Additional information
| Weight | 0.225 kg |
|---|---|
| Published Year |
$ 1.76 $ 2.35
নিজেকে বিক্রি করতে পারা কিংবা বিক্রি করার চেষ্টা করা অথবা নিজের বিরুদ্ধে নিজেকে দাঁড় করিয়ে বিশ্লেষণ করা এই সময়ের মুখচ্ছবি। সেখানে বাস্তব কিংবা কাল্পনিক চরিত্ররা একেকটি বিস্ময়! অন্ধকার ফুটপাত থেকে উঁচু মুখের থাবায় চলে যায় অন্ধ রেলগাড়ি। আর অতিরিক্ত ঘ্রাণে জড়িয়ে যায় মুদি থেকে গোরস্তান। মৃত্যুস্রোত ও গহীনের আলো আনন্দকে ডুবিয়ে দেয় চেহারার ঘনত্ব। তারপরও রক্তভ্রম, আহত কি-বোর্ড, শীতবইয়ের শর্তসমূহ ঘেউমারা পড়শি চোখের যাদুতে জেগে থাকে দীর্ঘপথ। পাশাপাশি হাঁটতে থাকা ছায়াগুলো কানে-মুখে ঢুকে যায়। আবার বেরিয়েও যায় উচ্চতায়, নিজস্বতায় অথবা নানা পরিচ্ছেদে। গল্পের বয়ানে উহ্য আছে এমন অনেক গোপন সাঁকো। পথ জুড়ে শর্তের ভেতরের চোখকে আবিষ্কার করার চেষ্টায় চারপাশে তৈরি হয়েছে খণ্ড খণ্ড দৌড়। ‘লাবণ্য দাশের সাথে দেখা হওয়ার পর’ গল্পগ্রন্থটি এমনই দশটি গল্প কিংবা দশটি পরিচ্ছেদে দাঁড়িয়ে আছে।
| Weight | 0.225 kg |
|---|---|
| Published Year |
জন্ম ১৯৮৭, পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে। পড়াশোনার পাশাপাশি ফটোগ্রাফির সাথে যুক্ত। প্রকৃতি আর মানুষ এই দুই নিয়েই তার পথচলা। নিজের উপর আত্মবিশ্বাস রয়েছে
প্রেম হলো প্রেমের মতো
মুখর জীবনগদ্য
শাশ্বত নিপ্পন। জন্ম: মেহেরপুর, মে ১৮, ১৯৭০। পেশা: শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতা। এবং সংস্কৃতিকর্মী ও নাট্যকর্মী। তার আরো দুটি প্রকাশিত গ্রন্থ রয়েছেÑ অনতিক্রম (২০১৩), পুনরুত্থান (২০১৪)।
অশনির ছন্দ
সোলায়মান সুমনÑ জন্ম ১মে ১৯৭৯, চাঁপাই নবাবগঞ্জ। তরুণ বয়সে লেখালেখি শুরু। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস। পেশায় শিক্ষক। ত্রৈমাসিক অনুপ্রাণন প্রকাশনের সাথে যুক্ত।
ছায়াগুলো জেগে থাকে
১৯৬২ সালের ৫ ডিসেম্বর, ময়মনসিংহে কবি আশুতোষ পাল ও শিউলি পালের সংসারে জন্ম।
লেখাপড়া- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষিবিজ্ঞানে স্নাতক এবং সুইডেন থেকে পরিবেশ বিজ্ঞানে ডিপ্লোমা।
পেশা- এনজিও কর্মী দিয়ে শুরু এবং বর্তমানে সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত।
প্রকাশিত অন্যান্য বই- রাতপঞ্জি (২০০৩),পুননির্বাচিত আমি- ২০১১।
Asochorachor
মির্জা মুজাহিদ। পেশাগতভাবে বিজ্ঞাপন শিল্পের সাথে জড়িত। জন্মেছেন নড়াইল শহরে। এখন ঢাকায় থাকেন। চেষ্টা করে যাচ্ছেন নিয়মিত ‘কথা’র শিল্পী হতে।
বিপ্রতীপ
শামীম সাঈদ, কবি ও গল্পকার। জন্মÑ ১০ জানুয়ারি ১৯৭৯। কলসনগর, লালপুর নাটোর। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থÑ এই কথা বৃষ্টিবাচক, এভাবে খুলবে না আঁচলের খুঁট, সদা ভাগতেছে ভববান।
