Additional information
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.41 $ 1.88
গতকাল রাতে মাতাল জোছনা পড়েছিলো জলে
হৃদয়পুরে বসেছিলো নিতম্বের বেসাতি
আর কিছু জোনাকি ঢেলে দিলো আলো-
আমি শুধু পৃথিবী দেখেছিলাম ভাঙা আয়নায়।
অথচ তুমি আজ শুয়ে আছো-
পুকুরের পাড়ে, জোছনা তোমাকে ছোঁয় না
বসন্তসখা উড়ে যায় নীল দিগন্ত ছুঁয়ে
কতো কীটপতঙ্গ বাসা বাঁধে তোমার হিয়ায়।
| Weight | 0.200 kg |
|---|---|
| Published Year |
লেখক পরিচিতি :
হান্নান হামিদ, লেখক নাম কালের লিখন। জন্ম: আগস্ট, ১৯৮৪। জামালপুর। ‘বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস’ লেখকের প্রথম বই।
বিশ্বাস শুধুই নিঃশ্বাস
সঞ্চয় সুমন। ঢাকাবাসী এক কবি। যে শুধু কল্পনার রঙে আঁকে শব্দ খেলার মাঠ। এই গ্রন্থটি কবির প্রথম কাব্যফসল।
গুপ্ত সমরে মুক্তির ঠিকানা
আবু জাঈদ। জন্ম: ২২শে জুলাই ১৯৮৩, ঢাকা। পড়াশুনা অসমাপ্ত রেখে একসময় কবি বাউণ্ডুলে জীবনের এলোমেলো আলপথে নেমে যান বেঁচে থাকার প্রয়োজনে, তাই বলে কাব্যচর্চা থেমে থাকেনি। এক সন্তানের জনক। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
মানচিত্রের ফাঁসি চাই
অয়ন্ত ইমরুল। জন্ম: ১২ই এপ্রিল ১৯৮৭ইং, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার আজিমনগর গ্রামে। পদ্মা নদীর ভয়াল গ্রাসে শৈশবেই ঠিকানার পরিবর্তন ঘটে বর্তমানে সাভার আশুলিয়ায় বসবাসরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ছায়াসমুদ্র
কাজী রহমান। পরবাসী লেখক নিজের পছন্দ মতো বাঁচতে দু-যুগ আগে মার্কিন মুলুকে চলে আসেন স্ত্রী ও প্রথম শিশুকন্যা সাথে নিয়ে। বড় হয়েছেন পুরনো ঢাকার গেন্ডারিয়া’য়। জ্ঞান হবার পরপরই নিজেকে আবিষ্কার করেছেন ঘরের পাশের গ্রন্থাগারে, বিভিন্ন শিশু সংগঠন আর সমাজসেবামূলক সংগঠনের আলোছায়ায়। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার দুরন্ত কিশোর স্বাধীনতার যুদ্ধ দেখেছেন কাছ থেকে আর আতঙ্কের দিন গুনেছেন সারাক্ষণ মুক্তিযোদ্ধা দু’ভাইয়ের ঘরে ফেরার অপেক্ষায়। গ্রাজুয়েশন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কর্মজীবন কেটেছে বিদেশী এয়ার লাইন্সের কর্মকর্তা হিসেবে।
তারাধুলো জল ও নস্টালজিয়া
দেবাশীষ ধর। জন্ম: ৫ই জানুয়ারি, ১৯৮৯। চট্টগ্রাম। কবিতার ছোটকাগজ ‘বাঙাল’ এর সম্পাদক। কবির এটি প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
ফসিলের কারুকাজ
রনক জামান। জন্ম:১৬ই ডেসেম্বর ১৯৯১, মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলায়। লেখালেখির হাতেখড়ি ছোটবেলাতেই কবিতার প্রতি মুগ্ধতা থেকেই তার প্রতি ভালোবাসা। এটাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে, যৌথ কবিতাগুচ্ছ ‘মায়ানগরীর বৃষ্টিকথন’, কবিতার ই-বুক ‘শরীর ছোঁয়া আঙুলগুলো’ এবং অনুবাদ উপন্যাস ‘ললিতা’।
ঘামগুলো সব শিশিরফোঁটা
ফারহানা খানম। জন্ম: ১৯শে এপ্রিল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকায়। গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দীপে। ‘ভুগোল ও পরিবেশ’ বিষয়ে স্নাততোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে ব্যাংকে চাকুরি শুরু করলেও বর্তমানে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। নয় ভাই-বোনের মাঝে সবার ছোট বলেই আদরও পেয়েছেন বেশি। প্রথম প্রকাশিত বই, ‘ইছামতি’ (কলকাতা থেকে প্রকাশিত)।
