Additional information
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.41 $ 1.88
গতকাল রাতে মাতাল জোছনা পড়েছিলো জলে
হৃদয়পুরে বসেছিলো নিতম্বের বেসাতি
আর কিছু জোনাকি ঢেলে দিলো আলো-
আমি শুধু পৃথিবী দেখেছিলাম ভাঙা আয়নায়।
অথচ তুমি আজ শুয়ে আছো-
পুকুরের পাড়ে, জোছনা তোমাকে ছোঁয় না
বসন্তসখা উড়ে যায় নীল দিগন্ত ছুঁয়ে
কতো কীটপতঙ্গ বাসা বাঁধে তোমার হিয়ায়।
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
ফারহানা খানম। জন্ম: ১৯শে এপ্রিল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকায়। গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দীপে। ‘ভুগোল ও পরিবেশ’ বিষয়ে স্নাততোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে ব্যাংকে চাকুরি শুরু করলেও বর্তমানে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। নয় ভাই-বোনের মাঝে সবার ছোট বলেই আদরও পেয়েছেন বেশি। প্রথম প্রকাশিত বই, ‘ইছামতি’ (কলকাতা থেকে প্রকাশিত)।
তৃষ্ণার্ত বালুতট
অরণ্যক তপু। জন্ম: ১৯৯৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ঢাকার ঝিগাতলা। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলায়। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ব্যথিত ভায়োলিন
লেখক পরিচিতি :
শারমিন রাহমান। জন্ম: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩। দ্ইু সন্তানের জননী। বাংলাদেশের স্বনামধন্য স্কুলগুলোতে দীর্ঘ ১৫ বছর শিক্ষকতা শেষ করে বর্তমানে চট্টগ্রাম আর্ট সেন্টার ‘ধ্যান’ এর পরিচালক। বিশেষ আগ্রহ আছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে। এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
অপ্রাকৃত কবচ
লেখক পরিচিতি :
তানভীর আহমেদ হৃদয়। জন্ম: ৩ডিসেম্বর, ১৯৮৫ইং। মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছড়া। এছাড়া সম্পাদিত গ্রন্থের তালিকায় আছে কবিতা ও গল্প। লেখকের লেখা প্রতিনিয়ত দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে।
অচেনা রৌদ্রের রঙ
হাসানআল আব্দুল্লাহ। জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৬৭। গোপালগঞ্জ জেলার গোপিনাথপুর গ্রামে। তিনি প্রবর্তন করেছেন নুতনধারার সনেট। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থর সংখ্যা দশ। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার কবিতার অনুবাদে প্রকাশ করেছেন বিশ্ব কবিতার কয়েকছত্র। অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ- সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা, আঁধারের সমান বয়স, এক পশলা সময় প্রভৃতি। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের কুইন্স শহরের পোয়েট লরিয়েট ফাইনালিস্টের সন্মান পেয়েছেন।
বৃত্তের কেন্দ্রেও কবিতার মুখ
লেখক পরিচিতি :