কুঁড়িকাল ও যুগযাপনের গল্প
অনিন্দ্য আসিফ। জন্ম- ২৩ মে, ১৯৮১। কতিয়াচর, কিশোরগঞ্জ। পিতা- মোঃ আব্দুল হাই, মা- হাওয়া আক্তার।
শাদা অথবা শূন্য
মোঃ জিয়াউল হক; জন্ম : ১৯৮১ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি, গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গোবিন্দী গ্রামে। পিতা- মোঃ নাছির উদ্দীন, মাতা- মোছাঃ জাহানারা বেগম। পড়াশোনা : এম.এ (রাষ্ট্রবিজ্ঞান)। পেশা : দীর্ঘ এক যুগ ‘গ্রাফিক ডিজাইনার’ ও ‘পেইন্টার’ হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করার পর, বর্তমান পেশা শিক্ষকতা।লেখালেখির হাতে খড়ি হয় ১৯৯৫ সালে। লেখালেখির শুরুটা মফস্বল এলাকার নাট্যপ্রেমী ছেলেদের জন্য মঞ্চ নাটকের কাহিনি রচনার মধ্য দিয়ে স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় কবিতা ও ছড়া লেখার চেষ্টা, বহুদিন। সেই চেষ্টা থেকেই ২০০০ সালে প্রকাশিত ‘দৈনিক ঘাঘট’ পত্রিকায় ‘আঁড় চোখে দেখা’ শিরোনামে বিদ্রুপাত্মক ছড়া নিয়মিত লেখালেখি। এই সময় সাহিত্যপ্রেমী বন্ধুদের সাথে নিয়ে ‘অগ্নিরথ’ নামক একটি অনিয়মিত মাসিক সাহিত্য ম্যাগাজিন সম্পাদনা ও প্রকাশনা কাজেও যুক্ত। কিন্তু ইতিমধ্যে রুটিরুজির জীবনযুদ্ধ শুরু হলে কবিতা-ছড়া বিলিন হয়ে যায় জীবন থেকে।
অন্তর্দাহ
রুমা মোদক, মাতা: দীপ্তি রানী মোদক, পিতা: প্রিয়তোষ মোদক, জন্ম: হবিগঞ্জ। জেলা শহর থেকে প্রকাশিত সংকলনগুলোতে লেখালেখির মাধ্যমেই হাতেখড়ি। শুরুটা আরো অনেকের মতোই কবিতা দিয়ে। ২০০০ সালে প্রকাশিত হয় কাব্যগ্রন্থ ‘নির্বিশঙ্ক অভিলাষ’। এরপর ধীরে ধীরে জড়িয়ে পড়েন মঞ্চনাটকে। রচনা করেন কমলাবতীর পালা, বিভাজন, জ্যোতি সংহিতা ইত্যাদি মঞ্চসফল নাটক। অভিনয়ও করেন। মঞ্চে নাটক রচনার পাশাপাশি নিরব অন্তঃসলিলা স্রোতের মতো বহমান থেকেছে গল্প লেখার ধারাটি। জীবন ও জগতকে দেখা ও দেখানোর বহুস্তরা এবং বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতার উৎসারণ ঘটেছে ২০১৫ সালের বইমেলায় প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন ‘ব্যবচ্ছেদের গল্পগুলি’তে। ‘প্রসঙ্গটি বিব্রতকর’ গ্রন্থভুক্ত গল্পগুলোতে সে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি হয়ে উঠেছে আরও নির্মোহ, একবগগা, খরখরে কিন্তু অতলস্পর্শী ও মমতাস্নিগ্ধ।
গল্প লেখার স্বীকৃতিস্বরূপ ইতোমধ্যে পেয়েছেন বৈশাখী টেলিভিশনের পক্ষ থেকে সেরা গল্পকারের পুরস্কার, ফেয়ার এন্ড লাভলী সেরা ভালোবাসার গল্প পুরস্কার। ২০১৪ সালে মঞ্চনাটকে অবদানের জন্য পেয়েছেন ‘তনুশ্রী পদক’।