তৃষ্ণার্ত বালুতট
অরণ্যক তপু। জন্ম: ১৯৯৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ঢাকার ঝিগাতলা। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলায়। বর্তমানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত বই।
ব্যথিত ভায়োলিন
ডালিয়া চৌধুরী। তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন। কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে কবিতা লেখার সূত্রপাত। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ‘অনুভবে সুখ’ ‘মেঘময় নিকুঞ্জে রধুন‘ ও ‘জলজ কামনা’।
নীল গোধূলি
মেঘ অদিতি। কবি ও গল্পকার হিসেবে ‘দু’বাংলাতে পরিচিত। জন্ম: ৪মে, জামালপুর। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘জলডুমুরের ঘুম (কাব্য)’ ‘অস্পষ্ট আলোর ঘোড়া (গল্প)’ ‘অদৃশ্যতা হে অনিশ্চিতি (কাব্য)’ এবং ‘সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ (মুক্তগদ্য)।
প্রবেশিধকার সংরক্ষিত
রাজন্য রুহানি। পরিবারের দেওয়া সনদসাক্ষ্য নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। জন্ম: ২রা নভেম্ভর ১৯৮০, জামালপুর জেলা শহরের হাটচন্দ্রায়। কলেজে পা দেবার সাথে সাথেই সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হয়ে পড়েন। স্থানীয় কয়েকটি দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মফস্বল সাংবাদিকতার পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে না পেরে বারবার কবিতার কছেই ফেরা। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং। ১৯৯৮ থেকে কবিতার ভাঁজপত্র শব্দদূত সম্পাদনার সাথে যুক্ত। ঐ বছরই অন্যান্য লেখক সহযোগে আলোচনাগ্রন্থ- ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ; আতিয়ার রহমানের ৭টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এটি লেখকের প্রকাশিত এককবই।
গল্প সমাপ্তির গান
প্রতীকাশ্রিত রূপকল্পের ভেতর দিয়ে করোটিমঞ্চে খেমটাওয়ালি অস্তিত্ব ও অনস্তিত্বের কিছু অন্তর্জ্ঞানীয় দৃশ্যকে সাকার করে তুলেছে। এখানে মহেঞ্জোদারো-নর্তকীর নির্মিত ত্রিভুজের ভেতর আঘ্রাত হয় পদ্মসৌরভ, আকাশে বিস্তৃত হয় পদ্মতন্তুর অসীম অংশুজাল, রক্তপদ্মের ছায়ার ভেতর মাছের সংকেতভাষা দীপ্যমান হয়ে ওঠে, জলপুষ্পের ত্রিভুজভ‚মির ভেতর তরঙ্গধ্বনি সংশ্রুত হয়, নির্জন জলদৃশ্যের ভেতর জেগে ওঠে কার্পাস-আচ্ছাদিত পদ্মদল যা কখনো স্বপ্নের ভেতর করতলে আঁকে সাইজমিক ঊর্মিকা; নারকেল বনের এসরাজ আর নিভৃত মাঠ সুষুম্নার ভেতর পার্থিব গান্ধার রচনা করে, অঞ্জন ফুলের অন্তরালে মাঠের রূপান্তরণ সমস্ত সত্তায় শিহরন জাগায়, কখনো নীল পপির গানে কেঁপে ওঠে মাঠ; প্রতিটি চন্দ্রকম্পের পর স্নিগ্ধ-কিরণ অপ্সরা আবির্ভূত হয়; সৈকতচারিণীর সেরিব্রামে কাক্সক্ষা ও শ্রান্তির দ্বৈরথ দৃশ্যমান হয়, গুলাচিনিলীন সৈকতে জলশব্দে খুলে যেতে থাকে সীমান্তের সকল দরজা; আর নীল বরফের নিচে নিস্পন্দ শরীরে শ্রুত হয় মাইক্রোবের গুঞ্জন।
Karotimanche Khemtawali by Gauranga Mohanto
মনে করো আমরা আছি আগের সময়েই !