শঙ্করী দাস। জন্ম: ৮ই মে, ১৯৫৮ সনে নিজ জেলা জামালপুরে। কবি প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থগুলোÑ গল্প: ‘প্রতিবিম্ব ও অন্যান্য গল্প’ ‘জলমাটির গল্প’ ও ‘রাহুর চন্দ্রগ্রাস’। কবিতাÑ ‘ঘাসবোনা গ্রাম তাঁতবোনা গ্রাম’। স্মৃতিচারণমূলকÑ ‘গণমানুষের স্মৃতিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ’। গল্পের জন্যে পেয়েছেন পাক্ষিক ঐকতান (বর্ধমান) পত্রিকা পদক। শিশু কবি রকি সাহিত্য পুরস্কার ও নক্ষত্র সাহিত্য পুরস্কার।
বিহান বেলার ঈশ্বর
মেঘ অদিতি। কবি ও গল্পকার হিসেবে ‘দু’বাংলাতে পরিচিত। জন্ম: ৪মে, জামালপুর। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘জলডুমুরের ঘুম (কাব্য)’ ‘অস্পষ্ট আলোর ঘোড়া (গল্প)’ ‘অদৃশ্যতা হে অনিশ্চিতি (কাব্য)’ এবং ‘সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ (মুক্তগদ্য)।
প্রবেশিধকার সংরক্ষিত
মুর্শিদা জামান। জন্ম: ১৯৮৩ সনে বর্তমান বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায়। শৈশব ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণের খুলনা শহরে। বাংলায় অনার্স সহ এমএ করেন ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। কবিতা লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট কাগজ ও সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকাতে ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃতি ও পশু-পাখির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি লেখালেখি নিয়েই ব্যস্ত।
অদৃশ্য ছায়ার প্রজাপতি
রঞ্জনা বিশ্বাস। জন্ম: ১০ডিসেম্বর, ১৯৮১। গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামে খ্রিস্টিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ‘ভুলস্বপ্নে ডুবে থাক আদিবাসী মন’ ও ‘আমি তিনবেলা বৃষ্টিতে ভিজি’ কাব্যগ্রন্থ দু’টি কবির প্রকাশিত কাব্যফসল। এছাড়া কবি কবিতাচর্চার পাশাপাশি ফোকলোরচর্চাকেও ব্রত হিসাবে নিয়েছেন। নৃ-তাত্ত্বিক ও গবেষণাধর্মী কবির আরও বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। কবি বাংলা একাডেমির ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ ও ‘লোকজ সংস্কৃতির বিকাশ’ প্রকল্পে কাজ করছেন। এছাড়া এখন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগে কর্মরত আছেন।
বেদনার পাথর ও প্রান্তিক দীর্ঘশ্বাস
রাজন্য রুহানি। পরিবারের দেওয়া সনদসাক্ষ্য নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। জন্ম: ২রা নভেম্ভর ১৯৮০, জামালপুর জেলা শহরের হাটচন্দ্রায়। কলেজে পা দেবার সাথে সাথেই সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হয়ে পড়েন। স্থানীয় কয়েকটি দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মফস্বল সাংবাদিকতার পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে না পেরে বারবার কবিতার কছেই ফেরা। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং। ১৯৯৮ থেকে কবিতার ভাঁজপত্র শব্দদূত সম্পাদনার সাথে যুক্ত। ঐ বছরই অন্যান্য লেখক সহযোগে আলোচনাগ্রন্থ- ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ; আতিয়ার রহমানের ৭টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এটি লেখকের প্রকাশিত এককবই।
