাঠকের পরিচয় ঘটবে ভারতের ঐতিহাসিক শহর কোলকাতা, তৃতীয় বৃহত্তম শহর দক্ষিণ ভারতের চেন্নাই আর ভেলোরের ইতিহাস-ঐতিহ্য, শিল্পসংস্কৃতি ও স্থাপত্যকর্মের সাথে।
বইটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অমরকীর্তি হিসেবে স্বীকৃত হবে বলে আমার বিশ্বাস।
কবি হানিফ মোহাম্মদ
তালেপুর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।
ভারতে কয়েকদিন
দুরবিন উল্টো হয়ে পড়ে আছে
গ্যালিলিও অন্ধ; সেই কবেই নিভে গেছে আলেকজান্দ্রিয়া; নালন্দার দীর্ঘশ্বাস গোপনে হজম করে বেড়ে উঠেছে ইতিহাসের অন্ধকার; বহু শতাব্দী নিভৃতে কেঁদেছে মহেঞ্জোদারো।
আমার বুকের ভেতরে নিয়ত পুড়ছেন জিওর্দানো ব্রুনো; লাঞ্ছিত হচ্ছেন হাইপেশিয়া; বেঘোরে গর্দানের ভয়ে অপমানিত আলোক-বর্তিকার মতো মাথা নত করে ঘরে ফিরছেন ইমানুয়েল কান্ট;
দ্রাবিঢ়-রমণীর অসহায়ত্বের উঠোনে সগর্বে গজিয়ে ওঠা যে ধর্ষকামী সভ্যতা, তার সাথে আঁতাত করে এই যে বৈঠা বাওয়ার তোড়; একে কি জীবন বলে !
দুরবিন উল্টো হয়ে পড়ে আছে;- এই
স্বপ্নের বাগানে কোনো কুসুমের দ্যাখা নেই
ব্যক্তিজীবনে, এবং সমাজ, রাষ্ট্র ও বৈশ্বিক ঘুর্ণায়নে একের পর এক বিবিধ অন্ধকারের আগমন ঘটে চলেছে। সকল অন্ধকার সবার চোখে পড়ে না। সবাই একই ঘটনা বা দৃশ্যকে অন্ধকার বলে মনেও করেন না। কিন্তু যে-চোখ, তা দেখে, তার কাছে এগুলো অসহ্য বেদনার। অমেয় অন্ধকারের পরিত্রাণহীন বেদনা তাকে কুরে কুরে খায়। সেইসব পরিত্রাণহীন অন্ধকার রাজ্যের কিছু কিছু দৃশ্যকে কবিতায়ন করবার চেষ্টা এই পুস্তকটির প্রধান বৈশিষ্ট্য। এর এক-একটি কবিতা যেন আলোক-প্রত্যাশী প্রাণের পারিজাতে প্রষ্ফূটিত অন্ধকার রাজ্যের নিশানা…।
এই বইয়ের পাণ্ডুলিপি পড়ে নব্বইয়ের কবি শামীম নওরোজ লিখেছেন- ‘কবি বলছেন ‘অন্ধকার সিরিজ’, আমি এই কাব্যগ্রন্থের সকল কবিতা পড়ে বলতে চাচ্ছি ‘আলো সিরিজ’। আমার মনে হচ্ছে এই কাব্যের সকল শব্দে, পংক্তিতে ছড়িয়ে আছে আলো’–
ANDHAKAR SIRIJ by Kumar Deep
শহীদ ইকবাল। প্রাবন্ধিক ও উপন্যাসিক। জন্ম ১৩ আগস্ট, ১৯৭০ রংপুর জেলার পীরগঞ্জে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর এবং এখানেই শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হন। প্রকাশিত অসংখ্য গ্রন্থ রয়েছেÑ কথাশিল্পী আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, মুখশ্রীর পটে, কবিতা: মনন ও মনীষা প্রভৃতি। লিটলম্যাগ ‘চিহ্ন’ এর সম্পাদক।
হয়নাকো দেখা
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.












There are no reviews yet.