তুমি আমি অবাস্তব ভালোবাসায়
একবার এক পলক দেখার আশায়
মৃত্যু ও জীবনের মাঝে হেঁটে যাওয়া সুন্দর সময়ে ।
Prithibite Sundar Bole Ar Kichui Robe Na by Shaheed Lotus
‘তৃতীয় অধ্যায়’ উপন্যাসটি ট্রিলজির তৃতীয় খণ্ড। এই ট্রিলজির প্রথম খণ্ড ‘ফাঁদ’ ও দ্বিতীয় খণ্ড ‘পুষ্পকথা’ যেগুলো আগে প্রকাশিত হয়েছে। ‘তৃতীয় অধ্যায়’ একটি স্বতন্ত্র উপন্যাস হিসেবে পাঠক উপভোগ করতে পারবেন। তবে পূর্বের দুই খণ্ডের সঙ্গে এই উপন্যাসের কাহিনীর সঙ্গে খুব সামান্যই যোগসূত্র স্থাপিত হয়েছে যাতে পাঠকগণ তিনটি খণ্ডের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজে পান। এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র কিশোরী ‘পুষ্প’ প্রতারণার ফাঁদে পড়ে যৌনকর্মী হতে বাধ্য হয়েছিল যে কাহিনী ‘ফাঁদের’ উপজীব্য। দ্বিতীয় খণ্ড ‘পুষ্পকথা’ নির্মিত হয়েছে তার চমৎকার একটি সংসার-জীবন দিয়ে এবং পুষ্প-দম্পতি কঠোর পরিশ্রম করে যখন একটি স্বপ্নময় ভুবন তৈরি করেছিল তখনই সামাজিক অনাচারের শিকার হয় তার স্বামী। অকালে বিধবা হয় পুষ্প। তৃতীয় খণ্ডে সে তার যমজ সন্তান ছেলে আলোক ও মেয়ে রশ্মিকে নিয়ে নিঃস্ব অবস্থায় প্রমত্ত প্রতিকূল স্রোতের আপসহীন সংগ্রামী অভিযাত্রী। দৃঢ় আত্মপ্রত্যয়ী সংগ্রামী ও দরদি জননী। তার দীপ্তিময় স্বপ্ন হলো দুই সন্তানকে মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে আকণ্ঠ ডুবে থেকে নিজের শ্রম দিয়ে আলোক ও রশ্মিকে লেখাপড়া করাতে শুরু করে। কিন্তু অভাব-অনটন যেন বাঁধভাঙা জোয়ার। আসতে থাকে নানা রকম ঘাত-প্রতিঘাত। সব ঘাত-প্রতিঘাত মোকাবিলা করে এগিয়ে যায় হারা-না-মানা অদম্য সাহসী পুষ্প। এই বিরুদ্ধ স্রোতের কিছুটা সহযোগিতার হাত বাড়ান আলোক-রশ্মির স্কুলের শিক্ষক আফজাল হোসেন এবং বাড়িওয়ালা অধ্যাপক প্রীতিশ কুমার মণ্ডল। আলোক-রশ্মিও ক্রমে উজ্জ্বল শিখার মতো জ্বলে উঠতে থাকে এবং এক সময় ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ প্রতিকূল স্রোতের অভিযাত্রী পুষ্পর স্বপ্নের তরী কূলের সন্ধান পায়।
তৃতীয় অধ্যায় - Tritio Odhyay
জাপান একটি বিস্ময়কর দেশ! এই ধারণাটি আমার মধ্যে জন্ম নিয়েছিল ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে। স্বাভাবিকভাবেই যা ছিল না বাংলাদেশে তা জাপানে বিদ্যমান। অর্থাৎ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, উন্নত খাবারদাবার এবং আধুনিক প্রযুক্তির কারণে এশিয়ার আমেরিকা বলে বিদেশিদের মুখে শুনেছি, পত্রপত্রিকায় পড়েছি। কিন্তু আমার কাছে উন্নত প্রযুক্তির কারণেই নয়, তার সঙ্গে যুক্ত জাপানিদের আধ্যাত্মিকতা, সুকুমার বৃত্তি এবং অগ্রসর চিন্তাচেতনা। এসব কারণে এই দেশটিকে আমার অনন্য, অসামান্য এবং প্রেরণাদায়ী মনে হয়েছে।