গল্প সমাপ্তির গান
ডালিয়া চৌধুরী। তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন। কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে কবিতা লেখার সূত্রপাত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ‘অনুভবে সুখ’ ‘মেঘময় নিকুঞ্জে রধুন‘ ও ‘জলজ কামনা’।
নীল গোধূলি
কিছু একটা বলাটাই যখন বাধ্যবাধকতাÑবাহুল্য এবং আপেক্ষিক বাতুলতা বাদ রাইখা মাহবুব লীলেন থাইকা ধার কইরা বলতে হয়Ñ ‘আনফিট মিসফিট হইয়া হামাগুড়ি দিয়া হাঁটি, আর রাত্তিরে ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ টাইনা চিক্কুর দিয়া কইÑ যাহ শালা বাঁইচা গেলাম আরও একটা দিন।’
এইটা বড়োবেশি জৈবিক বাঁচা
মানবিক বাঁচনের স্বপ্নও দেখি না বহুদিন
বড়ো তরাসে আছি
বড়ো বেশি চাইপা আছি, নিজের গলা নিজে।
দ্বান্দ্বিক দ্বন্দ্ব বিষয়ক আজাইরা প্রলাপ
কবিতার কাজ প্রকৃতিগতভাবেই বিপ্লবী। এটি আত্মকর্মবিশেষ। এ হলো অভ্যন্তরীণ মুক্তির মসনবি পথ। কবিতা জগৎভ্রমণের সনদ উন্মুক্ত করে দেয়, গড়ে তোলে আরেকটা জগৎ। কবিতা বিচ্ছিন্ন করে, আবার সংযুক্তিও রচনা করে পরম মমতায়। সে এক উন্মাদ অভিলাষের আমন্ত্রণ।
নিশ্বাস-প্রশ্বাস। সমর্পণের জ্ঞান-ভক্তিভাষি নম্যতা। শূন্যের কাছে আকুল প্রার্থনা। অনুপস্থিতির সঙ্গে কথোপকথন। ক্লান্তি, হতাশা আর যন্ত্রণা তাকে পুষ্টি দেয়। কবিতা কখনো আরাধনা, স্তোত্র, মন্ত্রপ্রতিম। শ্রেণি, জাতি আর জাতীয়তার বহিঃপ্রকাশ। অযাচিত মহত্ত্ব, ভূতচর্চা আর জাদুবিদ্যা। অভিজ্ঞতা, অনুভূতি, আবেগ, প্রজ্ঞা আর পরোক্ষের কীর্তন। পাগলামো, জ্যাঠামো আর ছেলেমানুষি প্রগল্ভতা।
অকস্মাতের ফল। উন্নত ও সুউচ্চমার্গে বচন উৎক্ষেপণের ঐশী আচরণকলা। কবিতা সংখ্যালঘুর জন্যে, সম্মিলিত জনতার, ব্যক্তিগতও। নেংটো নৃত্য সে, প্রলাপ। কখনো পাতার মুকুটপরা সম্রাট- জাঁহাপনা! চিত্রিত ও চিৎকৃত। জনপদের সহজিয়া উতল, মরমি উৎসব। কলজেচেরা গান। ঐতিহ্যের রঙ- উজাড় ভালোবাসা। সহাস্যে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন। সর্বোপরি, কবিতা দ্বন্দ্বমূলক ভাববাদ!
Naristhan O Parshoborti Citrokalpo by Hafiz Rashid Khan
