Description
রেবা হাবিব একজন গল্পকার, কথাসাহিত্যিক ও কবি। সাতক্ষীরা হাড়দ্দাহা গ্রামের নিবাসী। পিতা- মরহুম সরদার এম এ জলিল এবং মাতা- মরহুমা জোবেদা জলিলের দ্বিতীয় কন্যা।
দুই বোন এক ভাই।
জন্ম : ১৪ মে।
স্বামী- রংপুর নিবাসী, হাবিব আহসান চৌধুরী। একজন ব্যাংকার।
শিক্ষা : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে হোম ইকোনমিক্স কলেজ থেকে চাইল্ড সাইকোলজিতে মাস্টার্স। এরপর ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত।
কর্মজীবনে একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন এবং অটিস্টিক শিশুদের নিয়ে কিছুদিন কাজ করেছেন।
স্কুল ম্যাগাজিন এবং কলেজ ম্যাগাজিন থেকেই লেখালেখি শুরু। এছাড়া নিয়মিত লেখালেখি করছেন জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোতে- ইত্তেফাক, সমকাল, আমাদের সময়, সময়ের আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন, মানবকণ্ঠ, নয়া দিগন্ত ছাড়াও বিভিন্ন ম্যাগাজিনে নিয়মিত ছোটোগল্প ও কবিতা লিখে যাচ্ছেন সমান তালে। নারী লেখক সোসাইটি থেকে যৌথভাবে কবিতা এবং গল্প প্রকাশিত হয়েছে।
কাব্যগ্রন্থ :
দহনে পোড়ে যত অদৃশ্য চালচিত্র (নন্দিতা প্রকাশনী-২০১৭)
অগ্নি ঝরে শূন্যতায় (চিত্রা প্রকাশনী-২০১৯)
অসমাপ্ত রোদের দীর্ঘজীবন (সপ্তডিঙা প্রকাশনী-২০২৩)
গল্পগ্রন্থ :
আমার খোঁপায় বাঁধা তোমার এক জীবন (সপ্তডিঙা প্রকাশনী-২০২৩)
অপেক্ষা এবং লাল বেনারসি (সপ্তডিঙা প্রকাশনী-২০২৪)
হরর থ্রিলার রহস্য গল্প কালো বিড়াল (সপ্তডিঙা প্রকাশনী-২০২৫)




























মানুষ বাঁচে স্বপ্ন নিয়ে। সবার স্বপ্ন থাকে তার পরিবারকে ভালোকিছু উপহার দেওয়া। পরিবারকে ভালো কিছু উপহার দিতে অর্থের দরকার হয়। অর্থ ব্যতীত সবকিছু মূল্যহীন। অর্থের জন্য মানুষ কি না করে। নিজের জীবনকে বাজি রেখে ভূমধ্য সাগরের মতো সাগর রাবারের নৌকা দিয়ে পাড়ি দেয়। এর মধ্যে শতকরা আশি জনই জানে যে তারা মারা যাবে। তবুও তারা পাড়ি দেয়। পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে। আপনজনকে উজাড় করে দিতে। মানুষের কত-শত রকমের স্বপ্ন তা শরণার্থী উপন্যাসটি পড়লে বুঝতে পারবেন। বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপট, আমেরিকা-ইউরোপের চালবাজি এবং দরিদ্র দেশ থেকে পাড়ি দিয়ে ফার্স্ট ওয়াল্ডের নাগরিক হওয়া যে কতটা কষ্টকর এবং ঝুকিপূর্ণ তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। বাস্তব ঘটনাগুলো নিয়ে শরণার্থী উপন্যাসটি লিখিত। যারা ইউরোপ আমেরিকা গিয়েছেন তারা যেমন স্মৃতিচারণ করতে পারবেন। যারা এখনও যাননি তারাও অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবেন।







দিনের বৃষ্টির চেয়ে রাতের বৃষ্টি অনেক বেশি আবেদন নিয়ে মানুষের কাছে ধরা দেয়। ঝড়ের রাতে মেঘের ডাক মানুষের মনে অজানা এক রহস্যের আভাস দেয়। শিক্ষা সফরে রাঙামাটি গিয়ে এমনই এক ঝড়ের রাতে অতিপ্রাকৃত সব গল্পের আসর জমে ওঠে। গল্পের মধ্যমণি বিশ্ববিদ্যালয়ের ষাটোর্ধ্ব বয়সের একজন অধ্যাপক। মেঝেতে থাকা অর্ধগলিত মোমের আলোর সাথে বৃদ্ধ এই শিক্ষকের তীক্ষ্ণ চোখ আর ভারী গলা পরিবেশকে আরো গম্ভীর করে তোলে। গ্রাম বাংলার প্রচলিত নানান ভৌতিক গল্পের বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা তিনি ছাত্রদের মাঝে উপস্থাপন করেন। এক সময় যখন মনে হতে থাকে অতিপ্রাকৃত বলে কিছু হয় না, সকল কিছুই বিজ্ঞান। ঠিক তখন এই অধ্যাপকের কণ্ঠ হতে ভেসে আসে ভিন্ন সুর। এবার তিনি বলতে আরম্ভ করেন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া বিচিত্র আর অদ্ভূত সব গল্প । অবারিত এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল ঘটনা ব্যাখার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। শেষ বেলায় এসেও কোথায় যেন একটা ‘কিন্তু’ থেকেই যায়…
There are no reviews yet.