আশি দশকের শেষদিকে যখন একদিন জাপানশীর্ষ রবীন্দ্রগবেষক, বাংলা ভাষা ও বাঙালিপ্রেমী একজন জাপানি নাগরিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলাপ হলো, সেদিন জাপানের প্রতি ভালোলাগার মাত্রাও সহসাই কয়েক গুণ বেড়ে গেল। আমার একাকীত্ব ও শূন্যতা কেটে গেল। সেই বিদগ্ধ নাগরিক অধ্যাপক কাজুও আজুমার সঙ্গে অকস্মাৎ সাক্ষাৎ ও কথপোকথন জাপান সম্পর্কে আমার ধারণাকেই বদলে দিল। মনে হলো জাপান আমার অনাত্মীয় নয়, আপন একটি রাষ্ট্র। আর তা মনে হয়েছিল উক্ত অধ্যাপক যখন রাজা রামমোহন রায়, বিদ্যাসাগর, স্বামী বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে উচ্চধারণা পোষণ করে জাপান ও বাংলা অঞ্চলের মধ্যে বহু বছরের শিক্ষা, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ভাববিনিময়ের কথা বললেন। আমি অবাক হয়ে শুনলাম তার কথা এবং প্রবল আগ্রহ জন্মাল জাপান দেশটি সম্পর্কে।
ভারতবর্ষ ও বাংলা অঞ্চলের সঙ্গে জাপানের গভীর সম্পর্ক অত্যন্ত কৌতূহলোদ্দীপক বুঝতে সক্ষম হলাম, যখন গ্রন্থাগারে গিয়ে তৎসম্পর্কিত বিস্তর তথ্যাদির সন্ধান পেলাম। তারই প্রচেষ্টার ফসল হলো “জানা আজানা জাপান” প্রবন্ধ সংকলনের প্রথম খণ্ড। ১৯৮৭ সাল থেকেই জাপান সম্পর্কে জানা ও বোঝার চেষ্টাস্বরূপ লেখালেখি শুরু করেছিলাম। প্রথমদিকে বাংলাদেশের দৈনিক ও সাপ্তাহিক কাগজে এবং পরবর্তীকালে আমার সম্পাদিত “মানচিত্র” কাগজে বেশকিছু প্রবন্ধ ও নিবন্ধ প্রকাশিত হলো। সেসব রচনায় জাপানের আলোকিত দিক যেমন রয়েছে, তেমনি মন্দ দিকও বিদ্যমান। মন্দের চেয়ে ভালো দিকই অধিক এবং শিক্ষণীয়, অনুকরণীয় বলে আমার জোরালোভাবেই মনে হয়েছে।
২০০৭ সালে বিশটি প্রবন্ধ ও নিবন্ধ বাছাই করে প্রথম সংকলনটি প্রকাশিত হয়েছিল কলকাতা থেকে। কিন্তু প্রচুর মুদ্রণজনিত ভুল ও বিভ্রান্তির কারণে গ্রন্থটি বাজারজাত করা হয়নি। পরের বছর ঢাকা থেকে স্বব্যয়ে পুনরায় প্রকাশিত হয় এবং ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে পাঠকমহলে। এশিয়ার প্রথম শিল্পোন্নত ধনী রাষ্ট্র জাপানের প্রতি বাঙালির প্রবল আগ্রহ উনবিংশ শতকের শেষদিক থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত বিদ্যমান থাকার উজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে, কিন্তু জাপানের বহু অজানা দিক ও বিষয় সম্পর্কে ভারতবাসী বা বাঙালির কোনো ধারণাই ছিল না যেমনটি আমারও। সেসব বিষয় নিয়েই আমার রচনাসমূহ আলোড়ন তুলেছিল পাঠকমহলে। অনেক বিদগ্ধ পাঠক, গবেষক, লেখক, চিন্তাবিদ এবং সাংবাদিকের কাছ থেকে পেয়েছি আন্তরিক প্রশংসা ও উষ্ণ সাধুবাদ।