বাংলা ছোটোগল্পে কল্লোল (১৯২৩) যুগ আমাদের পাঠাভ্যাসকে বদলে দেয়। নতুন কিছু তো অবশ্যই। যেমন পরিবর্তন হয়েছে গল্পের ন্যারেটিভ তেমনই বিষয়-ভাবনা। পাঠকের রুচির অনুকূল ছিল কি না সেসব গল্প- তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এ-পর্যায়ে সে গল্পগুলোই এখন আমাদের প্রাণ-সংকেত; ওই গল্পগুলোর দিকে তাকিয়েই আধুনিক বাংলা গল্পের বৈচিত্র্যময় টেক্সট নির্মিত হচ্ছে। কী ছিল ওইসব গল্পে? গল্প তো মানুষেরই। রবীন্দ্রনাথের গল্পও তো মানুষেরই গল্প; তারপরও যখন কল্লোলীয় গল্প পাঠকের কাছে এলো, তখন পাঠক একটি স্বতন্ত্র রুচির চর্চা করতে সক্ষম হয়। এর অনেক পরে হাসান আজিজুল হক লিখলেন ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ (১৯৬৭)’। এখান থেকে বাংলা গল্প আরো সুদৃঢ় হয়ে ওঠে। যাকে বলা যায় সবল অস্তিত্ব নিয়ে বাংলা ছোটোগল্পের পরম্পরা নির্মিত হয়। কে বা কারা ছিলেন এগিয়ে সে প্রশ্নও অবান্তর। কিন্তু গল্পের অগ্রযাত্রায় প্রতিনিয়ত যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন ভাবনা; বৈশ্বিকবোধ তাড়িত বিজ্ঞানমনস্ক সামজচিন্তা। সত্তর, আশি, নব্বই অতিক্রম করে যখন শূন্য কিংবা এক, দুই-য়ে বাংলা গল্প দাঁড়ালো, তখন গল্পও উত্তরাধুনিক চেতনায়, অনেক বেশি সাংকেতিক; আবার কখনো অনেক বেশি বিষয়ানুগ। বিষয় হিসেবে সামাজিক কদর্য, রীরংসা, নারীর প্রতি নিগ্রহ গল্পের আধার হয়ে উঠতে থাকে।
নাহার আলম শেষোক্ত ধারার একজন। তার গল্পসমূহে সময়ের চিত্রায়ণ করতে গিয়ে বস্তুত সমাজবাস্তবতাকে টাচ করতে চেয়েছেন। সময়ের সঙ্গী হওয়া বস্তুত কঠিন; কিছুটা চ্যালেঞ্জেরও। প্রথমত- সামাজিক সীমাবদ্ধতা। দ্বিতীয়ত হলো- প্রকাশ ক্ষমতার শিল্পিত সংকোচ। সম্ভবত নাহার আলম-এর ক্ষেত্রে এ-দুয়ের কোনোটিই বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। শিরোনামের একটি মার্কেটট্রেন্ড থাকে। এ-ধারণা থেকে নাহার আলম মুক্ত। এর মৌল কারণ হয়তো বাজারাক্রান্ত হওয়ার স্থুল বাসনা তার নেই।
শ্বাপদ সুন্দর, ধনদাসের রজনিচর, প্রসথেটিক মাস্ক, প্রত্যাখান বা প্রত্যাবর্তন, যোগচিহ্ন ইত্যাদি শিরোনামের গল্পগুলোতে যাচিত সময়ের লড়াই আছে। বেঁচে থাকার লড়াই, আবার আত্মপ্রতীতির লড়াইও। স্বোপার্জিত অর্জনের খেরোখাতায় বস্তুত কোনো বিলাসের গল্প থাকে না; থাকে টিকে থাকার নন্দিত পরমতা। তার কোনো যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা থাকে না। কিন্তু অবশ্যই সমাজবাস্তবতার চলচ্চিত্রায়ণে এর মূল্য অধিক। একজন সিনথিয়ার সফল জননী হয়ে ওঠা, নিবিড়ের বিশ্বাস ও চেতনার সঙ্গে তথাকথিত রাষ্ট্রের দ্বন্দ্ব, শবনমের সমুদ্রসম কষ্ট, অরিণ এবং নীলান্তির জীবনে ঘটে যাওয়া দুঃসহ স্মৃতি সবই তো আমাদের সমাজে বিস্তীর্ণমান দূষিত সম্পর্কায়নের কুফল। এসব কিছুকে যখন লেখক একটি মলাটে অন্তর্ভুক্ত করেন, তখন সেখানে অজস্র পাঠকের অন্তর্জিজ্ঞাসার বাতায়নটা খুলে যায়। পাঠক ওই বিন্দুতে থামতে চান; এবং বলেন এমনই হয়তো চেয়েছি। এ-ধারার গল্পকথায় নাহার আলম পাঠককে মুগ্ধ করার হয়তো প্রত্যয় নেননি- কিন্তু পাঠকের কাছে পৌঁছুতে চেয়েছেন। এখানে তার স্বাতন্ত্র্য অনেকেরই চোখে পড়বে।