বর্তমানে সক্রিয় রয়েছেন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের পত্র-পত্রিকা, লিটলম্যাগ এবং বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে প্রকাশিত অন্তর্জাল সাহিত্য পোর্টালে লেখালেখিতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এম.এ সম্পন্ন করে শিক্ষকতা পেশায় জড়িত রয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে স্বামী অনিরুদ্ধ কুমার ধর ও যমজ সন্তান অদ্বিতীয়া অভীপ্সা পদ্য ও অদ্বৈত অভিপ্রায় কাব্যকে নিয়ে হবিগঞ্জে বসবাস করছেন।
সিদ্দিকী হারুন
সাহিত্য ও সংবাদকর্মী
প্রসঙ্গটি বিব্রতকর
জুলিয়ান সিদ্দিকী। জন্মÑ ১৯৬৮, পাকশী, পাবনা। বর্তমান আবাসস্থলÑ সৌদি আরব, পেশাÑ চাকুরী। গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ লেখেন। প্রকাশিত অন্যান্য গ্রন্থÑ উত্তাপ কিংবা উষ্ণতা, কম্পেন্ডার, ছায়াম্লান দিন, ভালবাসার যাতনা যত প্রভৃতি। বাংলা লাইভ ডট কম সেরা গল্প পুরস্কার পেয়েছেন।
বিশ্বাসের দহন ও অন্যান্য গল্প
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে লেখকের নাম হাসান মাহবুব। তিনি নাড়–গোপাল দত্ত অথবা ইসমাইল আহমেদ নন। তিনি রবীন্দ্রনাথ বা আগাথা ক্রিস্টি নন। তিনি দূর আকাশের নীল নক্ষত্র, ধোঁয়া ওঠা কফির মগ, বাজারে মেয়েটির অপরিচ্ছন্ন অন্তর্বাস, ট্রাফিক পুলিশের সিগন্যাল বাঁশি অথবা লোম কাটার মওসুমের ভেড়ার দীর্ঘশ্বাসও নন। তিনি লেখেন। তবে ‘তিনি’ই লেখেন কি-না এই নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ লেখার মতো পরিশ্রমের কাজে বছরের পর বছর এত শ্রম দিয়েছেন, দুটো বইও বের করেছেন (প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত এবং আনন্দভ্রম) তার সাথে এসব ঠিক যায় না। এত সব প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি হাসান মাহবুব হবার চেষ্টা করছেন এবং তারই ফলশ্রুতিতে আরো একটি বই প্রকাশ করে ফেললেন। তিনি সকলের দোয়া প্রার্থী!
নরকের রাজপুত্র
হাসপাতালের বারান্দা।
ক্যান্সারাক্রান্ত বাবার পাশে বিষণ্ন মা বসে আছেন।
কেমোথেরাপি চলছে; তখন ছোটোভাই বাঁধন বিদেশে, আমি অনেক দূরের শহরে কর্মসূত্রে, কখনো-বা ফিরি উৎকণ্ঠিত পথ পেরিয়ে মধ্যরাতের ক্লান্তি নিয়ে; এইসব লেখা লিখিয়ে নিয়েছে একটা অসুখমুখর সময়। অধিকাংশই ২০২২-২৩ সময়ের। তারপরে সে-বার (কবি মালেকা
ফেরদৌস) আপার সাথে, ২০২৪-এ তনুশ্রীকে নিয়ে হাসপাতালে কুঁড়িয়ে পাওয়া শব্দগুচ্ছ টুকে রেখেছিলাম। কবিতার হয়ে উঠলো কি না! সংশয়…
Haspataler Baranda by Atiqur Rahaman Himu
ষোলোটি গল্প নিয়ে এই গ্রন্থ। ষোলোটি গল্প ষোলোটি আয়না। কী দেখতে চান আয়নায়? নিজের না সমাজের মুখ? নাকি দেখতে চান- বৈশ্বিক রাজনীতির কালি কীভাবে পালটে দেয় স্বদেশের মুখশ্রী?