প্রবন্ধগুলো বিভিন্ন সময় সময় বিভিন্ন পত্রিকা ও সাময়িকীতে লিখেছি ফলে তথ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে, যা এড়ানো এককথায় অসম্ভব। পাঠকের বিরক্তির কারণ হলে তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।
আমার পরম সৌভাগ্য যে, দীর্ঘ বছরের ব্যবধান ঘুচিয়ে পুনরায় প্রথম খণ্ডটির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হচ্ছে উদীয়মান প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অনুপ্রাণন প্রকাশন থেকে তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই প্রকাশককে।
Jana Ojana Japan (1st Volume) by Probir Bikash Sarker
‘দুঃখিত এই মুহূর্তে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ কথাটা শুনে ভীষণ ভড়কে যায় আকলিমা। আরও কয়েকবার ফোন দিয়ে একই কথা শুনতে পায় সে। হাত-পা কাঁপতে থাকে। চোখের চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। বুকের খোড়লে শব্দ হয় দুমদুম। ভাবে, এ কোন পরীক্ষায় পড়লো সে। নানারকম চিন্তা মাথায় জট পাকায়। ছেলেটির কোনো বিপদ হলো না তো! না কি ইচ্ছে করেই তার সাথে এমনটি করছে সে। কিন্তু কেন করবে এমন? বিশ্বাস করতে পারে না আকলিমা। কিন্তু তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু যায় আসে না। পৃথিবীতে বহু ঘটনা ঘটে যেটার মীমাংসা মানুষ করতে পারে না। তাই খেয়ালে-বেখেয়ালে মানুষ মানুষকে নিয়ে খেলে আশ্চর্য সব ভয়ংকর খেলা। তবু আশা ছাড়ে না আকলিমা। অপেক্ষায় থাকে অদেখা ছেলেটির ফোনের জন্য। কিন্তু কিছু অপেক্ষার হয়তো শেষ থাকতে নেই। জীবনকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ নিজেকে ভারমুক্ত করতে চায়। নিজেকে ভাগ্যের ঘরে ঠেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খুঁজে পায় না সে। বায়বীয় এক সম্পর্কের টানে এতো দূর চলে আসা নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রকাশ মাত্র। দূরে পশ্চিমে লাল সূর্যটা ঝুলে আছে মায়া লাগিয়ে। একপা দু’পা করে সামনে এগোয় সে। হাঁটতে হাঁটতে একটি পুলিশ বক্সের নিচে গিয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ নিশ্বাস বাতাসে মিশে হু হু করে ছুটে পালাচ্ছে পূব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণে। কড়া বিকালটা চুপ হয়ে নরম বিকেল হয়ে উঠেছে কেবল। দুজন কনস্টেবল তাকে ফলো করে কাছে এসে দাঁড়ায়। সাদারঙের পুলিশটা মাথা ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘কোথায় যাবে?’