আবার কিছু গল্পে উপভাষার প্রয়োগেও তার সিদ্ধহস্ততা কোনো কোনো পাঠককে আগ্রহী করে তুলবে। পাঠকমাত্রই নতুনের সন্ধান চান; তবে সে নতুন, পুরোনোর ভেতর থেকে উত্থিত হলে তার প্রতি মানুষের আকর্ষণ থাকে ভিন্নরকম। এবং বলা বাহুল্য ওই পুরোনোর ভেতর থেকে নতুনের উদ্ভাসন মূলত উত্তরাধুনিক চিন্তারই বহিঃপ্রকাশ। পোস্ট-মডার্ন পাঠক তার গল্প থেকে সে স্বাদও নিতে পারবে বলে মনে হয়েছে। গল্প পাঠান্তে অনেকের হয়তো মনে হতে পারে, গল্পটা আমারই; গল্পের সিনথিয়া, অরিণ, নিবিড় কিংবা শবনম মূলত আমিই।…
Subornopurane Ekhon Neguro Andhokar by Naher Alam
নুডুল বারে নির্ধারিত টেবিলে বসে আমার এইসব স্মৃতিকাতরতা মনে পড়ে। মিশুর সাথে খেতে খেতে গল্প করি। শৈশব-কৈশোর এক আকাশসমান আনন্দের পসরা নিয়ে আমার হাত ধরেছিল। বলা শুরু করলে তা-ই সহজে ফুরায় না।
কত কিছু মনে পড়ে! সেই হাইকোর্ট, রাজশাহী পেরিয়ে সিঙ্গাপুর, লন্ডন। এখন বসে আছি মিশুর সাথে ইপসুইচ। জীবন আমাকে সাইলেন্ট স্ট্রিটের নীরবতা যেমন শিখিয়েছে, হোপ স্ট্রিটের আশাবরী ফুলের গন্ধসুবাসে তেমনই হাসিমুখে পথ থেকে প্রান্তরে নিয়ে গেছে আলস্যে।
জীবন কত-না রহস্য নিয়ে আসে সময়ে সময়ে। তার কতটুকুই-বা ‘রুল টানা খাতা’য় ধরা যায়।
Roll Tana Khata by Sheik Rana
জুলিয়ান সিদ্দিকী। জন্মÑ ১৯৬৮, পাকশী, পাবনা। বর্তমান আবাসস্থলÑ সৌদি আরব, পেশাÑ চাকুরী। গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ লেখেন। প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থÑ উত্তাপ কিংবা উষ্ণতা, কম্পেন্ডার, ছায়াম্লান দিন, ভালবাসার যাতনা যত প্রভৃতি। বাংলা লাইভ ডট কম সেরা গল্প পুরস্কার পেয়েছেন।
বিশ্বাসের দহন ও অন্যান্য গল্প
‘তৃতীয় অধ্যায়’ উপন্যাসটি ট্রিলজির তৃতীয় খণ্ড। এই ট্রিলজির প্রথম খণ্ড ‘ফাঁদ’ ও দ্বিতীয় খণ্ড ‘পুষ্পকথা’ যেগুলো আগে প্রকাশিত হয়েছে। ‘তৃতীয় অধ্যায়’ একটি স্বতন্ত্র উপন্যাস হিসেবে পাঠক উপভোগ করতে পারবেন। তবে পূর্বের দুই খণ্ডের সঙ্গে এই উপন্যাসের কাহিনীর সঙ্গে খুব সামান্যই যোগসূত্র স্থাপিত হয়েছে যাতে পাঠকগণ তিনটি খণ্ডের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজে পান। এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র কিশোরী ‘পুষ্প’ প্রতারণার ফাঁদে পড়ে যৌনকর্মী হতে বাধ্য হয়েছিল যে কাহিনী ‘ফাঁদের’ উপজীব্য। দ্বিতীয় খণ্ড ‘পুষ্পকথা’ নির্মিত হয়েছে তার চমৎকার একটি সংসার-জীবন দিয়ে এবং পুষ্প-দম্পতি কঠোর পরিশ্রম করে যখন একটি স্বপ্নময় ভুবন তৈরি করেছিল তখনই সামাজিক অনাচারের শিকার হয় তার স্বামী। অকালে বিধবা হয় পুষ্প। তৃতীয় খণ্ডে সে তার যমজ সন্তান ছেলে আলোক ও মেয়ে রশ্মিকে নিয়ে নিঃস্ব অবস্থায় প্রমত্ত প্রতিকূল স্রোতের আপসহীন সংগ্রামী অভিযাত্রী। দৃঢ় আত্মপ্রত্যয়ী সংগ্রামী ও দরদি জননী। তার দীপ্তিময় স্বপ্ন হলো দুই সন্তানকে মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে আকণ্ঠ ডুবে থেকে নিজের শ্রম দিয়ে আলোক ও রশ্মিকে লেখাপড়া করাতে শুরু করে। কিন্তু অভাব-অনটন যেন