কেউই চায় না আয়নায় ফুটে উঠুক নিজের ছদ্মবেশ। তবু কখনও যদি ফুটে ওঠে মুখোশের প্রতিবিম্ব, সে দায় আয়না বিক্রেতার নয়।
আপনি হাসবেন না কাঁদবেন, প্রেমে দুলবেন না দহনে দগ্ধ হবেন, নিজেকে নিজে সুড়সুড়ি দিবেন না শরীর চুলকোবেন, রেটিনায় ধরবেন দৃষ্টিভ্রম না দূরদৃষ্টি, সত্য লালন করবেন না পরাজিত প্রেতাত্মার কপালে তিলক পরাবেন- সবই আপনার অনুভূতির ব্যাপার। তবে তীব্র শ্লেষে যদি আপনার অনুভূতি বিদ্ধ হয়, তবেই আয়নার কারিগর সার্থক।
Russir Boma Bonam Achiyar Unun - Habibullah Rasel
সম্মানিত পাঠক, আপনি যতই উপন্যাসের মর্মমূলে প্রবেশ করবেন, ততই সবিস্ময়ে আবিস্কার করবেন, এটি একটি অবিশ্বাস্য প্রেমকাহিনী। এই প্রেম নিছক মানবীয় নয়, এই প্রেম মানুষ ও জি¦নকন্যার। ইংরেজিতে যাকে বলে ‘ক্রস-অ্যাফেয়ার’। উপন্যাসের নায়ক নাসির এক শ্বাসরুদ্ধকর মহাজাগতিক ভ্রমণে পাঠককে নিয়ে গেছেন সুগভীর রোমাঞ্চ ও অ্যাডভেঞ্চারে। মানবজীবনের গতিপথ শৈশব, কৈশোর, যৌবন ও বার্ধক্যের কালচক্রে বাঁধা হলেও এ উপন্যাসের জীবনচক্র যেন আবর্তিত হয়েছে উল্টোরথে।
এই উপন্যাসের লেখক শুধু জীবনকেই স্পর্শ করেননি, তিনি স্পর্শ করেছেন ভূগোল ও ইতিহাসকেও। তাঁর বর্ণনায় জীবন্ত হয়ে উঠেছে বিশ্বের দর্শনীয় স্থান, ঐতিহাসিক নিদর্শন, জি¦নজাতির ইতিহাস, সমাজ, সংসার ও প্রেম। উপন্যাসের বাঁকে বাঁকে পাঠক আন্দোলিত হবেন মানবজীবনের হাসিকান্না, স্বপ্ন, অশ্রু, দুঃখ, অভিমান, হিংসা, ঘৃণা, প্রতীক্ষা ও বিসর্জনের দোলাচলে।
-ড. শাহেদ ইকবাল
Jinkonna Nargiser Prem - Humayun Kabir
বিভিন্ন প্রশিক্ষণ সেশনে ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কাজ করে আমার মনে হলো যে, বাংলাভাষায় একটি গ্রন্থ থাকা উচিত যা প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও সৃষ্টিশীল, মননশীল ধারাবাহিকতায় শিল্পময় করে তুলতে পারে। এ’ছাড়া এই গ্রন্থটি প্রশিক্ষণকে একটু সামান্য হলেও সমৃদ্ধ করবে এবং বাংলা ভাষাভাষী প্রশিক্ষকদেরকে নতুনভাবে চিন্তার করার সুযোগ সৃষ্টি করবে। এরূপ ভাবনা থেকেই আমার এ গ্রন্থটি রচনা করি। আবার বলছি এটি কোন মৌলিক রচনা নয় বরং ধার করা গ্রন্থনা যা বাংলা ভাষাভাষীদের উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য কিছু সহযোগিতা করতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস।
এই গ্রন্থটি বাংলাদেশে ও ভারতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করে যখন যা দেখেছি ও শিখেছি তা আমি সংঘবদ্ধ করলাম। এর পিছনে আরও একটি কারণ আছে যে, বাংলাদেশের বিরাট একটি অংশ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কার্যক্রম অবিরাম উন্নয়নের ধারায় নিয়োজিত। এই বিরাট অংশের মধ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রায় সমস্ত অংশে বিরাজ করছে বলে ধরে নেওয়া যায়। কারণ প্রতিটি উন্নয়ন সংস্থাই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমেই জন মানুষের মানবিক গুণাবলীর বিকাশকে ভিত্তি করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এগিয়ে যাচ্ছে। এই ব্যাপক পরিসরে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পৃথিবীর আরও কোন দেশে আছে কিনা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে ভাবতে পারি না অথচ এ দেশেই প্রশিক্ষণ উপযোগী বাংলাভাষায় তেমন উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ নেই যা অবাক করে। আমার এই বইটি অনেক প্রশিক্ষককে বই লিখার জন্যও উৎসাহী করবে বলে আমার বিশ্বাস।
Proshikkhan Shyak Poribesh (Training Game) by Mojammel Haque Neogi
Get access to your Orders, Wishlist and Recommendations.









There are no reviews yet.