Bhagyo Ek Koutuker Nam by Milon Ashraf
গাঢ় প্রগাঢ়–
তোমার গলার স্বর বেজে ওঠে কালিক ভাষায়
আমি ঊর্ধ্বাকাশে তাকালে ঝরে পড়ে
নিষ্ঠ পেন্ডুলামের নির্মোহ দোল।
নস্টালজিক বিভাস
তুরস্ক আধ্যাত্মিক সাধকদের দেশ, মওলানা জালাল উদ্দিন রুমির দেশ। লেখক তুরস্কের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে গিয়েছেন সেই আধ্যাত্মিক জগতের ডাকে সাড়া দিতে।
ইস্তাম্বুলে বসফরাস প্রণালী বা সাধারণ কবরস্থান যেন প্রশ্ন এবং উত্তর একইসাথে খুঁজে পাওয়া।
কাপাদোকিয়ার ভূগর্ভস্থ জগৎ আর মেলেন্দিস নদী একটাই সুর ফুটিয়ে তোলে ভাবের জগতের আদান-প্রদানে।
আনতালইয়ার প্রাচীন স্থাপনা বা ভূ-মধ্যসাগরের অভিজ্ঞতা যেন মওলানার পংক্তি ধরে ধরে সেই ধুলোকণা আর নোনা সাগরে উড়াল দেয়া।
যার জন্য পথচলা, উদাস থাকা, যাযাবর জীবন বেছে নেয়া সেই মওলানার পায়ের কাছে লেখক উৎসর্গ করেন নিজের জগৎ।
অনন্য সাধারণ অভিজ্ঞতায় মোড়া ফেথিয়ে শহরে হৃদয়ের অজানা কুঠুরি খুলে যায় তখন, যখন দেখা হয় নিজেরই প্রতিবিম্বের।
দেবী আর্টেমিসের এফেসাস নগরী ফিসফিস করে ফিরে ফিরে এসে গল্প শোনার জন্য। আর সকল ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দু ট্রয় নগর থেকে অজানা ভালোবাসা কুড়িয়ে বেড়ানোর আশায় লেখক উড়ে বেড়ান রাজধানী অবধি, দেখা হয় গানের নাইটিঙ্গেলের সাথে।
তবুও শেষ হয় না পথচলা। শেষ গন্তব্যে তাই বুঝি প্রশ্ন করেন এক আচেনা আত্মা–
‘মানুষ যা খুঁজে ফেরে জীবনভর তা কি পায়?’
উত্তর মওলানা জালাল উদ্দিন রুমি দিয়ে গিয়েছেন।
Mawlana Jalaluddin Rumi'r Khoje Turoske by Fatima Jahan
মা ঘুমপাড়ানি গান শোনায়। মাসিপিসির ছড়া শোনায়। দৈত্যদানবের গল্প শোনায়। তবুও ঘুম আসে না মিতুর। ঘুমোতে একটুও ভালো লাগে না তার। শুধু খেলাতে ইচ্ছে করে। হঠাৎ একদিন কী যেন হয়। খুব ঘুম পায় তার। চোখের পাতা মেলতেই পারে না। ঘুমের কোলে ঢলে পড়ে সে। কত কথা হয় ঘুমের সাথে ওর। মিতু বলে, তুমি এতোদিন আসোনি কেন? ঘুম বলে, আমি তো তুমি চাইলেই আসতে পারি। তোমার মনের ভেতরেই আমি থাকি। আমার বোনের নাম স্বপ্ন। সে তোমার কথা বলে আমায় চুপি চুপি। তারপর আমি তোমার কছে চলে আসি। স্বপ্ন? সে কোথায়? এই তো তোমার কাছেই। দেখতে পাচ্ছো না তুমি? মিতু এবার ঘুম আর স্বপ্নের সঙ্গে উড়ে উড়ে মেঘপরিদের দেশে যায়। তারপর! তারপর তো অনেক অনেক মজা। আরো অনেক মজা আছে। নিসর্গ ও কুনোব্যাঙ কী বন্ধু হতে পেরেছিল? মেঘের ভেলায় চড়ে সেদিন কে এসেছিল? পুষি টুসি দুবোন কাশবনে কী শুধুই মজা করছিল? কু ঝু কেমন করে লোভী সাপকে শিক্ষা দিল? সন্টিমন্টি কীভাবে ভিনদেশি একটি দোয়েল পাখির বন্ধু হলো? কবুতর ছানা পারি কীভাবে বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা পেল? আর ভূতের রেলগাড়ি! খুব ভয়ের ব্যপার! গা ছমছম করবে! ছোট্ট বন্ধুরা, সবকিছু জানতে হলে তো মজার মজার গল্পগুলো পড়তে হবে!
ঘুমের যদি হতো ছুটি - Ghumer Zodi Hoto Chuti
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.
















There are no reviews yet.