বাঁধভাঙা জোয়ার। আসতে থাকে নানা রকম ঘাত-প্রতিঘাত। সব ঘাত-প্রতিঘাত মোকাবিলা করে এগিয়ে যায় হারা-না-মানা অদম্য সাহসী পুষ্প। এই বিরুদ্ধ স্রোতের কিছুটা সহযোগিতার হাত বাড়ান আলোক-রশ্মির স্কুলের শিক্ষক আফজাল হোসেন এবং বাড়িওয়ালা অধ্যাপক প্রীতিশ কুমার মণ্ডল। আলোক-রশ্মিও ক্রমে উজ্জ্বল শিখার মতো জ্বলে উঠতে থাকে এবং এক সময় ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ প্রতিকূল স্রোতের অভিযাত্রী পুষ্পর স্বপ্নের তরী কূলের সন্ধান পায়।
তৃতীয় অধ্যায় - Tritio Odhyay
তুরস্ক আধ্যাত্মিক সাধকদের দেশ, মওলানা জালাল উদ্দিন রুমির দেশ। লেখক তুরস্কের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে গিয়েছেন সেই আধ্যাত্মিক জগতের ডাকে সাড়া দিতে।
ইস্তাম্বুলে বসফরাস প্রণালী বা সাধারণ কবরস্থান যেন প্রশ্ন এবং উত্তর একইসাথে খুঁজে পাওয়া।
কাপাদোকিয়ার ভূগর্ভস্থ জগৎ আর মেলেন্দিস নদী একটাই সুর ফুটিয়ে তোলে ভাবের জগতের আদান-প্রদানে।
আনতালইয়ার প্রাচীন স্থাপনা বা ভূ-মধ্যসাগরের অভিজ্ঞতা যেন মওলানার পংক্তি ধরে ধরে সেই ধুলোকণা আর নোনা সাগরে উড়াল দেয়া।
যার জন্য পথচলা, উদাস থাকা, যাযাবর জীবন বেছে নেয়া সেই মওলানার পায়ের কাছে লেখক উৎসর্গ করেন নিজের জগৎ।
অনন্য সাধারণ অভিজ্ঞতায় মোড়া ফেথিয়ে শহরে হৃদয়ের অজানা কুঠুরি খুলে যায় তখন, যখন দেখা হয় নিজেরই প্রতিবিম্বের।
দেবী আর্টেমিসের এফেসাস নগরী ফিসফিস করে ফিরে ফিরে এসে গল্প শোনার জন্য। আর সকল ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দু ট্রয় নগর থেকে অজানা ভালোবাসা কুড়িয়ে বেড়ানোর আশায় লেখক উড়ে বেড়ান রাজধানী অবধি, দেখা হয় গানের নাইটিঙ্গেলের সাথে।
তবুও শেষ হয় না পথচলা। শেষ গন্তব্যে তাই বুঝি প্রশ্ন করেন এক আচেনা আত্মা–
‘মানুষ যা খুঁজে ফেরে জীবনভর তা কি পায়?’
উত্তর মওলানা জালাল উদ্দিন রুমি দিয়ে গিয়েছেন।
Mawlana Jalaluddin Rumi'r Khoje Turoske by Fatima Jahan
তিন বোন—তাদের জীবনের ক্লান্তি, প্রতিবাদের সাহস, আর এক অনিশ্চিত যাত্রা। ঘর ছেড়ে পালিয়ে তারা পৌঁছায় কক্সবাজারে, যেখানে ট্রেনেই পরিচয় হয় ইরফানের সাথে। কিন্তু তারা জানতো না, ইরফান একজন সেনা কর্মকর্তা—আর তার ভাগ্যে লেখা আছে এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র।
টেকনাফের সাগর, গুলির শব্দ, আর অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া ইরফান। সাংবাদিক তুষার আহমেদের সাহসিকতায় সে ফিরে আসে, কিন্তু গল্প তখনই মোড় নেয়। জামশেদ বাহিনীর ছায়া, ইমতিয়াজের রহস্যময় রূপান্তর, আর এক অদৃশ্য শক্তির নির্দেশ—সব মিলিয়ে শুরু হয় এক বিপ্লবের খেলা।
বাংলাদেশের সরকার বদলে যায়, বদলে যায় চরিত্রগুলোও। মৃত জামশেদ ফিরে আসে জীবিত হয়ে, তার সাথে সাদা মুনি, নাথাম বম। অনন্যা কি ফিরে পাবে তার মুক্তি? নাকি এই যুদ্ধে হারিয়ে যাবে হৃদয়বতীর আত্মা?
একটি গল্প—যেখানে প্রেম, বিপ্লব এবং অতিপ্রাকৃত একসাথে মিশে যায়।
একটি উপাখ্যান—যা পাঠককে নিয়ে যাবে বাস্তবের সীমা ছাড়িয়ে, এক নতুন জগতে।
Hridoyboti by Mizanur Rahman Rana
জন্ম ১২ জুন, ঝিনাইদহ জেলাধীন শৈলকূপা উপজেলার গোলক নগর গ্রাম। লেখাপড়াÑ ভাষা-যোগাযোগ ও সংস্কৃতি, গণবিশ্ববিদ্যালয়। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির সাথে যুক্ত। আসল নাম আলীনূর রহমান হলেও লিখে চলেছেন কখনো বঙ্গরাখাল, কখনোবা শুভ্রনূর বাবু নামে।
লোক মানুষের গান ও আত্ম অন্বেষণ
সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলাই কবির কাজ। কিন্তু এটা নেহায়েৎ সহজ কোনো কাজ নয়। এজন্য কবিকে সারা জীবন সাধনা করে যেতে হয়, হতে হয় দুঃসময়ের মখোমুখি আর কবি হয়ে ওঠেন সুন্দরের স্বপ্নদ্রষ্টা এবং সৌন্দর্য ক্রমেই সংক্রামিত হয়ে মানুষের মনের মন্দিরে রূপ লাভ করে।
Sundorer Shwapnodroshta - Rasel Muhammad Khairul
দশম শ্রেণিতে পড়া ১৫ বছরের নিশি ও কলেজে পড়া ১৭ বছরের অর্ক এই দুই টিনএজ বিপরীত স্বভাবের বালক বালিকার পরস্পরকে ভালো লাগার গল্প ‘নিশির চোখে জল’। এ বয়সে দেহ-মনের যে পরিবর্তন ঘটে, চিন্তা-চেতনায় অনুভবে জেগে ওঠে স্বপ্নের ভুবন, কামনাবাসনার গোপন জগৎ তৈরি হয়। আমি চেষ্টা করেছি টিনএজ বয়সের এই আনন্দ-বেদনা নির্ভর ভুবনের ছবি আঁকতে।
নিশির মা তনিমা ও অর্কের মা মাধবী স্কুল জীবনের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। অর্কের বাবা একজন চিত্রশিল্পী। কী এক অজানা কারণে একদিন নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। এই বিপদে মাধবী কারো সাহায্য প্রার্থী হয়নি। এত দিন একাই অর্ককে নিয়ে সংসার টেনেছেন। অর্ক খুব অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য অর্ককে নিয়ে ঢাকায় তনিমার বাসায় এসেছে মাধবী। ১৭ বছরের অর্ক আর ১৫ বছরের নিশির দেখা হয়। তারপর…
Nishir Chokhe Jol by Serajuddin Ahmed
জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ গল্পময়। পথ চলতে কখন কোন্ কথাটি গল্প হয়ে ওঠে কে বলতে পারে! তাই গল্প মানেই জীবনের আখ্যান। শুধু জীবনের নয়- সমাজ-সভ্যতার চলমান সময়ের প্রতিচ্ছবিও। বইয়ের শিরোনামের গল্পটিতে যেমন আমাদের ক্ষয়িষ্ণু সমাজের ছবি ফুটে উঠেছে তেমনি বাকি গল্পগুলোয় আছে স্বদেশপ্রেম, ভালবাসা, মমত্ববোধ, মঙ্গল কামনা অন্যদিকে রিরংসা, ষড়যন্ত্র, প্রতারণার কাহিনি। সবকিছু মিলিয়ে প্রত্যেকটি গল্পই আলাদা বৈশিষ্ট্যে বিশিষ্ট। পাঠককে অনন্য রস ও আনন্দের সন্ধান দেবে নিঃসন্দেহে।
Lokti Aine Bhango Korechilo - Santosh Kumar Sheel
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.




















There are no reviews yet.